আমি কোনো আগন্তুক নই বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর আমি কোনো আগন্তুক নই অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২০

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-i: শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না প্রতি নিঃশ্বাসে আনে লজ্জা; মৃত্যুর ভয়ে ভীরু বসে থাকা, আর না- পরো পরো যুদ্ধের সজ্জা। দৃশ্যকল্প-ii: চিমনির মুখে শোনো সাইরেন-শঙ্খ, গান গায় হাতুড়ি ও কাস্তে তিল তিল মরণেও জীবন অসংখ্য জীবনকে চায় ভালোবাসতে।

Barisal · 2020

রানার কী কাজ নিয়েছে?

উত্তর

রানার নতুন খবর আনার কাজ নিয়েছে।
"জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে।"- উক্তিটির কারণ বর্ণনা কর।

উত্তর

"জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে”- এ কথা বলতে রানারের জীবনের সব আশা-স্বপ্নকে সামান্য মূল্যে বিক্রি করাকে বোঝানো হয়েছে। রানার বা ডাকবাহক মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখের নানা সংবাদের বোঝা কাঁধে নিয়ে রাতের পথে শহরের দিকে ছুটে চলে। শুধু রাত নয়, দুর্গম পথে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সে নিরন্তর ছুটে চলে। তার ক্লান্তি নেই, অবসর নেওয়ার অবকাশ নেই। তার ক্লান্ত শ্বাস যেন আকাশ ছুঁয়ে যায়, তার ঘামে মাটি ভেজে। সামান্য বেতনের চাকরির জন্য পথের দস্যুর ভয় উপেক্ষা করে ছুটে চলে। তার জীবনের সর রাতকে যেন তারা অল্প দামে কিনে নিয়েছে।
দৃশ্যকল্প । এর ভাবধারার সাথে 'রানার' কবিতার 'এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে?'- চরণটির সাদৃশ্যগত দিক ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-i এর ভাবধারার সাথে 'এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে?'- চরণটির সাদৃশ্য রয়েছে। সমাজের শ্রমজীবী মানুষের শ্রম ও ত্যাগের ফলে সভ্যতার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে। অথচ তারা সমাজে মূল্য ও মর্যাদা পায় না। তারা উঁচু শ্রেণি দ্বারা নানাভাবে নির্যাতিত ও অবহেলিত। 'রানার' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাপন, দুঃখ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে তাদের সততার দিকটি তুলে ধরেছেন। রানার মানুষের সুখ-দুঃখের অনেক অজানা সংবাদ বহন করে নিয়ে যায়। সে পিঠে খবরের বোঝা, মানি অর্ডার নিয়ে দস্যুর ভয় উপেক্ষা করে লন্ঠন জ্বালিয়ে রাতের অন্ধকারে একা ছুটে চলে। অভাবে, ক্লান্তিতে ক্ষয়ে ক্ষয়ে গেলেও সে দায়িত্বে অবহেলা করে না। অথচ সমাজ তাকে তার ন্যায়্য প্রাপ্য দেয় না। কবি তাই প্রশ্ন করেছেন- এ বোঝা টানার দিক কবে শেষ হবে? উদ্দীপকে কবির মনে যুগ যুগ ধরে আর্তের কান্নার কথা বলেছেন। এই অবস্থা থেকে আর্ত, লাঞ্ছিত মানুষদের কবি মৃত্যুর ভয়ে আর বসে না থেকে যুদ্ধের সাজ পরে প্রতিবাদ করতে বলেছেন।
“দৃশ্যকল্প ii যেন 'রানার' কবিতার মূল ভাবনারই প্রতিফলন”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প (ii) যেন 'রানার' কবিতার মূল ভাবনারই প্রতিফলন- মন্তব্যটি যথার্থ। যাদের ঘামে ও শ্রমে সমাজ-সংসারের চাকা নিত্য সচল থাকে তাদের কেথা কেউ বলে না, কেউ তাদের সুযোগ-সুবিধার কথা ভাবে না। এটা শুধু সত্য নয়, নির্মম সত্য।' উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প (ii) এর কবিতাংশে কবি শ্রমজীবী মানুষের কথা বলেছেন। এখানে কবি কারখানার চিমনির মুখে সাইরেন-শঙ্খের আওয়াজ এবং হাতুড়ি-কাস্তের শব্দ শোনার কথা বলেছেন। অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষের নিরলস শ্রমের ইতিবৃত্ত কেউ দেখে না। কাজ করতে করতে হয়তো কেউ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, যদিও জীবনকেই তারা ভালোবাসতে চায়। এই বিষয়টি 'রানার' কবিতায় প্রতিফলিত বিষয়টিকে নির্দেশ করে। রানার সবার কাছে নতুন খবর পৌঁছে দিলেও তার খবর কেউ নেয় না। সে তার শ্রমেরও উপযুক্ত মূল ও মর্যাদা পায় না। রাত হোক, দুর্গম পথ হোক, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হোক- নিরন্তর তাদের কাজ করতে হয়। ঘরে স্ত্রী দুঃখ, বেদনা, অভিমান, অনুরাগ নিয়ে একা বিনিদ্র রাত জাগে। রানারদের দুঃখের চিঠি কেউ কোনোদিন পড়ে না। তারা অবহেলিতই থেকে যায়। উদ্দীপক (ii) ও আলোচ্য কবিতা উভয় জায়গায় শ্রমজীবী মানুষের কথা প্রকাশ পেয়েছে। যারা তিল তিল করে নিজেদের শ্রমে ও ঘামে আমাদের সুন্দর জীবনকে আরও সুন্দর করে। অথচ তারা অবহেলিত ও নিগৃহীত হয়। উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতার কবি উভয়েই তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। তাই বলা যায় মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-i: শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না প্রতি নিঃশ্বাসে আনে লজ্জা; মৃত্যুর ভয়ে ভীরু বসে থাকা, আর না- পরো পরো যুদ্ধের সজ্জা। দৃশ্যকল্প-ii: চিমনির মুখে শোনো সাইরেন-শঙ্খ, গান গায় হাতুড়ি ও কাস্তে তিল তিল মরণেও জীবন অসংখ্য জীবনকে চায় ভালোবাসতে।

Barisal · 2020

রানার কী কাজ নিয়েছে?

উত্তর

রানার নতুন খবর আনার কাজ নিয়েছে।
"জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে।"- উক্তিটির কারণ বর্ণনা কর।

উত্তর

"জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে”- এ কথা বলতে রানারের জীবনের সব আশা-স্বপ্নকে সামান্য মূল্যে বিক্রি করাকে বোঝানো হয়েছে। রানার বা ডাকবাহক মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখের নানা সংবাদের বোঝা কাঁধে নিয়ে রাতের পথে শহরের দিকে ছুটে চলে। শুধু রাত নয়, দুর্গম পথে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সে নিরন্তর ছুটে চলে। তার ক্লান্তি নেই, অবসর নেওয়ার অবকাশ নেই। তার ক্লান্ত শ্বাস যেন আকাশ ছুঁয়ে যায়, তার ঘামে মাটি ভেজে। সামান্য বেতনের চাকরির জন্য পথের দস্যুর ভয় উপেক্ষা করে ছুটে চলে। তার জীবনের সর রাতকে যেন তারা অল্প দামে কিনে নিয়েছে।
দৃশ্যকল্প । এর ভাবধারার সাথে 'রানার' কবিতার 'এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে?'- চরণটির সাদৃশ্যগত দিক ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-i এর ভাবধারার সাথে 'এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে?'- চরণটির সাদৃশ্য রয়েছে। সমাজের শ্রমজীবী মানুষের শ্রম ও ত্যাগের ফলে সভ্যতার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে। অথচ তারা সমাজে মূল্য ও মর্যাদা পায় না। তারা উঁচু শ্রেণি দ্বারা নানাভাবে নির্যাতিত ও অবহেলিত। 'রানার' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাপন, দুঃখ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে তাদের সততার দিকটি তুলে ধরেছেন। রানার মানুষের সুখ-দুঃখের অনেক অজানা সংবাদ বহন করে নিয়ে যায়। সে পিঠে খবরের বোঝা, মানি অর্ডার নিয়ে দস্যুর ভয় উপেক্ষা করে লন্ঠন জ্বালিয়ে রাতের অন্ধকারে একা ছুটে চলে। অভাবে, ক্লান্তিতে ক্ষয়ে ক্ষয়ে গেলেও সে দায়িত্বে অবহেলা করে না। অথচ সমাজ তাকে তার ন্যায়্য প্রাপ্য দেয় না। কবি তাই প্রশ্ন করেছেন- এ বোঝা টানার দিক কবে শেষ হবে? উদ্দীপকে কবির মনে যুগ যুগ ধরে আর্তের কান্নার কথা বলেছেন। এই অবস্থা থেকে আর্ত, লাঞ্ছিত মানুষদের কবি মৃত্যুর ভয়ে আর বসে না থেকে যুদ্ধের সাজ পরে প্রতিবাদ করতে বলেছেন।
“দৃশ্যকল্প ii যেন 'রানার' কবিতার মূল ভাবনারই প্রতিফলন”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প (ii) যেন 'রানার' কবিতার মূল ভাবনারই প্রতিফলন- মন্তব্যটি যথার্থ। যাদের ঘামে ও শ্রমে সমাজ-সংসারের চাকা নিত্য সচল থাকে তাদের কেথা কেউ বলে না, কেউ তাদের সুযোগ-সুবিধার কথা ভাবে না। এটা শুধু সত্য নয়, নির্মম সত্য।' উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প (ii) এর কবিতাংশে কবি শ্রমজীবী মানুষের কথা বলেছেন। এখানে কবি কারখানার চিমনির মুখে সাইরেন-শঙ্খের আওয়াজ এবং হাতুড়ি-কাস্তের শব্দ শোনার কথা বলেছেন। অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষের নিরলস শ্রমের ইতিবৃত্ত কেউ দেখে না। কাজ করতে করতে হয়তো কেউ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, যদিও জীবনকেই তারা ভালোবাসতে চায়। এই বিষয়টি 'রানার' কবিতায় প্রতিফলিত বিষয়টিকে নির্দেশ করে। রানার সবার কাছে নতুন খবর পৌঁছে দিলেও তার খবর কেউ নেয় না। সে তার শ্রমেরও উপযুক্ত মূল ও মর্যাদা পায় না। রাত হোক, দুর্গম পথ হোক, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হোক- নিরন্তর তাদের কাজ করতে হয়। ঘরে স্ত্রী দুঃখ, বেদনা, অভিমান, অনুরাগ নিয়ে একা বিনিদ্র রাত জাগে। রানারদের দুঃখের চিঠি কেউ কোনোদিন পড়ে না। তারা অবহেলিতই থেকে যায়। উদ্দীপক (ii) ও আলোচ্য কবিতা উভয় জায়গায় শ্রমজীবী মানুষের কথা প্রকাশ পেয়েছে। যারা তিল তিল করে নিজেদের শ্রমে ও ঘামে আমাদের সুন্দর জীবনকে আরও সুন্দর করে। অথচ তারা অবহেলিত ও নিগৃহীত হয়। উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতার কবি উভয়েই তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। তাই বলা যায় মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুমন ও মামুন ঢাকায় বসবাস করে। বহু বছর পর সুমন বাড়ি ফিরলে গ্রামের লোকজন উৎসুক দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে থাকে। সুমন স্কুল বন্ধু ফরিদকে জড়িয়ে ধরে। খোঁজখবর নেয়। তার ক্লান্ত চোখের চাহনি দেখে মর্মাহত হয়, বাড়ির আমগাছে টিয়া-শালিক দেখে রোমাঞ্চিত হয়। অথচ মামুনের বাড়ি ফেরার সময়ই হয়ে ওঠে না। কল্পনায় সে জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও শহুরে চাকচিক্যকে জীবনের অনুষঙ্গ করে নিয়েছে।

Dhaka · 2020

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ আছে?

উত্তর

আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় 'কার্তিক' মাসের উল্লেখ আছে
কদম আলী অকাল বার্ধক্যে নত কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

অভাব-দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত বলে কদম আলী অকাল বার্ধক্যে নত। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি গ্রামের পথ-ঘাট, পথ-প্রান্তরের মতো সরু পথ, ধানখেত, নদীর কিনার, সেখানকার মানুষ কদম আলী, জমিলার মা প্রভৃতির কথা বলেছেন। কবি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে অভাবের কারণে না খেতে পাওয়া ক্লান্ত কদম আলীর কথাও স্মরণ করেছেন। চিকিৎসার অভাবে যে অকাল বার্ধক্যের শিকার হয়েছে। কবি কদম আলীকে গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকের সুমনের ভাবনার সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার কোন দিকের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুমনের ভাবনার সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার জন্মভূমিপ্রীতির সাদৃশ্য রয়েছে। জন্মভূমির প্রকৃতির প্রতি মানুষের ভালোবাসা চিরন্তন। জন্মভূমির প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন গভীরভাবে জড়িয়ে থাকে। কারণ এদেশের মানুষ গ্রামীণ প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বেড়ে ওঠে। উদ্দীপকে জন্মভূমির প্রতি সুমনের গভীর ভালোবাসার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। বহু বছর পর গ্রামে গিয়েও সে তার পরিচিত পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে প্রাণের আবেগে মিশেছে। তার গ্রামের গাছপালা, পাখি, পরিচিত লোকজন দেখে খুব খুশি হয়েছে। উদ্দীপকের গ্রামের - প্রতি গভীর টান এবং ভালোবাসার দিকটি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় প্রতিফলিত স্বদেশের প্রতি কবির গভীর ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবি এদেশের প্রকৃতি ও মানুষের সঙ্গে নিজের গভীর বন্ধনের কথা বলেছেন। উদ্দীপকের সুমনের মধ্যেও এই দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সুমনও কবির মতো জন্মভূমির প্রকৃতির মধ্যে, নিজের চিরচেনা গ্রামের মধ্যে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে।
উদ্দীপকে মামুন জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? মতামত দাও।

উত্তর

না, উদ্দীপকে মামুন জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না। মানুষ তার জন্মভূমির আলো-বাতাসে, প্রকৃতির স্নেহস্পর্শে বেড়ে ওঠে। জন্মভূমি ও জন্মভূমির মাটির কাছে মানুষের ঋণের শেষ নেই। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন এদেশের শ্যামল প্রকৃতি তাঁর জীবনের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। আর তাই তিনি নিজের কথা বলতে গিয়ে তাঁর চিরচেনা গ্রাম, জনপদ, আসমান, জমিন, গাছপালা, পুকুর, জোনাকি, পাখি প্রভৃতির কথা বলেছেন। তিনি কদম আলী ও জমিলার মায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় থাকার কথা বলেছেন। কবির মতে তারা তাঁর চিরচেনা স্বজন। উদ্দীপকের মামুনের মধ্যে এই আত্মিক অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেনি। উদ্দীপকের মামুন জন্মস্থানের প্রতি যতটা না অনুরাগী তার চেয়ে বহুগুণে সে শহরমুখী। সে শহরের পরিবেশেই নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। কল্পনায় জন্মভূমির প্রতি তার যে টান তা প্রকৃত অনুভূতি নয়। কারণ শহুরে চাকচিক্যকে সে জীবনের অনুষঙ্গ করে নিয়েছে। অন্যদিকে আলোচ্য কবিতার কবি গ্রামীণ জনপদের সঙ্গেই জীবনের বন্ধন অনুভব করেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে মামুন জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও আলোচ্য কবিতার কবিভাবনার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুমন ও মামুন ঢাকায় বসবাস করে। বহু বছর পর সুমন বাড়ি ফিরলে গ্রামের লোকজন উৎসুক দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে থাকে। সুমন স্কুল বন্ধু ফরিদকে জড়িয়ে ধরে। খোঁজখবর নেয়। তার ক্লান্ত চোখের চাহনি দেখে মর্মাহত হয়, বাড়ির আমগাছে টিয়া-শালিক দেখে রোমাঞ্চিত হয়। অথচ মামুনের বাড়ি ফেরার সময়ই হয়ে ওঠে না। কল্পনায় সে জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও শহুরে চাকচিক্যকে জীবনের অনুষঙ্গ করে নিয়েছে।

Dhaka · 2020

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ আছে?

উত্তর

আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় 'কার্তিক' মাসের উল্লেখ আছে
কদম আলী অকাল বার্ধক্যে নত কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

অভাব-দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত বলে কদম আলী অকাল বার্ধক্যে নত। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি গ্রামের পথ-ঘাট, পথ-প্রান্তরের মতো সরু পথ, ধানখেত, নদীর কিনার, সেখানকার মানুষ কদম আলী, জমিলার মা প্রভৃতির কথা বলেছেন। কবি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে অভাবের কারণে না খেতে পাওয়া ক্লান্ত কদম আলীর কথাও স্মরণ করেছেন। চিকিৎসার অভাবে যে অকাল বার্ধক্যের শিকার হয়েছে। কবি কদম আলীকে গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকের সুমনের ভাবনার সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার কোন দিকের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুমনের ভাবনার সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার জন্মভূমিপ্রীতির সাদৃশ্য রয়েছে। জন্মভূমির প্রকৃতির প্রতি মানুষের ভালোবাসা চিরন্তন। জন্মভূমির প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের জীবন গভীরভাবে জড়িয়ে থাকে। কারণ এদেশের মানুষ গ্রামীণ প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বেড়ে ওঠে। উদ্দীপকে জন্মভূমির প্রতি সুমনের গভীর ভালোবাসার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। বহু বছর পর গ্রামে গিয়েও সে তার পরিচিত পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে প্রাণের আবেগে মিশেছে। তার গ্রামের গাছপালা, পাখি, পরিচিত লোকজন দেখে খুব খুশি হয়েছে। উদ্দীপকের গ্রামের - প্রতি গভীর টান এবং ভালোবাসার দিকটি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় প্রতিফলিত স্বদেশের প্রতি কবির গভীর ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবি এদেশের প্রকৃতি ও মানুষের সঙ্গে নিজের গভীর বন্ধনের কথা বলেছেন। উদ্দীপকের সুমনের মধ্যেও এই দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সুমনও কবির মতো জন্মভূমির প্রকৃতির মধ্যে, নিজের চিরচেনা গ্রামের মধ্যে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে।
উদ্দীপকে মামুন জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? মতামত দাও।

উত্তর

না, উদ্দীপকে মামুন জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবি ভাবনার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না। মানুষ তার জন্মভূমির আলো-বাতাসে, প্রকৃতির স্নেহস্পর্শে বেড়ে ওঠে। জন্মভূমি ও জন্মভূমির মাটির কাছে মানুষের ঋণের শেষ নেই। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন এদেশের শ্যামল প্রকৃতি তাঁর জীবনের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। আর তাই তিনি নিজের কথা বলতে গিয়ে তাঁর চিরচেনা গ্রাম, জনপদ, আসমান, জমিন, গাছপালা, পুকুর, জোনাকি, পাখি প্রভৃতির কথা বলেছেন। তিনি কদম আলী ও জমিলার মায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় থাকার কথা বলেছেন। কবির মতে তারা তাঁর চিরচেনা স্বজন। উদ্দীপকের মামুনের মধ্যে এই আত্মিক অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেনি। উদ্দীপকের মামুন জন্মস্থানের প্রতি যতটা না অনুরাগী তার চেয়ে বহুগুণে সে শহরমুখী। সে শহরের পরিবেশেই নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। কল্পনায় জন্মভূমির প্রতি তার যে টান তা প্রকৃত অনুভূতি নয়। কারণ শহুরে চাকচিক্যকে সে জীবনের অনুষঙ্গ করে নিয়েছে। অন্যদিকে আলোচ্য কবিতার কবি গ্রামীণ জনপদের সঙ্গেই জীবনের বন্ধন অনুভব করেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে মামুন জন্মস্থানের প্রতি টান অনুভব করলেও আলোচ্য কবিতার কবিভাবনার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন শিহাব। জীবনের শেষ বয়সে এসে শৈশবের স্মৃতি তাঁর মনে বারবার ভেসে ওঠে। কুয়াশাভেজা ভোর, ফসলের মাঠ, বর্ষার নদীতে মাছ ধরা প্রভৃতি ঘটনা শিহাবকে স্মৃতিকাতর করে তোলে। দেশে ফিরে আসতে চাইলেও স্ত্রী-সন্তানেরা রাজি হয়নি। তাঁর স্ত্রী বলেন “দেশে তোমার কে আছে?” উত্তরে শিহাব বলেন, “দেশেই তো আমার শিকড়।”

Mymensingh · 2026

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?

উত্তর

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা ডুমুরের ডালে বসে থাকে।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

“আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।”- কথাটির দ্বারা কবি স্বপ্নময় স্বদেশের সঙ্গে মিলে থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি নিজের জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। তিনি যে দেশে জন্মেছেন সেই দেশটি স্বপ্নময়। সেই দেশের গ্রাম, গ্রামীণ প্রকৃতি ও জনজীবন প্রায় একই ধরনের স্বপ্নের স্পর্শ মাখা। তিনিও সেই স্বপ্নময়তাকে ধারণ করেই বেড়ে উঠেছেন। অবাধ ও অবারিত স্বপ্নের মতো তিনি সেখানে ছিলেন, এখনো তিনি সারা দেশের অস্তিত্বের সঙ্গেই মিশে আছেন।
উদ্দীপকের সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পৃক্ততার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের আজীবনের সম্পর্ককে তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন গ্রামীণ জনপদের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব জড়িত। এই অনুভূতিই তিনি আন্তরিক মমতায় সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকের শিহাব বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও শেষ জীবনে জন্মভূমির সঙ্গে হৃদয়ের সম্পৃক্ততা অনুভব করেন। দেশে ফিরে আসতে চাইলেও স্ত্রী-সন্তানেরা রাজি হয়নি। তবে তাঁর কাছে জন্মভূমিই তাঁর শিকড়, তাঁর অস্তিত্ব। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির সঙ্গেও জন্মভূমির সম্পর্ক নাড়ির। জন্মভূমির সবকিছুই তিনি আপন সত্তায় অনুভব করেন। এখানেই তিনি তাঁর অস্তিত্ব খুঁজে পান। উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য কবিতাটি এদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
“দেশেই তো আমার শিকড়।"- উদ্দীপকে শিহাবের এই কথাটি কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির মতো উদ্দীপকের শিহাবও তাঁর জন্ম ভূমির সঙ্গে শিকড়ের সম্পর্ক অনুভব করায় “দেশেই তো আমার শিকড়” মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় গ্রামীণ জনপদের মধ্যে কবি শেকড় খুঁজে পেয়েছেন। বাংলার নানা অনুষঙ্গ, প্রাকৃতিক উপাদান ঘিরে রয়েছে কবির অস্তিত্ব। এই অনুভূতি অন্তহীন। এভাবেই তিনি জন্ম ভূমির সঙ্গে গভীর ভাবে সম্পৃক্ত। উদ্দীপকের শিহাব জন্ম ভূমির সঙ্গে নাড়ির সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করলেও সত্তা থেকে জন্ম ভূমিকে মুছে ফেলতে পারেননি। শেষ জীবনে তিনি গভীর ভাবে উপলব্ধি করেছেন জন্মভূমিকে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায়ও কবি জন্মভূমির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা তুলে ধরেছেন। দেশের নানা উপাদান, অনুষঙ্গ তাঁর অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবির আত্মোপলব্ধির দিকটি ফুটে উঠেছে। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন তাঁর অস্তিত্বে মিশে থাকা গ্রামীণ জনপদের কথা। এদেশের প্রকৃতি ও মানুষ কবির সত্তায় গভীর ভাবে মিশে আছে। এভাবেই তিনি দেশকে আপন সত্তায় অনুভব করেছেন। উদ্দীপকের শিহাবও বিদেশে থেকে দেশকে গভীর ভাবে অনুভব করেছেন, দেশের মাঝেই নিজের শেকড়কে খুঁজে পেয়েছেন। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি তাৎপর্যবাহী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন শিহাব। জীবনের শেষ বয়সে এসে শৈশবের স্মৃতি তাঁর মনে বারবার ভেসে ওঠে। কুয়াশাভেজা ভোর, ফসলের মাঠ, বর্ষার নদীতে মাছ ধরা প্রভৃতি ঘটনা শিহাবকে স্মৃতিকাতর করে তোলে। দেশে ফিরে আসতে চাইলেও স্ত্রী-সন্তানেরা রাজি হয়নি। তাঁর স্ত্রী বলেন “দেশে তোমার কে আছে?” উত্তরে শিহাব বলেন, “দেশেই তো আমার শিকড়।”

Mymensingh · 2026

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?

উত্তর

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা ডুমুরের ডালে বসে থাকে।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

“আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।”- কথাটির দ্বারা কবি স্বপ্নময় স্বদেশের সঙ্গে মিলে থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি নিজের জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। তিনি যে দেশে জন্মেছেন সেই দেশটি স্বপ্নময়। সেই দেশের গ্রাম, গ্রামীণ প্রকৃতি ও জনজীবন প্রায় একই ধরনের স্বপ্নের স্পর্শ মাখা। তিনিও সেই স্বপ্নময়তাকে ধারণ করেই বেড়ে উঠেছেন। অবাধ ও অবারিত স্বপ্নের মতো তিনি সেখানে ছিলেন, এখনো তিনি সারা দেশের অস্তিত্বের সঙ্গেই মিশে আছেন।
উদ্দীপকের সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পৃক্ততার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের আজীবনের সম্পর্ককে তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন গ্রামীণ জনপদের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব জড়িত। এই অনুভূতিই তিনি আন্তরিক মমতায় সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকের শিহাব বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও শেষ জীবনে জন্মভূমির সঙ্গে হৃদয়ের সম্পৃক্ততা অনুভব করেন। দেশে ফিরে আসতে চাইলেও স্ত্রী-সন্তানেরা রাজি হয়নি। তবে তাঁর কাছে জন্মভূমিই তাঁর শিকড়, তাঁর অস্তিত্ব। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির সঙ্গেও জন্মভূমির সম্পর্ক নাড়ির। জন্মভূমির সবকিছুই তিনি আপন সত্তায় অনুভব করেন। এখানেই তিনি তাঁর অস্তিত্ব খুঁজে পান। উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য কবিতাটি এদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
“দেশেই তো আমার শিকড়।"- উদ্দীপকে শিহাবের এই কথাটি কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির মতো উদ্দীপকের শিহাবও তাঁর জন্ম ভূমির সঙ্গে শিকড়ের সম্পর্ক অনুভব করায় “দেশেই তো আমার শিকড়” মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় গ্রামীণ জনপদের মধ্যে কবি শেকড় খুঁজে পেয়েছেন। বাংলার নানা অনুষঙ্গ, প্রাকৃতিক উপাদান ঘিরে রয়েছে কবির অস্তিত্ব। এই অনুভূতি অন্তহীন। এভাবেই তিনি জন্ম ভূমির সঙ্গে গভীর ভাবে সম্পৃক্ত। উদ্দীপকের শিহাব জন্ম ভূমির সঙ্গে নাড়ির সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করলেও সত্তা থেকে জন্ম ভূমিকে মুছে ফেলতে পারেননি। শেষ জীবনে তিনি গভীর ভাবে উপলব্ধি করেছেন জন্মভূমিকে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায়ও কবি জন্মভূমির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা তুলে ধরেছেন। দেশের নানা উপাদান, অনুষঙ্গ তাঁর অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবির আত্মোপলব্ধির দিকটি ফুটে উঠেছে। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন তাঁর অস্তিত্বে মিশে থাকা গ্রামীণ জনপদের কথা। এদেশের প্রকৃতি ও মানুষ কবির সত্তায় গভীর ভাবে মিশে আছে। এভাবেই তিনি দেশকে আপন সত্তায় অনুভব করেছেন। উদ্দীপকের শিহাবও বিদেশে থেকে দেশকে গভীর ভাবে অনুভব করেছেন, দেশের মাঝেই নিজের শেকড়কে খুঁজে পেয়েছেন। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি তাৎপর্যবাহী।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো