সুভা বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর সুভা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১১৮

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা। নিটোল চোখের শান্ত মৌনতা কথা বলতে পারে না। তার প্রতি মাঝে মাঝে মায়ের বিরূপ আচরণ মনে খুব দুঃখ দেয়, কিন্তু বাবার আদর ও ভালোবাসায় সে সব দুঃখ ভুলে যায়। সুদীপ্ত কখনোই মেয়েকে বোঝা মনে করেন না বরং তার কাছে মৌনতা সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ উদাহরণস্বরূপ। তাই, মৌনতার সব না বলা ভাষার চাহনি তার কাছে এক গল্পগাথা।

Mymensingh · 2020

'সুভা' গল্পে কাকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে?

উত্তর

সুভা' গল্পে প্রতাপকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে।
“বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- 'সুভা' গল্পের লেখকের এই উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

“বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- 'সুভা' গল্পের লেখকের এই উক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ। • 'সুভা' গল্পে সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না। ফলে সুভার বয়সী ছেলে-মেয়েরা তার সঙ্গে মেশে না। সে প্রকৃতির কাছে নিজেকে মেলে ধরে। সুভা যখন নদীর পাড়ে এসে বসে তখন প্রকৃতির নানান উপাদান নিজের সমস্ত ভাষা দিয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো সুভার হৃদয়ে আছড়ে পড়ে। নির্জন দ্বিপ্রহরের মতো শব্দহীন সুভার চোখের ভাষা ছিল অসীম, উদার ও অতলস্পর্শ— অনেকটা গভীর স্বচ্ছ আকাশের মতো। সেই চোখের ভাষা তার বয়সী ছেলেমেয়েরা বুঝতে পারত না। এ কারণেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি 'সুভা' গল্পের কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি 'সুভা' গল্পের সুভার বাবা বাণীকণ্ঠ চরিত্রকে প্রতিফলিত করে। • বাবা-মায়ের কাছে সব সন্তানই সমান। তা সত্ত্বেও শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকেই পরিবার ও সমাজে অবহেলার শিকার হয়। তারা অন্য সবার মতোই সুবিধা লাভের অধিকার রাখে। তাই সবার উচিত প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করা। • উদ্দীপকে একজন বাকপ্রতিবন্ধী বালিকার প্রতি তার বাবা-মায়ের আচরণের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সুদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা কথা বলতে পারে না। কথা বলতে না পারার যে কষ্ট তা সে বাবার স্নেহ-ভালোবাসায় ভুলে যায়। বাবা সুদীপ্ত মৌনতাকে কখনো বোঝা মনে করেন না। উদ্দীপকে মেয়ের বাবা সুদীপ্তর এ আচরণ 'সুভা' গল্পে সুভার প্রতি তার বাবা বাণীকণ্ঠের আচরণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। আলোচ্য গল্পে বাণীকণ্ঠও সুভাকে অন্য মেয়েদের অপেক্ষা বেশি ভালোবাসেন। সুভার মা সুভাকে তার গর্ভের কলঙ্ক মনে করলেও বাণীকণ্ঠ সুভাকে স্নেহ ও যত্ন করতেন। এভাবে উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটির প্রতিফলন লক্ষ করা যায় 'সুভা' গল্পের বাণীকণ্ঠ চরিত্রের মধ্যে।
“উদ্দীপকের মৌনতার বাবা 'সুভা' গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের মৌনতার বাবা 'সুভা' গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। • প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা আমাদের মতোই মানুষ। তাদেরও সুন্দরভাবে বাঁচার অধিকার আছে। অথচ আমাদের সমাজে তারা সেই সুযোগ পায় না। পরিবার ও সমাজে তাদের প্রতি বিরূপ আচরণ করতে দেখা যায়। • 'সুভা' গল্পে সুভা বাক্প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে শৈশব থেকেই সে অবহেলার শিকার। সমবয়সীরা তার সঙ্গে খেলে না। মা তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করেন। সেই অবস্থায় সুভার প্রধান দুই আশ্রয় তার বাবা বাণীকণ্ঠ এবং নির্বাক প্রকৃতি। সুভা তার বাবার স্নেহ-মমতায় প্রতিবন্ধিতার দুঃখ ভুলে থাকে আর প্রকৃতির কাছে মুক্তির আনন্দ খুঁজে পায়। উদ্দীপকের মৌনতার বাবা সুদীপ্তও তার বাক্প্রতিবন্ধী মেয়েকে অনেক স্নেহ-মমতায় আগলে রাখেন। মেয়েকে বোঝা মনে না করে স্রষ্টার আশীর্বাদ মনে করেন। মৌনতার চোখের দিকে তাকিয়ে তিনি তার মনের ভাষা বুঝতে পারেন। • উদ্দীপকের বাষ্প্রতিবন্ধী মেয়ে মৌনতার প্রতি বাবা সুদীপ্তের আচরণ এবং 'সুভা' গল্পে সুভার প্রতি তার বাবার আচরণ একসূত্রে গাঁথা। উভয় ক্ষেত্রেই বাকশক্তিহীন মেয়েরা বাবার স্নেহাশ্রয় লাভ করেছে এবং মায়ের অবহেলার শিকার হয়েছে। এসব দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা। নিটোল চোখের শান্ত মৌনতা কথা বলতে পারে না। তার প্রতি মাঝে মাঝে মায়ের বিরূপ আচরণ মনে খুব দুঃখ দেয়, কিন্তু বাবার আদর ও ভালোবাসায় সে সব দুঃখ ভুলে যায়। সুদীপ্ত কখনোই মেয়েকে বোঝা মনে করেন না বরং তার কাছে মৌনতা সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ উদাহরণস্বরূপ। তাই, মৌনতার সব না বলা ভাষার চাহনি তার কাছে এক গল্পগাথা।

Mymensingh · 2020

'সুভা' গল্পে কাকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে?

উত্তর

সুভা' গল্পে প্রতাপকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে।
“বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- 'সুভা' গল্পের লেখকের এই উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

“বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- 'সুভা' গল্পের লেখকের এই উক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ। • 'সুভা' গল্পে সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না। ফলে সুভার বয়সী ছেলে-মেয়েরা তার সঙ্গে মেশে না। সে প্রকৃতির কাছে নিজেকে মেলে ধরে। সুভা যখন নদীর পাড়ে এসে বসে তখন প্রকৃতির নানান উপাদান নিজের সমস্ত ভাষা দিয়ে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো সুভার হৃদয়ে আছড়ে পড়ে। নির্জন দ্বিপ্রহরের মতো শব্দহীন সুভার চোখের ভাষা ছিল অসীম, উদার ও অতলস্পর্শ— অনেকটা গভীর স্বচ্ছ আকাশের মতো। সেই চোখের ভাষা তার বয়সী ছেলেমেয়েরা বুঝতে পারত না। এ কারণেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি 'সুভা' গল্পের কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি 'সুভা' গল্পের সুভার বাবা বাণীকণ্ঠ চরিত্রকে প্রতিফলিত করে। • বাবা-মায়ের কাছে সব সন্তানই সমান। তা সত্ত্বেও শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকেই পরিবার ও সমাজে অবহেলার শিকার হয়। তারা অন্য সবার মতোই সুবিধা লাভের অধিকার রাখে। তাই সবার উচিত প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করা। • উদ্দীপকে একজন বাকপ্রতিবন্ধী বালিকার প্রতি তার বাবা-মায়ের আচরণের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সুদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা কথা বলতে পারে না। কথা বলতে না পারার যে কষ্ট তা সে বাবার স্নেহ-ভালোবাসায় ভুলে যায়। বাবা সুদীপ্ত মৌনতাকে কখনো বোঝা মনে করেন না। উদ্দীপকে মেয়ের বাবা সুদীপ্তর এ আচরণ 'সুভা' গল্পে সুভার প্রতি তার বাবা বাণীকণ্ঠের আচরণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। আলোচ্য গল্পে বাণীকণ্ঠও সুভাকে অন্য মেয়েদের অপেক্ষা বেশি ভালোবাসেন। সুভার মা সুভাকে তার গর্ভের কলঙ্ক মনে করলেও বাণীকণ্ঠ সুভাকে স্নেহ ও যত্ন করতেন। এভাবে উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটির প্রতিফলন লক্ষ করা যায় 'সুভা' গল্পের বাণীকণ্ঠ চরিত্রের মধ্যে।
“উদ্দীপকের মৌনতার বাবা 'সুভা' গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের মৌনতার বাবা 'সুভা' গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। • প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা আমাদের মতোই মানুষ। তাদেরও সুন্দরভাবে বাঁচার অধিকার আছে। অথচ আমাদের সমাজে তারা সেই সুযোগ পায় না। পরিবার ও সমাজে তাদের প্রতি বিরূপ আচরণ করতে দেখা যায়। • 'সুভা' গল্পে সুভা বাক্প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে শৈশব থেকেই সে অবহেলার শিকার। সমবয়সীরা তার সঙ্গে খেলে না। মা তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করেন। সেই অবস্থায় সুভার প্রধান দুই আশ্রয় তার বাবা বাণীকণ্ঠ এবং নির্বাক প্রকৃতি। সুভা তার বাবার স্নেহ-মমতায় প্রতিবন্ধিতার দুঃখ ভুলে থাকে আর প্রকৃতির কাছে মুক্তির আনন্দ খুঁজে পায়। উদ্দীপকের মৌনতার বাবা সুদীপ্তও তার বাক্প্রতিবন্ধী মেয়েকে অনেক স্নেহ-মমতায় আগলে রাখেন। মেয়েকে বোঝা মনে না করে স্রষ্টার আশীর্বাদ মনে করেন। মৌনতার চোখের দিকে তাকিয়ে তিনি তার মনের ভাষা বুঝতে পারেন। • উদ্দীপকের বাষ্প্রতিবন্ধী মেয়ে মৌনতার প্রতি বাবা সুদীপ্তের আচরণ এবং 'সুভা' গল্পে সুভার প্রতি তার বাবার আচরণ একসূত্রে গাঁথা। উভয় ক্ষেত্রেই বাকশক্তিহীন মেয়েরা বাবার স্নেহাশ্রয় লাভ করেছে এবং মায়ের অবহেলার শিকার হয়েছে। এসব দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেয়েটির নাম আঁখি। চোখে না দেখলেও বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে পড়াশোনা চালিয়ে যায়। বন্ধুদের অন্যতম 'তিতু' জন্মদিনের উপহার হিসেবে আঁখিকে একটি ঝুনঝুন বল উপহার দেয়। এই বলের সাহায্যে ক্রিকেট খেলার ছক্কা মেরে আঁখি তার দলকে বিজয় এনে দেয়।

Barisal · 2020

সুভা দুই বাহুতে কাকে ধরে রাখতে চায়?

উত্তর

সুভা দুই বাহুতে ধরণীকে ও প্রকাণ্ড মূক মানবতাকে ধরে রাখতে চায়।
সুভা পিতামাতার মনে সর্বদাই জাগরুক ছিল কেন? বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

সুভার কথা বলতে না পারার বেদনা ভুলতে পারে না বলে পিতা-মাতার মনে সে সর্বদাই জাগরূক ছিল। সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না। এই ত্রুটির কারণে সবাই তার সামনেই দুশ্চিন্তা প্রকাশ করত। ফলে সে নিজেকে বিধাতার অভিশাপ মনে করত এবং সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করতে চাইত। কিন্তু তার কথা বলতে না পারা পিতা-মাতার বেদনার কারণ ছিল। আর বেদনা কেউ কখনো ভুলে যেতে পারে না। তাই সে সর্বদাই পিতা-মাতার মনে জাগরূক ছিল।
উদ্দীপকে 'সুভা' গল্পের যে বিশেষ দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'সুভা' গল্পের সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার প্রতিফলন ঘটেছে। শারীরিক প্রতিবন্ধিতা ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ না করলে তাদেরকে মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করা সহজ নয়। 'সুভা' গল্পের সুভা জন্মগতভাবেই বোবা। কথা বলতে পারে না বলে সে নিজেকে স্রষ্টার অভিশাপ মনে করত। এজন্য সে নিজেকে সব সময় আড়াল করে রাখত। তবুও কথা বলতে না পারার কষ্ট সে কখনো ভুলতে পারত না। কারণ তার মাও তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করত। অন্যদিকে উদ্দীপকের আঁখিও চোখে দেখতে পায় না। তাই বলে সে থেমে থাকেনি। সে যন্ত্রের সাহায্য নিয়ে তার পড়াশোনা চালিয়ে যায়। বন্ধুর দেওয়া একটা ঝুনঝুন বল দিয়ে সে খেলতে শেখে, একসময় সে ক্রিকেট খেলায় ছক্কা মেরে দলকে জয় এনে দেয়। এভাবে সুভার প্রতিবন্ধকতার দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
“সুভা' গল্পের 'প্রতাপ' যদি উদ্দীপকের 'তিতু' হতো, তাহলে 'সুভা' গল্পের পরিণতি অন্য রকম হতে পারত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

'সুভা' গল্পের প্রতাপ যদি উদ্দীপকের তিতু হতো, তাহলে 'সুভা' গল্পের পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- মন্তব্যটি যথার্থ। আমাদের সমাজে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের প্রতি সাধারণত স্বাভাবিক আচরণ করা হয় না। তাদেরকে অবহেলা করা হয়। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সব সময় সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। যথার্থ সহায়তা ও আন্তরিকতাপূর্ণ আচরণ পেলে তারাও সফল মানুষ হতে পারে। উদ্দীপকের আঁখি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও বন্ধু তিতুর সহায়তায় সে সফল হয়েছে। সে যন্ত্রের সাহায্যে তার পড়াশোনা চালিয়ে গেছে। তিতুর দেওয়া একটা ঝুনঝুন বল দিয়ে ক্রিকেট অনুশীলন করে সে ছক্কা মেরে তার দলকে জিতিয়েছে। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা সেই সুযোগ পায়নি। তার পরিবার সমাজ কারও কাছ থেকেই সহানুভূতি পায়নি। এই গ্রামের ভবঘুরে ছেলে প্রতাপই শুধু তার সাথে মিশেছে। উদ্দীপকের তিতুর মতো প্রতাপ সুভাকে সাহায্য করেনি। 'সুভা' গল্পে প্রতিবন্ধিতার কারণে সুভাকে কেউ সহজভাবে গ্রহণ করেনি। প্রতাপ তাকে 'সু' বলে ডাকত কেবল ছিপ ফেলে মাচ ধরার সময় একজন নির্বাক সঙ্গী প্রয়োজন মনে করে। অন্যদিকে উদ্দীপকের আঁখিকে তার বন্ধু তিতু সহায়তা করেছে। সে সুযোগ পেয়ে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

মেয়েটির নাম আঁখি। চোখে না দেখলেও বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে পড়াশোনা চালিয়ে যায়। বন্ধুদের অন্যতম 'তিতু' জন্মদিনের উপহার হিসেবে আঁখিকে একটি ঝুনঝুন বল উপহার দেয়। এই বলের সাহায্যে ক্রিকেট খেলার ছক্কা মেরে আঁখি তার দলকে বিজয় এনে দেয়।

Barisal · 2020

সুভা দুই বাহুতে কাকে ধরে রাখতে চায়?

উত্তর

সুভা দুই বাহুতে ধরণীকে ও প্রকাণ্ড মূক মানবতাকে ধরে রাখতে চায়।
সুভা পিতামাতার মনে সর্বদাই জাগরুক ছিল কেন? বুঝিয়ে দাও।

উত্তর

সুভার কথা বলতে না পারার বেদনা ভুলতে পারে না বলে পিতা-মাতার মনে সে সর্বদাই জাগরূক ছিল। সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই সে কথা বলতে পারে না। এই ত্রুটির কারণে সবাই তার সামনেই দুশ্চিন্তা প্রকাশ করত। ফলে সে নিজেকে বিধাতার অভিশাপ মনে করত এবং সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করতে চাইত। কিন্তু তার কথা বলতে না পারা পিতা-মাতার বেদনার কারণ ছিল। আর বেদনা কেউ কখনো ভুলে যেতে পারে না। তাই সে সর্বদাই পিতা-মাতার মনে জাগরূক ছিল।
উদ্দীপকে 'সুভা' গল্পের যে বিশেষ দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'সুভা' গল্পের সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার প্রতিফলন ঘটেছে। শারীরিক প্রতিবন্ধিতা ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ না করলে তাদেরকে মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করা সহজ নয়। 'সুভা' গল্পের সুভা জন্মগতভাবেই বোবা। কথা বলতে পারে না বলে সে নিজেকে স্রষ্টার অভিশাপ মনে করত। এজন্য সে নিজেকে সব সময় আড়াল করে রাখত। তবুও কথা বলতে না পারার কষ্ট সে কখনো ভুলতে পারত না। কারণ তার মাও তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করত। অন্যদিকে উদ্দীপকের আঁখিও চোখে দেখতে পায় না। তাই বলে সে থেমে থাকেনি। সে যন্ত্রের সাহায্য নিয়ে তার পড়াশোনা চালিয়ে যায়। বন্ধুর দেওয়া একটা ঝুনঝুন বল দিয়ে সে খেলতে শেখে, একসময় সে ক্রিকেট খেলায় ছক্কা মেরে দলকে জয় এনে দেয়। এভাবে সুভার প্রতিবন্ধকতার দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
“সুভা' গল্পের 'প্রতাপ' যদি উদ্দীপকের 'তিতু' হতো, তাহলে 'সুভা' গল্পের পরিণতি অন্য রকম হতে পারত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

'সুভা' গল্পের প্রতাপ যদি উদ্দীপকের তিতু হতো, তাহলে 'সুভা' গল্পের পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- মন্তব্যটি যথার্থ। আমাদের সমাজে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের প্রতি সাধারণত স্বাভাবিক আচরণ করা হয় না। তাদেরকে অবহেলা করা হয়। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সব সময় সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। যথার্থ সহায়তা ও আন্তরিকতাপূর্ণ আচরণ পেলে তারাও সফল মানুষ হতে পারে। উদ্দীপকের আঁখি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও বন্ধু তিতুর সহায়তায় সে সফল হয়েছে। সে যন্ত্রের সাহায্যে তার পড়াশোনা চালিয়ে গেছে। তিতুর দেওয়া একটা ঝুনঝুন বল দিয়ে ক্রিকেট অনুশীলন করে সে ছক্কা মেরে তার দলকে জিতিয়েছে। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা সেই সুযোগ পায়নি। তার পরিবার সমাজ কারও কাছ থেকেই সহানুভূতি পায়নি। এই গ্রামের ভবঘুরে ছেলে প্রতাপই শুধু তার সাথে মিশেছে। উদ্দীপকের তিতুর মতো প্রতাপ সুভাকে সাহায্য করেনি। 'সুভা' গল্পে প্রতিবন্ধিতার কারণে সুভাকে কেউ সহজভাবে গ্রহণ করেনি। প্রতাপ তাকে 'সু' বলে ডাকত কেবল ছিপ ফেলে মাচ ধরার সময় একজন নির্বাক সঙ্গী প্রয়োজন মনে করে। অন্যদিকে উদ্দীপকের আঁখিকে তার বন্ধু তিতু সহায়তা করেছে। সে সুযোগ পেয়ে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাবা-মা হারা রেজা তার চাচা আমজাদ সাহেবের কাছে থাকে। রেজার একটি হাত ও একটি পা নেই। তবু সে থেমে থাকে না। ক্লাসে ভালো ফলাফল করায় শিক্ষকগণ তাকে স্নেহ করেন। সহপাঠীরা তাকে সহযোগিতা করে। তবে কেউ কেউ তাকে নিয়ে তামাশা করে। ফলে অনেক সময় মন খারাপ হয়। চাচা তাকে বলে, "মন খারাপ করো না, এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে তুমি সবাইকে দেখিয়ে দাও যে তুমিও পার।”

Chittagong · 2020

সুভার মা সুভার প্রতি বিরক্ত ছিলেন কেন?

উত্তর

জন্ম থেকে সুভা কথা বলতে পারত না বলে সুভার মা তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক জ্ঞান করে তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন।
সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত তার নিজের প্রয়োজনীয়তা প্রতাপকে বোঝানোর জন্য। প্রতাপ যখন ছিপ ফেলে জলের দিকে চেয়ে থাকত তখন সুভা তার কাজে সাহায্য করতে চাইত। সে কাজের মাধ্যমে জানিয়ে দিতে চাইত যে এই পৃথিবীতে সেও একজন প্রয়োজনীয় লোক। অথচ সুভা সেসব কিছুই করতে পারত না। আর এ কারণেই সে বিধাতার কাছে প্রার্থনা করত- যাতে অলৌকিক ক্ষমতাবলে কোনো একটি কাজ করে সে প্রতাপের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে।
উদ্দীপকের রেজার সাথে 'সুভা' গল্পের সুভার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রেজার সাথে 'সুভা' গল্পের সুভার সাদৃশ্য হলো শারীরিক প্রতিবন্ধিতার। আমাদের সমাজে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে মানুষ নানাভাবে অবহেলা ও অবজ্ঞার শিকার হয়। অথচ তারাও আমাদের মতো মানুষ। আমাদের একটু সহানুভূতিই তাদের জীবন আরও সুন্দর হতে পারে। উদ্দীপকের রেজা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার। তার একটি হাত ও একটি পা নেই। এ কারণে অনেকে তাকে নিয়ে তামাশা করে। ফলে তার মন খারাপ হয়। 'সুভা' গল্পের সুভাও জন্মগতভাবে বোবা। সে কথা বলতে পারে না। বাকপ্রতিবন্ধী সুভা পরিবার ও স্বজনদের অবহেলা ও অবজ্ঞার মধ্য দিয়েই বড় হয়েছে। তার নিজের মাও তার ওপর বিরক্ত হয়েছেন, তাকে তার গর্ভের কলঙ্ক মনে করেছেন। উদ্দীপকের রেজা ও 'সুভা' গল্পের সুভা উভয়েই শারীরিক প্রতিবন্ধী। এভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিক থেকে উদ্দীপকের রেজার সঙ্গে 'সুভা' গল্পের সুভার সাদৃশ্য রয়েছে।
সুভার বাবা-মায়ের মানসিকতা যদি রেজার চাচার মতো হতো তবে সুভার পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সুভার বাবা-মায়ের মানসিকতা যদি রেজার চাচার মতো হতো তবে সুভার পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- উক্তিটি যথার্থ। সমাজে যেকোনো মানুষ শারীরিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। তাই বলে তাদের অবজ্ঞা করা উচিত নয়। তারা এ সমাজেরই অংশ। সুযোগ পেলে তারাও সাধারণের মতো অসাধ্য সাধন করতে পারে। উদ্দীপকের রেজা বাবা-মা হারা। সে চাচার আশ্রয়ে থাকে। শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধিতার শিকার। রেজার একটি হাত ও একটি পা নেই। তার এ অবস্থা দেখে অনেকেই তামাশা করে। তার চাচা তাকে সাহস দেন, অনুপ্রাণিত করেন। তিনি রেজাকে পড়ালেখা শেখান এবং তাকে এসএসসিতে ভালো ফল করে সবাইকে দেখিয়ে দিতে বলেন। প্রমাণ করতে বলেন যে সেও সবার মতোই একজন মানুষ। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভাও শারীরিক প্রতিবন্ধিতার শিকার। কেবল বাবা ছাড়া বাকি সবার কাছ থেকে সে শুধু অবহেলা পেয়েছে। এমনকি তার নিজের মাও তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করেন। লোকনিন্দার ভয়ে তার বাবা তাকে বিয়ে দিতে শহরে নিয়ে যান। উদ্দীপকের রেজা এবং 'সুভা' গল্পের সুভা উভয়েই প্রতিবন্ধিতার শিকার। রেজাকে তার চাচা পড়াশোনা করান। শক্তি ও সাহস জোগান জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে, যা আলোচ্য গল্পের সুভা তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে পায় না। যদি তার বাবা-মায়ের মানসিকতা রেজার চাচার মতো হতো তাহলে সুভাকে তার গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় যেতে হতো না। তার পরিণতি আরও সুন্দর হতে পারত। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাবা-মা হারা রেজা তার চাচা আমজাদ সাহেবের কাছে থাকে। রেজার একটি হাত ও একটি পা নেই। তবু সে থেমে থাকে না। ক্লাসে ভালো ফলাফল করায় শিক্ষকগণ তাকে স্নেহ করেন। সহপাঠীরা তাকে সহযোগিতা করে। তবে কেউ কেউ তাকে নিয়ে তামাশা করে। ফলে অনেক সময় মন খারাপ হয়। চাচা তাকে বলে, "মন খারাপ করো না, এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে তুমি সবাইকে দেখিয়ে দাও যে তুমিও পার।”

Chittagong · 2020

সুভার মা সুভার প্রতি বিরক্ত ছিলেন কেন?

উত্তর

জন্ম থেকে সুভা কথা বলতে পারত না বলে সুভার মা তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক জ্ঞান করে তার প্রতি বিরক্ত ছিলেন।
সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত তার নিজের প্রয়োজনীয়তা প্রতাপকে বোঝানোর জন্য। প্রতাপ যখন ছিপ ফেলে জলের দিকে চেয়ে থাকত তখন সুভা তার কাজে সাহায্য করতে চাইত। সে কাজের মাধ্যমে জানিয়ে দিতে চাইত যে এই পৃথিবীতে সেও একজন প্রয়োজনীয় লোক। অথচ সুভা সেসব কিছুই করতে পারত না। আর এ কারণেই সে বিধাতার কাছে প্রার্থনা করত- যাতে অলৌকিক ক্ষমতাবলে কোনো একটি কাজ করে সে প্রতাপের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে।
উদ্দীপকের রেজার সাথে 'সুভা' গল্পের সুভার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রেজার সাথে 'সুভা' গল্পের সুভার সাদৃশ্য হলো শারীরিক প্রতিবন্ধিতার। আমাদের সমাজে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে মানুষ নানাভাবে অবহেলা ও অবজ্ঞার শিকার হয়। অথচ তারাও আমাদের মতো মানুষ। আমাদের একটু সহানুভূতিই তাদের জীবন আরও সুন্দর হতে পারে। উদ্দীপকের রেজা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার। তার একটি হাত ও একটি পা নেই। এ কারণে অনেকে তাকে নিয়ে তামাশা করে। ফলে তার মন খারাপ হয়। 'সুভা' গল্পের সুভাও জন্মগতভাবে বোবা। সে কথা বলতে পারে না। বাকপ্রতিবন্ধী সুভা পরিবার ও স্বজনদের অবহেলা ও অবজ্ঞার মধ্য দিয়েই বড় হয়েছে। তার নিজের মাও তার ওপর বিরক্ত হয়েছেন, তাকে তার গর্ভের কলঙ্ক মনে করেছেন। উদ্দীপকের রেজা ও 'সুভা' গল্পের সুভা উভয়েই শারীরিক প্রতিবন্ধী। এভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিক থেকে উদ্দীপকের রেজার সঙ্গে 'সুভা' গল্পের সুভার সাদৃশ্য রয়েছে।
সুভার বাবা-মায়ের মানসিকতা যদি রেজার চাচার মতো হতো তবে সুভার পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সুভার বাবা-মায়ের মানসিকতা যদি রেজার চাচার মতো হতো তবে সুভার পরিণতি অন্য রকম হতে পারত- উক্তিটি যথার্থ। সমাজে যেকোনো মানুষ শারীরিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। তাই বলে তাদের অবজ্ঞা করা উচিত নয়। তারা এ সমাজেরই অংশ। সুযোগ পেলে তারাও সাধারণের মতো অসাধ্য সাধন করতে পারে। উদ্দীপকের রেজা বাবা-মা হারা। সে চাচার আশ্রয়ে থাকে। শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধিতার শিকার। রেজার একটি হাত ও একটি পা নেই। তার এ অবস্থা দেখে অনেকেই তামাশা করে। তার চাচা তাকে সাহস দেন, অনুপ্রাণিত করেন। তিনি রেজাকে পড়ালেখা শেখান এবং তাকে এসএসসিতে ভালো ফল করে সবাইকে দেখিয়ে দিতে বলেন। প্রমাণ করতে বলেন যে সেও সবার মতোই একজন মানুষ। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভাও শারীরিক প্রতিবন্ধিতার শিকার। কেবল বাবা ছাড়া বাকি সবার কাছ থেকে সে শুধু অবহেলা পেয়েছে। এমনকি তার নিজের মাও তাকে গর্ভের কলঙ্ক মনে করেন। লোকনিন্দার ভয়ে তার বাবা তাকে বিয়ে দিতে শহরে নিয়ে যান। উদ্দীপকের রেজা এবং 'সুভা' গল্পের সুভা উভয়েই প্রতিবন্ধিতার শিকার। রেজাকে তার চাচা পড়াশোনা করান। শক্তি ও সাহস জোগান জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে, যা আলোচ্য গল্পের সুভা তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে পায় না। যদি তার বাবা-মায়ের মানসিকতা রেজার চাচার মতো হতো তাহলে সুভাকে তার গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় যেতে হতো না। তার পরিণতি আরও সুন্দর হতে পারত। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো