Chapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান Statistics 1st Paper

HSC Statistics 1st Paper এর Chapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৯৪

প্রশ্ন

Statistics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

Rajshahi · 2019

সরকারি পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

যেসব পরিসাংখ্যিক তথ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ জনসাধারণের প্রয়োজনে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে।
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোই একমাত্র উৎস নয়। ব্যাখ্যা : খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোর পাশাপাশি দেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খাদ্য মন্ত্রণালয় খাদ্য দপ্তরের মাধ্যমে দেশের উৎপাদিত মোট খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ, চাহিদা ও ঘাটতি সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যায়। অতএব বলা যায়, খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোই একমাত্র উৎস নয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।

উত্তর

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম উর্ধ্বমুখী হওয়ার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে যেসকল সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলো হলো নিম্নরূপ : ১. ত্রুটিপূর্ণ সংগ্রহ পদ্ধতি, ২. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব, ৩. তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ উপস্থাপন, ৪. তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব, ৫. রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব, ৬. আধুনিক পরিসংখ্যানিক যন্ত্রপাতির অভাব, ৭. উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং ৮. তথ্যের অপর্যাপ্ততা।
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?

উত্তর

খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাড়াতে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত সেগুলো হলো নিম্নরূপ : ১. দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। ৪. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। ৬. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৭. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশ্লেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। উপর্যুক্ত পদক্ষেপসমূহ গৃহীত হলে সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাড়বে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

Rajshahi · 2019

সরকারি পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

যেসব পরিসাংখ্যিক তথ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ জনসাধারণের প্রয়োজনে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে।
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোই একমাত্র উৎস নয়। ব্যাখ্যা : খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোর পাশাপাশি দেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খাদ্য মন্ত্রণালয় খাদ্য দপ্তরের মাধ্যমে দেশের উৎপাদিত মোট খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ, চাহিদা ও ঘাটতি সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যায়। অতএব বলা যায়, খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরোই একমাত্র উৎস নয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।

উত্তর

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম উর্ধ্বমুখী হওয়ার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে যেসকল সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলো হলো নিম্নরূপ : ১. ত্রুটিপূর্ণ সংগ্রহ পদ্ধতি, ২. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব, ৩. তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ উপস্থাপন, ৪. তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব, ৫. রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব, ৬. আধুনিক পরিসংখ্যানিক যন্ত্রপাতির অভাব, ৭. উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং ৮. তথ্যের অপর্যাপ্ততা।
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?

উত্তর

খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাড়াতে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত সেগুলো হলো নিম্নরূপ : ১. দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। ৪. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। ৬. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৭. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশ্লেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। উপর্যুক্ত পদক্ষেপসমূহ গৃহীত হলে সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাড়বে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

Dhaka · 2022

প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস নয়। ব্যাখ্যা : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনবলের অভাব, অর্থের অভাব ইত্যাদি কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। অতএব, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস নয়৷
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো- সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো নিচে দেওয়া হলো : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (Bangladesh Bureau of Statistics or BBS) ২. বাংলাদেশ ব্যাংক (Bangladesh Bank) ৩. কৃষি মন্ত্রণালয় (Ministry of Agriculture) ৪. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় (Ministry of Finance and Planning) ৫. শিক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Education) ৬. সংস্থাপন মন্ত্রণালয় (Ministry of Establishment) ৭. খাদ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Food) ৮. শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় (Ministry of Labour and Manpower) ৯. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Ministry of Home Affairs) ১০. যোগাযোগ মন্ত্রণালয় (Ministry of Communication) ১১. পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় (Ministry of Jute and Textile) ১২. স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় (Ministry of Health and Family Planning) ১৩. শিল্প মন্ত্রণালয় (Ministry of Industries) ১৪. বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Commerce) ১৫. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Defences) ইত্যাদি। আধাসরকারি পরিসংখ্যানের উৎসগুলো নিচে দেওয়া হলো- ১. বাংলাদেশ বিমান ও বাংলাদেশ রেলওয়ে (Bangladesh Biman and Bangladesh Ralway) ২. বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (Universities) ৩. গবেষণা প্রতিষ্ঠান (Research Institute) বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো : i. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), ii. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), iii. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI), iv. বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BIDS), v. জাতীয় জনসংখ্যা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) ইত্যাদি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উৎসগুলো নিচে দেওয়া হলো : ১. বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান (Commercial Bank and Insurances Institute) ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা (International Organization) ৩. অন্যান্য সংস্থা (Other's Organization)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি পরিসংখ্যান, আধা-সরকারি পরিসংখ্যান এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের তুলনা নিম্নরূপ : ১. সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- - কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, আদমশুমারি ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ২. আধা-সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন স্বায়ত্ত-শাসিত বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে আধা সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন- বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ৩. বেসরকারি পরিসংখ্যান যে সকল পরিসংখ্যান বা অন্য কোনো গবেষক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে বেসরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন— সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), এ. জি. ও (যেমন-ব্র্যাক, প্রশিকা), বণিক সমিতি, স্টক এক্সচেঞ্জ, বিভিন্ন ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন- ইউনেস্কো (UNESCO), ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

Dhaka · 2022

প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস নয়। ব্যাখ্যা : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনবলের অভাব, অর্থের অভাব ইত্যাদি কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। অতএব, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস নয়৷
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো- সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো নিচে দেওয়া হলো : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (Bangladesh Bureau of Statistics or BBS) ২. বাংলাদেশ ব্যাংক (Bangladesh Bank) ৩. কৃষি মন্ত্রণালয় (Ministry of Agriculture) ৪. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় (Ministry of Finance and Planning) ৫. শিক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Education) ৬. সংস্থাপন মন্ত্রণালয় (Ministry of Establishment) ৭. খাদ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Food) ৮. শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় (Ministry of Labour and Manpower) ৯. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Ministry of Home Affairs) ১০. যোগাযোগ মন্ত্রণালয় (Ministry of Communication) ১১. পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় (Ministry of Jute and Textile) ১২. স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় (Ministry of Health and Family Planning) ১৩. শিল্প মন্ত্রণালয় (Ministry of Industries) ১৪. বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Commerce) ১৫. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Defences) ইত্যাদি। আধাসরকারি পরিসংখ্যানের উৎসগুলো নিচে দেওয়া হলো- ১. বাংলাদেশ বিমান ও বাংলাদেশ রেলওয়ে (Bangladesh Biman and Bangladesh Ralway) ২. বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (Universities) ৩. গবেষণা প্রতিষ্ঠান (Research Institute) বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো : i. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), ii. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), iii. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI), iv. বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BIDS), v. জাতীয় জনসংখ্যা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) ইত্যাদি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উৎসগুলো নিচে দেওয়া হলো : ১. বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান (Commercial Bank and Insurances Institute) ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা (International Organization) ৩. অন্যান্য সংস্থা (Other's Organization)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি পরিসংখ্যান, আধা-সরকারি পরিসংখ্যান এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের তুলনা নিম্নরূপ : ১. সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- - কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, আদমশুমারি ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ২. আধা-সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন স্বায়ত্ত-শাসিত বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে আধা সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন- বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ৩. বেসরকারি পরিসংখ্যান যে সকল পরিসংখ্যান বা অন্য কোনো গবেষক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে বেসরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন— সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), এ. জি. ও (যেমন-ব্র্যাক, প্রশিকা), বণিক সমিতি, স্টক এক্সচেঞ্জ, বিভিন্ন ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন- ইউনেস্কো (UNESCO), ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমরা এই দুটি উৎস থেকে বেশিরভাগ তথ্য পেয়ে থাকি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ করা যায়। যেমন- তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারী, রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ইত্যাদি।

Rajshahi · 2022

বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।

উত্তর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশু শুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুইটি হলো সরকারি পরিসংখ্যান ও বেসরকারি পরিসংখ্যান। নিম্নে সরকারি পরিসংখ্যান ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনা করা হলো : ১. সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন-বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, আদমশুমারি ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ২. বেসরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বা অন্য কোনো গবেষক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে বেসরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন বেসরকারি প্ররিসংখ্যান যেমন-সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), এ.জি.ও (যেমন-ব্র্যাক, প্রশিকা), বণিক সমিতি, স্টক এক্সচেঞ্জ, বিভিন্ন ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন-ইউনেস্কো (UNESCO), ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংখ্যা (WHO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে।
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ কর।

উত্তর

বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের নীতি নির্ধারণে ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি থেকে রিপোর্ট প্রকাশ পর্যন্ত যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় সেগুলো যথাসম্ভব দূর করা অত্যন্ত জরুরি। নিচে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ পেশ করা হলো- ১. দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। 8. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক গবেষণা এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৬. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। ৭. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৮. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশ্লেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। ৯. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অধিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অধিক শক্তিশালী করতে হবে। ১০. তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশনার দায়িত্ব মূলত সরকারের হলেও পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকারের প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গৃহীত হলে প্রকাশিত পরিসংখানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমরা এই দুটি উৎস থেকে বেশিরভাগ তথ্য পেয়ে থাকি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ করা যায়। যেমন- তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারী, রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ইত্যাদি।

Rajshahi · 2022

বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।

উত্তর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশু শুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুইটি হলো সরকারি পরিসংখ্যান ও বেসরকারি পরিসংখ্যান। নিম্নে সরকারি পরিসংখ্যান ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনা করা হলো : ১. সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন-বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, আদমশুমারি ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ২. বেসরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বা অন্য কোনো গবেষক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে বেসরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন বেসরকারি প্ররিসংখ্যান যেমন-সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), এ.জি.ও (যেমন-ব্র্যাক, প্রশিকা), বণিক সমিতি, স্টক এক্সচেঞ্জ, বিভিন্ন ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন-ইউনেস্কো (UNESCO), ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংখ্যা (WHO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে।
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ কর।

উত্তর

বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে। দেশের নীতি নির্ধারণে ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি থেকে রিপোর্ট প্রকাশ পর্যন্ত যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় সেগুলো যথাসম্ভব দূর করা অত্যন্ত জরুরি। নিচে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ পেশ করা হলো- ১. দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। 8. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক গবেষণা এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৬. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। ৭. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৮. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশ্লেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। ৯. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অধিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অধিক শক্তিশালী করতে হবে। ১০. তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশনার দায়িত্ব মূলত সরকারের হলেও পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকারের প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গৃহীত হলে প্রকাশিত পরিসংখানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশ পৃথিবীর জনবহুল দেশ। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।

Rajshahi · 2023

BBS-এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তর

BBS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Statistics.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যানের একটি অন্যতম উৎস। বাংলাদেশ ব্যাংকে দেশের মুদ্রা সরবরাহ, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ, স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ, বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক বিনিময়, ব্যাংক ঋণ, সরকারি লেনদেনের ভারসাম্য ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংকলন ও প্রকাশনার জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান বিভাগ ও একটি গবেষণা বিভাগ রয়েছে। এর কাজ হলো আর্থিক ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিশেষ বিশেষ অবস্থার উপর গবেষণা রিপোর্ট পেশ করা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিভাগ নিয়মিতভাবে মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বাৎসরিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ প্রণয়ন কর।

উত্তর

নিচে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ পেশ করা হলো- ১. দক্ষ ও পরিসংখ্যানপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। ৪. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক গবেষণা এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৬. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। 9. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৮. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। ৯. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অধিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অধিক শক্তিশালী করতে হবে। ১০. তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশনার দায়িত্ব মূলত সরকারের হলেও পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকারের প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গৃহীত হলে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের তুলনামূলক আলোচনা নিচে দেওয়া হলো : question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশ পৃথিবীর জনবহুল দেশ। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।

Rajshahi · 2023

BBS-এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তর

BBS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Statistics.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যানের একটি অন্যতম উৎস। বাংলাদেশ ব্যাংকে দেশের মুদ্রা সরবরাহ, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ, স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ, বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক বিনিময়, ব্যাংক ঋণ, সরকারি লেনদেনের ভারসাম্য ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংকলন ও প্রকাশনার জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান বিভাগ ও একটি গবেষণা বিভাগ রয়েছে। এর কাজ হলো আর্থিক ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিশেষ বিশেষ অবস্থার উপর গবেষণা রিপোর্ট পেশ করা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিভাগ নিয়মিতভাবে মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বাৎসরিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ প্রণয়ন কর।

উত্তর

নিচে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ পেশ করা হলো- ১. দক্ষ ও পরিসংখ্যানপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। ৪. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক গবেষণা এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৬. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। 9. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৮. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। ৯. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অধিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অধিক শক্তিশালী করতে হবে। ১০. তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশনার দায়িত্ব মূলত সরকারের হলেও পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকারের প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গৃহীত হলে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের তুলনামূলক আলোচনা নিচে দেওয়া হলো : question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পারিসংখ্যিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। একজন গবেষক বললেন যে, বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণণতমান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

Dhaka · 2023

বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান কাকে বলে?

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়—ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্ৰতিষ্ঠান নয়। ব্যাখ্যা : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি পরিসংখ্যানের প্রধান উৎস। ফসল উৎপাদন, পশুসম্পদ, বনজ সম্পদ এবং মৎস্য সম্পদ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান এর আওতাভুক্ত। এ ব্যুরোর মাধ্যমে দেশে মোট উৎপাদিত শস্যের পরিমাণ, মোট আবাদি ও অনাবাদি জমির পরিমাণ, পানিসেচ ব্যবস্থা, সারের উৎপাদন, গৃহপালিত পশু, হাঁস-মুরগির খামার, বনায়ন, মৎস্য চাষ, কৃষি পণ্যের মূল্য, কৃষি শ্রমিকের যোগান ও মজুরি ইত্যাদি বিষয়ের উপর পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। এসব পরিসংখ্যান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুলেটিন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, বাংলাদেশ কৃষি বর্ষগ্রন্থ আকারে পাওয়া যায়। এছাড়া কৃষি পরিসংখ্যান সংগ্রহকারী অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ কৃষি পণ্য বিপণন এবং তথ্য কেন্দ্র, বন বিভাগ, প্রাণী সম্পদ বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, বাংলাদেশ বন বিভাগ, শিল্পোন্নয়ন কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, কৃষি বাজারজাতকরণ ডাইরেক্টরেট ইত্যাদি। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি বিষয়ক তথ্য সরবরাহ করে থাকে। অতএব, বলা যায়, কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো সরকারি, আধা-সরকারি ও. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। নিচে এদের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো : বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি পরিসংখ্যান, আধা-সরকারি পরিসংখ্যান এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা নিম্নরূপ : ১. সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, আদমশুমারি ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ২. আধা-সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন স্বায়ত্ত- শাসিত বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে আধা সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন- বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ৩. বেসরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বা অন্য কোনো গবেষক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে বেসরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), এ. জি. ও (যেমন-ব্র্যাক, প্রশিকা), বণিক সমিতি, স্টক এক্সচেঞ্জ, বিভিন্ন ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন- ইউনেস্কো (UNESCO), ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে।
গবেষকের দেওয়া বক্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

“বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে” উক্তিটি যথার্থ। বাংলাদেশে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এসব তথ্যের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতার অভাবে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান আজ ত্রুটিপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিসংখ্যানিক জ্ঞানহীন অদক্ষ লোক দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এসব তথ্য সংগ্রাহক নমুনাজ ও অনমুনাজ বিচ্যুতির কারণ এবং পরিমাণ সম্পর্কে উদাসীন থাকেন বিধায় ভুল পদ্ধতি ও পুরাতন কাঠামো ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। আবার অধিকাংশ সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ের জন্য অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকদের নিয়োগ করা হয়। কোনো প্রকার প্রশিক্ষণ না নিয়েই এরা তথ্য সংগ্রহ করেন। এসব তথ্য সংগ্রহকারীর প্রশিক্ষণের অভাব, বিচক্ষণতার অভাব, অলসতা ও অসততার কারণে সংগৃহীত তথ্য অশুদ্ধ ও অনির্ভরযোগ্য হয়। যেমন- শুমারি জরিপে প্রাপ্ত তথ্য, বাংলাদেশে উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দানের ব্যবস্থা না থাকায় নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। বাংলাদেশের তথ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষ জনবল নিয়োগ করে তাদেরকে উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করে তথ্য সংগ্রহ করলে তথ্য অধিক নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ হবে এবং তথ্যের গুণগত মান বজায় থাকবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পারিসংখ্যিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। একজন গবেষক বললেন যে, বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণণতমান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

Dhaka · 2023

বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান কাকে বলে?

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়—ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্ৰতিষ্ঠান নয়। ব্যাখ্যা : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি পরিসংখ্যানের প্রধান উৎস। ফসল উৎপাদন, পশুসম্পদ, বনজ সম্পদ এবং মৎস্য সম্পদ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান এর আওতাভুক্ত। এ ব্যুরোর মাধ্যমে দেশে মোট উৎপাদিত শস্যের পরিমাণ, মোট আবাদি ও অনাবাদি জমির পরিমাণ, পানিসেচ ব্যবস্থা, সারের উৎপাদন, গৃহপালিত পশু, হাঁস-মুরগির খামার, বনায়ন, মৎস্য চাষ, কৃষি পণ্যের মূল্য, কৃষি শ্রমিকের যোগান ও মজুরি ইত্যাদি বিষয়ের উপর পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। এসব পরিসংখ্যান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুলেটিন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, বাংলাদেশ কৃষি বর্ষগ্রন্থ আকারে পাওয়া যায়। এছাড়া কৃষি পরিসংখ্যান সংগ্রহকারী অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ কৃষি পণ্য বিপণন এবং তথ্য কেন্দ্র, বন বিভাগ, প্রাণী সম্পদ বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, বাংলাদেশ বন বিভাগ, শিল্পোন্নয়ন কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, কৃষি বাজারজাতকরণ ডাইরেক্টরেট ইত্যাদি। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি বিষয়ক তথ্য সরবরাহ করে থাকে। অতএব, বলা যায়, কৃষি বিষয়ক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো সরকারি, আধা-সরকারি ও. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। নিচে এদের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো : বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি পরিসংখ্যান, আধা-সরকারি পরিসংখ্যান এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা নিম্নরূপ : ১. সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান (যেমন- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিভিন্ন বিষয়, যেমন- কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, আদমশুমারি ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ২. আধা-সরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বিভিন্ন স্বায়ত্ত- শাসিত বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে আধা সরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন- বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সমূহ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করে ও সমাধানের সুপারিশ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে। ৩. বেসরকারি পরিসংখ্যান : যে সকল পরিসংখ্যান বা অন্য কোনো গবেষক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত হয় তাকে বেসরকারি পরিসংখ্যান বলে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), এ. জি. ও (যেমন-ব্র্যাক, প্রশিকা), বণিক সমিতি, স্টক এক্সচেঞ্জ, বিভিন্ন ব্যাংক বা বীমা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন- ইউনেস্কো (UNESCO), ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে বুলেটিন আকারে প্রকাশ করে থাকে।
গবেষকের দেওয়া বক্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

“বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেই প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে” উক্তিটি যথার্থ। বাংলাদেশে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এসব তথ্যের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতার অভাবে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান আজ ত্রুটিপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিসংখ্যানিক জ্ঞানহীন অদক্ষ লোক দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এসব তথ্য সংগ্রাহক নমুনাজ ও অনমুনাজ বিচ্যুতির কারণ এবং পরিমাণ সম্পর্কে উদাসীন থাকেন বিধায় ভুল পদ্ধতি ও পুরাতন কাঠামো ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। আবার অধিকাংশ সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ের জন্য অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকদের নিয়োগ করা হয়। কোনো প্রকার প্রশিক্ষণ না নিয়েই এরা তথ্য সংগ্রহ করেন। এসব তথ্য সংগ্রহকারীর প্রশিক্ষণের অভাব, বিচক্ষণতার অভাব, অলসতা ও অসততার কারণে সংগৃহীত তথ্য অশুদ্ধ ও অনির্ভরযোগ্য হয়। যেমন- শুমারি জরিপে প্রাপ্ত তথ্য, বাংলাদেশে উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দানের ব্যবস্থা না থাকায় নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। বাংলাদেশের তথ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষ জনবল নিয়োগ করে তাদেরকে উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করে তথ্য সংগ্রহ করলে তথ্য অধিক নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ হবে এবং তথ্যের গুণগত মান বজায় থাকবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পরিসংখ্যান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী সিদ্ধান্ত নিলো যে, দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে। এলক্ষ্যে সে BBS এবং BANBAEIS থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছে।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলতে কী বুঝ?

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
ICCDRB বাংলাদেশের প্রকাশিত কোন পরিসংখ্যানের উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ICCDRB বাংলাদেশের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানের উৎস । ব্যাখ্যা : যে সকল পরিসংখ্যানিক তথ্য বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। ICCDRB বাংলাদেশের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, ICCDRB কর্তৃক সংগ্রহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত তথ্য সরকারি পরিসংখ্যান। অতএব, ICCDRB বাংলাদেশের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানের উৎস।
বাংলাদেশের বেসরকারি পরিসংখ্যানের উৎসসমূহ বর্ণনা কর।

উত্তর

বাংলাদেশের বেসরকারি পরিসংখ্যানের উৎসসমূহ হলো নিম্নরূপ : ১. বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান : বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক। যেমন- ডাচ্ বাংলা ব্যাংক, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ইত্যাদি এবং কিছু বীমা কোম্পানি যেমন- জীবন বীমা, বাংলাদেশ সাধারণ বীমা, ডেল্টা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি ও আমেরিকান লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানিসমূহ তাদের দৈনন্দিন ও বার্ষিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রচুর তথ্য প্রকাশ করে থাকে। বীমা কোম্পানিসমূহ তাদের রিপোর্টে দুর্ঘটনা, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি পরিসংখ্যান এবং ব্যাংকসমূহ বৎসরান্তে লাভ-লোকসানের পরিসংখ্যান রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করে থাকে৷ ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা : কতকগুলো আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- কৃষি ও খাদ্য সংস্থা (FAO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILÔ), আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), জাতিসংঘ বাণিজ্য সংস্থা (UNCTAD), জাতিসংঘ জনসংখ্যা কার্যক্রম (UNFPA) ইত্যাদি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের উপর বিভিন্ন সময়ে অনুসন্ধান পরিচালনা করে এবং রিপোর্ট আকারে পরিসংখ্যান তথ্য প্রকাশ করে থাকে। ৩. অন্যান্য সংস্থা : বেশ কিছু সংখ্যক এন.জি.ও যেমন— গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, প্রশিকা, ব্র্যাক ইত্যাদি বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার জরিপ কাজ পরিচালনা করে এবং পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে। এগুলো ছাড়া বাণিজ্য সংস্থা, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ট্রেড ইউনিয়ন বিভিন্ন প্রকার পরিসংখ্যান তথ্য প্রকাশ করে থাকে।
BBS এবং BANBEIS বাংলাদেশের প্রকাশিত কোন পরিসংখ্যানের উৎস? বিশদ বর্ণনা দাও।

উত্তর

BBS এবং BANBEIS বাংলাদেশের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানের উৎস। নিচে BBS এবং BANBEIS সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো : BBS BBS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Statistics যার বাংলা অর্থ হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এটি 1974 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানের 23টি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং 483টি থানা কার্যালয় রয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশু শুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে। BANBEIS: BANBEIS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics। যার বাংলা আভিধানিক অর্থ হলো বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো (BANBEIS) হলো শিক্ষা ও পরিসংখ্যানের মূল উৎস। এ ব্যুরো এদেশের প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাসিক পরিসংখ্যান বুলেটিন, পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান পকেট বইয়ে শিক্ষা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCStatistics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পরিসংখ্যান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী সিদ্ধান্ত নিলো যে, দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে। এলক্ষ্যে সে BBS এবং BANBAEIS থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছে।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলতে কী বুঝ?

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।
ICCDRB বাংলাদেশের প্রকাশিত কোন পরিসংখ্যানের উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ICCDRB বাংলাদেশের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানের উৎস । ব্যাখ্যা : যে সকল পরিসংখ্যানিক তথ্য বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে। ICCDRB বাংলাদেশের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, ICCDRB কর্তৃক সংগ্রহীত, সংকলিত ও প্রকাশিত তথ্য সরকারি পরিসংখ্যান। অতএব, ICCDRB বাংলাদেশের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানের উৎস।
বাংলাদেশের বেসরকারি পরিসংখ্যানের উৎসসমূহ বর্ণনা কর।

উত্তর

বাংলাদেশের বেসরকারি পরিসংখ্যানের উৎসসমূহ হলো নিম্নরূপ : ১. বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান : বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক। যেমন- ডাচ্ বাংলা ব্যাংক, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ইত্যাদি এবং কিছু বীমা কোম্পানি যেমন- জীবন বীমা, বাংলাদেশ সাধারণ বীমা, ডেল্টা লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি ও আমেরিকান লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানিসমূহ তাদের দৈনন্দিন ও বার্ষিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রচুর তথ্য প্রকাশ করে থাকে। বীমা কোম্পানিসমূহ তাদের রিপোর্টে দুর্ঘটনা, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি পরিসংখ্যান এবং ব্যাংকসমূহ বৎসরান্তে লাভ-লোকসানের পরিসংখ্যান রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করে থাকে৷ ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা : কতকগুলো আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- কৃষি ও খাদ্য সংস্থা (FAO), বিশ্ব ব্যাংক (WB), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILÔ), আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), জাতিসংঘ বাণিজ্য সংস্থা (UNCTAD), জাতিসংঘ জনসংখ্যা কার্যক্রম (UNFPA) ইত্যাদি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের উপর বিভিন্ন সময়ে অনুসন্ধান পরিচালনা করে এবং রিপোর্ট আকারে পরিসংখ্যান তথ্য প্রকাশ করে থাকে। ৩. অন্যান্য সংস্থা : বেশ কিছু সংখ্যক এন.জি.ও যেমন— গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, প্রশিকা, ব্র্যাক ইত্যাদি বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার জরিপ কাজ পরিচালনা করে এবং পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে। এগুলো ছাড়া বাণিজ্য সংস্থা, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ট্রেড ইউনিয়ন বিভিন্ন প্রকার পরিসংখ্যান তথ্য প্রকাশ করে থাকে।
BBS এবং BANBEIS বাংলাদেশের প্রকাশিত কোন পরিসংখ্যানের উৎস? বিশদ বর্ণনা দাও।

উত্তর

BBS এবং BANBEIS বাংলাদেশের প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানের উৎস। নিচে BBS এবং BANBEIS সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো : BBS BBS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Statistics যার বাংলা অর্থ হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এটি 1974 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানের 23টি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং 483টি থানা কার্যালয় রয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশু শুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে। BANBEIS: BANBEIS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics। যার বাংলা আভিধানিক অর্থ হলো বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো (BANBEIS) হলো শিক্ষা ও পরিসংখ্যানের মূল উৎস। এ ব্যুরো এদেশের প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাসিক পরিসংখ্যান বুলেটিন, পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান পকেট বইয়ে শিক্ষা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো