বই পড়া বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর বই পড়া অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৫১

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিহাবের প্রধান শখ বই পড়া। সে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন গল্পের বই পড়তে ভালোবাসে। তাই সে নিয়মিত লাইব্রেরিতে তার পছন্দমতো বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে। কিন্তু তার মা তাকে শুধু পরীক্ষা পাশের জন্য পাঠ্যবই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন। তার মায়ের ধারণা, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে পাঠ্যবইয়ের কোনো বিকল্প নেই।
ক
যথার্থ গুরুর কাজ কী?

উত্তর

যথার্থ গুরুর কাজ শিষ্যের আত্মাকে উদ্দ্বোধিত করা এবং তার অন্তর্নিহিত সকল প্রচ্ছন্ন শক্তিকে মুক্ত এবং ব্যক্ত করে তোলা।
খ
"মনের দাবি রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা বাঁচে না”- বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

"মনের দাবি রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা বাঁচে না” বলতে লেখক সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলে জীবনশক্তি হারানোর আশঙ্কা করেছেন। দেহ ও আত্মার সমন্বয়েই মানুষ। মনুষ্যত্বসম্পন্ন আনন্দপূর্ণ মানুষ গঠনে সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। দেহের বেঁচে থাকার জন্য যেমন উদরপূর্তি দরকার, তেমনই আত্মার বেঁচে থাকার জন্য দরকার সাহিত্যচর্চা। এভাবে মন ও প্রাণের চাহিদা মোতাবেক উভয়ের দাবি পূরণ করলেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশ সম্ভব। শুধু প্রাণের দাবি রক্ষা করে মনের দাবিকে রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা মরে যায়। মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে। আলোচ্য উক্তিটি দ্বারা লেখক মনের দাবি মেনে অর্থাৎ সাহিত্যচর্চা করে জাতির বিকাশকে ত্বরান্বিত করার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
গ
উদ্দীপকের শিহাবের মায়ের মনোভাবে 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের শিহাবের মায়ের ধারণা 'বই পড়া' প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজারদরের দিককে ইঙ্গিত করে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের স্কুল-কলেজের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে এ ধরনের শিক্ষা ছেলেদের স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ দেয় না। অন্যদিকে লাইব্রেরিতে গিয়ে লোকে স্বেচ্ছায় ও স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায়। এ কারণে তিনি লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। নোট মুখস্থ করে পাশ করে চাকরির জন্য সবাই শিক্ষার বস্তুগত চাহিদা পূরণের প্রতি লালায়িত। শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের কথা ব্যতিরেকে মানুষ অর্থ উপার্জনে বেশি আগ্রহী। তারা ভাবে যে শিক্ষা তাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল দুই-ই দূর করবে। কারণ প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা তাদের জ্ঞান উপার্জন অপেক্ষা অর্থ উপার্জন করতে শেখায়। উদ্দীপকের তিতলী পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্য বই পাঠ করায় তার মা ভয় পান। তিনি মনে করেন তিতলী পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়লেই ভালো ফল লাভ করবে এবং ভালো চাকরি পাবে। মায়ের এ ধারণা 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রতিফলিত শিক্ষার ফল লাভ বা নগদ বাজারদরের বিষয়টিকে নির্দেশ করে। এর কারণ বেশিরভাগ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারে না। উদ্দীপকের মায়ের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। তিনি স্বচ্ছন্দচিত্তে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করার বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাই স্কুলের সিলেবাসভুক্ত বই পড়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, যা মানুষের প্রকৃত শিক্ষা ও মনুষ্যত্বের জাগরণের অন্তরায়। এভাবে তিতলীর মায়ের ধারণা আলোচ্য প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজারদরের দিককে ইঙ্গিত করে।
ঘ
"উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের অভিমত প্রতিফলিত হয়েছে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক বই পড়ার গুরুত্ব নির্দেশ করে বেশি বেশি বই পড়তে বলেছেন যা উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় প্রতীয়মান হয়েছে। তাই "উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে" মন্তব্যটি যথার্থ।'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক স্বেচ্ছায় বই পড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এজন্য তিনি শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে, পাড়ায়-মহল্লায় লাইব্রেরি গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। বই পড়ার মাধ্যমে মনের প্রসার ঘটিয়ে জাত মানুষ হওয়া যায়। উদ্দীপকের শিহাবের প্রধান শখ বই পড়া। সে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে লাইব্রেরিতে যায়। 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকও লাইব্রেরিকে মনের হাতপাতাল বলেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের পছন্দ ও অভিরুচি অনুযায়ী বই পড়তে উৎসাহিত করেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক বলেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ জ্ঞান পূর্ণাঙ্গ নয় বলেই ব্যাপকভাবে বই পড়া দরকার। কারণ যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার। সেজন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। এর জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের শিহাবও শখ হিসেবে বই পড়ে। নিয়মিত লাইব্রেরিতে গিয়ে সে নিজের মনের প্রসার ঘটায় এবং প্রগতিশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের অভিমতই প্রতিফলিত হয়েছে" উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিহাবের প্রধান শখ বই পড়া। সে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন গল্পের বই পড়তে ভালোবাসে। তাই সে নিয়মিত লাইব্রেরিতে তার পছন্দমতো বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে। কিন্তু তার মা তাকে শুধু পরীক্ষা পাশের জন্য পাঠ্যবই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন। তার মায়ের ধারণা, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে পাঠ্যবইয়ের কোনো বিকল্প নেই।
ক
যথার্থ গুরুর কাজ কী?

উত্তর

যথার্থ গুরুর কাজ শিষ্যের আত্মাকে উদ্দ্বোধিত করা এবং তার অন্তর্নিহিত সকল প্রচ্ছন্ন শক্তিকে মুক্ত এবং ব্যক্ত করে তোলা।
খ
"মনের দাবি রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা বাঁচে না”- বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

"মনের দাবি রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা বাঁচে না” বলতে লেখক সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলে জীবনশক্তি হারানোর আশঙ্কা করেছেন। দেহ ও আত্মার সমন্বয়েই মানুষ। মনুষ্যত্বসম্পন্ন আনন্দপূর্ণ মানুষ গঠনে সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। দেহের বেঁচে থাকার জন্য যেমন উদরপূর্তি দরকার, তেমনই আত্মার বেঁচে থাকার জন্য দরকার সাহিত্যচর্চা। এভাবে মন ও প্রাণের চাহিদা মোতাবেক উভয়ের দাবি পূরণ করলেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশ সম্ভব। শুধু প্রাণের দাবি রক্ষা করে মনের দাবিকে রক্ষা না করলে মানুষের আত্মা মরে যায়। মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে। আলোচ্য উক্তিটি দ্বারা লেখক মনের দাবি মেনে অর্থাৎ সাহিত্যচর্চা করে জাতির বিকাশকে ত্বরান্বিত করার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
গ
উদ্দীপকের শিহাবের মায়ের মনোভাবে 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের শিহাবের মায়ের ধারণা 'বই পড়া' প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজারদরের দিককে ইঙ্গিত করে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের স্কুল-কলেজের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে এ ধরনের শিক্ষা ছেলেদের স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ দেয় না। অন্যদিকে লাইব্রেরিতে গিয়ে লোকে স্বেচ্ছায় ও স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায়। এ কারণে তিনি লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। নোট মুখস্থ করে পাশ করে চাকরির জন্য সবাই শিক্ষার বস্তুগত চাহিদা পূরণের প্রতি লালায়িত। শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের কথা ব্যতিরেকে মানুষ অর্থ উপার্জনে বেশি আগ্রহী। তারা ভাবে যে শিক্ষা তাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল দুই-ই দূর করবে। কারণ প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা তাদের জ্ঞান উপার্জন অপেক্ষা অর্থ উপার্জন করতে শেখায়। উদ্দীপকের তিতলী পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্য বই পাঠ করায় তার মা ভয় পান। তিনি মনে করেন তিতলী পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়লেই ভালো ফল লাভ করবে এবং ভালো চাকরি পাবে। মায়ের এ ধারণা 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রতিফলিত শিক্ষার ফল লাভ বা নগদ বাজারদরের বিষয়টিকে নির্দেশ করে। এর কারণ বেশিরভাগ মানুষই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে পারে না। উদ্দীপকের মায়ের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। তিনি স্বচ্ছন্দচিত্তে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করার বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাই স্কুলের সিলেবাসভুক্ত বই পড়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, যা মানুষের প্রকৃত শিক্ষা ও মনুষ্যত্বের জাগরণের অন্তরায়। এভাবে তিতলীর মায়ের ধারণা আলোচ্য প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজারদরের দিককে ইঙ্গিত করে।
ঘ
"উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের অভিমত প্রতিফলিত হয়েছে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর

'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক বই পড়ার গুরুত্ব নির্দেশ করে বেশি বেশি বই পড়তে বলেছেন যা উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় প্রতীয়মান হয়েছে। তাই "উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের অভিমত ব্যক্ত হয়েছে" মন্তব্যটি যথার্থ।'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক স্বেচ্ছায় বই পড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। এজন্য তিনি শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে, পাড়ায়-মহল্লায় লাইব্রেরি গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। বই পড়ার মাধ্যমে মনের প্রসার ঘটিয়ে জাত মানুষ হওয়া যায়। উদ্দীপকের শিহাবের প্রধান শখ বই পড়া। সে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে লাইব্রেরিতে যায়। 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকও লাইব্রেরিকে মনের হাতপাতাল বলেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের পছন্দ ও অভিরুচি অনুযায়ী বই পড়তে উৎসাহিত করেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখক বলেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ জ্ঞান পূর্ণাঙ্গ নয় বলেই ব্যাপকভাবে বই পড়া দরকার। কারণ যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার। সেজন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। এর জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের শিহাবও শখ হিসেবে বই পড়ে। নিয়মিত লাইব্রেরিতে গিয়ে সে নিজের মনের প্রসার ঘটায় এবং প্রগতিশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের শিহাবের মানসিকতায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের অভিমতই প্রতিফলিত হয়েছে" উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এম.এ. পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। একদিন তার বন্ধু কাওসার তাকে নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। সেখানে বিভিন্ন লেখকের বই দেখে পড়তে আগ্রহী হয়। সে প্রতি সপ্তাহে এক, দুইখানা বই এনে পড়তে শুরু করে। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে- শুধু মুখস্থ করে সু-শিক্ষিত হওয়া যায় না। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের জানালা 'খুলে দিয়েছে। এখন সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

Rajshahi · 2026

ক
ডেমোক্রেসি কীসের সার্থকতা বোঝে?

উত্তর

ডেমোক্রেসি অর্থের সার্থকতা বোঝে।
খ
"পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়”- কেন?

উত্তর

পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, কারণ শিক্ষিত হওয়ার অর্থ আত্মশক্তি অর্জন করা। শিক্ষা মানুষের প্রকৃত দৃষ্টি খুলে দেয়। যার ফলে আমরা বুঝতে পারি ঠিক ও ভুলের পার্থক্য। অপরদিকে শুধু পাশ করার জন্য মুখস্থবিদ্যা লাভ করলে আমাদের চোখ বন্ধই থেকে যায়। ফলে ভেতরটা হয় অন্তঃসারশূন্য। তাই বলা হয়েছে, পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।
গ
উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন দিকটি ইঙ্গিত করেছে- বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বই না পড়লে আসলে জ্ঞানের দ্বার উন্মোচন হয় না। আর শুধু লাইব্রেরিতেই মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়তে পারে। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পায়। পরে বন্ধুর সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যাওয়ার পর তার উপলব্ধি হয় সে যথার্থ জ্ঞান লাভ করেনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের দরজা খুলে দেয়। সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের সুজনের এই ৰোধ 'বই পড়া' প্রবন্ধে বর্ণিত লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটিই ইঙ্গিত করে। আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্বের কথা বলেছেন। এভাবেই উদ্দীপকে সুজনের মত' 'বই পড়া' প্রবন্ধের স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে।
ঘ
উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ - প্রকাশ ঘটেছে।- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সুজন লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে মন্তব্যটি যথার্থ। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর মানুষ শুধু লাইব্রেরিতে নিজের ইচ্ছায় পছন্দমতো বই পড়ে জ্ঞানার্জন করতে পারে। তাই জ্ঞানার্জনের জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যবই মুখস্থ করেই ভালো ফল অর্জন করে। একদিন সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে, শুধু মুখস্থ করে সুশিক্ষিত হওয়া যায় না। তখন সে লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি হওয়ার এই দিকটি 'বই 'পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষা। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক' এদেশের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল বলেছেন। লেখক লাইব্রেরি সম্পর্কে এত বাক্য ব্যয় করেছেন মূলত লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবন করানোর জন্য। আর উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবনের প্রতিফলন দেখা যায়। দুজনেরই অনুধাবনের মূল হলো লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই | পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। তাই বলা যায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এম.এ. পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। একদিন তার বন্ধু কাওসার তাকে নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। সেখানে বিভিন্ন লেখকের বই দেখে পড়তে আগ্রহী হয়। সে প্রতি সপ্তাহে এক, দুইখানা বই এনে পড়তে শুরু করে। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে- শুধু মুখস্থ করে সু-শিক্ষিত হওয়া যায় না। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের জানালা 'খুলে দিয়েছে। এখন সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

Rajshahi · 2026

ক
ডেমোক্রেসি কীসের সার্থকতা বোঝে?

উত্তর

ডেমোক্রেসি অর্থের সার্থকতা বোঝে।
খ
"পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়”- কেন?

উত্তর

পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, কারণ শিক্ষিত হওয়ার অর্থ আত্মশক্তি অর্জন করা। শিক্ষা মানুষের প্রকৃত দৃষ্টি খুলে দেয়। যার ফলে আমরা বুঝতে পারি ঠিক ও ভুলের পার্থক্য। অপরদিকে শুধু পাশ করার জন্য মুখস্থবিদ্যা লাভ করলে আমাদের চোখ বন্ধই থেকে যায়। ফলে ভেতরটা হয় অন্তঃসারশূন্য। তাই বলা হয়েছে, পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।
গ
উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন দিকটি ইঙ্গিত করেছে- বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে সুজনের মত 'বই পড়া' প্রবন্ধের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বই না পড়লে আসলে জ্ঞানের দ্বার উন্মোচন হয় না। আর শুধু লাইব্রেরিতেই মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়তে পারে। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যপুস্তক মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পায়। পরে বন্ধুর সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যাওয়ার পর তার উপলব্ধি হয় সে যথার্থ জ্ঞান লাভ করেনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই তার মনের দরজা খুলে দেয়। সে অনুভব করে- দেশের প্রতিটি এলাকায় লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের সুজনের এই ৰোধ 'বই পড়া' প্রবন্ধে বর্ণিত লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটিই ইঙ্গিত করে। আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্বের কথা বলেছেন। এভাবেই উদ্দীপকে সুজনের মত' 'বই পড়া' প্রবন্ধের স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের দিকটি ইঙ্গিত করেছে।
ঘ
উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ - প্রকাশ ঘটেছে।- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সুজন লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে মন্তব্যটি যথার্থ। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর মানুষ শুধু লাইব্রেরিতে নিজের ইচ্ছায় পছন্দমতো বই পড়ে জ্ঞানার্জন করতে পারে। তাই জ্ঞানার্জনের জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকের সুজন ইংরেজি বিষয় নিয়ে এমএ পাশ করে। ছাত্রজীবনে সে পাঠ্যবই মুখস্থ করেই ভালো ফল অর্জন করে। একদিন সে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে যায়। কিছুদিনের মধ্যে সে অনুধাবন করে, শুধু মুখস্থ করে সুশিক্ষিত হওয়া যায় না। তখন সে লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব উপলব্ধি হওয়ার এই দিকটি 'বই 'পড়া' প্রবন্ধের লেখকের আকাঙ্ক্ষা। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক' এদেশের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। মানুষের যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল বলেছেন। লেখক লাইব্রেরি সম্পর্কে এত বাক্য ব্যয় করেছেন মূলত লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবন করানোর জন্য। আর উদ্দীপকের সুজনের মধ্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব অনুধাবনের প্রতিফলন দেখা যায়। দুজনেরই অনুধাবনের মূল হলো লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই | পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। তাই বলা যায় উদ্দীপকটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের আকাঙ্ক্ষার পরিপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরশি সাহিত্য পড়তেই বেশি আগ্রহী। মামার সাথে একুশের বইমেলায় গিয়ে সে বাংলা সাহিত্যের বইগুলোই কেনে। তার এই সাহিত্যপ্রীতিকে আরও শানিত করার জন্য তার মামা তাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারে ভর্তি করে দেন। তিনি সাহিত্য পড়ার ব্যাপারে আরশিকে অনুপ্রাণিত করে বলেন, জ্ঞান-রাজ্যের এক সমৃদ্ধ অঙ্গ হলো সাহিত্য। সাহিত্য ছাড়া কোনো জাতিই বিকশিত হতে পারে না। তবে এর জন্য প্রয়োজন সাহিত্যের বাতিঘর প্রতিষ্ঠা করা।

Mymensingh · 2020

ক
'কেতাবি' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'কেতাবি' শব্দের অর্থ কেতাব অনুসরণ করে চলে যারা।
খ
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের উপরে স্থান দিয়েছেন কেন?

উত্তর

লাইব্রেরিতে মানুষ স্বেচ্ছায় স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায় বলে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় এবং প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে লাইব্রেরির অবদানের কথা বলেছেন। তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। কারণ লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়ে মনের অসুস্থতা দূর করা যায়। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ প্রকৃত শিক্ষা অর্জনে ব্যর্থ হয়। অথচ মানুষ লাইব্রেরিতে গিয়ে খুব সহজেই নিজের পছন্দ অনুসারে বই নির্বাচন করে পড়তে পারে। তাতে তার মনের বিকাশ সাধিত হয়। সেই সঙ্গে আনন্দলাতের মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়। এসব কারণে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন।
গ
উদ্দীপকের আরশির মামার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের কোন অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আরশির মামার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে জাতির সর্ববিধ উন্নতি করার অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে ভিতর থেকে মানুষ করে গড়ে তোলা এবং মনুষ্যত্ব অর্জনে সহায়তা করা। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হলে মানুষকে বই পড়তে হয়, সাহিত্যচর্চা করতে হয়। উদ্দীপকে জাতির উন্নতির জন্য সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আরশির মামা আরশিকে সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি সাহিত্যকে জ্ঞান-রাজ্যের এক সমৃদ্ধ অঙ্গ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে সাহিত্য ছাড়া কোনো জাতিই বিকশিত হতে পারে না। উদ্দীপকে আরশির মামার এই বক্তব্য 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের বক্তব্যের সঙ্গে মিল আছে। লেখকও জাতির উন্নতির জন্য প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বলেছেন। আর এজন্য তিনি বই পড়া এবং লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। শিক্ষার প্রধান অঙ্গ হলো সাহিত্যচর্চা। সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজন হয়। উদ্দীপকে এই লাইব্রেরিকেই আরশির মামা সাহিত্যের বাতিঘর বলে অভিহিত করেছেন।
ঘ
"উদ্দীপকের মামার অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের মামার অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। স্বশিক্ষিত হওয়ার ক্ষেত্রে লাইব্রেরির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। লাইব্রেরি মানুষের মন ও আত্মার জ্ঞানপিপাসা নিবারণ করে। সাহিত্যচর্চার প্রধান কেন্দ্র হচ্ছে লাইব্রেরি। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অসংগতি, অপূর্ণতা, অতীতের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ, বুচিবোধ, সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব, বই পড়ার গুরুত্ব ইত্যাদি দিক তুলে ধরেছেন। লেখকের মতে স্বেচ্ছায় বই পড়ে স্বশিক্ষিত হওয়াই প্রকৃত শিক্ষা। আর তা লাইব্রেরির মাধ্যছে করা সম্ভব। উদ্দীপকের মামার অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যও তাই। মামাও। এখানে সাহিত্যচর্চার জন্য জ্ঞানের বাতিঘর তথা লাইব্রেরির কথ বলেছেন। তিনি আরশিকে জ্ঞান-রাজ্যের সমৃদ্ধ অল্প সাহিতাচা করতে বলেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধের সারকথা হচ্ছে বই পড়ে এবং সাহিত্যচর্চর মাধ্যমে জীবনকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে তোলা। উদ্দীপকের আরশির মামাও তার বক্তব্যে আরশিকে বই পড়তে এক সাহিত্যচর্চা করতে অনুপ্রাণিত করেছেন। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরশি সাহিত্য পড়তেই বেশি আগ্রহী। মামার সাথে একুশের বইমেলায় গিয়ে সে বাংলা সাহিত্যের বইগুলোই কেনে। তার এই সাহিত্যপ্রীতিকে আরও শানিত করার জন্য তার মামা তাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারে ভর্তি করে দেন। তিনি সাহিত্য পড়ার ব্যাপারে আরশিকে অনুপ্রাণিত করে বলেন, জ্ঞান-রাজ্যের এক সমৃদ্ধ অঙ্গ হলো সাহিত্য। সাহিত্য ছাড়া কোনো জাতিই বিকশিত হতে পারে না। তবে এর জন্য প্রয়োজন সাহিত্যের বাতিঘর প্রতিষ্ঠা করা।

Mymensingh · 2020

ক
'কেতাবি' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'কেতাবি' শব্দের অর্থ কেতাব অনুসরণ করে চলে যারা।
খ
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের উপরে স্থান দিয়েছেন কেন?

উত্তর

লাইব্রেরিতে মানুষ স্বেচ্ছায় স্বচ্ছন্দচিত্তে স্বশিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পায় বলে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় এবং প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে লাইব্রেরির অবদানের কথা বলেছেন। তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। কারণ লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়ে মনের অসুস্থতা দূর করা যায়। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ প্রকৃত শিক্ষা অর্জনে ব্যর্থ হয়। অথচ মানুষ লাইব্রেরিতে গিয়ে খুব সহজেই নিজের পছন্দ অনুসারে বই নির্বাচন করে পড়তে পারে। তাতে তার মনের বিকাশ সাধিত হয়। সেই সঙ্গে আনন্দলাতের মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়। এসব কারণে প্রমথ চৌধুরী লাইব্রেরিকে স্কুল-কলেজের ওপরে স্থান দিয়েছেন।
গ
উদ্দীপকের আরশির মামার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের কোন অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আরশির মামার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে জাতির সর্ববিধ উন্নতি করার অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে ভিতর থেকে মানুষ করে গড়ে তোলা এবং মনুষ্যত্ব অর্জনে সহায়তা করা। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হলে মানুষকে বই পড়তে হয়, সাহিত্যচর্চা করতে হয়। উদ্দীপকে জাতির উন্নতির জন্য সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আরশির মামা আরশিকে সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি সাহিত্যকে জ্ঞান-রাজ্যের এক সমৃদ্ধ অঙ্গ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে সাহিত্য ছাড়া কোনো জাতিই বিকশিত হতে পারে না। উদ্দীপকে আরশির মামার এই বক্তব্য 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের বক্তব্যের সঙ্গে মিল আছে। লেখকও জাতির উন্নতির জন্য প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বলেছেন। আর এজন্য তিনি বই পড়া এবং লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। শিক্ষার প্রধান অঙ্গ হলো সাহিত্যচর্চা। সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজন হয়। উদ্দীপকে এই লাইব্রেরিকেই আরশির মামা সাহিত্যের বাতিঘর বলে অভিহিত করেছেন।
ঘ
"উদ্দীপকের মামার অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

"উদ্দীপকের মামার অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যটিতে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ। স্বশিক্ষিত হওয়ার ক্ষেত্রে লাইব্রেরির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। লাইব্রেরি মানুষের মন ও আত্মার জ্ঞানপিপাসা নিবারণ করে। সাহিত্যচর্চার প্রধান কেন্দ্র হচ্ছে লাইব্রেরি। 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অসংগতি, অপূর্ণতা, অতীতের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ, বুচিবোধ, সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব, বই পড়ার গুরুত্ব ইত্যাদি দিক তুলে ধরেছেন। লেখকের মতে স্বেচ্ছায় বই পড়ে স্বশিক্ষিত হওয়াই প্রকৃত শিক্ষা। আর তা লাইব্রেরির মাধ্যছে করা সম্ভব। উদ্দীপকের মামার অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যও তাই। মামাও। এখানে সাহিত্যচর্চার জন্য জ্ঞানের বাতিঘর তথা লাইব্রেরির কথ বলেছেন। তিনি আরশিকে জ্ঞান-রাজ্যের সমৃদ্ধ অল্প সাহিতাচা করতে বলেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধের সারকথা হচ্ছে বই পড়ে এবং সাহিত্যচর্চর মাধ্যমে জীবনকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে তোলা। উদ্দীপকের আরশির মামাও তার বক্তব্যে আরশিকে বই পড়তে এক সাহিত্যচর্চা করতে অনুপ্রাণিত করেছেন। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো