প্রবাস বন্ধু বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর প্রবাস বন্ধু অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১১৫

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) "একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয় যেথায় কোকিল ডাকে কুহু, দোয়েল ডাকে মুহু মুহু নদী যেথায় ছুটে চলে আপন ঠিকানায়," (ii) "ভূতের মতন চেহারা যেমন, নির্বোধ অতি ঘোর যা-কিছু হারায়, গিন্নি বলেন, "কেষ্টা বেটাই চোর।" বড়ো প্রয়োজন, ডাকি প্রাণপণ, চিৎকার করি 'কেষ্টা'- যত করি তাড়া, নাহি পাই সাড়া, খুঁজে ফিরি সারা দেশটা।"

Mymensingh · 2026

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা পাগমানের পাহাড় থেকে বরফ সংগ্রহ করে।
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

লেখক বেরসিকের মতো কথা বলায় আবদুর রহমান তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনেতে আবদুর রহমান তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশিরের অপরূপ সৌন্দর্যের কথা বলছিল। তার মতে পানশিরের আবহাওয়া পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। শীতকালে সেখানে বরফ পড়ে। কখনো কখনো সাত-আটদিন ধরে অনবরত বরফ পড়তে থাকে। ওই সময় কোনো কাজ থাকে না। ওখানকার লোকেরা জানালায় বসে প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য দেখে। লেখক একটানা সাতদিন জানালায় বসে থাকার কথায় বাধা দেওয়ায় আবদুর রহমান তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল।
উদ্দীপকের অংশ (i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আফগান আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি আবেগ ও অনুরাগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সে লেখককে জানায়, তার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলনারহিত। সেখানকার জলবায়ু পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ কবিকণ্ঠে স্বদেশে ফেরার আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। স্বদেশের প্রকৃতি তথা পাখির ডাক, নদীর ছুটে চলা কবির অস্তিত্বে মিশে আছে। জন্মভূমির প্রতি তাই তিনি গভীরভাবে অনুরক্ত। এখানে কবির মাঝে স্বদেশপ্রেমের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানও স্বদেশের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত। তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশির পৃথিবীর যেকোনো জায়গার থেকে শ্রেষ্ঠ। সেখানকার ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু তার অস্তিত্বে মিশে আছে। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ আলোচ্য রচনার এ দিকটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরো।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর কেষ্টার উদাসীনতার বিপরীতে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার ভৃত্য আবদুর রহমানের আনুগত্য ফুটে ওঠায় উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় না। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় লেখক তাঁর আফগানিস্তানে থাকাকালীন ঘটনা বর্ণনা করেছেন রসাত্মকভাবে। সেই প্রসঙ্গেই তাঁর দেখভালে নিয়োজিত আফগান আবদুর রহমান সম্পর্কে বলেছেন। সে ছিল অত্যন্ত সরল, অতিথিপরায়ণ, অনুগত ও স্বদেশপ্রেমিক। উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কবি তাঁর ভৃত্য কেষ্টা সম্পর্কে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রয়োজনের সময় যখন কেষ্টাকে প্রাণপণে ডাকেন সে তাঁর ডাকে সাড়া দেয় না। তাকে কিছু রাখতে দিলে সে মনোযোগের সঙ্গে কাজ করে না। আবার কোনোকিছু আনতে দিলে অনেক দেরি করে। অর্থাৎ ভৃত্য হলেও সে মনিবের প্রতি অনুগত নয়। সে এলোমেলো চরিত্রের বা ভুলো-মনা স্বভাবের। 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমান কেষ্টার বিপরীত চরিত্র। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান লেখকের প্রতি অনেক বেশি অনুগত। সে আগে থেকেই প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাবার গামলার মধ্যে সাজিয়ে রাখে। লেখকের খাওয়া শেষ হওয়ার পরও আরও খাবার খাওয়ানোর জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। সে ছিল অত্যন্ত প্রভুভক্ত। লেখক তার সম্পর্কে তাঁর লেখায় ইতিবাচক বর্ণনাই দিয়েছেন; আর উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর ভৃত্য সম্পর্কে কবির অভিজ্ঞতা নেতিবাচক। দুজনের ভৃত্য পুরোই বিপরীতধর্মী। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) "একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয় যেথায় কোকিল ডাকে কুহু, দোয়েল ডাকে মুহু মুহু নদী যেথায় ছুটে চলে আপন ঠিকানায়," (ii) "ভূতের মতন চেহারা যেমন, নির্বোধ অতি ঘোর যা-কিছু হারায়, গিন্নি বলেন, "কেষ্টা বেটাই চোর।" বড়ো প্রয়োজন, ডাকি প্রাণপণ, চিৎকার করি 'কেষ্টা'- যত করি তাড়া, নাহি পাই সাড়া, খুঁজে ফিরি সারা দেশটা।"

Mymensingh · 2026

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা পাগমানের পাহাড় থেকে বরফ সংগ্রহ করে।
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

লেখক বেরসিকের মতো কথা বলায় আবদুর রহমান তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনেতে আবদুর রহমান তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশিরের অপরূপ সৌন্দর্যের কথা বলছিল। তার মতে পানশিরের আবহাওয়া পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। শীতকালে সেখানে বরফ পড়ে। কখনো কখনো সাত-আটদিন ধরে অনবরত বরফ পড়তে থাকে। ওই সময় কোনো কাজ থাকে না। ওখানকার লোকেরা জানালায় বসে প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য দেখে। লেখক একটানা সাতদিন জানালায় বসে থাকার কথায় বাধা দেওয়ায় আবদুর রহমান তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল।
উদ্দীপকের অংশ (i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আফগান আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি আবেগ ও অনুরাগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সে লেখককে জানায়, তার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলনারহিত। সেখানকার জলবায়ু পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ কবিকণ্ঠে স্বদেশে ফেরার আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। স্বদেশের প্রকৃতি তথা পাখির ডাক, নদীর ছুটে চলা কবির অস্তিত্বে মিশে আছে। জন্মভূমির প্রতি তাই তিনি গভীরভাবে অনুরক্ত। এখানে কবির মাঝে স্বদেশপ্রেমের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানও স্বদেশের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত। তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশির পৃথিবীর যেকোনো জায়গার থেকে শ্রেষ্ঠ। সেখানকার ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু তার অস্তিত্বে মিশে আছে। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ আলোচ্য রচনার এ দিকটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরো।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর কেষ্টার উদাসীনতার বিপরীতে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার ভৃত্য আবদুর রহমানের আনুগত্য ফুটে ওঠায় উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় না। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় লেখক তাঁর আফগানিস্তানে থাকাকালীন ঘটনা বর্ণনা করেছেন রসাত্মকভাবে। সেই প্রসঙ্গেই তাঁর দেখভালে নিয়োজিত আফগান আবদুর রহমান সম্পর্কে বলেছেন। সে ছিল অত্যন্ত সরল, অতিথিপরায়ণ, অনুগত ও স্বদেশপ্রেমিক। উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কবি তাঁর ভৃত্য কেষ্টা সম্পর্কে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রয়োজনের সময় যখন কেষ্টাকে প্রাণপণে ডাকেন সে তাঁর ডাকে সাড়া দেয় না। তাকে কিছু রাখতে দিলে সে মনোযোগের সঙ্গে কাজ করে না। আবার কোনোকিছু আনতে দিলে অনেক দেরি করে। অর্থাৎ ভৃত্য হলেও সে মনিবের প্রতি অনুগত নয়। সে এলোমেলো চরিত্রের বা ভুলো-মনা স্বভাবের। 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমান কেষ্টার বিপরীত চরিত্র। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান লেখকের প্রতি অনেক বেশি অনুগত। সে আগে থেকেই প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাবার গামলার মধ্যে সাজিয়ে রাখে। লেখকের খাওয়া শেষ হওয়ার পরও আরও খাবার খাওয়ানোর জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। সে ছিল অত্যন্ত প্রভুভক্ত। লেখক তার সম্পর্কে তাঁর লেখায় ইতিবাচক বর্ণনাই দিয়েছেন; আর উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর ভৃত্য সম্পর্কে কবির অভিজ্ঞতা নেতিবাচক। দুজনের ভৃত্য পুরোই বিপরীতধর্মী। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে তাকিয়া পরিবারের সাথে রাঙামাটি যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, সেই সাথে লঞ্চ ভ্রমণ তাকে ভীষণভাবে পুলকিত ও আন্দোলিত করে। রাঙামাটির মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তা তাকিয়া ভুলতেই পারে না। তার সমবয়সি ঋদ্ধা চাকমাকে বান্ধবী বানিয়ে নেয় এবং তাকে পরিবারসহ চট্টগ্রাম শহরে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণ জানায়।

Dinajpur · 2026

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে পীচবাগানের পাহাড় দেখিয়েছিলেন।
"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

“আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি” বলতে আবদুর রহমানের দ্বারা জিরার সাহেব আবদুর রহমানকে লেখকের সব কাজের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানকে সকল কাজের কাজি বলা হয়েছে। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের সন্নিকটে খাজা মোল্লা গ্রামে থাকার সময় সে লেখকের দেখাশোনার দায়িত্ব নেয়। জুতো বুরুশ দ্বারা একেবারে সাধারণ কাজকে বোঝায়। খুনখারাবি দ্বারা সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিতে পারাকে বোঝানো হয়েছে। প্রশ্নোক্ত কথাটির দ্বারা জিরার সাহেব আবদুর রহমানের সব কাজ করার ক্ষমতার বিষয়কে বোঝাতে চেয়েছেন।
উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো পানশিরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় লেখক আফগানিস্তানের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরেছেন। প্রসঙ্গত এসেছে সেখানে পানশির নামক এক স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা, যা বর্ণনা করতে লেখকের আফগানি ভূত্য আবদুর রহমান। উদ্দীপকের তাকিয়া বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পরিবারের সঙ্গে রাঙামাটি যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, সেই সাথে লঞ্চ ভ্রমণ তাকে ভীষণভাবে পুলকিত ও আন্দোলিত করে। উদ্দীপকের রাঙামাটির এই বর্ণনা 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমান কর্তৃক আফগানিস্তানের পানশিরের বর্ণনার দিকটির ইঙ্গিত দেয়। আবদুর রহমানের বর্ণনায় পানশিরের প্রকৃতির রূপসৌন্দর্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে, যা উদ্দীপকের রাঙামাটির সৌন্দর্যের বর্ণনার শামিল। এভাবে উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির পানশিরের সৌন্দর্য বর্ণনার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
“উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' প্রবন্ধে আবদুর রহমান চরিত্রের আতিথেয়পরায়ণতা, সরলতা, আফগানিস্তানের বিভিন্ন খাদ্যাভ্যাস পরিচয় ইত্যাদি বিষয় উদ্দীপকে না থাকায় “উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ” মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক তাঁর আফগানিস্তান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। প্রসঙ্গত সেখানে আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতা, সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাসসহ নানা বিষয় উঠে এসেছে। উদ্দীপকে তাকিয়া বার্ষিক পরীক্ষা শেষে রাঙামাটি বেড়াতে যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, লঞ্চ ভ্রমণ প্রভৃতি তাকে পুলকিত করে। তাকিয়ার এই পুলকিত হওয়ার বিষয়টি 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানের পানশিরের সৌন্দর্য বর্ণনার বিষয়টি ইঙ্গিতবহ করে তোলে কিন্তু লেখকের অভিজ্ঞতা আরও গভীর ও বিস্তৃত। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক আফগানিস্তানের নানা বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, সংস্কৃতি, আতিথেয়তাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকে শুধু আফগানিস্তানের পানশিরের সৌন্দর্য বর্ণনার বিষয়টি ইঙ্গিতবহ হয়ে এসেছে। অন্যান্য বিষয় সেখানে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে তাকিয়া পরিবারের সাথে রাঙামাটি যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, সেই সাথে লঞ্চ ভ্রমণ তাকে ভীষণভাবে পুলকিত ও আন্দোলিত করে। রাঙামাটির মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তা তাকিয়া ভুলতেই পারে না। তার সমবয়সি ঋদ্ধা চাকমাকে বান্ধবী বানিয়ে নেয় এবং তাকে পরিবারসহ চট্টগ্রাম শহরে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণ জানায়।

Dinajpur · 2026

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে পীচবাগানের পাহাড় দেখিয়েছিলেন।
"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

“আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি” বলতে আবদুর রহমানের দ্বারা জিরার সাহেব আবদুর রহমানকে লেখকের সব কাজের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানকে সকল কাজের কাজি বলা হয়েছে। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের সন্নিকটে খাজা মোল্লা গ্রামে থাকার সময় সে লেখকের দেখাশোনার দায়িত্ব নেয়। জুতো বুরুশ দ্বারা একেবারে সাধারণ কাজকে বোঝায়। খুনখারাবি দ্বারা সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিতে পারাকে বোঝানো হয়েছে। প্রশ্নোক্ত কথাটির দ্বারা জিরার সাহেব আবদুর রহমানের সব কাজ করার ক্ষমতার বিষয়কে বোঝাতে চেয়েছেন।
উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো পানশিরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় লেখক আফগানিস্তানের প্রকৃতি ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরেছেন। প্রসঙ্গত এসেছে সেখানে পানশির নামক এক স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা, যা বর্ণনা করতে লেখকের আফগানি ভূত্য আবদুর রহমান। উদ্দীপকের তাকিয়া বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পরিবারের সঙ্গে রাঙামাটি যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, সেই সাথে লঞ্চ ভ্রমণ তাকে ভীষণভাবে পুলকিত ও আন্দোলিত করে। উদ্দীপকের রাঙামাটির এই বর্ণনা 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমান কর্তৃক আফগানিস্তানের পানশিরের বর্ণনার দিকটির ইঙ্গিত দেয়। আবদুর রহমানের বর্ণনায় পানশিরের প্রকৃতির রূপসৌন্দর্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে, যা উদ্দীপকের রাঙামাটির সৌন্দর্যের বর্ণনার শামিল। এভাবে উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনির পানশিরের সৌন্দর্য বর্ণনার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
“উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' প্রবন্ধে আবদুর রহমান চরিত্রের আতিথেয়পরায়ণতা, সরলতা, আফগানিস্তানের বিভিন্ন খাদ্যাভ্যাস পরিচয় ইত্যাদি বিষয় উদ্দীপকে না থাকায় “উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ” মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক তাঁর আফগানিস্তান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। প্রসঙ্গত সেখানে আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতা, সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাসসহ নানা বিষয় উঠে এসেছে। উদ্দীপকে তাকিয়া বার্ষিক পরীক্ষা শেষে রাঙামাটি বেড়াতে যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, লঞ্চ ভ্রমণ প্রভৃতি তাকে পুলকিত করে। তাকিয়ার এই পুলকিত হওয়ার বিষয়টি 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানের পানশিরের সৌন্দর্য বর্ণনার বিষয়টি ইঙ্গিতবহ করে তোলে কিন্তু লেখকের অভিজ্ঞতা আরও গভীর ও বিস্তৃত। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক আফগানিস্তানের নানা বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, সংস্কৃতি, আতিথেয়তাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকে শুধু আফগানিস্তানের পানশিরের সৌন্দর্য বর্ণনার বিষয়টি ইঙ্গিতবহ হয়ে এসেছে। অন্যান্য বিষয় সেখানে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্রবাসে রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক শক্তি ও স্বাস্থ্য ভালো। হওয়ায় তার কোনো অসুবিধা হয় না, বরং তার দিন যেমন সুখের তেমনি অর্থও পায় প্রচুর। এত সুখের মাঝেও দেশের স্মৃতি মনে পড়ে। তার। উপকূলীয় এলাকায় নৌকাই ভরসা, সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলা, প্রতিকূল আবহাওয়া, জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে বাঁচার সংগ্রাম। প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর হাতছানির মাঝে যেন খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের সার্থকতা। বিদেশের জীবনটা যেন হয়ে গেছে তার একঘেয়ে ও আনন্দহীন।

Sylhet · 2026

আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?

উত্তর

আফগানিস্তানে এক ধরনের সংস্কার আছে। সেটা হলো গুরুজনের দিকে তাকাতে নেই।
"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.

উত্তর

"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক খাবারের আধিক্য দেখে এ কথা বলেছেন। আফগানিস্তানে লেখকের ভৃত্য আবদুর রহমানের রান্না করা খাবার পরিবেশনের পর খাবারের প্রাচুর্য দেখে তিনি অবাক হন। প্রচুর মাংস, বড়ো সাইজের আটটি শামি-কাবাব, পুরো একটা মুরগির রোস্ট দেখে তিনি অবাক হন। ইতোমধ্যে আবদুর রহমান যা খাবার এনেছে তা খাওয়াই ছিল তাঁর পক্ষে অসম্ভব, তার ওপর যখন বলে রান্নাঘরে আরও অবশিষ্ট আছে তখন সম্পূর্ণ খাবারের পরিমাণ চিন্তা করে তিনি রীতিমতো নিশ্চুপ হয়ে যান। তখন নিজের মানসিক অবস্থা বোঝাতে তিনি উল্লিখিত মন্তব্যটি করেছিলেন।
রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।

উত্তর

রাসেল মৃধার সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ। আফগানিস্তানে খাজামোল্লা গ্রামে থাকার সময় লেখকের দেখভালের দায়িত্বে ছিল আবদুর রহমান। শারীরিক গঠনে সে ভীমসেনের মতো বলশালী, ছয় ফুট চার ইঞ্চি লম্বা ও ব্যাপক শক্তিধর। সে দারুণ রাঁধুনি, জুতা বুরুশ থেকে খুনখারাবি সব কাজ করতে পারে। তার চরিত্রের মধ্যে সরলতা, স্বদেশপ্রেম, অতিথি-পরায়ণতা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক ভাবে শক্তিশালী হওয়ায় কাজ করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। অন্যদিকে তার মন বারবার দেশের স্মৃতিতে ফিরে যায়। তেমনই 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানও একা বিরাট বোঝা বহন করতে পারে, যা দেখে লেখক বিস্মিত হন। দুজনেই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে পেশাদার ও সক্ষম। শারীরিক সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতাই এই দুই চরিত্রের মূল মিল। এছাড়া দুজনেই নির্জ নিজ অঞ্চলের প্রকৃতি ও জীবনযাত্রায় গভীরভাবে প্রোথিত।
"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ” মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ উভয়ের চরিত্রেই স্বদেশ প্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পে আবদুর রহমান বারবার পানশিরের অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণনা দেয়। আক্ষরিক অর্থেই তিনি কবির মতো নিজ জন্মভূমির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয় এবং লেখককে সেখানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। এই বর্ণনায় বাস্তবের চেয়ে আবেগ ও স্মৃতির রং বেশি। উদ্দীপকের রাসেল মৃধা বিদেশে, অর্থ উপার্জন করে সুখে দিন কাটালেও দেশের স্মৃতি ভোলে না। নৌকা, সমুদ্রের ঢেউ, প্রতিকূল আবহাওয়া, উপকূলীয় জীবনের সংগ্রামকেই সে জীবনের সার্থকতা বলে মনে করে। আবদুর রহমানও পানশিরের বরফ, হাওয়া, আঙুর, শীতের দিনের আরামকে সাবলীল ভাষায় বর্ণনা করে। দুজনের ক্ষেত্রেই জন্মভূমির স্মৃতি বর্তমানের সুখকে ছাপিয়ে যায়। আবদুর রহমান পানশিরের বর্ণনায় বাস্তবের চেয়ে বেশি স্মৃতির রঙে রাঙানো চিত্র এঁকেছে। সেখানে সাত দিন ধরে জানালায় বসে থাকাও আরামের আর বরফের মধ্যে ছয় হাত উঁচু কম্বলের নিচে মানুষ বেঁচে থাকে- এ অতিকথন আসলে স্বদেশপ্রেমের ফল। উদ্দীপকের রাসেল মৃধার কাছেও উপকূলীয় জীবন-মৃত্যুর সংগ্রাম বিদেশের একঘেয়ে জীবনের চেয়ে বেশি অর্থবহ মনে হয়। এখানে বাহ্যিক সুখ ও আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যের চেয়ে মানসিক তৃপ্তি ও দেশপ্রেমের টান বেশি প্রতীয়মান হয়। দুজনের বর্ণনাতেই স্বাভাবিক ভাবেই অতিকথন ও স্মৃতির রঙিন বর্ণনা চলে আসে। তাই বলা যায়, রাসেলের স্মৃতিচারণ ও আবদুর রহমানের বর্ণনা একই চেতনার ফসল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

প্রবাসে রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক শক্তি ও স্বাস্থ্য ভালো। হওয়ায় তার কোনো অসুবিধা হয় না, বরং তার দিন যেমন সুখের তেমনি অর্থও পায় প্রচুর। এত সুখের মাঝেও দেশের স্মৃতি মনে পড়ে। তার। উপকূলীয় এলাকায় নৌকাই ভরসা, সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলা, প্রতিকূল আবহাওয়া, জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে বাঁচার সংগ্রাম। প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর হাতছানির মাঝে যেন খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের সার্থকতা। বিদেশের জীবনটা যেন হয়ে গেছে তার একঘেয়ে ও আনন্দহীন।

Sylhet · 2026

আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?

উত্তর

আফগানিস্তানে এক ধরনের সংস্কার আছে। সেটা হলো গুরুজনের দিকে তাকাতে নেই।
"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.

উত্তর

"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক খাবারের আধিক্য দেখে এ কথা বলেছেন। আফগানিস্তানে লেখকের ভৃত্য আবদুর রহমানের রান্না করা খাবার পরিবেশনের পর খাবারের প্রাচুর্য দেখে তিনি অবাক হন। প্রচুর মাংস, বড়ো সাইজের আটটি শামি-কাবাব, পুরো একটা মুরগির রোস্ট দেখে তিনি অবাক হন। ইতোমধ্যে আবদুর রহমান যা খাবার এনেছে তা খাওয়াই ছিল তাঁর পক্ষে অসম্ভব, তার ওপর যখন বলে রান্নাঘরে আরও অবশিষ্ট আছে তখন সম্পূর্ণ খাবারের পরিমাণ চিন্তা করে তিনি রীতিমতো নিশ্চুপ হয়ে যান। তখন নিজের মানসিক অবস্থা বোঝাতে তিনি উল্লিখিত মন্তব্যটি করেছিলেন।
রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।

উত্তর

রাসেল মৃধার সঙ্গে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ। আফগানিস্তানে খাজামোল্লা গ্রামে থাকার সময় লেখকের দেখভালের দায়িত্বে ছিল আবদুর রহমান। শারীরিক গঠনে সে ভীমসেনের মতো বলশালী, ছয় ফুট চার ইঞ্চি লম্বা ও ব্যাপক শক্তিধর। সে দারুণ রাঁধুনি, জুতা বুরুশ থেকে খুনখারাবি সব কাজ করতে পারে। তার চরিত্রের মধ্যে সরলতা, স্বদেশপ্রেম, অতিথি-পরায়ণতা ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক ভাবে শক্তিশালী হওয়ায় কাজ করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। অন্যদিকে তার মন বারবার দেশের স্মৃতিতে ফিরে যায়। তেমনই 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানও একা বিরাট বোঝা বহন করতে পারে, যা দেখে লেখক বিস্মিত হন। দুজনেই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে পেশাদার ও সক্ষম। শারীরিক সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতাই এই দুই চরিত্রের মূল মিল। এছাড়া দুজনেই নির্জ নিজ অঞ্চলের প্রকৃতি ও জীবনযাত্রায় গভীরভাবে প্রোথিত।
"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ” মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ উভয়ের চরিত্রেই স্বদেশ প্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পে আবদুর রহমান বারবার পানশিরের অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণনা দেয়। আক্ষরিক অর্থেই তিনি কবির মতো নিজ জন্মভূমির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয় এবং লেখককে সেখানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। এই বর্ণনায় বাস্তবের চেয়ে আবেগ ও স্মৃতির রং বেশি। উদ্দীপকের রাসেল মৃধা বিদেশে, অর্থ উপার্জন করে সুখে দিন কাটালেও দেশের স্মৃতি ভোলে না। নৌকা, সমুদ্রের ঢেউ, প্রতিকূল আবহাওয়া, উপকূলীয় জীবনের সংগ্রামকেই সে জীবনের সার্থকতা বলে মনে করে। আবদুর রহমানও পানশিরের বরফ, হাওয়া, আঙুর, শীতের দিনের আরামকে সাবলীল ভাষায় বর্ণনা করে। দুজনের ক্ষেত্রেই জন্মভূমির স্মৃতি বর্তমানের সুখকে ছাপিয়ে যায়। আবদুর রহমান পানশিরের বর্ণনায় বাস্তবের চেয়ে বেশি স্মৃতির রঙে রাঙানো চিত্র এঁকেছে। সেখানে সাত দিন ধরে জানালায় বসে থাকাও আরামের আর বরফের মধ্যে ছয় হাত উঁচু কম্বলের নিচে মানুষ বেঁচে থাকে- এ অতিকথন আসলে স্বদেশপ্রেমের ফল। উদ্দীপকের রাসেল মৃধার কাছেও উপকূলীয় জীবন-মৃত্যুর সংগ্রাম বিদেশের একঘেয়ে জীবনের চেয়ে বেশি অর্থবহ মনে হয়। এখানে বাহ্যিক সুখ ও আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যের চেয়ে মানসিক তৃপ্তি ও দেশপ্রেমের টান বেশি প্রতীয়মান হয়। দুজনের বর্ণনাতেই স্বাভাবিক ভাবেই অতিকথন ও স্মৃতির রঙিন বর্ণনা চলে আসে। তাই বলা যায়, রাসেলের স্মৃতিচারণ ও আবদুর রহমানের বর্ণনা একই চেতনার ফসল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো