আম-আঁটির ভেঁপু বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর আম-আঁটির ভেঁপু অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৯৭

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই; মাগো আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই? Q. উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের যে দিকটি অনুপস্থিত- (i) দারিদ্র্যের চিত্র (ii) দুরন্তপনা (iii) প্রকৃতি ঘনিষ্ঠতা নিচের কোনটি সঠিক?
  • ক.i ও ii
  • খ.i ও iii
  • গ.ii ও iii
  • ঘ.i, ii ও iii

উত্তর: i ও ii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্রকান্ড একটা ধাউস ঘুড়ি লইয়া বোঁ বোঁ শব্দে উড়াইয়া বেড়াইবার সেই ঘাঠ, তাইরে নাইরে না করিয়া উচ্চৈঃস্বরে স্বরচিত রাগিণী আলাপ করিয়া অকর্মণ্যভাবে ঘুরিয়া বেড়াইবার সেই নদী তীর। দিনের মধ্যে যখন তখন ঝাঁপ দিয়া পড়িয়া সাঁতার কাটিবার সেই সংকীর্ণ স্রোতস্বিনী, চিত্তকে চণ্ডাল করিত।

Chittagong · 2016

ক
হরিহর কাজ সেরে কখন বাড়ি ফিরল?

উত্তর

হরিহর কাজ সেরে দুপুরের কিছু পর বাড়ি ফিরল।
খ
দিদির কথায় নুন ও তেল আনতে অপু দ্বিধা করছিল কেন?

উত্তর

দিদির কথায় নুন ও তেল আনতে অপু দ্বিধা করছিল মায়ের ভয়ে। দুর্গা কিছু আমের কুসি এনে কাটে। কাটা আমগুলো জারানোর জন্য দুর্গা অপুকে তেল-নুন আনতে বলে। আম দেখে অপু খুশি হলেও মায়ের বকুনির ভয়ে সে নুন ও তেল আনতে দ্বিধা করে। এমনকি সংস্কারের কথাও উল্লেখ করে সে বলে যে, বাসি কাপড়ে তেলের ভাঁড় ছুঁলে মা তাকে মারবে। অবশেষে দুর্গাকে দরজায় পাহারায় রেখে সে তেল-নুন আনতে যায়।
গ
উদ্দীপকে পঠিত গল্পের কোন দিকের ইঙ্গিত লক্ষণীয়? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে পঠিত গল্পের অপু ও দুর্গার চঞ্চলতা ও দুরন্তপনার দিকের ইঙ্গিত লক্ষণীয়। শৈশব হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময় কোনো বাধা থাকে না, থাকে না কোনো নিষেধের ঘোর বা প্রভাব। মানুষের জীবনে শৈশবের দিনগুলো কাটে প্রচুর হাসি আর আনন্দে। ঘুড়ি ওড়ানো, আম কুড়ানো, নদীতে সাঁতার কাটা, আর সারাদিন নানা রকম খেলায় মেতে থাকা—এসবই শৈশবের বৈশিষ্ট্য। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু-দুর্গার জীবন ছিল প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। দুরন্ত স্বভাবের দুর্গা এক মুহূর্তও ঘরে থাকত না। প্রকৃতির সঙ্গে তার ছিল নিবিড় সখ্য। মায়ের শাসন উপেক্ষা করে সে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াত। সে আম কুড়াত, নাটা ও রড়া ফল সংগ্রহ করত। তার সঙ্গী ছিল একমাত্র ছোট ভাই অপু।উদ্দীপকেও এমন প্রাণচঞ্চলতার কথাই বলা হয়েছে। খোলা মাঠে উচ্চ স্বরে গান গাওয়া, নদী তীরে ঘুরে বেড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি—এই চিত্তের চঞ্চলতা অপু-দুর্গার দুরন্তপনাকেই মনে করিয়ে দেয়।এভাবে তুলনা করলে দেখা যায়—উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু-দুর্গার দুরন্তপনাকেই ইঙ্গিত করে।
ঘ
"উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।" - মূল্যায়ন কর।

উত্তর

"উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। শৈশবের সুখস্মৃতি মানুষকে সারাজীবন অনুভবতাড়িত করে। শৈশব মানুষের জীবনে এমন একটা সময় যখন কোনো বিধিনিষেধ শিশুকে ঘরে আটকে রাখতে পারে না। এ সময় শিশুরা দুরন্তপনায় মেতে ওঠে। তারা স্বাধীনভাবে মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করে। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে গ্রামীণ জীবনে প্রকৃতি-ঘনিষ্ঠ দুই ভাইবোনের আনন্দিত জীবনের দিক ফুটে উঠেছে। গল্পের দরিদ্র জীবন-যন্ত্রণার মধ্যেও অপু ও দুর্গার দূরন্তপনার বিষয়টি প্রধান হয়ে উঠেছে। অপু ও দুর্গার শিশুমনের বিস্ময় ও কৌতূহল গল্পটিকে মানুষের চিরায়ত শৈশবকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। উদ্দীপকেও শৈশবের চিরায়ত দুরন্তপনার বিষয় লক্ষ করা যায়। খোলা মাঠে ঘুড়ি উড়ানো, অলসভাবে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতার কাটা যা শিশু হৃদয়কে চঞ্চল করত। এই চঞ্চল হৃদয়ের প্রকাশ ঘটেছে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দুর্গার মধ্যে। উদ্দীপকে যে শিশু-কিশোর হৃদয়ের চঞ্চলতার কথা বলা হয়েছে গল্পে সবকিছু ছাপিয়ে সেই চঞ্চলতাই ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্রকান্ড একটা ধাউস ঘুড়ি লইয়া বোঁ বোঁ শব্দে উড়াইয়া বেড়াইবার সেই ঘাঠ, তাইরে নাইরে না করিয়া উচ্চৈঃস্বরে স্বরচিত রাগিণী আলাপ করিয়া অকর্মণ্যভাবে ঘুরিয়া বেড়াইবার সেই নদী তীর। দিনের মধ্যে যখন তখন ঝাঁপ দিয়া পড়িয়া সাঁতার কাটিবার সেই সংকীর্ণ স্রোতস্বিনী, চিত্তকে চণ্ডাল করিত।

Chittagong · 2016

ক
হরিহর কাজ সেরে কখন বাড়ি ফিরল?

উত্তর

হরিহর কাজ সেরে দুপুরের কিছু পর বাড়ি ফিরল।
খ
দিদির কথায় নুন ও তেল আনতে অপু দ্বিধা করছিল কেন?

উত্তর

দিদির কথায় নুন ও তেল আনতে অপু দ্বিধা করছিল মায়ের ভয়ে। দুর্গা কিছু আমের কুসি এনে কাটে। কাটা আমগুলো জারানোর জন্য দুর্গা অপুকে তেল-নুন আনতে বলে। আম দেখে অপু খুশি হলেও মায়ের বকুনির ভয়ে সে নুন ও তেল আনতে দ্বিধা করে। এমনকি সংস্কারের কথাও উল্লেখ করে সে বলে যে, বাসি কাপড়ে তেলের ভাঁড় ছুঁলে মা তাকে মারবে। অবশেষে দুর্গাকে দরজায় পাহারায় রেখে সে তেল-নুন আনতে যায়।
গ
উদ্দীপকে পঠিত গল্পের কোন দিকের ইঙ্গিত লক্ষণীয়? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে পঠিত গল্পের অপু ও দুর্গার চঞ্চলতা ও দুরন্তপনার দিকের ইঙ্গিত লক্ষণীয়। শৈশব হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময় কোনো বাধা থাকে না, থাকে না কোনো নিষেধের ঘোর বা প্রভাব। মানুষের জীবনে শৈশবের দিনগুলো কাটে প্রচুর হাসি আর আনন্দে। ঘুড়ি ওড়ানো, আম কুড়ানো, নদীতে সাঁতার কাটা, আর সারাদিন নানা রকম খেলায় মেতে থাকা—এসবই শৈশবের বৈশিষ্ট্য। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু-দুর্গার জীবন ছিল প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। দুরন্ত স্বভাবের দুর্গা এক মুহূর্তও ঘরে থাকত না। প্রকৃতির সঙ্গে তার ছিল নিবিড় সখ্য। মায়ের শাসন উপেক্ষা করে সে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াত। সে আম কুড়াত, নাটা ও রড়া ফল সংগ্রহ করত। তার সঙ্গী ছিল একমাত্র ছোট ভাই অপু।উদ্দীপকেও এমন প্রাণচঞ্চলতার কথাই বলা হয়েছে। খোলা মাঠে উচ্চ স্বরে গান গাওয়া, নদী তীরে ঘুরে বেড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি—এই চিত্তের চঞ্চলতা অপু-দুর্গার দুরন্তপনাকেই মনে করিয়ে দেয়।এভাবে তুলনা করলে দেখা যায়—উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু-দুর্গার দুরন্তপনাকেই ইঙ্গিত করে।
ঘ
"উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।" - মূল্যায়ন কর।

উত্তর

"উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। শৈশবের সুখস্মৃতি মানুষকে সারাজীবন অনুভবতাড়িত করে। শৈশব মানুষের জীবনে এমন একটা সময় যখন কোনো বিধিনিষেধ শিশুকে ঘরে আটকে রাখতে পারে না। এ সময় শিশুরা দুরন্তপনায় মেতে ওঠে। তারা স্বাধীনভাবে মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করে। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে গ্রামীণ জীবনে প্রকৃতি-ঘনিষ্ঠ দুই ভাইবোনের আনন্দিত জীবনের দিক ফুটে উঠেছে। গল্পের দরিদ্র জীবন-যন্ত্রণার মধ্যেও অপু ও দুর্গার দূরন্তপনার বিষয়টি প্রধান হয়ে উঠেছে। অপু ও দুর্গার শিশুমনের বিস্ময় ও কৌতূহল গল্পটিকে মানুষের চিরায়ত শৈশবকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। উদ্দীপকেও শৈশবের চিরায়ত দুরন্তপনার বিষয় লক্ষ করা যায়। খোলা মাঠে ঘুড়ি উড়ানো, অলসভাবে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতার কাটা যা শিশু হৃদয়কে চঞ্চল করত। এই চঞ্চল হৃদয়ের প্রকাশ ঘটেছে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দুর্গার মধ্যে। উদ্দীপকে যে শিশু-কিশোর হৃদয়ের চঞ্চলতার কথা বলা হয়েছে গল্পে সবকিছু ছাপিয়ে সেই চঞ্চলতাই ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সমগ্রতা স্পর্শ করেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১ পাড়ার বালকদের সর্দার সুজন। সারাদিন বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়ানো, এর ওর গাছের ফল ছেঁড়া, নদীতে দাপাদাপি করা তার কাজ। শত দুরন্তপনার মাঝেও ছোট ভাই সুমনকে আগলে রাখে সে। তাকে রেখে কোনো খাবারও মুখে তোলে না। উদ্দীপক-২ সারাক্ষণ সংসারে নাই-নাই, নাই-নাই আর ভালো লাগে না শেফালীর। ঘর থেকে বের হলে পাওনাদারদের তাগাদা তাকে অতিষ্ঠ করে। ছেলেরা কবে নতুন জামা পরেছে মনে পড়ে না তার।

Sylhet · 2016

ক
আজকাল লক্ষ্মী কোথায় বাঁধা পড়েছে?

উত্তর

আজকাল চাষাদের ঘরে লক্ষ্মী বাঁধা পড়েছে।
খ
'ঠাকুরের হাঁড়ি দেখচি শিকেয় উঠেচে'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

"ঠাকুরের হাঁড়ি দেখচি শিকেয় উঠেচে"- কথাটি দ্বারা হরিহরের দারিদ্র্যপীড়িত সাংসারের দুরবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। হরিহর দরিদ্র ব্রাহ্মণ। স্ত্রী-ছেলেমেয়ে নিয়ে কায়-ক্লেশে তার সংসার চলে। গোমস্তার কাজ, যজমানি ইত্যাদি করে বহু কষ্টে দিন কেটে যায়। একদিন সে দশঘরা গ্রামে যায় তাগাদার জন্য। সেই গ্রামের এক লোক হরিহরকে ঐ গ্রামে বসবাস করার প্রস্তাব করে এবং তার কাছ থেকে মন্ত্র নিতে চায়। কিন্তু হরিহর তৎক্ষণাৎ রাজি হয় না। কারণ দরিদ্র হলেও তার আত্মসম্মানবোধ রয়েছে। তৎক্ষণাৎ রাজি হলে লোকটি ভাবত সে বুঝি চরম অর্থ-কষ্টে পড়েছে। এই ভাবনাই প্রকাশ পেয়েছে প্রশ্নোক্ত কথাটিতে।
গ
উদ্দীপক-২-এ 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক ২-এ 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের হরিহরের সংসারের দারিদ্র্যের দিকটি ফুটে উঠেছে। দারিদ্র্য একটি অভিশাপ স্বরূপ। দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত হয়ে মানুষ দিশেহারা। খাদ্য নেই, বস্ত্র নেই, শিক্ষা নেই। চারিদিক শুধু হাহাকার। পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। উদ্দীপক ২-এ এক দরিদ্র পরিবারের চিত্র ফুটে উঠেছে। সংসারে সারাক্ষণ নাই নাই শুনতে আর ভালো লাগে না শেফালীর। ঘর থেকে বের হলে পাওনাদারের তাগাদায় সে অতিষ্ঠ। ছেলেদের ঠিকমতো পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যবস্থা করতে পারে না। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে সর্বজয়ার ছোট সংসার। তার সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে। স্বামীর সামান্য উপার্জনে ঠিকমতো চলা তো দূরে থাক, দুবেলা অন্নসংস্থানই কষ্টকর। ধার-দেনা করে কোনো রকমে চলতে হয় তাদের। সর্বজয়ার সংসারের এই দৈন্য-দশার দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
ঘ
উক্ত দিকটিকে ছাপিয়েও উদ্দীপক-১-এর বক্তব্য 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের প্রাধান্য পেয়েছে- মন্তব্যটির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত মন্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। কারণ হরিহর-সর্বজয়ার সংসারের অভাব-অনটনের দিককে ছাপিয়েও উদ্দীপক ১-এর বক্তব্য অর্থাৎ শৈশবের চিরায়ত দুরন্তপনা ও ভাই-বোনের আত্মিক সম্পর্কের দিকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে প্রাধান্য পেয়েছে। মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হলো শৈশবকাল। সারাদিন কাটে খেলাধুলা, দৌড়-ঝাঁপ, ঘোরাঘুরিতে। এ সময় বাবা-মায়ের শাসন- বারণ উপেক্ষা করে শিশুরা দুরন্তপনায় মেতে ওঠে। আর এতেই লুকিয়ে থাকে নিঃসীম আনন্দ। উদ্দীপক ১-এ দুরন্ত শৈশবের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। সুজন পাড়ার বালকদের সর্দার সেজে সারাদিন দলবল নিয়ে দুরন্তপনায় মেতে থাকে। এই দুরন্তপনার মাঝেও তার ছোট ভাই সুমনকে আগলে রাখে। শৈশবের এই চিরায়ত দুরন্তপনা এবং ভাই-বোনের আত্মিক সম্পর্কের দিকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে সর্বাপেক্ষা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে হরিহর-সর্বজয়ার সংসারের আর্থিক অনটনের দিকটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এই বর্ণনায় গ্রামবাংলার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দারিদ্র্যের সেই কঠিন বাস্তবতা ছাপিয়ে দুই ভাই-বোনের শৈশবের দুরন্তপনা এবং দারিদ্র্যপীড়িত সমাজের বাস্তব জীবনচিত্র তাদের আত্মিক সম্পর্কের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। অপু ও দুর্গার মাধ্যমে গল্পকার বাঙালি শিশুর দুরন্ত শৈশবের চিরন্তন রূপ অঙ্কন করেছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১ পাড়ার বালকদের সর্দার সুজন। সারাদিন বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়ানো, এর ওর গাছের ফল ছেঁড়া, নদীতে দাপাদাপি করা তার কাজ। শত দুরন্তপনার মাঝেও ছোট ভাই সুমনকে আগলে রাখে সে। তাকে রেখে কোনো খাবারও মুখে তোলে না। উদ্দীপক-২ সারাক্ষণ সংসারে নাই-নাই, নাই-নাই আর ভালো লাগে না শেফালীর। ঘর থেকে বের হলে পাওনাদারদের তাগাদা তাকে অতিষ্ঠ করে। ছেলেরা কবে নতুন জামা পরেছে মনে পড়ে না তার।

Sylhet · 2016

ক
আজকাল লক্ষ্মী কোথায় বাঁধা পড়েছে?

উত্তর

আজকাল চাষাদের ঘরে লক্ষ্মী বাঁধা পড়েছে।
খ
'ঠাকুরের হাঁড়ি দেখচি শিকেয় উঠেচে'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

"ঠাকুরের হাঁড়ি দেখচি শিকেয় উঠেচে"- কথাটি দ্বারা হরিহরের দারিদ্র্যপীড়িত সাংসারের দুরবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। হরিহর দরিদ্র ব্রাহ্মণ। স্ত্রী-ছেলেমেয়ে নিয়ে কায়-ক্লেশে তার সংসার চলে। গোমস্তার কাজ, যজমানি ইত্যাদি করে বহু কষ্টে দিন কেটে যায়। একদিন সে দশঘরা গ্রামে যায় তাগাদার জন্য। সেই গ্রামের এক লোক হরিহরকে ঐ গ্রামে বসবাস করার প্রস্তাব করে এবং তার কাছ থেকে মন্ত্র নিতে চায়। কিন্তু হরিহর তৎক্ষণাৎ রাজি হয় না। কারণ দরিদ্র হলেও তার আত্মসম্মানবোধ রয়েছে। তৎক্ষণাৎ রাজি হলে লোকটি ভাবত সে বুঝি চরম অর্থ-কষ্টে পড়েছে। এই ভাবনাই প্রকাশ পেয়েছে প্রশ্নোক্ত কথাটিতে।
গ
উদ্দীপক-২-এ 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক ২-এ 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের হরিহরের সংসারের দারিদ্র্যের দিকটি ফুটে উঠেছে। দারিদ্র্য একটি অভিশাপ স্বরূপ। দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত হয়ে মানুষ দিশেহারা। খাদ্য নেই, বস্ত্র নেই, শিক্ষা নেই। চারিদিক শুধু হাহাকার। পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। উদ্দীপক ২-এ এক দরিদ্র পরিবারের চিত্র ফুটে উঠেছে। সংসারে সারাক্ষণ নাই নাই শুনতে আর ভালো লাগে না শেফালীর। ঘর থেকে বের হলে পাওনাদারের তাগাদায় সে অতিষ্ঠ। ছেলেদের ঠিকমতো পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যবস্থা করতে পারে না। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে সর্বজয়ার ছোট সংসার। তার সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে। স্বামীর সামান্য উপার্জনে ঠিকমতো চলা তো দূরে থাক, দুবেলা অন্নসংস্থানই কষ্টকর। ধার-দেনা করে কোনো রকমে চলতে হয় তাদের। সর্বজয়ার সংসারের এই দৈন্য-দশার দিকটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
ঘ
উক্ত দিকটিকে ছাপিয়েও উদ্দীপক-১-এর বক্তব্য 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের প্রাধান্য পেয়েছে- মন্তব্যটির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত মন্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। কারণ হরিহর-সর্বজয়ার সংসারের অভাব-অনটনের দিককে ছাপিয়েও উদ্দীপক ১-এর বক্তব্য অর্থাৎ শৈশবের চিরায়ত দুরন্তপনা ও ভাই-বোনের আত্মিক সম্পর্কের দিকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে প্রাধান্য পেয়েছে। মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় হলো শৈশবকাল। সারাদিন কাটে খেলাধুলা, দৌড়-ঝাঁপ, ঘোরাঘুরিতে। এ সময় বাবা-মায়ের শাসন- বারণ উপেক্ষা করে শিশুরা দুরন্তপনায় মেতে ওঠে। আর এতেই লুকিয়ে থাকে নিঃসীম আনন্দ। উদ্দীপক ১-এ দুরন্ত শৈশবের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। সুজন পাড়ার বালকদের সর্দার সেজে সারাদিন দলবল নিয়ে দুরন্তপনায় মেতে থাকে। এই দুরন্তপনার মাঝেও তার ছোট ভাই সুমনকে আগলে রাখে। শৈশবের এই চিরায়ত দুরন্তপনা এবং ভাই-বোনের আত্মিক সম্পর্কের দিকটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে সর্বাপেক্ষা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে হরিহর-সর্বজয়ার সংসারের আর্থিক অনটনের দিকটি নিখুঁতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এই বর্ণনায় গ্রামবাংলার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দারিদ্র্যের সেই কঠিন বাস্তবতা ছাপিয়ে দুই ভাই-বোনের শৈশবের দুরন্তপনা এবং দারিদ্র্যপীড়িত সমাজের বাস্তব জীবনচিত্র তাদের আত্মিক সম্পর্কের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। অপু ও দুর্গার মাধ্যমে গল্পকার বাঙালি শিশুর দুরন্ত শৈশবের চিরন্তন রূপ অঙ্কন করেছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছোট ছেলেটার কয়দিন থেকে ভীষণ জ্বর। বিধবা ফুলবানু হাঁসের কয়েকটা ডিম বেচে ছেলের চিকিৎসা করালেও এখন আর সে সামর্থ্যও নেই। প্রতিবেশী জরিনার কাছে ধার নিবে কেমন করে- আগের ধারটাই যে শোধ হয়নি।

Comilla · 2017

ক
অপুর দিদির নাম কী?

উত্তর

অপুর দিদির নাম দুর্গা।
খ
'আমার কাপড় যে বাসি'- অপু একথা কেন বলেছিল?

উত্তর

প্রশ্নোর কথাটি অপু বলেছিল তার দিদি দূর্গাকে, কারণ তার মা বিভিন্ন সংস্কারে বিশ্বাস করে এবং এর একটি হলো বাসি কাপড়ে তেলের ভাঁড় ছোঁয়া নিষেধ। সেকালের গ্রাম্য সমাজের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নানা ধরনের আচার-সংস্কার প্রচলিত ছিল। সকালে স্নান না করে আগের দিনের বরা কাপড়কে বাসি কাপড় বলা হতো এবং তা পরা থাকলে কোনোকিছুতে হাত দেওয়া নিষেধ ছিল। দুর্গা কতকগুলো কচি আম কাটা নিয়ে এসেছে। সেগুলো তেল-লবণ দিয়ে মাখিয়ে খাবে। তাই দুর্গ অপুকে তেল-লবণ নিয়ে আসতে বলে। কিন্তু অপু তখনও আগের দিনের বাসি কাপড় পরা ছিল। তাই অপু প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিল।
গ
উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার দরিদ্র-দুর্দশার দিকটি ফুটে উঠেছে। আমাদের সমাজে নারীরা অতি দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে সংসারকর্ম পরিচালনা করে। সংসারের দুঃখ-দারিদ্র্য তাদের নিত্যসঙ্গী। তবুও তারা স্বামী-সন্তান নিয়ে দিনের পর দিন সংসারধর্ম পালন করে। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের হরিহর-সর্বজয়ার সংসারে দারিদ্র্য নিত্যসঙ্গী। হরিহর অন্নদা রায়ের বাড়িতে গোমস্তার কাজ করে মাসে যে টাকা পায় তা দিয়ে, সংসার চলে না। তাই সর্বজয়াকে সেজ ঠাকরুন, রাধা বোষ্টমের বউদের কাছ থেকে ধার করে সংসার চালাতে হয়। ধার-দেনা শোধ করতে না পারলে কটু কথাও শুনতে হয়। সর্বজয়ার এই দুঃখ-দুর্দশা উদ্দীপকেও দৃশ্যমান। ফুলবানু হাঁসের ডিম বেচে ছেলের চিকিৎসা করায়। বর্তমানে তার সে সামর্থ্যও নেই। প্রতিবেশীর কাছে ধার নেওয়া হয়ে গেছে তাই তাদের কাছেও হাত পাততে পারে না। এদিকে তার ছেলেটার ভীষণ জ্বর। উদ্দীপকে এক দরিদ্র অসহায় মায়ের যে দুঃখ-দুর্দশা প্রকাশ পেয়েছে তা 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পেও প্রকাশ পায়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার দুঃখ-দুর্দশার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ
উদ্দীপকের ফুলবানু কি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার প্রতিচ্ছবি? তোমার মতামত উপস্থাপন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ফুলবানু 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার প্রতিচ্ছবি নয়। জীবনধারণ করে বেঁচে থাকা একটা সংগ্রাম। এ সংগ্রামে মানুষকে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়। দুঃখ-দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত হতে হয় পদে পদে। উদ্দীপকের ফুলবানু বিধবা। স্বামী না থাকায় তার জীবনসংগ্রাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। ছেলের ভীষণ জ্বরে ফুলবানু হাঁসের ডিম বিক্রয় করে ছেলের চিকিৎসা করায়। প্রতিবেশীদের কাছে ধার নিতে পারে না। কারণ পূর্বেই ধার নেওয়া হয়ে গেছে। অন্যদিকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়া সধবা। তার স্বামী হরিহর গোমস্তার কাজ করে। কিন্তু সে জীবনসংগ্রামে লিপ্ত। ধার শোধের জন্য পাওনাদাররা কটু কথা শোনায় তাকে। তবুও সন্তানদের সে অভুক্ত রাখে না। সন্তানদের দিকে সব সময় খেয়াল রাখে। দুঃখ-দারিদ্র্যের দিক দিয়ে উদ্দীপকের ফুলবানুর সাথে আলোচ্য গল্পের সর্বজয়ার মিল থাকলেও গল্পের পরিসর বৃহৎ হওয়ায় সর্বজয়া চরিত্রের অন্য দিকগুলোর প্রকাশ ঘটে, যা উদ্দীপকের ফুলবানুর মধ্যে প্রকাশ পায় না। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফুলবানু 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার প্রতিচ্ছবি নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছোট ছেলেটার কয়দিন থেকে ভীষণ জ্বর। বিধবা ফুলবানু হাঁসের কয়েকটা ডিম বেচে ছেলের চিকিৎসা করালেও এখন আর সে সামর্থ্যও নেই। প্রতিবেশী জরিনার কাছে ধার নিবে কেমন করে- আগের ধারটাই যে শোধ হয়নি।

Comilla · 2017

ক
অপুর দিদির নাম কী?

উত্তর

অপুর দিদির নাম দুর্গা।
খ
'আমার কাপড় যে বাসি'- অপু একথা কেন বলেছিল?

উত্তর

প্রশ্নোর কথাটি অপু বলেছিল তার দিদি দূর্গাকে, কারণ তার মা বিভিন্ন সংস্কারে বিশ্বাস করে এবং এর একটি হলো বাসি কাপড়ে তেলের ভাঁড় ছোঁয়া নিষেধ। সেকালের গ্রাম্য সমাজের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নানা ধরনের আচার-সংস্কার প্রচলিত ছিল। সকালে স্নান না করে আগের দিনের বরা কাপড়কে বাসি কাপড় বলা হতো এবং তা পরা থাকলে কোনোকিছুতে হাত দেওয়া নিষেধ ছিল। দুর্গা কতকগুলো কচি আম কাটা নিয়ে এসেছে। সেগুলো তেল-লবণ দিয়ে মাখিয়ে খাবে। তাই দুর্গ অপুকে তেল-লবণ নিয়ে আসতে বলে। কিন্তু অপু তখনও আগের দিনের বাসি কাপড় পরা ছিল। তাই অপু প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিল।
গ
উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তার ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার দরিদ্র-দুর্দশার দিকটি ফুটে উঠেছে। আমাদের সমাজে নারীরা অতি দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে সংসারকর্ম পরিচালনা করে। সংসারের দুঃখ-দারিদ্র্য তাদের নিত্যসঙ্গী। তবুও তারা স্বামী-সন্তান নিয়ে দিনের পর দিন সংসারধর্ম পালন করে। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের হরিহর-সর্বজয়ার সংসারে দারিদ্র্য নিত্যসঙ্গী। হরিহর অন্নদা রায়ের বাড়িতে গোমস্তার কাজ করে মাসে যে টাকা পায় তা দিয়ে, সংসার চলে না। তাই সর্বজয়াকে সেজ ঠাকরুন, রাধা বোষ্টমের বউদের কাছ থেকে ধার করে সংসার চালাতে হয়। ধার-দেনা শোধ করতে না পারলে কটু কথাও শুনতে হয়। সর্বজয়ার এই দুঃখ-দুর্দশা উদ্দীপকেও দৃশ্যমান। ফুলবানু হাঁসের ডিম বেচে ছেলের চিকিৎসা করায়। বর্তমানে তার সে সামর্থ্যও নেই। প্রতিবেশীর কাছে ধার নেওয়া হয়ে গেছে তাই তাদের কাছেও হাত পাততে পারে না। এদিকে তার ছেলেটার ভীষণ জ্বর। উদ্দীপকে এক দরিদ্র অসহায় মায়ের যে দুঃখ-দুর্দশা প্রকাশ পেয়েছে তা 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পেও প্রকাশ পায়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার দুঃখ-দুর্দশার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ
উদ্দীপকের ফুলবানু কি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার প্রতিচ্ছবি? তোমার মতামত উপস্থাপন কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ফুলবানু 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার প্রতিচ্ছবি নয়। জীবনধারণ করে বেঁচে থাকা একটা সংগ্রাম। এ সংগ্রামে মানুষকে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়। দুঃখ-দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত হতে হয় পদে পদে। উদ্দীপকের ফুলবানু বিধবা। স্বামী না থাকায় তার জীবনসংগ্রাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। ছেলের ভীষণ জ্বরে ফুলবানু হাঁসের ডিম বিক্রয় করে ছেলের চিকিৎসা করায়। প্রতিবেশীদের কাছে ধার নিতে পারে না। কারণ পূর্বেই ধার নেওয়া হয়ে গেছে। অন্যদিকে 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়া সধবা। তার স্বামী হরিহর গোমস্তার কাজ করে। কিন্তু সে জীবনসংগ্রামে লিপ্ত। ধার শোধের জন্য পাওনাদাররা কটু কথা শোনায় তাকে। তবুও সন্তানদের সে অভুক্ত রাখে না। সন্তানদের দিকে সব সময় খেয়াল রাখে। দুঃখ-দারিদ্র্যের দিক দিয়ে উদ্দীপকের ফুলবানুর সাথে আলোচ্য গল্পের সর্বজয়ার মিল থাকলেও গল্পের পরিসর বৃহৎ হওয়ায় সর্বজয়া চরিত্রের অন্য দিকগুলোর প্রকাশ ঘটে, যা উদ্দীপকের ফুলবানুর মধ্যে প্রকাশ পায় না। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফুলবানু 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের সর্বজয়ার প্রতিচ্ছবি নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো