শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের অংশ (i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আফগান আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি আবেগ ও অনুরাগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সে লেখককে জানায়, তার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলনারহিত। সেখানকার জলবায়ু পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ কবিকণ্ঠে স্বদেশে ফেরার আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। স্বদেশের প্রকৃতি তথা পাখির ডাক, নদীর ছুটে চলা কবির অস্তিত্বে মিশে আছে। জন্মভূমির প্রতি তাই তিনি গভীরভাবে অনুরক্ত। এখানে কবির মাঝে স্বদেশপ্রেমের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানও স্বদেশের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত। তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশির পৃথিবীর যেকোনো জায়গার থেকে শ্রেষ্ঠ। সেখানকার ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু তার অস্তিত্বে মিশে আছে। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ আলোচ্য রচনার এ দিকটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

SSC বাংলা ১ম পত্র প্রবাস বন্ধু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · প্রবাস বন্ধু · সৃজনশীল

উদ্দীপকের অংশ (i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়…

উদ্দীপক

(i) "একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয় যেথায় কোকিল ডাকে কুহু, দোয়েল ডাকে মুহু মুহু নদী যেথায় ছুটে চলে আপন ঠিকানায়," (ii) "ভূতের মতন চেহারা যেমন, নির্বোধ অতি ঘোর যা-কিছু হারায়, গিন্নি বলেন, "কেষ্টা বেটাই চোর।" বড়ো প্রয়োজন, ডাকি প্রাণপণ, চিৎকার করি 'কেষ্টা'- যত করি তাড়া, নাহি পাই সাড়া, খুঁজে ফিরি সারা দেশটা।"

Mymensingh · 2026

উত্তর

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম ডেমাস্কাস বা দামেস্ক।

উত্তর

সুভার গ্রামের নাম চণ্ডীপুর।

উত্তর

'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে মহামতি আবু বকর (রা.) শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন।

উত্তর

'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা পাগমানের পাহাড় থেকে বরফ সংগ্রহ করে।

উত্তর

'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাদশা বাবরের চোখে নিদ নেই।

উত্তর

'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকা গুলো চরের খুব কাছে এসে লেগেছে।

উত্তর

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা ডুমুরের ডালে বসে থাকে।

উত্তর

'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা রামায়ণে পড়েছেন।

উত্তর

ইমাম ও আজিজ মাস্টারের কাছ থেকে মধুবনের জঙ্গলা মাঠে লুকিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ পেতে তাদেরকে ভয় দেখানোর জন্য মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য তাদের দেখতে বাধ্য করেছিল। মেজর এজাজ গোপনসূত্রে জানতে পেরেছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একদল মুক্তিযোদ্ধা মধুবনের জঙ্গলা মাঠে অবস্থান করছে, যাদের হাতে তার বন্ধু মেজর বখতিয়ার আটক রয়েছে। নীলগঞ্জ গ্রামে এসেই সে ইমাম সাহেব ও আজিজ মাস্টারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার ধারণা, এরা দুজন মুক্তিবাহিনীর খবর জানে কিন্তু প্রকাশ করছে না। তাই প্রথমে সে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতন করে। এতেও কোনো কাজ না হলে সে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। চিত্রা বুড়ির ছেলেকে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত মনা কৈবর্তের হত্যাকাণ্ড আজিজ মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করে। সে মনে করেছিল, মনার হত্যাকাণ্ড সামনে থেকে দেখলে হয়তো তারা ভয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য মেজর এজাজকে বলে দেবে। এজন্য সে মনার বিচার-দৃশ্য দেখতে তাদেরকে বাধ্য করে।

উত্তর

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কারণ আজিজ মাস্টার ছিল একজন সহজ-সরল নির্বিবাদী মানুষ। সে সত্য কথা অকপটে বলে দিত। হুমায়ূন আহমেদের '১৯৭১' উপন্যাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো আজিজ মাস্টার। সে নীলগঞ্জ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। গ্রামে একদল মিলিটারি আসার পর সেই দলের প্রধান মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে তলব করেন। আজিজ মাস্টার ছিল একজন সহজ-সরল ভীতু প্রকৃতির লোক। মেজর এজাজ তাকে নানা প্রকার প্রশ্ন করেন। আজিজ মাস্টার তার প্রশ্নের সহজ-সরল উত্তর দেয়। বিশেষ করে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শোনার ব্যাপারে তার উত্তর ছিল আরও বেশি সরল। মেজর এজাজ বলেন স্বাধীন বাংলা বেতার পাকিস্তানিদের নামে আজগুবি গল্প ছড়াচ্ছে। সেগুলো আজিজ মাস্টারের বিশ্বাস হয় কি না। তখন আজিজ মাস্টার সহজ স্বীকারোক্তি দেয় যে তার মাঝে মাঝে বিশ্বাস হয়। এই সহজ-সরল স্বীকারোক্তি মূলক স্বভাবের কারণেই মূলত মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন।

উত্তর

আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে যখন গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে, তখন চিত্রা বুড়ির ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নীলগঞ্জ গ্রামের পাশেই কৈবর্তদের বসবাস। গ্রামের সঙ্গে তাদের খুব একটা যোগাযোগ নেই। কৈবর্তপাড়ার এক বাসিন্দা চিত্রা বুড়ি। গত বছর মনা কৈবর্তের হাতে তার ছেলে খুন হয়েছে। গ্রামের সম্ভ্রান্ত লোেক ও পুলিশের কাছে ছেলের খুনের বিচার চাওয়ায় কৈবর্তরা চিত্রা বুড়িকে সমাজচ্যুত করেছে। কোনো উপায় না পেয়ে চিত্রা বুড়ি ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নেয়। কৈবর্তপাড়ায় তার স্থান না হওয়ায় সে সেনবাড়ির মন্দিরে থাকতে শুরু করে। কিন্তু যে সম্প্রদায় তাকে ত্যাগ করেছে বিপদের সময় সে তাদেরকেই রক্ষা করার জন্য ছুটে গিয়েছে। গ্রামে মিলিটারি এলে চিত্রা বুড়ি কৈবর্তদের কাছে ছুটে গিয়ে তাদের নিরাপদে থাকার জন্য সতর্ক করেছে। তাই লেখক আলোচ্য মন্তব্যটি করেছেন।

উত্তর

“বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণ রক্ষা হইল” বলতে আলী ইবনে আব্বাসের প্রচেষ্টা ও সুপারিশে যে বন্দি ব্যক্তি মুক্তি পেলেন সেটি বোঝানো হয়েছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন খলিফা মামুন। 'প্রত্যুপকার' গল্পে লেখক একজন নিঃস্বার্থ উপকারী ও একজন সকৃতজ্ঞ প্রত্যুপকারীর কাহিনি তুলে ধরেছেন। খলিফা মামুনের প্রিয়পাত্র আলী ইবনে আব্বাস একদা শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির কাছে আশ্রয়লাভ করে জীবন রক্ষা করেন। পরবর্তী সময়ে সেই ব্যক্তি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে খলিফার সেনাদল কর্তৃক বন্দি হন এবং আলী ইবনে আব্বাস বন্দিকে চিনতে পেরে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাকে মুক্তি দিতে চান। ওই ব্যক্তি রাজি না হওয়ায় তিনি খলিফার কাছে তার মুক্তির জন্য সুপারিশ করেন। খলিফা সব শুনে সেই উপকারী ব্যক্তিকে মুক্তি দেন এবং প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।

উত্তর

মেয়ে প্রতিবন্ধী হওয়ায় পিতামাতার মনে বেদনা সৃষ্টি করেছে যা তারা কখনো মন থেকে সরাতে পারেন না। 'সুভা' গল্পে সুভা বাক্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার মা সেটা নিজের শারীরিক ত্রুটিস্বরূপ মনে করেন। সাধারণ পাড়া-প্রতিবেশীরা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করে। সে পিতামাতার মনের বেদনায় পরিণত হয়। সুভার শারীরিক অসম্পূর্ণতা সব সময় তার বাবা-মাকে চিন্তিত রাখে। আলোচ্য বাক্যে এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।

উত্তর

মহানবি (স.) মানুষের একজন হয়েও দুর্লভ। কারণ তিনি মানবিক গুণাবলির দিক দিয়ে এক ব্যতিক্রমী আদর্শ, যা অন্য কোনো মানুষের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না। হজরত মুহম্মদ (স.) ছিলেন মানুষের নবি। তিনি বিপুল ঐশ্বর্য, ক্ষমতা, মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মধ্যে থেকেও একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করে গেছেন। মহত্ত্ব, প্রেম, দয়া, সাধুতা, ত্যাগ তাঁর অজস্র চারিত্রিক গুণের মধ্যে প্রধান। তিনি ছিলেন সাহসী, তীক্ষ্ণ দৃষ্টিসম্পন্ন, ক্ষমা ও সৌজন্যের আদর্শ। একজন মানুষের মধ্যে একসঙ্গে এত গুণের সমাবেশ অতি দুর্লভ। তিনি মানুষের শ্রেষ্ঠ আদর্শ। মানবসভ্যতার ইতিহাসে মহানবি (স.) ছিলেন অসাধারণ চরিত্র। তাই বলা হয়েছে, মহানবি (স.) মানুষের একজন হয়েও দুর্লভ।

উত্তর

লেখক বেরসিকের মতো কথা বলায় আবদুর রহমান তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল। 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনেতে আবদুর রহমান তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশিরের অপরূপ সৌন্দর্যের কথা বলছিল। তার মতে পানশিরের আবহাওয়া পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। শীতকালে সেখানে বরফ পড়ে। কখনো কখনো সাত-আটদিন ধরে অনবরত বরফ পড়তে থাকে। ওই সময় কোনো কাজ থাকে না। ওখানকার লোকেরা জানালায় বসে প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য দেখে। লেখক একটানা সাতদিন জানালায় বসে থাকার কথায় বাধা দেওয়ায় আবদুর রহমান তার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল।

উত্তর

কবি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন হুমায়ুনের রোগমুক্তির উপায় নেই এমন ভাব প্রকাশ পাওয়ায়। 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাবরপুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। রাজ্যের যত বিজ্ঞ চিকিৎসক আছেন সবাই আসার পরও হুমায়ুনের রোগমুক্তির কোনো উপায় হয় না। একসময় বাবর যখন রাগান্বিত হয়ে চিকিৎসকদের বলেন, রোগ থেকে বাদশাজাদার মুক্তি মিলবে কি না, তখন রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব নয় ভেবে চিকিৎসকরা নীরব থাকেন। এ কারণেই তাদের নীরবতাকে কবি নিষ্ঠুর বলেছে।

উত্তর

উল্লিখিত চরণটি দিয়ে কবি বুঝিয়েছেন যে, বিচিত্র বিবর্তনের মধ্যেও প্রকৃতি তার রূপ-রস-গন্ধ কখনই হারিয়ে ফেলে না। কবি মনে করেন তিনি যখন থাকবেন না তখনও প্রকৃতি তার অফুরন্ত ঐশ্বর্য নিয়ে মানুষের স্বপ্ন, সাধ ও কল্পনাকে তৃপ্ত করে যাবে। পৃথিবীতে মানবকল্যাণের বাণী বা কল্যাণকর্ম কোনোকিছুই বিলীন হয় না। শুধু ব্যক্তি হারিয়ে যায়। কারও মৃত্যুতেই পৃথিবীর গতিময়তা ও প্রকৃতির স্বাভাবিকতায় কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। কবি মনে করেন তিনি না থাকলে লক্ষ্মীপেঁচার গান বন্ধ হবে না। পৃথিবীর সবকিছুই স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।

উত্তর

“আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।”- কথাটির দ্বারা কবি স্বপ্নময় স্বদেশের সঙ্গে মিলে থাকাকে বুঝিয়েছেন। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি নিজের জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। তিনি যে দেশে জন্মেছেন সেই দেশটি স্বপ্নময়। সেই দেশের গ্রাম, গ্রামীণ প্রকৃতি ও জনজীবন প্রায় একই ধরনের স্বপ্নের স্পর্শ মাখা। তিনিও সেই স্বপ্নময়তাকে ধারণ করেই বেড়ে উঠেছেন। অবাধ ও অবারিত স্বপ্নের মতো তিনি সেখানে ছিলেন, এখনো তিনি সারা দেশের অস্তিত্বের সঙ্গেই মিশে আছেন।

উত্তর

কবি তাঁর প্রত্যাশিত বিভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের জন্য বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। 'বোশেখ' কবিতায় বাতাসের অনেক ইতিবাচক দিক কবি অতীতের দৃষ্টান্ত থেকে দেখতে পেয়েছে। বাতাস মহাবীর হনুমানের পিতা। কালিদাসের মেঘদূতে বর্ণিত বাতাস দয়ালু মেঘের সাথি। সাম্যবাদী রাজা সোলেমানের বাহন বাতাস তার মহৎ কাজের অংশীদার ছিল। কবি বাতাসের এমন অতীত ইতিবাচক কর্মকাণ্ড স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।

উত্তর

'১৯৭১' উপন্যাসে ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ ময়মনসিংহ বিভাগের ছোটো গ্রাম নীলগঞ্জকে আখ্যান হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিচিত্র শ্রেণি, পেশা, শিক্ষা ও ধর্মের মানুষের বসবাস শান্তনিবিড় এই গ্রামে। ভৌগোলিকভাবে গ্রামটি শহর থেকে অনেকটা ভেতরে অবস্থিত। ময়মনসিংহ-ভৈরব রেললাইনে একটি স্টেশন নান্দাইল রোড। নান্দাইল রোড থেকে সোজা উত্তরে দশ মাইল দূরে রুয়াইল বাজার। বুয়াইল বাজারকে পেছনে ফেলে আরও মাইল ত্রিশেক উত্তরে মধুবন বাজার। মধুবন বাজার পেছনে ফেলে পূর্ব দিকে সাত-আট মাইলের ঘন জঙ্গল পেরিয়ে মধুবনের জঙ্গলা মাঠ। আর সেই জঙ্গলা মাঠের পেছনেই নীলগঞ্জ গ্রাম। দরিদ্র, শ্রীহীন, মাত্র ত্রিশ-চল্লিশ ঘরের একটি বিচ্ছিন্ন জনপদ নীলগঞ্জ। চারদিকে জলাভূমি গ্রামকে ঘিরে রেখেছে। শীতকাল ছাড়া চাষাবাদ তেমন হয় না। পাখি-মারা জাল দিয়ে পাখি ধরে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে গ্রামের কতিপয় মানুষ। বর্ষার আগে তরমুজ ও বাঙ্গি চাষ করে সামান্য অর্থ-কড়ি হাতে আসে তাদের। গ্রামের অধিকাংশ ঘর খড়ের তৈরি। তবে যাদের হাতে কাঁচা পয়সা আসে তারা টিনের ঘরও তৈরি করে। বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাস নীলগঞ্জ গ্রামে। গ্রামের একমাত্র পাকা দালানটিতে থাকেন সুসং দুর্গাপুর মহারাজার নায়েব চন্দ্রকান্ত সেন মহাশয়ের উত্তরাধীকারী নীলু সেন। সম্পদশালী কিন্তু মেরুদণ্ডহীন জয়নাল মিয়ার মতো মানুষ যেমন এখানে বাস করেন তেমনই মনিহারি দোকানি বদিউজ্জামানের মতো লোকও আছে। অন্য গ্রাম থেকে এসে বসবাস করা ইমাম সাহেব ও স্কুলমাস্টার আজিজও এখানে থাকেন। এছাড়াও অন্ত্যজ কৈবর্ত শ্রেণির লোকজনের বসবাস এই নীলগঞ্জ গ্রামে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষের অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরেছেন লেখক অতি সুচারুভাবে। সহজ-সরল গ্রামীণ জনপদের এই মানুষগুলো যুদ্ধ কী তা জানে না, পাকিস্তানি সেনারা গ্রামে আসার পরও তাদের বিশ্বাস হয় না- তারা তাদের ক্ষতি করবে, গ্রামের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করবে। অর্থাৎ ঔপন্যাসিক তাঁর নিখুঁত শিল্পগুণে '১৯৭১' উপন্যাসের পটভূমিকে নীলগঞ্জ গ্রামের জনজীবনের আলোকে চিত্রিত করেছেন। এই নীলগঞ্জ যেন গ্রামপ্রধান বাংলাদেশের অন্যান্য গ্রামের মতো একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।

উত্তর

'১৯৭১' উপন্যাসের নীলগঞ্জ গ্রাম একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এই গ্রামের মানুষের জীবন যাত্রা খুবই সাধারণ। গ্রামের মানুষ যে যার কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকে। অনুফা সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকে। চিত্রা বুড়ি নিজের মতো একা একা থাকে। গ্রামের বদিউজ্জামান ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত। কৈবর্তরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। গ্রামে দুজন অস্থায়ী লোক- একজন মসজিদের ইমাম; তিনি মসজিদে থাকেন। অন্যজন স্কুলমাস্টার। তিনি জয়নাল মিয়ার বাড়িতে থাকেন। তারাও নীলগঞ্জ গ্রামে স্বচ্ছন্দময় জীবনযাপন করেন। পহেলা মে পাকিস্তানি বাহিনী রাতের অন্ধকারে নীলগঞ্জ গ্রামে ঢোকে। তাদের আগমন গ্রামের সাবলীল জীবন যাত্রাকে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বৃদ্ধ মীর আলি চোখে দেখতে না পেলেও কানে শুনতে পান- কেউ গ্রামে ঢুকছে। ইমাম সাহেব মিলিটারি দেখে বারবার দোয়া-দরুদ পড়তে থাকেন। গ্রামের সাধারণ মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীর আগমনের কথা শুনে হতবাক হয়ে পড়ে। কারণ এ গ্রামে আগে কখনো মিলিটারি আসেনি। উপন্যাসে দেখা যায়, পাকিস্তানি বাহিনী নীলগঞ্জ গ্রামে এসেই তাণ্ডব চালাতে থাকে। তারা ইমাম ও মাস্টারকে স্কুলঘরে ডেকে নিয়ে অমানবিক অত্যাচার করে। ইমামকে মারধর এবং মাস্টারকে অসম্মান করে। গ্রামের চিত্রা বুড়ির ছেলের হত্যার বিচার করতে গিয়ে মনা কৈবর্ত এবং তার এগারো বছরের ছোটো ভাইকে মেজর নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। সফদরউল্লাহর পরিবারের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর পাশবিক নির্যাতন তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন করে ফেলে। গ্রামে অন্য একজন সহজ-সরল বদিউজ্জামানের জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ আতঙ্ক। গ্রামের কৈবর্তরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত। পাকিস্তানি বাহিনীর প্রবেশে তাদের জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। মুক্তি বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়ার সংবাদে। তারা আগুন জ্বালিয়ে পুরো কৈবর্তপাড়া খালি করে ফেলে। তাই বলা যায়, হুমায়ূন আহমেদ অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় দেখিয়েছেন যে, যুদ্ধ নীলগঞ্জের মতো একটি গ্রামের স্বাভাবিক জীবনকে সম্পূর্ণ রূপে বদলে দিয়েছে। গ্রামের মানুষের মনে একদিকে যেমন আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়, অন্যদিকে তাদের মধ্যে প্রতিরোধের এক নতুন স্পৃহাও জন্ম নেয়।

উত্তর

'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অধিনায়কের সহযোগী হিসেবে নীলগঞ্জ গ্রামে আসে। রফিক এ উপন্যাসের সম্ভবত সবচেয়ে জটিল চরিত্র। সে পাকিস্তানিদের সাহায্য করলেও তার চরিত্রে বাঙালিদের প্রতি সহানুভূতির প্রকাশ দেখা যায়। হানাদার বাহিনীর নৃশংস রূপ প্রত্যক্ষ করে সে শেষ পর্যন্ত তার বিবেককে জাগ্রত করে প্রবল প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে। বিদ্রোহ ও প্রতিবাদ তাকে উপন্যাসের উজ্জ্বল চরিত্রে রূপান্তরিত করেছে। ফলে সে বাঙালি মুক্তিসেনাদের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। '১৯৭১' উপন্যাসে নীলগঞ্জ গ্রামে হানাদার বাহিনীর তাণ্ডবের যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো আরও প্রবল হতে পারত কিন্তু আসন্ন সেই তাণ্ডব থেকে অনেক ক্ষেত্রে রফিক তাদের বাঁচিয়েছে। মেজর এজাজের এই সহযোগী নীলগঞ্জ গ্রামে কখনো প্রবেশ না করলেও সে রাস্তাঘাট সবকিছু চেনে। মিলিটারি যখন কৈবর্তপাড়ায় তল্লাশি করতে চায় তখন সে তাতে বাধা দেয়। বলাইকে আসন্ন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে দেয়। আজিজ মাস্টারকে লজ্জাজনক শাস্তির হাত থেকে বাঁচানোর প্রাণপণ চেষ্টা করে। মুসল্লিদের বিপদ থেকে বাঁচাতে চুপ রাখে। উপন্যাসের শেষাংশে রফিক চরিত্রের সকল রহস্যের উন্মোচন হয়। সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সে মেজর এজাজের কাছে স্বীকার করে যে, মুক্তিবাহিনী নীলগঞ্জ গ্রামের বনে লুকিয়ে ছিল। কৈবর্তপাড়া থেকে আহত মুক্তিসেনাদের সরে যেতে সাহায্য করেছে সে। পাগলা নিজামের জঙ্গলা বনে মুক্তিবাহিনীর কাছে খবর দেওয়ার বিষয়টিও স্বীকার করে। এমনকি বাঙালি সেনারা ঝড়ের সময় পালিয়ে গেছে তাও স্বীকার করে। মোট কথা, রফিকই মিলিটারির সহযোগী হয়ে মূলত বাঙালি সেনাদের সাহায্য করত। উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, রফিক বাঙালি মুক্তিকামী সেনা চরিত্রের প্রতিনিধি।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি গভীর অনুরাগের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আফগান আবদুর রহমানের স্বদেশের প্রতি আবেগ ও অনুরাগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সে লেখককে জানায়, তার দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলনারহিত। সেখানকার জলবায়ু পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বিশুদ্ধ। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ কবিকণ্ঠে স্বদেশে ফেরার আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। স্বদেশের প্রকৃতি তথা পাখির ডাক, নদীর ছুটে চলা কবির অস্তিত্বে মিশে আছে। জন্মভূমির প্রতি তাই তিনি গভীরভাবে অনুরক্ত। এখানে কবির মাঝে স্বদেশপ্রেমের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় আবদুর রহমানও স্বদেশের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত। তার দেশ উত্তর আফগানিস্তানের পানশির পৃথিবীর যেকোনো জায়গার থেকে শ্রেষ্ঠ। সেখানকার ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু তার অস্তিত্বে মিশে আছে। উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ আলোচ্য রচনার এ দিকটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর কেষ্টার উদাসীনতার বিপরীতে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার ভৃত্য আবদুর রহমানের আনুগত্য ফুটে ওঠায় উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় না। 'প্রবাস বন্ধু' রচনায় লেখক তাঁর আফগানিস্তানে থাকাকালীন ঘটনা বর্ণনা করেছেন রসাত্মকভাবে। সেই প্রসঙ্গেই তাঁর দেখভালে নিয়োজিত আফগান আবদুর রহমান সম্পর্কে বলেছেন। সে ছিল অত্যন্ত সরল, অতিথিপরায়ণ, অনুগত ও স্বদেশপ্রেমিক। উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কবি তাঁর ভৃত্য কেষ্টা সম্পর্কে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রয়োজনের সময় যখন কেষ্টাকে প্রাণপণে ডাকেন সে তাঁর ডাকে সাড়া দেয় না। তাকে কিছু রাখতে দিলে সে মনোযোগের সঙ্গে কাজ করে না। আবার কোনোকিছু আনতে দিলে অনেক দেরি করে। অর্থাৎ ভৃত্য হলেও সে মনিবের প্রতি অনুগত নয়। সে এলোমেলো চরিত্রের বা ভুলো-মনা স্বভাবের। 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমান কেষ্টার বিপরীত চরিত্র। 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমান লেখকের প্রতি অনেক বেশি অনুগত। সে আগে থেকেই প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাবার গামলার মধ্যে সাজিয়ে রাখে। লেখকের খাওয়া শেষ হওয়ার পরও আরও খাবার খাওয়ানোর জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। সে ছিল অত্যন্ত প্রভুভক্ত। লেখক তার সম্পর্কে তাঁর লেখায় ইতিবাচক বর্ণনাই দিয়েছেন; আর উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর ভৃত্য সম্পর্কে কবির অভিজ্ঞতা নেতিবাচক। দুজনের ভৃত্য পুরোই বিপরীতধর্মী। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় না।
SSCবাংলা ১ম পত্রপ্রবাস বন্ধু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) "একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয় যেথায় কোকিল ডাকে কুহু, দোয়েল ডাকে মুহু মুহু নদী যেথায় ছুটে চলে আপন ঠিকানায়," (ii) "ভূতের মতন চেহারা যেমন, নির্বোধ অতি ঘোর যা-কিছু হারায়, গিন্নি বলেন, "কেষ্টা বেটাই চোর।" বড়ো প্রয়োজন, ডাকি প্রাণপণ, চিৎকার করি 'কেষ্টা'- যত করি তাড়া, নাহি পাই সাড়া, খুঁজে ফিরি সারা দেশটা।"

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ (i)-এ 'প্রবাস বন্ধু' রচনার কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিধি বলা যায় কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে তাকিয়া পরিবারের সাথে রাঙামাটি যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, সেই সাথে লঞ্চ ভ্রমণ তাকে ভীষণভাবে পুলকিত ও আন্দোলিত করে। রাঙামাটির মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তা তাকিয়া ভুলতেই পারে না। তার সমবয়সি ঋদ্ধা চাকমাকে বান্ধবী বানিয়ে নেয় এবং তাকে পরিবারসহ চট্টগ্রাম শহরে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণ জানায়।

Dinajpur · 2026

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই?
মক্কা বিজয়ের পর হজরত মুহম্মদ (স.) কোথায় বসে মানুষকে দীক্ষা দান করতেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
সনেটের অষ্টকে ভাবের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?
উমর ফারুক কাকে সিপাহসালার থেকে মামুলি সেনা করেছিলেন?
'বৃষ্টি' কবিতায় মাঠ কিসে ঢেকে ফেলে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কেন?
"তাহারই দিকে সকলের মহাযাত্রা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
“জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!” বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
"পড়েছে কুটির, তুমি পড়নি ক'নুয়ে"- চরণটিতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বৃষ্টি' কবিতার কোন দিক ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
“উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে তাকিয়া পরিবারের সাথে রাঙামাটি যায়। সেখানে অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য, পাহাড়-নদীর সম্মিলন, শুভলং ঝরনার অনুপম সৌন্দর্য, সেই সাথে লঞ্চ ভ্রমণ তাকে ভীষণভাবে পুলকিত ও আন্দোলিত করে। রাঙামাটির মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তা তাকিয়া ভুলতেই পারে না। তার সমবয়সি ঋদ্ধা চাকমাকে বান্ধবী বানিয়ে নেয় এবং তাকে পরিবারসহ চট্টগ্রাম শহরে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণ জানায়।

Dinajpur · 2026

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই?
মক্কা বিজয়ের পর হজরত মুহম্মদ (স.) কোথায় বসে মানুষকে দীক্ষা দান করতেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
সনেটের অষ্টকে ভাবের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?
উমর ফারুক কাকে সিপাহসালার থেকে মামুলি সেনা করেছিলেন?
'বৃষ্টি' কবিতায় মাঠ কিসে ঢেকে ফেলে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কেন?
"তাহারই দিকে সকলের মহাযাত্রা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
“জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!” বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
"পড়েছে কুটির, তুমি পড়নি ক'নুয়ে"- চরণটিতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বৃষ্টি' কবিতার কোন দিক ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
“উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-১ : দেহের খাদ্য ভাত ও রুটি মনের খাদ্য কই? খুঁজতে গিয়ে পাই যে আমি নানান রকম বই। অংশ-২ : যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।

Dinajpur · 2026

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই?
মক্কা বিজয়ের পর হজরত মুহম্মদ (স.) কোথায় বসে মানুষকে দীক্ষা দান করতেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
সনেটের অষ্টকে ভাবের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?
উমর ফারুক কাকে সিপাহসালার থেকে মামুলি সেনা করেছিলেন?
'বৃষ্টি' কবিতায় মাঠ কিসে ঢেকে ফেলে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কেন?
"তাহারই দিকে সকলের মহাযাত্রা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
“জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!” বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
"পড়েছে কুটির, তুমি পড়নি ক'নুয়ে"- চরণটিতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বৃষ্টি' কবিতার কোন দিক ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিক প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা দাও।
সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য কি অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-১ : দেহের খাদ্য ভাত ও রুটি মনের খাদ্য কই? খুঁজতে গিয়ে পাই যে আমি নানান রকম বই। অংশ-২ : যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।

Dinajpur · 2026

'বই পড়া' প্রবন্ধ অনুসারে কাকে আমরা নিষ্কর্মার দলে ফেলে দেই?
মক্কা বিজয়ের পর হজরত মুহম্মদ (স.) কোথায় বসে মানুষকে দীক্ষা দান করতেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
সনেটের অষ্টকে ভাবের কোন দিকটি প্রকাশ পায়?
উমর ফারুক কাকে সিপাহসালার থেকে মামুলি সেনা করেছিলেন?
'বৃষ্টি' কবিতায় মাঠ কিসে ঢেকে ফেলে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
সাহিত্যচর্চাকে শিক্ষার প্রধান অঙ্গ বলা হয়েছে কেন?
"তাহারই দিকে সকলের মহাযাত্রা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
“জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!” বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
"পড়েছে কুটির, তুমি পড়নি ক'নুয়ে"- চরণটিতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বৃষ্টি' কবিতার কোন দিক ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের অংশ-১-এ 'বই পড়া' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিক প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা দাও।
সাহিত্যবিমুখদের প্রতি লেখকের বক্তব্য কি অংশ-২-এ প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রবাসে রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক শক্তি ও স্বাস্থ্য ভালো। হওয়ায় তার কোনো অসুবিধা হয় না, বরং তার দিন যেমন সুখের তেমনি অর্থও পায় প্রচুর। এত সুখের মাঝেও দেশের স্মৃতি মনে পড়ে। তার। উপকূলীয় এলাকায় নৌকাই ভরসা, সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলা, প্রতিকূল আবহাওয়া, জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে বাঁচার সংগ্রাম। প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর হাতছানির মাঝে যেন খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের সার্থকতা। বিদেশের জীবনটা যেন হয়ে গেছে তার একঘেয়ে ও আনন্দহীন।

Sylhet · 2026

আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?
"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.
রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।
"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রবাসে রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক শক্তি ও স্বাস্থ্য ভালো। হওয়ায় তার কোনো অসুবিধা হয় না, বরং তার দিন যেমন সুখের তেমনি অর্থও পায় প্রচুর। এত সুখের মাঝেও দেশের স্মৃতি মনে পড়ে। তার। উপকূলীয় এলাকায় নৌকাই ভরসা, সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলা, প্রতিকূল আবহাওয়া, জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে বাঁচার সংগ্রাম। প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর হাতছানির মাঝে যেন খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের সার্থকতা। বিদেশের জীবনটা যেন হয়ে গেছে তার একঘেয়ে ও আনন্দহীন।

Sylhet · 2026

আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?
"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.
রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।
"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রবাসে রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক শক্তি ও স্বাস্থ্য ভালো। হওয়ায় তার কোনো অসুবিধা হয় না, বরং তার দিন যেমন সুখের তেমনি অর্থও পায় প্রচুর। এত সুখের মাঝেও দেশের স্মৃতি মনে পড়ে। তার। উপকূলীয় এলাকায় নৌকাই ভরসা, সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলা, প্রতিকূল আবহাওয়া, জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে বাঁচার সংগ্রাম। প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর হাতছানির মাঝে যেন খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের সার্থকতা। বিদেশের জীবনটা যেন হয়ে গেছে তার একঘেয়ে ও আনন্দহীন।

Sylhet · 2026

আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?
"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.
রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।
"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রবাসে রাসেল মৃধা মুটের কাজ করে। শারীরিক শক্তি ও স্বাস্থ্য ভালো। হওয়ায় তার কোনো অসুবিধা হয় না, বরং তার দিন যেমন সুখের তেমনি অর্থও পায় প্রচুর। এত সুখের মাঝেও দেশের স্মৃতি মনে পড়ে। তার। উপকূলীয় এলাকায় নৌকাই ভরসা, সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলা, প্রতিকূল আবহাওয়া, জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে বাঁচার সংগ্রাম। প্রতিনিয়ত জীবন-মৃত্যুর হাতছানির মাঝে যেন খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের সার্থকতা। বিদেশের জীবনটা যেন হয়ে গেছে তার একঘেয়ে ও আনন্দহীন।

Sylhet · 2026

আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?
"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.
রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।
"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির সম্পর্কে অতিকথন একই চেতনার বহিঃপ্রকাশ"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: রিফাত অতি বিনয়ী আর ভদ্র। সে কখনও শিক্ষকের দিকে চোখ তুলে তাকায় না। Q. সাদৃশ্যের কারণ- i. সংস্কার ii. গুরুজনদের সম্মান করা iii. গুরুজনদের প্রতি নমনীয় হওয়া নিচের কোনটি সঠিক?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের অংশ (ii)-এর কেষ্টাকে 'প্রবাস বন্ধু' রচনার আবদুর রহমানের যথার্থ প্রতিনিআবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?“উদ্দীপকের তাকিয়ার অভিজ্ঞতা লেখকের কাবুলের অভিজ্ঞতার খণ্ডিত রূপায়ণ”- মন্তব্যটি বউদ্দীপকের রাঙামাটির বর্ণনার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনির সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি"আপনার সব কাজ করে দেবে- জুতো বুরুশ থেকে খুনখারাবি।”- বুঝিয়ে লেখো।'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণ কাহিনিতে আবদুর রহমান লেখককে জানালা দিয়ে কী দেখিয়েছিলেন?"উদ্দীপকের রাসেল মৃধার স্মৃতিচারণ আর 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের আবদুর রহমানের পানশির রাসেল মৃধার সাথে 'প্রবাস বন্ধু' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির বর্ণনা দাও।"অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর"- লেখক কেন এ কথা বলেছেন?.আফগানিস্তানে একধরনের সংস্কার আছে সেটা কী?উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও: রিফাত অতি বিনয়ী আর ভদ্র। সে কখনও শিক্ষকের

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।