বোশেখ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর বোশেখ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৬

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

এবারের কাল বৈশাখির ঝড়ে জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। মধুপুর গ্রামে ঝড়ে বাড়ি-ঘর উড়ে যায়, গাছপালা ও টেলিফোন-বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়। কাল বৈশাখির সাথে হওয়া শিলা বৃষ্টিতে চাষিদের ফল-ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। গ্রামের চাষি মকবুল অসহায় ভাবে হাহাকার করে বলেন- গরিবের উপরই সব সময় কেন ঝড়ের এই তাণ্ডব!

Mymensingh · 2026

'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?

উত্তর

'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা রামায়ণে পড়েছেন।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?

উত্তর

কবি তাঁর প্রত্যাশিত বিভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের জন্য বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতায় বাতাসের অনেক ইতিবাচক দিক কবি অতীতের দৃষ্টান্ত থেকে দেখতে পেয়েছে। বাতাস মহাবীর হনুমানের পিতা। কালিদাসের মেঘদূতে বর্ণিত বাতাস দয়ালু মেঘের সাথি। সাম্যবাদী রাজা সোলেমানের বাহন বাতাস তার মহৎ কাজের অংশীদার ছিল। কবি বাতাসের এমন অতীত ইতিবাচক কর্মকাণ্ড স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।
উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত বৈশাখের বিধ্বংসী দিকটি ফুটে উঠেছে। 'বোশেখ' কবিতায় কবি বাংলাদেশের পরাক্রমশালী মাস বৈশাখের ধ্বংসাত্মক রূপটি ফুটিয়ে তুলেছেন। ঋতু পরিক্রমায় এই মাস রুদ্র সংহারক রূপে আবির্ভূত হয়। বৈশাখের নিষ্ঠুর করাল আগ্রাসী থাবায় কখনো কখনো লন্ডভন্ড হয়ে যায় এক একটা জনপদ। উদ্দীপকে কালবৈশাখি ঝড়ের নিষ্ঠুর, করাল ও বিধ্বংসী রূপটি প্রকাশ পেয়েছে। মধুপুর গ্রামের প্রকৃতি ও জনপদ এই ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ঘর-বাড়ি, গাছপালা, ফসল ও বৈদ্যুতিক লাইনের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। 'বোশেখ' কবিতায়ও কবি কালবৈশাখি ঝড়ের রুদ্র সংহারক রূপটি ফুটিয়ে তুলেছেন। এ ঝড় গরিব মাঝির পালের দড়ি, দরিদ্র চাষির ঘরের চালা উড়িয়ে নেয়। ছোটো টুনটুনির বাসা, টেলিগ্রাফের থামগুলোও এটার আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় না। বৈশাখী ঝড়ের এমন বিধ্বংসী রূপের দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
“উদ্দীপকের মকবুলের কথায় কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে।”- এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের মকবুলের কথায় 'বোশেখ' কবিতার বৈশাখী ঝড়ের বিরুদ্ধে কবির আক্ষেপ প্রকাশ পাওয়ায়, “উদ্দীপকের মকবুলের কথায় কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে" মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য। 'বোশেখ' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন প্রকৃতির যত নিষ্ঠুরতা, নির্মমতা- সবই গরিব ও হতদরিদ্রের বিরুদ্ধে। তাই তিনি বৈশাখী ঝড়ের বিরুদ্ধে আক্ষেপ করেছেন। তিনি বৈশাখী ঝড়ের কাছে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেন। উদ্দীপকের মকবুল চাষি দেখেছেন বৈশাখী ঝড়ের কবলে কেবল হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষই সর্বস্বান্ত হয়েছে। তাদের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই তিনি এই ঝড়ের বিরুদ্ধে আক্ষেপ করেছেন। 'বোশেখ' কবিতায়ও কবি দেখিয়েছেন বৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতি হয় কেবল হতদরিদ্র মানুষ ও অসহায় প্রাণীদের। এই ঝড় গরিবদের শোষণ করে গড়ে তোলা ধনীদের কিছু করতে পারে না। তাই কবি আক্ষেপ করেছেন। 'বোশেখ' কবিতায় কবির সাম্যবাদী দর্শনের প্রকাশ ঘটেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গরিব ও হতদরিদ্র মানুষের ক্ষতি করে। দরিদ্র মাঝি, চাষি, অসহায় প্রাণী এই ঝড়ের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তাই কবি আক্ষেপ করে কালবৈশাখি ঝড়ের কাছে মিনতি করেছেন- ধ্বংস করতে হলে গরিবকে শোষণের মাধ্যমে গড়ে তোলা ধনীর অট্টালিকা ধ্বংস করুক। উদ্দীপকের মকবুলও কালবৈশাখি ঝড়ের বিরুদ্ধে আক্ষেপ করেছেন। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

এবারের কাল বৈশাখির ঝড়ে জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। মধুপুর গ্রামে ঝড়ে বাড়ি-ঘর উড়ে যায়, গাছপালা ও টেলিফোন-বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়। কাল বৈশাখির সাথে হওয়া শিলা বৃষ্টিতে চাষিদের ফল-ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। গ্রামের চাষি মকবুল অসহায় ভাবে হাহাকার করে বলেন- গরিবের উপরই সব সময় কেন ঝড়ের এই তাণ্ডব!

Mymensingh · 2026

'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?

উত্তর

'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা রামায়ণে পড়েছেন।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?

উত্তর

কবি তাঁর প্রত্যাশিত বিভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের জন্য বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতায় বাতাসের অনেক ইতিবাচক দিক কবি অতীতের দৃষ্টান্ত থেকে দেখতে পেয়েছে। বাতাস মহাবীর হনুমানের পিতা। কালিদাসের মেঘদূতে বর্ণিত বাতাস দয়ালু মেঘের সাথি। সাম্যবাদী রাজা সোলেমানের বাহন বাতাস তার মহৎ কাজের অংশীদার ছিল। কবি বাতাসের এমন অতীত ইতিবাচক কর্মকাণ্ড স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।
উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত বৈশাখের বিধ্বংসী দিকটি ফুটে উঠেছে। 'বোশেখ' কবিতায় কবি বাংলাদেশের পরাক্রমশালী মাস বৈশাখের ধ্বংসাত্মক রূপটি ফুটিয়ে তুলেছেন। ঋতু পরিক্রমায় এই মাস রুদ্র সংহারক রূপে আবির্ভূত হয়। বৈশাখের নিষ্ঠুর করাল আগ্রাসী থাবায় কখনো কখনো লন্ডভন্ড হয়ে যায় এক একটা জনপদ। উদ্দীপকে কালবৈশাখি ঝড়ের নিষ্ঠুর, করাল ও বিধ্বংসী রূপটি প্রকাশ পেয়েছে। মধুপুর গ্রামের প্রকৃতি ও জনপদ এই ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ঘর-বাড়ি, গাছপালা, ফসল ও বৈদ্যুতিক লাইনের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। 'বোশেখ' কবিতায়ও কবি কালবৈশাখি ঝড়ের রুদ্র সংহারক রূপটি ফুটিয়ে তুলেছেন। এ ঝড় গরিব মাঝির পালের দড়ি, দরিদ্র চাষির ঘরের চালা উড়িয়ে নেয়। ছোটো টুনটুনির বাসা, টেলিগ্রাফের থামগুলোও এটার আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় না। বৈশাখী ঝড়ের এমন বিধ্বংসী রূপের দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
“উদ্দীপকের মকবুলের কথায় কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে।”- এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের মকবুলের কথায় 'বোশেখ' কবিতার বৈশাখী ঝড়ের বিরুদ্ধে কবির আক্ষেপ প্রকাশ পাওয়ায়, “উদ্দীপকের মকবুলের কথায় কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে" মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য। 'বোশেখ' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন প্রকৃতির যত নিষ্ঠুরতা, নির্মমতা- সবই গরিব ও হতদরিদ্রের বিরুদ্ধে। তাই তিনি বৈশাখী ঝড়ের বিরুদ্ধে আক্ষেপ করেছেন। তিনি বৈশাখী ঝড়ের কাছে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেন। উদ্দীপকের মকবুল চাষি দেখেছেন বৈশাখী ঝড়ের কবলে কেবল হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষই সর্বস্বান্ত হয়েছে। তাদের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই তিনি এই ঝড়ের বিরুদ্ধে আক্ষেপ করেছেন। 'বোশেখ' কবিতায়ও কবি দেখিয়েছেন বৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতি হয় কেবল হতদরিদ্র মানুষ ও অসহায় প্রাণীদের। এই ঝড় গরিবদের শোষণ করে গড়ে তোলা ধনীদের কিছু করতে পারে না। তাই কবি আক্ষেপ করেছেন। 'বোশেখ' কবিতায় কবির সাম্যবাদী দর্শনের প্রকাশ ঘটেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গরিব ও হতদরিদ্র মানুষের ক্ষতি করে। দরিদ্র মাঝি, চাষি, অসহায় প্রাণী এই ঝড়ের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তাই কবি আক্ষেপ করে কালবৈশাখি ঝড়ের কাছে মিনতি করেছেন- ধ্বংস করতে হলে গরিবকে শোষণের মাধ্যমে গড়ে তোলা ধনীর অট্টালিকা ধ্বংস করুক। উদ্দীপকের মকবুলও কালবৈশাখি ঝড়ের বিরুদ্ধে আক্ষেপ করেছেন। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

রশিদ সাহেবের আবাসিক প্রকল্প সাইমাবাদের মধ্যে জাহিদের টিনের বাড়িটি একমাত্র আবাসস্থল। প্রভাবশালী রশিদ সাহেব বিনা নোটিশে লোক দিয়ে জাহিদদের বাড়িটি ভেঙে দেয়। নিরুপায় হয়ে জাহিদ তার বাল্যবন্ধু পুলিশের এসআই মুহিত হাসানকে বিষয়টি জানায়। মুহিত হাসান বাড়ির দলিলপত্র দেখে প্রশাসনিক ক্ষমতায় জাহিদের একমাত্র আশ্রয়টুকু ফিরিয়ে দেন। জাহিদ এরকম দখলদার দের হাত থেকে নিরীহ মানুষদের উদ্ধার করতে অনুরোধ করে।

Jessore · 2026

কী দয়ালু মেঘের সাথি?

উত্তর

বাতাস দয়ালু মেঘের সাথি।
"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি।"- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

গরিবদের ওপর প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা প্রসঙ্গে কবি আক্ষেপের স্বরে চরণটির অবতারণা করেছেন। 'বোশেখ' কবিতায় কবি আক্ষেপের স্বরে বলেন বৈশাখের আক্রমণ যেন শুধু গরিবদের ওপর বয়ে যায়। কিন্তু যারা সাধারণ মানুষকে শোষণ করে অট্টালিকা গড়ে তাদের সেই অট্টালিকায় আঘাত হানার কোনো চিহ্ন কবি খুঁজে পান না। সাম্যের প্রতিষ্ঠায়, সুবিচারের প্রসঙ্গে তিনি রাজা সোলেমানের কথাও বলেছেন, যে সোলেমানের বাহন ছিল বাতাস।
উদ্দীপকের জাহিদের পরিস্থিতি যেদিক দিয়ে 'বোশেখ' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

শোষকশ্রেণির গরিব-দুঃখীর ওপর অত্যাচারের প্রসঙ্গ বিবেচনায় উদ্দীপকের জাহিদের পরিস্থিতি 'বোশেখ' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। 'বোশেখ' কবিতায় আল মাহমুদ কেবল বৈশাখের ধ্বংসলীলার বর্ণনার পাশাপাশি তিনি এর মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দিয়েছেন। তিনি বৈশাখের কাছে আহ্বান করেছেন- ধ্বংস যদি করতেই হয় তাহলে গুঁড়িয়ে দাও সেসব অট্টালিকা যেগুলো গড়ে উঠেছে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে শোষণ করে। কবি বৈশাখের ধ্বংসশক্তিকে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করার আহ্বান জনিয়েছেন। উদ্দীপকের জাহিদ শোষিত ও অত্যাচারিত শ্রেণির প্রতিচ্ছবি। নিজের আবাসিক প্রকল্পের স্বার্থে রশিদ সাহেব বিনা নোটিশে জাহিদদের বাড়িটি ভেঙে দেয়। জাহিদ এরকম দখলদার, শোষক ও অত্যাচারী শ্রেণির হাত থেকে মানুষের মুক্তি কামনা করেছে। 'বোশেখ' কবিতায় কবি আল মাহমুদ বৈশাখের' কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যে, গরিব-দুঃখীর বিরুদ্ধে যেন বৈশাখ নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা না দেখায়। বৈশাখ যদি ধ্বংস করতেই চায় তাহলে যেন শোষক ও অত্যাচারী শ্রেণির অট্টালিকা ধ্বংস করে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বৈশাখের করাল গ্রাসে পড়ে দুঃখী-দরিদ্র মানুষ ও অসহায় কোনো প্রাণী। এভাবে জাহিদের পরিস্থিতি 'বোশেখ' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
"উদ্দীপকের মুহিত হাসান 'বোশেখ' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছেন।"- মূল্যায়ন করো।

উত্তর

অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন কবি, অন্যদিকে মুহিত হাসান অত্যাচারীর হাত থেকে নিরীহ মানুষকে উদ্ধার করেছেন বলে বলা যায়, "উদ্দীপকের মুহিত হাসান 'বোশেখ' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছেন" মন্তব্যটি যথার্থ। 'বোশেখ' কবিতায় কবি তুফানকে অনুরোধ করেছেন, যদি ধ্বংস করতেই হয় তবে গরিবের ঘর নয়, বরং অত্যাচারী ধনীদের অট্টালিকা ধ্বংস করো। কবি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান জানান এবং দুর্বলের প্রতি সহানুভূতি ও সত্যের প্রতি দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন। উদ্দীপকের মুহিত হাসান বন্ধুর বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি পুলিশের এসআই হওয়ায় প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে অত্যাচারী দখলদার রশিদ সাহেবের অত্যাচার দমন করেছেন। বন্ধুর একমাত্র আশ্রয়টুকু তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতায়ও কবি বৈশাখের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যেন বৈশাখ সাধারণ নিরীহ মানুষের ক্ষতি না করে অত্যাচারী শ্রেণিকে ধ্বংস করে। উদ্দীপকের মুহিত হাসান অত্যাচারী ও শোষক শ্রেণির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতার কবি আল মাহমুদ বৈশাখের বিধ্বংসী প্রতীকের মাধ্যমে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন, প্রকৃতির যত নিষ্ঠুরতা ও নির্মমতা সব কেন শুধু এই গরিবের বিরুদ্ধেই ঘটবে? তাই তিনি বৈশাখের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন- ধ্বংস যদি করতেই হয়, তাহলে গুঁড়িয়ে দাও সেসব অট্টালিকা যেগুলো গড়ে উঠেছে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে শোষণ করে। কবির এই আকাঙ্ক্ষার ছাপ বাস্তবায়নের আমরা মুহিত হাসানের মধ্যে দেখতে পাই। কেননা তিনি অত্যাচারীর হাত থেকে সাধারণের একমাত্র আবাসস্থল ফিরিয়ে এনেছেন। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

রশিদ সাহেবের আবাসিক প্রকল্প সাইমাবাদের মধ্যে জাহিদের টিনের বাড়িটি একমাত্র আবাসস্থল। প্রভাবশালী রশিদ সাহেব বিনা নোটিশে লোক দিয়ে জাহিদদের বাড়িটি ভেঙে দেয়। নিরুপায় হয়ে জাহিদ তার বাল্যবন্ধু পুলিশের এসআই মুহিত হাসানকে বিষয়টি জানায়। মুহিত হাসান বাড়ির দলিলপত্র দেখে প্রশাসনিক ক্ষমতায় জাহিদের একমাত্র আশ্রয়টুকু ফিরিয়ে দেন। জাহিদ এরকম দখলদার দের হাত থেকে নিরীহ মানুষদের উদ্ধার করতে অনুরোধ করে।

Jessore · 2026

কী দয়ালু মেঘের সাথি?

উত্তর

বাতাস দয়ালু মেঘের সাথি।
"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি।"- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

গরিবদের ওপর প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা প্রসঙ্গে কবি আক্ষেপের স্বরে চরণটির অবতারণা করেছেন। 'বোশেখ' কবিতায় কবি আক্ষেপের স্বরে বলেন বৈশাখের আক্রমণ যেন শুধু গরিবদের ওপর বয়ে যায়। কিন্তু যারা সাধারণ মানুষকে শোষণ করে অট্টালিকা গড়ে তাদের সেই অট্টালিকায় আঘাত হানার কোনো চিহ্ন কবি খুঁজে পান না। সাম্যের প্রতিষ্ঠায়, সুবিচারের প্রসঙ্গে তিনি রাজা সোলেমানের কথাও বলেছেন, যে সোলেমানের বাহন ছিল বাতাস।
উদ্দীপকের জাহিদের পরিস্থিতি যেদিক দিয়ে 'বোশেখ' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

শোষকশ্রেণির গরিব-দুঃখীর ওপর অত্যাচারের প্রসঙ্গ বিবেচনায় উদ্দীপকের জাহিদের পরিস্থিতি 'বোশেখ' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। 'বোশেখ' কবিতায় আল মাহমুদ কেবল বৈশাখের ধ্বংসলীলার বর্ণনার পাশাপাশি তিনি এর মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দিয়েছেন। তিনি বৈশাখের কাছে আহ্বান করেছেন- ধ্বংস যদি করতেই হয় তাহলে গুঁড়িয়ে দাও সেসব অট্টালিকা যেগুলো গড়ে উঠেছে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে শোষণ করে। কবি বৈশাখের ধ্বংসশক্তিকে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করার আহ্বান জনিয়েছেন। উদ্দীপকের জাহিদ শোষিত ও অত্যাচারিত শ্রেণির প্রতিচ্ছবি। নিজের আবাসিক প্রকল্পের স্বার্থে রশিদ সাহেব বিনা নোটিশে জাহিদদের বাড়িটি ভেঙে দেয়। জাহিদ এরকম দখলদার, শোষক ও অত্যাচারী শ্রেণির হাত থেকে মানুষের মুক্তি কামনা করেছে। 'বোশেখ' কবিতায় কবি আল মাহমুদ বৈশাখের' কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যে, গরিব-দুঃখীর বিরুদ্ধে যেন বৈশাখ নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা না দেখায়। বৈশাখ যদি ধ্বংস করতেই চায় তাহলে যেন শোষক ও অত্যাচারী শ্রেণির অট্টালিকা ধ্বংস করে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বৈশাখের করাল গ্রাসে পড়ে দুঃখী-দরিদ্র মানুষ ও অসহায় কোনো প্রাণী। এভাবে জাহিদের পরিস্থিতি 'বোশেখ' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
"উদ্দীপকের মুহিত হাসান 'বোশেখ' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছেন।"- মূল্যায়ন করো।

উত্তর

অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন কবি, অন্যদিকে মুহিত হাসান অত্যাচারীর হাত থেকে নিরীহ মানুষকে উদ্ধার করেছেন বলে বলা যায়, "উদ্দীপকের মুহিত হাসান 'বোশেখ' কবিতার কবির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছেন" মন্তব্যটি যথার্থ। 'বোশেখ' কবিতায় কবি তুফানকে অনুরোধ করেছেন, যদি ধ্বংস করতেই হয় তবে গরিবের ঘর নয়, বরং অত্যাচারী ধনীদের অট্টালিকা ধ্বংস করো। কবি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান জানান এবং দুর্বলের প্রতি সহানুভূতি ও সত্যের প্রতি দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন। উদ্দীপকের মুহিত হাসান বন্ধুর বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি পুলিশের এসআই হওয়ায় প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে অত্যাচারী দখলদার রশিদ সাহেবের অত্যাচার দমন করেছেন। বন্ধুর একমাত্র আশ্রয়টুকু তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতায়ও কবি বৈশাখের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন যেন বৈশাখ সাধারণ নিরীহ মানুষের ক্ষতি না করে অত্যাচারী শ্রেণিকে ধ্বংস করে। উদ্দীপকের মুহিত হাসান অত্যাচারী ও শোষক শ্রেণির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতার কবি আল মাহমুদ বৈশাখের বিধ্বংসী প্রতীকের মাধ্যমে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন, প্রকৃতির যত নিষ্ঠুরতা ও নির্মমতা সব কেন শুধু এই গরিবের বিরুদ্ধেই ঘটবে? তাই তিনি বৈশাখের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন- ধ্বংস যদি করতেই হয়, তাহলে গুঁড়িয়ে দাও সেসব অট্টালিকা যেগুলো গড়ে উঠেছে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে শোষণ করে। কবির এই আকাঙ্ক্ষার ছাপ বাস্তবায়নের আমরা মুহিত হাসানের মধ্যে দেখতে পাই। কেননা তিনি অত্যাচারীর হাত থেকে সাধারণের একমাত্র আবাসস্থল ফিরিয়ে এনেছেন। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের জন্য ভি.জি.এফ. কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে। কার্ডধারী শামসেরকে নির্ধারিত ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে ৩০ কেজি দেওয়ায় সে প্রতিবাদ করলে বেদম প্রহার করে বের করে দেয় এবং তার কার্ড বাতিল করা হয়। এ সময় ধনাঢ্য সমাজসেবী চৌধুরি সাহেব এসে তাকে পর্যাপ্ত চাল, ডালসহ অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেন।

Rajshahi · 2026

রামায়ণ কী?

উত্তর

রামায়ণ হলো পৃথিবীর চারটি জাত মহাকাব্যের একটি, যার রচয়িতা বাল্মীকি।
"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি"- গরিবদের ওপর প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা প্রসঙ্গে কবি আক্ষেপের স্বরে প্রশ্নোক্ত চরণটির অবতারণা করেছেন। বেশাখের আক্রমণ যেন শুধু গরিবদের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। যারা সাধারণ মানুষকে শোষণ করে অট্টালিকা গড়ে তাদের সেই অট্টালিকায় আঘাত হানার কোনো চিহ্ন কবি খুঁজে পান না। সাম্যের প্রতিষ্ঠায়, সুবিচারের প্রসঙ্গে কবি রাজা সোলেমানের কথাও বলেছেন, যে সোলেমানের বাহন ছিল বাতাস।
উদ্দীপকে বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের আচরণের মাধ্যমে ফুটে ওঠা দিকটি 'বোশেখ ' কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের আচরণের মাধ্যমে ফুটে ওঠা দিকটি হলো গরিবের প্রতি অত্যাচার। 'বোশেখ' কবিতায় কবি সমাজের ধনী-গরিবের ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। ধনীরা সব সময় গরিবের অর্থ আত্মসাৎ করে। তাতে তাদের কোনো ক্ষতিও হয় না। এমনকি প্রকৃতিও যেন শুধু গরিবদেরই ক্ষতি করে। উদ্দীপকে সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে। এদিকে কর্মচারীরা কার্ডধারী শামসের কে ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে ৩০ কেজি চাল দেয়। সে প্রতিবাদ করলে তাকে বেদম প্রহার করে। উদ্দীপকের গরিব-অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি 'বোশেখ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন। কবির বর্ণনায় ধনীরা গরিবের অর্থ আত্মসাৎ করেই ধনী হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধনীদের কোনো ক্ষতি করে না। যত অত্যাচার সব গরিব-অসহায়ের প্রতি। সে বিষয়টি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। এভাবেই উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি ফুটে উঠেছে।
"উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি।”- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে কালবৈশাখির করাল রূপসহ নানা বিষয় অনুপস্থিত থাকায় "উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি" মন্তব্যটি যথার্থ। বোশেখ' কবিতায় কবি বৈশাখের করাল রূপের বর্ণনা দিয়েছেন। তবে বৈশাখের সেই রুদ্র রূপ শুধু গরিব-দুঃখীদের প্রতিই আঘাত হানে। ধনীর অট্টালিকার কোনো ক্ষতি সাধন করতে পারে না। উদ্দীপকে সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে খাদ্যপণ্য দেয়। কার্ডধারী শামসেরকে চাল কম দিলে সে এর প্রতিবাদ করলে কর্মচারীরা তাকে বেদম প্রহার করে। এ বিষয়টি 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি নির্দেশ করে। এটি ছাড়াও 'বোশেখ' কবিতায় আরও নানা বিষয় আছে যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। 'বোশেখ' কবিতায় কবি বৈশাখের রুদ্র রূপের কাছে মিনতি করেছেন যেন সে ধনীর অট্টালিকা গুঁড়িয়ে দেয়। কবির এই মিনতির মধ্য দিয়ে আসলে তাঁর সাম্যবাদী মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে। সেই বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। কবিতায় কবি বৈশাখের বিধ্বংসী প্রতীকের মধ্য দিয়ে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন। এছাড়াও কবি আলোচ্য করিতায় নানা পৌরাণিক অনুষঙ্গ টেনেছেন যে গুলোর কোনো ইঙ্গিত উদ্দীপকে নেই। সেখানে কেবল অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটির প্রকাশ ঘটেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের জন্য ভি.জি.এফ. কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে। কার্ডধারী শামসেরকে নির্ধারিত ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে ৩০ কেজি দেওয়ায় সে প্রতিবাদ করলে বেদম প্রহার করে বের করে দেয় এবং তার কার্ড বাতিল করা হয়। এ সময় ধনাঢ্য সমাজসেবী চৌধুরি সাহেব এসে তাকে পর্যাপ্ত চাল, ডালসহ অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেন।

Rajshahi · 2026

রামায়ণ কী?

উত্তর

রামায়ণ হলো পৃথিবীর চারটি জাত মহাকাব্যের একটি, যার রচয়িতা বাল্মীকি।
"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

"হায়রে কতো সুবিচারের গল্প শুনি"- গরিবদের ওপর প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা প্রসঙ্গে কবি আক্ষেপের স্বরে প্রশ্নোক্ত চরণটির অবতারণা করেছেন। বেশাখের আক্রমণ যেন শুধু গরিবদের ওপর দিয়ে বয়ে যায়। যারা সাধারণ মানুষকে শোষণ করে অট্টালিকা গড়ে তাদের সেই অট্টালিকায় আঘাত হানার কোনো চিহ্ন কবি খুঁজে পান না। সাম্যের প্রতিষ্ঠায়, সুবিচারের প্রসঙ্গে কবি রাজা সোলেমানের কথাও বলেছেন, যে সোলেমানের বাহন ছিল বাতাস।
উদ্দীপকে বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের আচরণের মাধ্যমে ফুটে ওঠা দিকটি 'বোশেখ ' কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীদের আচরণের মাধ্যমে ফুটে ওঠা দিকটি হলো গরিবের প্রতি অত্যাচার। 'বোশেখ' কবিতায় কবি সমাজের ধনী-গরিবের ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। ধনীরা সব সময় গরিবের অর্থ আত্মসাৎ করে। তাতে তাদের কোনো ক্ষতিও হয় না। এমনকি প্রকৃতিও যেন শুধু গরিবদেরই ক্ষতি করে। উদ্দীপকে সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে। এদিকে কর্মচারীরা কার্ডধারী শামসের কে ৪০ কেজি চালের পরিবর্তে ৩০ কেজি চাল দেয়। সে প্রতিবাদ করলে তাকে বেদম প্রহার করে। উদ্দীপকের গরিব-অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি 'বোশেখ' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন। কবির বর্ণনায় ধনীরা গরিবের অর্থ আত্মসাৎ করেই ধনী হয়। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধনীদের কোনো ক্ষতি করে না। যত অত্যাচার সব গরিব-অসহায়ের প্রতি। সে বিষয়টি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। এভাবেই উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি ফুটে উঠেছে।
"উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি।”- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকে কালবৈশাখির করাল রূপসহ নানা বিষয় অনুপস্থিত থাকায় "উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি" মন্তব্যটি যথার্থ। বোশেখ' কবিতায় কবি বৈশাখের করাল রূপের বর্ণনা দিয়েছেন। তবে বৈশাখের সেই রুদ্র রূপ শুধু গরিব-দুঃখীদের প্রতিই আঘাত হানে। ধনীর অট্টালিকার কোনো ক্ষতি সাধন করতে পারে না। উদ্দীপকে সরকার গ্রামীণ অসহায় মানুষদের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে খাদ্যপণ্য দেয়। কার্ডধারী শামসেরকে চাল কম দিলে সে এর প্রতিবাদ করলে কর্মচারীরা তাকে বেদম প্রহার করে। এ বিষয়টি 'বোশেখ' কবিতায় বর্ণিত অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটি নির্দেশ করে। এটি ছাড়াও 'বোশেখ' কবিতায় আরও নানা বিষয় আছে যেগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। 'বোশেখ' কবিতায় কবি বৈশাখের রুদ্র রূপের কাছে মিনতি করেছেন যেন সে ধনীর অট্টালিকা গুঁড়িয়ে দেয়। কবির এই মিনতির মধ্য দিয়ে আসলে তাঁর সাম্যবাদী মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে। সেই বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। কবিতায় কবি বৈশাখের বিধ্বংসী প্রতীকের মধ্য দিয়ে অত্যাচারীর অবসান কামনা করেছেন। এছাড়াও কবি আলোচ্য করিতায় নানা পৌরাণিক অনুষঙ্গ টেনেছেন যে গুলোর কোনো ইঙ্গিত উদ্দীপকে নেই। সেখানে কেবল অসহায়ের প্রতি অত্যাচারের দিকটির প্রকাশ ঘটেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে 'বোশেখ' কবিতার সমগ্র ভাব ফুটে ওঠেনি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো