সেইদিন এই মাঠ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর সেইদিন এই মাঠ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৪৭

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল
মেজর এজাজের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের বিরুদ্ধে নীলগঞ্জবাসীর প্রতিবাদ যেন সমগ্র বাঙালির প্রতিবাদী সত্তারই বহিঃপ্রকাশ- আলোচনা করো।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রMCQ
'আমি তো মরে যাব, চলে যাবো, রেখে যাব সবই' গানের কথার সাথে 'সেই দিন এই মাঠ' কবিতার কোন ভাবের সঙ্গতি আছে?
  • ক.মৃত্যু চেতনা
  • খ.প্রকৃতির বহমানতা
  • গ.মানুষের স্বপ্নময়তা
  • ঘ.কৃত্রিমতার ধ্বংস

উত্তর: মৃত্যু চেতনা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: যখন মৃত্যু ঘুমে শুয়ে রবো- অন্ধকারে নক্ষত্রের নিচে, কাঁঠাল গাছের তলে- হয়তো বা ধলেশ্বরী চিলাইয়ের পাশে দিনমান কোনো মুখ হয়তো সে শ্মশানের কাছে নাহি আসে তবুও কাঁঠাল জাম বাংলার তাহাদের ছায়া যে পড়িছে আমার বুকের 'পরে- আমার মুখের 'পরে নীরবে ঝরিছে নিবিড় হয়েছে তাই আমার চিতার ছাইয়ে বাংলার ঘাস। উদ্দীপক-২ : আমার দেশের মাটিতে আমার প্রাণ নিতি লভে নব জীবনের সন্ধান এখানে প্লাবনে নুহের কিন্তুি ভাসে শান্তি কপোত বারতা লইয়া আসে জেগেছে নতুন চর সেই চরে ফের মানুষেরা সব পাশাপাশি বাঁধে ঘর।

Jessore · 2022

ক
পৃথিবীর কোন সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে?

উত্তর

পৃথিবীর 'এশিরিয়া' সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে।
খ
“সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে”- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

'সোনার স্বপ্নের সাধ' বলতে কবি বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ চিরন্তন থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের এবং মানুষের স্বপ্নের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি টিকে থাকে। প্রকৃতির মতো পৃথিবীতে কল্যাণকর্ম বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি বা কর্মী হারিয়ে যায়। তবে ব্যক্তির স্বপ্ন হারায় না। কবি মনে করেন, তিনি যখন পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে প্রকৃতির নিয়মের এই স্বাভাবিকতা বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
গ
দৃশ্যপট-১ এর সাথে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি হলো প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের দিক। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবিতার বর্ণনায় কবি তুলে ধরেছেন, আপন রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি চির প্রবহমান। প্রকৃতির সৌন্দর্য কখনো শেষ হয় না। নশ্বর এই পৃথিবীতে মানুষ একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কিন্তু প্রকৃতির বহমানতা চিরকালীন । উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এ কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য চেতনায় লীন হয়ে থাকার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর স্বদেশপ্রকৃতির চিরচেনা নক্ষত্রের রাত, কাঁঠাল গাছের ছায়া, ধলেশ্বরী, চিলাই নদীর সৌন্দর্য অবলোকন করেন। মৃত্যুর পরও তা অবিকল রয়ে যাবে, সৌন্দর্য ছড়াবে। কবির কাছে চিতার ছাই বাংলার সবুজ ঘাসের মতো মনে হয় স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের কারণে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এর এই চেতনা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবিও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণের অমলিনতার কথা বলেছেন। কবি এখানে প্রকৃতির সৌন্দর্যের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। এই চেতনা উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ যথাযথভাবে ধারণ করেছে।
ঘ
দৃশ্যপট-২ এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার বিষয় ভাবনায় প্রতিফলিত হয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন, পৃথিবীতে মানুষ ও মানুষের তৈরি সভ্যতা নশ্বর। মানুষের তৈরি কোনোকিছুই অবিনশ্বর হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রকৃতি অবিনশ্বর, প্রকৃতি টিকে থাকে চিরকাল। প্রকৃতির সঙ্গে টিকে থাকে মানুষের স্বপ্ন। স্বপ্নের মৃত্যু নেই। প্রকৃতির অবিনশ্বরতার সঙ্গে মানুষের স্বপ্ন ও স্বপ্নের গল্প মিলেমিশে অবিনশ্বর হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর আবার মানুষের নবজাগরণ ঘটার কথা বলা হয়েছে। এখানে স্বদেশের মাটি, আলো, বাতাসে মিশে থাকা প্রাণের পুনর্জাগরণের দিকটি প্রতিফলিত হওয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। এখানে নুহের প্লাবনের চেতনা ধ্বংসের আর শান্তির কপোতের বারতা নিয়ে আসা নবজীবনের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়। একদিকে ভাঙনে মানুষের অস্তিত্ব সংকট, অন্যদিকে নতুন চর জেগে ওঠায় মানুষের নবজীবনের জয়গান, নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এর চেতনার সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার বিষয়গত চেতনার মিল লক্ষ করা যায়। আলোচ্য কবিতায় কবি মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার কথা বলেছেন। তিনি যখন এই পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও এখানকার প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন-সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। আর এর সঙ্গে মানুষের স্বপ্নও বেঁচে থাকবে। নব নব চেতনায় প্রতিফলিত হবে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি বলেছেন যে জাগতিক নিয়মে অবিনশ্বর প্রকৃতির বিপরীতে নশ্বর মানবজীবনস্রোত। মানুষ মরে গেলেও প্রকৃতির প্রবহমানতা থামে না, সময়ের ব্যবধানে কেবল ধারা বদলায়। এই ধারা বদলানোর বিষয়টির সঙ্গে দৃশ্যপট-২-এর মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। মানুষের স্বপ্নের প্রবহমানতা প্রকৃতির সঙ্গে এক হয়ে টিকে থাকে। এভাবে দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর নবজীবনের পদচারণা, মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার ধারায় প্রবহমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: যখন মৃত্যু ঘুমে শুয়ে রবো- অন্ধকারে নক্ষত্রের নিচে, কাঁঠাল গাছের তলে- হয়তো বা ধলেশ্বরী চিলাইয়ের পাশে দিনমান কোনো মুখ হয়তো সে শ্মশানের কাছে নাহি আসে তবুও কাঁঠাল জাম বাংলার তাহাদের ছায়া যে পড়িছে আমার বুকের 'পরে- আমার মুখের 'পরে নীরবে ঝরিছে নিবিড় হয়েছে তাই আমার চিতার ছাইয়ে বাংলার ঘাস। উদ্দীপক-২ : আমার দেশের মাটিতে আমার প্রাণ নিতি লভে নব জীবনের সন্ধান এখানে প্লাবনে নুহের কিন্তুি ভাসে শান্তি কপোত বারতা লইয়া আসে জেগেছে নতুন চর সেই চরে ফের মানুষেরা সব পাশাপাশি বাঁধে ঘর।

Jessore · 2022

ক
পৃথিবীর কোন সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে?

উত্তর

পৃথিবীর 'এশিরিয়া' সভ্যতাটি ধুলো হয়ে গেছে।
খ
“সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে”- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

'সোনার স্বপ্নের সাধ' বলতে কবি বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ চিরন্তন থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের এবং মানুষের স্বপ্নের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি টিকে থাকে। প্রকৃতির মতো পৃথিবীতে কল্যাণকর্ম বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি বা কর্মী হারিয়ে যায়। তবে ব্যক্তির স্বপ্ন হারায় না। কবি মনে করেন, তিনি যখন পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে প্রকৃতির নিয়মের এই স্বাভাবিকতা বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
গ
দৃশ্যপট-১ এর সাথে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-১-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি হলো প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের দিক। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবিতার বর্ণনায় কবি তুলে ধরেছেন, আপন রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রকৃতি চির প্রবহমান। প্রকৃতির সৌন্দর্য কখনো শেষ হয় না। নশ্বর এই পৃথিবীতে মানুষ একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কিন্তু প্রকৃতির বহমানতা চিরকালীন । উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এ কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য চেতনায় লীন হয়ে থাকার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর স্বদেশপ্রকৃতির চিরচেনা নক্ষত্রের রাত, কাঁঠাল গাছের ছায়া, ধলেশ্বরী, চিলাই নদীর সৌন্দর্য অবলোকন করেন। মৃত্যুর পরও তা অবিকল রয়ে যাবে, সৌন্দর্য ছড়াবে। কবির কাছে চিতার ছাই বাংলার সবুজ ঘাসের মতো মনে হয় স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের কারণে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এর এই চেতনা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবিও প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণের অমলিনতার কথা বলেছেন। কবি এখানে প্রকৃতির সৌন্দর্যের অমরত্বের দিকটি তুলে ধরেছেন। এই চেতনা উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ যথাযথভাবে ধারণ করেছে।
ঘ
দৃশ্যপট-২ এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর মানুষের নবজীবনের পদচারণা 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার বিষয় ভাবনায় প্রতিফলিত হয়েছে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন, পৃথিবীতে মানুষ ও মানুষের তৈরি সভ্যতা নশ্বর। মানুষের তৈরি কোনোকিছুই অবিনশ্বর হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রকৃতি অবিনশ্বর, প্রকৃতি টিকে থাকে চিরকাল। প্রকৃতির সঙ্গে টিকে থাকে মানুষের স্বপ্ন। স্বপ্নের মৃত্যু নেই। প্রকৃতির অবিনশ্বরতার সঙ্গে মানুষের স্বপ্ন ও স্বপ্নের গল্প মিলেমিশে অবিনশ্বর হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর আবার মানুষের নবজাগরণ ঘটার কথা বলা হয়েছে। এখানে স্বদেশের মাটি, আলো, বাতাসে মিশে থাকা প্রাণের পুনর্জাগরণের দিকটি প্রতিফলিত হওয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। এখানে নুহের প্লাবনের চেতনা ধ্বংসের আর শান্তির কপোতের বারতা নিয়ে আসা নবজীবনের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়। একদিকে ভাঙনে মানুষের অস্তিত্ব সংকট, অন্যদিকে নতুন চর জেগে ওঠায় মানুষের নবজীবনের জয়গান, নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা। উদ্দীপকের দৃশ্যপট-২-এর চেতনার সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার বিষয়গত চেতনার মিল লক্ষ করা যায়। আলোচ্য কবিতায় কবি মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার কথা বলেছেন। তিনি যখন এই পৃথিবীতে থাকবেন না তখনও এখানকার প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন-সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। আর এর সঙ্গে মানুষের স্বপ্নও বেঁচে থাকবে। নব নব চেতনায় প্রতিফলিত হবে। 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কবি বলেছেন যে জাগতিক নিয়মে অবিনশ্বর প্রকৃতির বিপরীতে নশ্বর মানবজীবনস্রোত। মানুষ মরে গেলেও প্রকৃতির প্রবহমানতা থামে না, সময়ের ব্যবধানে কেবল ধারা বদলায়। এই ধারা বদলানোর বিষয়টির সঙ্গে দৃশ্যপট-২-এর মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। মানুষের স্বপ্নের প্রবহমানতা প্রকৃতির সঙ্গে এক হয়ে টিকে থাকে। এভাবে দৃশ্যপট-২-এ ধ্বংসের পর নবজীবনের পদচারণা, মানুষের স্বপ্নের অবিনশ্বরতার ধারায় প্রবহমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো