কপোতাক্ষ নদ বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর কপোতাক্ষ নদ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৫২

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শুভ বাবু প্রায় এক যুগ আগে সরকারি বৃত্তি নিয়ে আমেরিকায় যান। পড়াশোনা শেষে সেখানেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদান করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি প্রচুর বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন। কিন্তু, তারপরও তিনি সুখী নন। বিদেশে থেকেও সেখানকার প্রকৃতি-পরিবেশ, লোকালয় কোনোকিছুই তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। কাজের অবসরে মনটা শুধু পড়ে থাকে বাংলার সবুজ শ্যামল প্রান্তরে। যেখানে রয়েছে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, নদীতীরের সূর্যাস্তের দৃশ্য, সবুজ বনানী- কেটেছে তার শৈশব থেকে যৌবনের অফুরান সোনালি দিন।

Mymensingh · 2020

সনেটের অষ্টকে মূলত কী রয়েছে?

উত্তর

সনেটের অষ্টকে রয়েছে মূলত ভাবের প্রবর্তনা।
'আর কি হে হবে দেখা?'- কবির এ সংশয়ের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত অংশে স্বদেশের স্মৃতিবিজড়িত নদের সঙ্গে আর দেখা হবে কি না সেই বিষয়ে কবিমনের সংশয় প্রকাশ পেয়েছে। • কবি সুদূর প্রবাসে অবস্থানকালে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত নদের কথা স্মরণ করেছেন। নদের প্রতি কবির ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে কবিতায়। জন্মভূমির কপোতাক্ষ নদ তাঁকে স্নেহডোরে বেঁধেছে। কিন্তু তিনি তার কাছে ফিরে আসতে পারছেন না। কবির সঙ্গে প্রিয় নদের আর কখনো দেখা হবে কি না তা তিনি জানেন না। এ বিষয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। কবিমনের এই অভিব্যক্তিই এখানে ব্যক্ত হয়েছে।
সাদৃশ্যগত দিক হতে শুভ বাবুর উপলব্ধিটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির উপলব্ধির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সাদৃশ্যগত দিক থেকে শুভ বাবুর উপলব্ধিটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির উপলব্ধির সঙ্গে প্রায় সবটুকুই সংগতিপূর্ণ। • জন্মভূমি স্বদেশের কাছে মানুষ চিরঋণী। কেউ প্রবাসে গেলেও তার অন্তরজুড়ে স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা বিরাজ করে। • উদ্দীপকে শুভ বাবু নামক এক প্রবাসীর স্বদেশানুরাগ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি সরকারি বৃত্তি নিয়ে আমেরিকায় গিয়ে পড়াশুনা করে সে দেশেই চাকরি শুরু করেন। সে দেশে তিনি অনেক অর্থ-বিত্তের মালিক হয়েও সুখী নন। কারণ, জন্মভূমি বাংলার শ্যামল প্রকৃতিকে তিনি ভুলতে পারেন না। তার জন্মভূমির আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, নদীতীরের সূর্যাস্তের দৃশ্য মনে পড়ে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। তিনি শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদকে ভুলতে পারেন না। এভাবে স্বদেশানুরাগের উপলব্ধিতে উদ্দীপকের শুভ বাবু এবং 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাবের প্রতিফলন ঘটেছে। – মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।– মন্তব্যটি যথার্থ। • জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা মানুষকে মহত্ত্ব ও গৌরব দান করে। স্বদেশ ও দেশের প্রকৃতির কথা মানুষ সহজে ভুলতে পারে না। ফলে স্বদেশের সঙ্গে সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটলেও সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। • উদ্দীপকে জন্মভূমির প্রতি শুভ বাবুর গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। প্রবাসের বিলাসী জীবন তাকে সুখী করতে পারেনি। তার হৃদয়জুড়ে বিরাজ করে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত গ্রামখানি। জন্মভূমির প্রতি এই অনুরাগ ও ভালোবাসা শুভ বাবুকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ তথা প্রিয় জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। • 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। জন্মভূমির শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি তাঁর মনে কাতরতা জাগিয়েছে। তিনি যেন কপোতাক্ষ নদের কলকল ধ্বনি শুনতে পান। উদ্দীপকের শুভ বাবুও বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রান্তরের কথা, আঁকাবাঁকা পথের কথা, নদীতীরের সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের কথা ভুলতে পারেন না। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

শুভ বাবু প্রায় এক যুগ আগে সরকারি বৃত্তি নিয়ে আমেরিকায় যান। পড়াশোনা শেষে সেখানেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদান করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি প্রচুর বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন। কিন্তু, তারপরও তিনি সুখী নন। বিদেশে থেকেও সেখানকার প্রকৃতি-পরিবেশ, লোকালয় কোনোকিছুই তাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি। কাজের অবসরে মনটা শুধু পড়ে থাকে বাংলার সবুজ শ্যামল প্রান্তরে। যেখানে রয়েছে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, নদীতীরের সূর্যাস্তের দৃশ্য, সবুজ বনানী- কেটেছে তার শৈশব থেকে যৌবনের অফুরান সোনালি দিন।

Mymensingh · 2020

সনেটের অষ্টকে মূলত কী রয়েছে?

উত্তর

সনেটের অষ্টকে রয়েছে মূলত ভাবের প্রবর্তনা।
'আর কি হে হবে দেখা?'- কবির এ সংশয়ের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত অংশে স্বদেশের স্মৃতিবিজড়িত নদের সঙ্গে আর দেখা হবে কি না সেই বিষয়ে কবিমনের সংশয় প্রকাশ পেয়েছে। • কবি সুদূর প্রবাসে অবস্থানকালে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত নদের কথা স্মরণ করেছেন। নদের প্রতি কবির ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে কবিতায়। জন্মভূমির কপোতাক্ষ নদ তাঁকে স্নেহডোরে বেঁধেছে। কিন্তু তিনি তার কাছে ফিরে আসতে পারছেন না। কবির সঙ্গে প্রিয় নদের আর কখনো দেখা হবে কি না তা তিনি জানেন না। এ বিষয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। কবিমনের এই অভিব্যক্তিই এখানে ব্যক্ত হয়েছে।
সাদৃশ্যগত দিক হতে শুভ বাবুর উপলব্ধিটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির উপলব্ধির সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সাদৃশ্যগত দিক থেকে শুভ বাবুর উপলব্ধিটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির উপলব্ধির সঙ্গে প্রায় সবটুকুই সংগতিপূর্ণ। • জন্মভূমি স্বদেশের কাছে মানুষ চিরঋণী। কেউ প্রবাসে গেলেও তার অন্তরজুড়ে স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা বিরাজ করে। • উদ্দীপকে শুভ বাবু নামক এক প্রবাসীর স্বদেশানুরাগ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি সরকারি বৃত্তি নিয়ে আমেরিকায় গিয়ে পড়াশুনা করে সে দেশেই চাকরি শুরু করেন। সে দেশে তিনি অনেক অর্থ-বিত্তের মালিক হয়েও সুখী নন। কারণ, জন্মভূমি বাংলার শ্যামল প্রকৃতিকে তিনি ভুলতে পারেন না। তার জন্মভূমির আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, নদীতীরের সূর্যাস্তের দৃশ্য মনে পড়ে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। তিনি শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদকে ভুলতে পারেন না। এভাবে স্বদেশানুরাগের উপলব্ধিতে উদ্দীপকের শুভ বাবু এবং 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাবের প্রতিফলন ঘটেছে। – মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূলভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।– মন্তব্যটি যথার্থ। • জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা মানুষকে মহত্ত্ব ও গৌরব দান করে। স্বদেশ ও দেশের প্রকৃতির কথা মানুষ সহজে ভুলতে পারে না। ফলে স্বদেশের সঙ্গে সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটলেও সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। • উদ্দীপকে জন্মভূমির প্রতি শুভ বাবুর গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। প্রবাসের বিলাসী জীবন তাকে সুখী করতে পারেনি। তার হৃদয়জুড়ে বিরাজ করে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত গ্রামখানি। জন্মভূমির প্রতি এই অনুরাগ ও ভালোবাসা শুভ বাবুকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ তথা প্রিয় জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। • 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। জন্মভূমির শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি তাঁর মনে কাতরতা জাগিয়েছে। তিনি যেন কপোতাক্ষ নদের কলকল ধ্বনি শুনতে পান। উদ্দীপকের শুভ বাবুও বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রান্তরের কথা, আঁকাবাঁকা পথের কথা, নদীতীরের সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের কথা ভুলতে পারেন না। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্তবক-১: মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে। স্তবক ২: এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।

Dinajpur · 2020

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার প্রথম আট চরণের অন্ত্যমিল কী?

উত্তর

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার প্রথম আট চরণের অন্তমিল হলো- কখকখকখখক।
'দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে।'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কপোতাক্ষ নদের জলধারা কবিহৃদয়কে তৃপ্ত করে বলে তিনি কবিতায় এটিকে দুগ্ধস্রোতোরূপী বলেছেন। কপোতাক্ষ নদের স্নেহধারায় সিক্ত হয়ে কবির শৈশব-কৈশোর কেটেছে। কপোতাক্ষ নদকে ঘিরে তাঁর অনেক আনন্দ-বেদনার স্মৃতি রয়েছে। মায়ের দুধ পান করে যেমন সন্তান পুষ্ট হয়, ঠিক তেমনই কপোতাক্ষ নদের জলধারা কবির হৃদয়কে তৃপ্ত করেছে। এ কারণেই তিনি কপোতাক্ষ নদকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করে এটির জলধারাকে দুগ্ধস্রোতোরূপী বলেছেন।
উদ্দীপকের স্তবক-১ এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের স্তবক-১-এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্মৃতিকাতরতার দিকটি ফুটে উঠেছে। জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। জীবন-জীবিকার তাগিদে মানুষ অন্য দেশে গেলে স্বদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা জেগে ওঠে। উদ্দীপক-১-এ ফেলে আসা দিনের স্মৃতির কথা বলা হয়েছে। এখানে কবিকে তাঁর ফেলে আসা দিনগুলো পিছু ডাকে, তাঁকে বেদনাহত করে। এ বিষয়টি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় প্রতিফলিত কবির স্মৃতিকাতরতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবি দূর প্রবাসে বসে কপোতাক্ষ নদকে স্মরণ করেন। এই নদের সঙ্গে জড়ানো তাঁর স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা ভেবে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়েছেন। অবচেতন মনে তিনি এই নদের কলকল ধ্বনি শুনতে পান। উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবির অনুরূপ আবেগ প্রতিফলিত হয়েছে।
“উদ্দীপকের স্তবক-২ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল চেতনাকে ধারণ করেছে।”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের স্তবক-২ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল চেতনাকে ধারণ করেছে।'- উক্তিটি যথার্থ। জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। তাই মানুষ তার জন্মভূমি ছেড়ে যত দূরেই যাক না কেন, স্বদেশভূমিকে সে কখনই ভুলতে পারে না। উদ্দীপক-২-এ প্রিয় জন্মভূমির শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলা হয়েছে। কবির প্রিয় দেশটি অতুলনীয়। এমন দেশ পৃথিবীর অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কেননা কবি মনে করেন তাঁর জন্মভূমি সব দেশের রানি। কবির এই অনুরাগ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ 'কপোতাক্ষ নদ' কবির স্মৃতিতে চির উজ্জ্বল হয়ে আছে। এ নদের জল কবির কাছে মাতৃদুগ্ধের মতো। কপোতাক্ষের প্রতি কবির এ অনুরাগ ও স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে, যা উদ্দীপক-২-এর মূলভাবকে নির্দেশ করেছে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি শৈশব-কৈশোরের প্রিয় নদকে স্মরণ করেছেন। এতে স্বদেশের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। এই অনুরাগের দিকটি উদ্দীপক-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপক-২-এ অপূর্ব সুন্দর দেশটি এ কবিরই দেশ। এই বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্তবক-১: মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে। স্তবক ২: এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।

Dinajpur · 2020

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার প্রথম আট চরণের অন্ত্যমিল কী?

উত্তর

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার প্রথম আট চরণের অন্তমিল হলো- কখকখকখখক।
'দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে।'- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কপোতাক্ষ নদের জলধারা কবিহৃদয়কে তৃপ্ত করে বলে তিনি কবিতায় এটিকে দুগ্ধস্রোতোরূপী বলেছেন। কপোতাক্ষ নদের স্নেহধারায় সিক্ত হয়ে কবির শৈশব-কৈশোর কেটেছে। কপোতাক্ষ নদকে ঘিরে তাঁর অনেক আনন্দ-বেদনার স্মৃতি রয়েছে। মায়ের দুধ পান করে যেমন সন্তান পুষ্ট হয়, ঠিক তেমনই কপোতাক্ষ নদের জলধারা কবির হৃদয়কে তৃপ্ত করেছে। এ কারণেই তিনি কপোতাক্ষ নদকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করে এটির জলধারাকে দুগ্ধস্রোতোরূপী বলেছেন।
উদ্দীপকের স্তবক-১ এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের স্তবক-১-এ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্মৃতিকাতরতার দিকটি ফুটে উঠেছে। জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। জীবন-জীবিকার তাগিদে মানুষ অন্য দেশে গেলে স্বদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা জেগে ওঠে। উদ্দীপক-১-এ ফেলে আসা দিনের স্মৃতির কথা বলা হয়েছে। এখানে কবিকে তাঁর ফেলে আসা দিনগুলো পিছু ডাকে, তাঁকে বেদনাহত করে। এ বিষয়টি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় প্রতিফলিত কবির স্মৃতিকাতরতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবি দূর প্রবাসে বসে কপোতাক্ষ নদকে স্মরণ করেন। এই নদের সঙ্গে জড়ানো তাঁর স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা ভেবে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়েছেন। অবচেতন মনে তিনি এই নদের কলকল ধ্বনি শুনতে পান। উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবির অনুরূপ আবেগ প্রতিফলিত হয়েছে।
“উদ্দীপকের স্তবক-২ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল চেতনাকে ধারণ করেছে।”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের স্তবক-২ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল চেতনাকে ধারণ করেছে।'- উক্তিটি যথার্থ। জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। তাই মানুষ তার জন্মভূমি ছেড়ে যত দূরেই যাক না কেন, স্বদেশভূমিকে সে কখনই ভুলতে পারে না। উদ্দীপক-২-এ প্রিয় জন্মভূমির শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলা হয়েছে। কবির প্রিয় দেশটি অতুলনীয়। এমন দেশ পৃথিবীর অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কেননা কবি মনে করেন তাঁর জন্মভূমি সব দেশের রানি। কবির এই অনুরাগ 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ 'কপোতাক্ষ নদ' কবির স্মৃতিতে চির উজ্জ্বল হয়ে আছে। এ নদের জল কবির কাছে মাতৃদুগ্ধের মতো। কপোতাক্ষের প্রতি কবির এ অনুরাগ ও স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে, যা উদ্দীপক-২-এর মূলভাবকে নির্দেশ করেছে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি শৈশব-কৈশোরের প্রিয় নদকে স্মরণ করেছেন। এতে স্বদেশের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। এই অনুরাগের দিকটি উদ্দীপক-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপক-২-এ অপূর্ব সুন্দর দেশটি এ কবিরই দেশ। এই বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবেদীন সাহেব উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেও স্বদেশে কোনো ভালো চাকরি জোগাড় করতে না পেরে সুদূর আমেরিকায় চলে যান। সেখানে তিনি ভালো বেতনে একটি চাকরি পেলেও কোনোভাবেই মন বসাতে পারছেন না। তাঁর শুধু মনে পড়ে স্বদেশের কথা, দেশের মানুষের কথা এবং দেশের রূপ-বৈচিত্র্যের কথা।

Comilla · 2020

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে কী প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে।
কবি স্বদেশের জন্য হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর প্রতি কীভাবে প্রকাশ করেছেন?

উত্তর

কবি স্বদেশের জন্য হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আবেগ তাড়িতভাবে প্রকাশ করেছেন। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি স্মৃতিকাতরতার আবরণে অনন্য দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। কবি যশোরের কপোতাক্ষ নদের তীরে জন্ম নিয়েছেন। জীবনের প্রয়োজনে তিনি বিদেশে থাকলেও জন্মভূমির স্মৃতি ভুলতে পারেননি। জন্মভূমির শৈশব-কৈশোরের বেদনাবিধুর স্মৃতি তাঁকে কাতর করেছে। তাই দূরে থেকে যেন তিনি কপোতাক্ষ নদের শব্দ শুনতে পান। এভাবেই কবি স্বদেশের জন্য তাঁর হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর কাছে প্রকাশ করেছেন।
উদ্দীপকের আবেদীন সাহেবের প্রবাসে মন না বসা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কোন দিকটি ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আবেদীন সাহেবের প্রবাসে মন না বসা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির স্বদেশের জন্য বেদনার্ত ও স্মৃতিকাতর হওয়ার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে। মাতৃভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। প্রয়োজনের তাগিদে কখনো এ সম্পর্ক ছিন্ন হলেও হৃদয়জুড়ে স্বদেশের স্মৃতি আন্দোলিত হয়। উদ্দীপকের আবেদীন সাহেব উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেও দেশে ভালো চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় চলে যান। প্রবাসজীবনে স্বদেশের মানুষ, রূপ-বৈচিত্র্য তাকে স্মৃতিকাতর করে তোলে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও স্বদেশের জন্য কবির স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ পেয়েছে। কৈশোরের স্মৃতি, দেশের প্রকৃতি, প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ কবিকে বেদনার্ত করে তোলেছে। এভাবে উদ্দীপকের আবেদীন সাহেবের সঙ্গে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির ভাবনার সাদৃশ্য রয়েছে।
“উদ্দীপকের ভাববস্তুতে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।”- মন্তব্যটির সত্যতা নির্ণয় কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের ভাববস্তুতে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।”- মন্তব্যটির সঙ্গে একমত পোষণ করছি। দেশপ্রেম মানুষকে মহৎ ও গৌরবান্বিত করে। স্বদেশের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও প্রকৃতির সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটলেও স্মৃতিতে তা জাগরিত থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত আবেদীন সাহেব দেশে যথার্থ চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান। অথচ সেখানে তার মন বসে না। কেবলই তার দেশের কথা মনে পড়ে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও কবি ও স্বদেশের জন্য ব্যকুলতা প্রকাশ করেছেন, বেদনার্ত হয়েছেন। দেশের ছোট ছোট স্মৃতিময় অনুষঙ্গ কবি যেভাবে কবিতায় চিত্রিত করেছেন উদ্দীপকে সেভাবে প্রকাশ পায়নি। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে অত্যুজ্জ্বল স্বদেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। শৈশবের নদের প্রতি কবির মিনতি ও উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাববস্তুতে কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবেদীন সাহেব উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেও স্বদেশে কোনো ভালো চাকরি জোগাড় করতে না পেরে সুদূর আমেরিকায় চলে যান। সেখানে তিনি ভালো বেতনে একটি চাকরি পেলেও কোনোভাবেই মন বসাতে পারছেন না। তাঁর শুধু মনে পড়ে স্বদেশের কথা, দেশের মানুষের কথা এবং দেশের রূপ-বৈচিত্র্যের কথা।

Comilla · 2020

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে কী প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে তাঁর অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে।
কবি স্বদেশের জন্য হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর প্রতি কীভাবে প্রকাশ করেছেন?

উত্তর

কবি স্বদেশের জন্য হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আবেগ তাড়িতভাবে প্রকাশ করেছেন। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবি স্মৃতিকাতরতার আবরণে অনন্য দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। কবি যশোরের কপোতাক্ষ নদের তীরে জন্ম নিয়েছেন। জীবনের প্রয়োজনে তিনি বিদেশে থাকলেও জন্মভূমির স্মৃতি ভুলতে পারেননি। জন্মভূমির শৈশব-কৈশোরের বেদনাবিধুর স্মৃতি তাঁকে কাতর করেছে। তাই দূরে থেকে যেন তিনি কপোতাক্ষ নদের শব্দ শুনতে পান। এভাবেই কবি স্বদেশের জন্য তাঁর হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর কাছে প্রকাশ করেছেন।
উদ্দীপকের আবেদীন সাহেবের প্রবাসে মন না বসা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কোন দিকটি ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আবেদীন সাহেবের প্রবাসে মন না বসা 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির স্বদেশের জন্য বেদনার্ত ও স্মৃতিকাতর হওয়ার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে। মাতৃভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। প্রয়োজনের তাগিদে কখনো এ সম্পর্ক ছিন্ন হলেও হৃদয়জুড়ে স্বদেশের স্মৃতি আন্দোলিত হয়। উদ্দীপকের আবেদীন সাহেব উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেও দেশে ভালো চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় চলে যান। প্রবাসজীবনে স্বদেশের মানুষ, রূপ-বৈচিত্র্য তাকে স্মৃতিকাতর করে তোলে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও স্বদেশের জন্য কবির স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ পেয়েছে। কৈশোরের স্মৃতি, দেশের প্রকৃতি, প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ কবিকে বেদনার্ত করে তোলেছে। এভাবে উদ্দীপকের আবেদীন সাহেবের সঙ্গে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির ভাবনার সাদৃশ্য রয়েছে।
“উদ্দীপকের ভাববস্তুতে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।”- মন্তব্যটির সত্যতা নির্ণয় কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের ভাববস্তুতে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।”- মন্তব্যটির সঙ্গে একমত পোষণ করছি। দেশপ্রেম মানুষকে মহৎ ও গৌরবান্বিত করে। স্বদেশের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও প্রকৃতির সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটলেও স্মৃতিতে তা জাগরিত থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত আবেদীন সাহেব দেশে যথার্থ চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান। অথচ সেখানে তার মন বসে না। কেবলই তার দেশের কথা মনে পড়ে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও কবি ও স্বদেশের জন্য ব্যকুলতা প্রকাশ করেছেন, বেদনার্ত হয়েছেন। দেশের ছোট ছোট স্মৃতিময় অনুষঙ্গ কবি যেভাবে কবিতায় চিত্রিত করেছেন উদ্দীপকে সেভাবে প্রকাশ পায়নি। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে অত্যুজ্জ্বল স্বদেশপ্রেম প্রকাশিত হয়েছে। শৈশবের নদের প্রতি কবির মিনতি ও উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাববস্তুতে কবিতার সমগ্র দিক প্রতিফলিত হয়নি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো