Chapter 9 : সামাজিক ব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Sociology 1st Paper

HSC Sociology 1st Paper এর Chapter 9 : সামাজিক ব্যবস্থা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৩১

প্রশ্ন

Sociology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শাকিল ও শাওন দুই বন্ধু। আজ কলেজে তারা রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত কিছু মতবাদ সম্পর্কে জেনেছে। এ মতবাদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন মতবাদকে শাকিলের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়। কিন্তু শাওন এটিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বলে রাষ্ট্রের উৎপত্তির মূলে রয়েছে পাশবিক শক্তি বা শক্তির বিশেষ ভূমিকা।
ক
নৈতিকতা কী?

উত্তর

ভালো কাজ ও মন্দ কাজের পার্থক্য অনুধাবন করে করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করার মানসিকতা হলো নৈতিকতা।
খ
শিক্ষা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

শিক্ষা একটি সামাজিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তির আচরণের কাঙ্ক্ষিত ও স্থায়ী পরিবর্তন সাধিত হয়। ব্যক্তির এ আচরণিক পরিবর্তন ঘটে অনুশীলন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে, যা ব্যক্তি ও সমাজের নিকট গ্রহণযোগ্য, কল্যাণকর এবং অপেক্ষাকৃত স্থায়ী। শিক্ষা একটি ধারাবাহিক, পরিবর্তনশীল-ও সামাজিক ব্যবস্থা।
গ
রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত যে মতবাদটি শাকিলের কাছে গ্রহণযোগ্য, সেটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রাচীন যে মতবাদের কথা বলা হয়েছে তা হলো ঐশ্বরিক মতবাদ এবং শাকিলের কাছে এটিই গ্রহণযোগ্য। রাষ্ট্রের উৎপত্তিসংক্রান্ত মতবাদগুলোর মধ্যে ঐশ্বরিক মতবাদ সবচেয়ে প্রাচীন একটি মতবাদ। এ মতবাদ অনুসারে, রাষ্ট্র ঈশ্বরের সৃষ্ট। ঈশ্বর এ পৃথিবীর কয়েকজন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে তার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ প্রতিনিধিরাই জনসাধারণের কাছে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে প্রকাশ করেন এবং জনসাধারণের রাজা হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। এ মতবাদ অনুসারে রাজা যেহেতু ঈশ্বরের প্রতিনিধি, তাই জনগণের উচিত রাজার নির্দেশ মানা এবং তার অনুগত থাকা। রাজার অবাধ্য হওয়া মানে ঈশ্বরের অবাধ্য হওয়া। অন্যদিকে রাজা যেহেতু ঈশ্বরের প্রতিনিধি, তাই তিনি জনগণের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। তবে আধুনিক নৃবিজ্ঞানীদের নিকট এ মতবাদটি স্বৈরতান্ত্রিক মতবাদ হিসেবে পরিচিত।
ঘ
তুমি কি শাওনের সমর্থনকৃত মতবাদকে যথার্থ মনে কর? এ বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর

, শাওনের সমর্থনকৃত মতবাদকে আমি যথার্থ মনে করি। উদ্দীপকের শাওন রাষ্ট্রের উৎপত্তিসংক্রান্ত বলপ্রয়োগ মতবাদের সমর্থক। পাশবিক শক্তি বা শক্তির ভূমিকাসংক্রান্ত এ মতবাদটি রাষ্ট্রের উৎপত্তিসংক্রান্ত একটি শক্তিশালী মতবাদ। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো ক্ষমতালিপ্সা এবং অন্যের ওপর কর্তৃত্ব আরোপের চেষ্টা। এ কারণে অন্যের ওপর কর্তৃত্ব আরোপ করে বা অন্যকে বশীভূত করে স্থায়ী ক্ষমতাবলে সমাজ তথা রাষ্ট্র পরিচালনার ইচ্ছাও মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তির অংশ। এ মতবাদে রাষ্ট্রবিহীন আদিম সমাজে বলপ্রয়োগের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। যেমন- সবল কর্তৃক দুর্বলের ওপর অত্যাচার, দুর্বলকে' অনুগত ও বশীভূত করে রাখার প্রয়াস, গোত্রপ্রধান কর্তৃক গোত্রের সবাইকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রবণতা, গোত্রপ্রধানের নেতৃত্বে আন্তঃগোত্র দ্বন্দ্ব-কলহ এবং এক গোত্র কর্তৃক অন্য গোত্রকে পদানত ও নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা ইত্যাদি। এভাবেই উপ-জাতির সৃষ্টি হয় এবং এদের মধ্যে সংঘাত দেখা দেয়। সংঘাতে বিজয়ী উপজাতি বিজিত উপজাতিদের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ক্রমান্বয়ে উপজাতিগুলো বিস্তৃতি লাভ করে রাজ্য গঠন করে। রাজ্যগুলো ক্রমশ বিকাশ লাভ করে সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। বলপ্রয়োগ 'মতবাদের মূলকথা হলো বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে, বলপ্রয়োগের দ্বারাই রাষ্ট্র শাসিত হয় এবং রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলার জন্য বলপ্রয়োগ অপরিহার্য। কিন্তু রাষ্ট্রের উৎপত্তিতে বল কমবেশি ভূমিকা পালন করলেও একমাত্র উপাদান এটি নয়। শুধু বলপ্রয়োগ সব মানুষকে একটি রাষ্ট্রের অধীনে আনতে পারে না। এজন্য জনসমর্থন অপরিহার্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শাকিল ও শাওন দুই বন্ধু। আজ কলেজে তারা রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত কিছু মতবাদ সম্পর্কে জেনেছে। এ মতবাদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন মতবাদকে শাকিলের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়। কিন্তু শাওন এটিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বলে রাষ্ট্রের উৎপত্তির মূলে রয়েছে পাশবিক শক্তি বা শক্তির বিশেষ ভূমিকা।
ক
নৈতিকতা কী?

উত্তর

ভালো কাজ ও মন্দ কাজের পার্থক্য অনুধাবন করে করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করার মানসিকতা হলো নৈতিকতা।
খ
শিক্ষা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

শিক্ষা একটি সামাজিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তির আচরণের কাঙ্ক্ষিত ও স্থায়ী পরিবর্তন সাধিত হয়। ব্যক্তির এ আচরণিক পরিবর্তন ঘটে অনুশীলন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে, যা ব্যক্তি ও সমাজের নিকট গ্রহণযোগ্য, কল্যাণকর এবং অপেক্ষাকৃত স্থায়ী। শিক্ষা একটি ধারাবাহিক, পরিবর্তনশীল-ও সামাজিক ব্যবস্থা।
গ
রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত যে মতবাদটি শাকিলের কাছে গ্রহণযোগ্য, সেটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রাচীন যে মতবাদের কথা বলা হয়েছে তা হলো ঐশ্বরিক মতবাদ এবং শাকিলের কাছে এটিই গ্রহণযোগ্য। রাষ্ট্রের উৎপত্তিসংক্রান্ত মতবাদগুলোর মধ্যে ঐশ্বরিক মতবাদ সবচেয়ে প্রাচীন একটি মতবাদ। এ মতবাদ অনুসারে, রাষ্ট্র ঈশ্বরের সৃষ্ট। ঈশ্বর এ পৃথিবীর কয়েকজন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে তার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ প্রতিনিধিরাই জনসাধারণের কাছে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে প্রকাশ করেন এবং জনসাধারণের রাজা হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। এ মতবাদ অনুসারে রাজা যেহেতু ঈশ্বরের প্রতিনিধি, তাই জনগণের উচিত রাজার নির্দেশ মানা এবং তার অনুগত থাকা। রাজার অবাধ্য হওয়া মানে ঈশ্বরের অবাধ্য হওয়া। অন্যদিকে রাজা যেহেতু ঈশ্বরের প্রতিনিধি, তাই তিনি জনগণের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। তবে আধুনিক নৃবিজ্ঞানীদের নিকট এ মতবাদটি স্বৈরতান্ত্রিক মতবাদ হিসেবে পরিচিত।
ঘ
তুমি কি শাওনের সমর্থনকৃত মতবাদকে যথার্থ মনে কর? এ বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন কর।

উত্তর

, শাওনের সমর্থনকৃত মতবাদকে আমি যথার্থ মনে করি। উদ্দীপকের শাওন রাষ্ট্রের উৎপত্তিসংক্রান্ত বলপ্রয়োগ মতবাদের সমর্থক। পাশবিক শক্তি বা শক্তির ভূমিকাসংক্রান্ত এ মতবাদটি রাষ্ট্রের উৎপত্তিসংক্রান্ত একটি শক্তিশালী মতবাদ। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো ক্ষমতালিপ্সা এবং অন্যের ওপর কর্তৃত্ব আরোপের চেষ্টা। এ কারণে অন্যের ওপর কর্তৃত্ব আরোপ করে বা অন্যকে বশীভূত করে স্থায়ী ক্ষমতাবলে সমাজ তথা রাষ্ট্র পরিচালনার ইচ্ছাও মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তির অংশ। এ মতবাদে রাষ্ট্রবিহীন আদিম সমাজে বলপ্রয়োগের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। যেমন- সবল কর্তৃক দুর্বলের ওপর অত্যাচার, দুর্বলকে' অনুগত ও বশীভূত করে রাখার প্রয়াস, গোত্রপ্রধান কর্তৃক গোত্রের সবাইকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রবণতা, গোত্রপ্রধানের নেতৃত্বে আন্তঃগোত্র দ্বন্দ্ব-কলহ এবং এক গোত্র কর্তৃক অন্য গোত্রকে পদানত ও নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা ইত্যাদি। এভাবেই উপ-জাতির সৃষ্টি হয় এবং এদের মধ্যে সংঘাত দেখা দেয়। সংঘাতে বিজয়ী উপজাতি বিজিত উপজাতিদের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ক্রমান্বয়ে উপজাতিগুলো বিস্তৃতি লাভ করে রাজ্য গঠন করে। রাজ্যগুলো ক্রমশ বিকাশ লাভ করে সাম্রাজ্যে পরিণত হয়। বলপ্রয়োগ 'মতবাদের মূলকথা হলো বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়েছে, বলপ্রয়োগের দ্বারাই রাষ্ট্র শাসিত হয় এবং রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলার জন্য বলপ্রয়োগ অপরিহার্য। কিন্তু রাষ্ট্রের উৎপত্তিতে বল কমবেশি ভূমিকা পালন করলেও একমাত্র উপাদান এটি নয়। শুধু বলপ্রয়োগ সব মানুষকে একটি রাষ্ট্রের অধীনে আনতে পারে না। এজন্য জনসমর্থন অপরিহার্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাহিনকে কলেজ থেকে প্রাচীন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মতবাদ লিখতে বলা হলে, সে তার বাবার কাছে এ বিষয়ে সাহায্য চায়। মাহিনের বাবা তাকে বলে, এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনব্যবস্থা যা মানুষের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনকে ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি আরও বলেন, 'মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য।'
ক
. কর্তৃত্ব কী?

উত্তর

প্রাতিষ্ঠানিক বা আইনগত ভিত্তি আছে, এরূপ বৈধ ক্ষমতা হলো কর্তৃত্ব
খ
শিক্ষার মানবিক কাজ সম্পর্কে ধারণা দাও

উত্তর

শিক্ষা মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক আচরণের উন্নতি ঘটায়। মানবশিশু নৈতিক বা মানবিক গুণাবলি ও মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায় না, এটি তাকে অর্জন করতে হয়। পরিবার, সমাজ তাকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শিক্ষা দেয়। শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো মূল্যবোধ ও নৈতিকতা শিক্ষার আনুষ্ঠানিক উপায়। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ তা লাভ করে থাকে।
গ
উদ্দীপক দ্বারা নির্দেশিত সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি চিহ্নিত করে এর ৩ ভূমিকা লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রাচীন সামাজিক যে প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে তা হলো ধর্ম। মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মের প্রভাব অপরিসীম। ধর্ম একটি প্রাচীনতম সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যার অস্তিত্বের ইতিহাস রয়েছে মানবসভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে। এ কারণে ধর্মের শিথিলতা মানবসভ্যতাকে বহুলাংশে বিপন্ন করে তোলে। মানুষের ব্যক্তিগত ও। সামাজিক জীবনের এক বিরাট অংশজুড়ে আছে ধর্মের প্রভাব। ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার পাশাপাশি রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচারকার্যে শপথ গ্রহণের যে রীতি প্রচলিত আছে, তাতেও ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণের অস্তিত্ব দেখা যায়। মানুষের নিরাপত্তাবোধ ও মানসিক সান্ত্বনার সঞ্চার করে ধর্ম। সমাজে নীতিবোধ আদর্শের প্রতিষ্ঠা ব্যক্তিজীবনে তা অনুশীলনে উৎসাহিত করে ধর্ম। সামাজিক ঐক্য ও সংহতির বিকাশ ঘটায় এবং তা সংরক্ষণ করে ধর্ম। মানুষের প্রাত্যহিক জীবন ও কার্যাবলিকে প্রভাবিত করে ধর্ম। ধর্মীয় বন্ধন সামাজিক সংহতিকেও দৃঢ় করে। মানুষের জীবনের সকল ক্ষেত্রেই ধর্মের প্রভাব লক্ষণীয়।
ঘ
উদ্দীপকে সর্বশেষ লাইনের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর

উত্তর

উদ্দীপকের সর্বশেষ লাইনে বলা হয়েছে 'মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মের ভূমিকা অনস্বীকার্য'- এ বিষয়টি যথার্থ ও সঠিক। ধর্মবিশ্বাসী মানুষ অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাস একজন মানুষকে অনেকগুলো কাজ করতে উৎসাহিত করে আবার অনেক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলে। এজন্য ধর্ম মানুষের ব্যক্তিজীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। এসব আচার অনুশীলনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনে একজন মানুষ নিরাপত্তাবোধ করে এবং মানসিক সান্ত্বনার সঞ্চার করে। এরূপ আচরণ মানুষকে যাবতীয় সমস্যা ও মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়। প্রতিটি ধর্মের সাধারণ বোধ ও বিশ্বাসের মধ্যে ইতিবাচকভাবে সত্য, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহনশীলতা, ধৈর্য, দান ইত্যাদি বিদ্যমান। এসব বিষয় অনুশীলনের মাধ্যমে সমাজে নীতিবোধ ও আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়। মিথ্যা, প্রতারণা, প্রবন্ধনা, সন্ত্রাস, হত্যা, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি বিষয় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ। তাই ধর্ম পালনকারী একজন ব্যক্তি সমাজে নিরাপত্তার প্রতীক। একইভাবে সামাজিক ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় ধর্মের ভূমিকা অত্যন্ত শক্তিশালী। ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি প্রতিপালনের মাধ্যমে একই ধর্মের অনুসারী লোকদের মধ্যে যোগাযোগ ও হৃদ্যতা বাড়ে, যা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মাহিনকে কলেজ থেকে প্রাচীন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মতবাদ লিখতে বলা হলে, সে তার বাবার কাছে এ বিষয়ে সাহায্য চায়। মাহিনের বাবা তাকে বলে, এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনব্যবস্থা যা মানুষের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনকে ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি আরও বলেন, 'মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য।'
ক
. কর্তৃত্ব কী?

উত্তর

প্রাতিষ্ঠানিক বা আইনগত ভিত্তি আছে, এরূপ বৈধ ক্ষমতা হলো কর্তৃত্ব
খ
শিক্ষার মানবিক কাজ সম্পর্কে ধারণা দাও

উত্তর

শিক্ষা মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক আচরণের উন্নতি ঘটায়। মানবশিশু নৈতিক বা মানবিক গুণাবলি ও মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায় না, এটি তাকে অর্জন করতে হয়। পরিবার, সমাজ তাকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শিক্ষা দেয়। শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো মূল্যবোধ ও নৈতিকতা শিক্ষার আনুষ্ঠানিক উপায়। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ তা লাভ করে থাকে।
গ
উদ্দীপক দ্বারা নির্দেশিত সামাজিক প্রতিষ্ঠানটি চিহ্নিত করে এর ৩ ভূমিকা লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রাচীন সামাজিক যে প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে তা হলো ধর্ম। মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মের প্রভাব অপরিসীম। ধর্ম একটি প্রাচীনতম সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যার অস্তিত্বের ইতিহাস রয়েছে মানবসভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে। এ কারণে ধর্মের শিথিলতা মানবসভ্যতাকে বহুলাংশে বিপন্ন করে তোলে। মানুষের ব্যক্তিগত ও। সামাজিক জীবনের এক বিরাট অংশজুড়ে আছে ধর্মের প্রভাব। ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার পাশাপাশি রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচারকার্যে শপথ গ্রহণের যে রীতি প্রচলিত আছে, তাতেও ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণের অস্তিত্ব দেখা যায়। মানুষের নিরাপত্তাবোধ ও মানসিক সান্ত্বনার সঞ্চার করে ধর্ম। সমাজে নীতিবোধ আদর্শের প্রতিষ্ঠা ব্যক্তিজীবনে তা অনুশীলনে উৎসাহিত করে ধর্ম। সামাজিক ঐক্য ও সংহতির বিকাশ ঘটায় এবং তা সংরক্ষণ করে ধর্ম। মানুষের প্রাত্যহিক জীবন ও কার্যাবলিকে প্রভাবিত করে ধর্ম। ধর্মীয় বন্ধন সামাজিক সংহতিকেও দৃঢ় করে। মানুষের জীবনের সকল ক্ষেত্রেই ধর্মের প্রভাব লক্ষণীয়।
ঘ
উদ্দীপকে সর্বশেষ লাইনের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর

উত্তর

উদ্দীপকের সর্বশেষ লাইনে বলা হয়েছে 'মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মের ভূমিকা অনস্বীকার্য'- এ বিষয়টি যথার্থ ও সঠিক। ধর্মবিশ্বাসী মানুষ অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাস একজন মানুষকে অনেকগুলো কাজ করতে উৎসাহিত করে আবার অনেক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলে। এজন্য ধর্ম মানুষের ব্যক্তিজীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। এসব আচার অনুশীলনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনে একজন মানুষ নিরাপত্তাবোধ করে এবং মানসিক সান্ত্বনার সঞ্চার করে। এরূপ আচরণ মানুষকে যাবতীয় সমস্যা ও মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়। প্রতিটি ধর্মের সাধারণ বোধ ও বিশ্বাসের মধ্যে ইতিবাচকভাবে সত্য, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহনশীলতা, ধৈর্য, দান ইত্যাদি বিদ্যমান। এসব বিষয় অনুশীলনের মাধ্যমে সমাজে নীতিবোধ ও আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়। মিথ্যা, প্রতারণা, প্রবন্ধনা, সন্ত্রাস, হত্যা, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি বিষয় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ। তাই ধর্ম পালনকারী একজন ব্যক্তি সমাজে নিরাপত্তার প্রতীক। একইভাবে সামাজিক ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় ধর্মের ভূমিকা অত্যন্ত শক্তিশালী। ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি প্রতিপালনের মাধ্যমে একই ধর্মের অনুসারী লোকদের মধ্যে যোগাযোগ ও হৃদ্যতা বাড়ে, যা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নুসাইবা নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে তার পিতার কাছে শুনেছে যে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম। রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের একটি মূল উপাদান। নুসাইবা জানতে পারে জনগণের কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য।
ক
রাষ্ট্র কী?

উত্তর

রাষ্ট্র হচ্ছে আইনের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে সংগঠিত একটি জনসমাজ।
খ
নুসাইবা কীভাবে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে তা উল্লেখ কর।

উত্তর

রাষ্ট্রের প্রত্যেক সদস্য এক একজন নাগরিক। রাষ্ট্রের প্রতি একজন নাগরিকের যে সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে সেগুলো সম্পাদনের মাধ্যমে ব্যক্তি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। নুসাইবা তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে
গ
সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের একটি অন্যতম উপাদান- ব্যাখ্যা কর

উত্তর

রাষ্ট্রের চারটি মৌলিক উপাদান হচ্ছে- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। উক্ত উপাদানগুলোর প্রত্যেকটিই গুরুত্ববহ হলেও সার্বভৌমত্ব অধিক গুরুত্বের দাবি রাখে। রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে অপরিহার্য উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব। সার্বভৌমত্ব না থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনসমষ্টি রাষ্ট্র গঠন করতে পারে না। এজন্য বলা হয় সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা যা অবিভাজ্য ও একক। সার্বভৌমত্ব দু প্রকারের হয়ে থাকে- অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব এবং বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব। অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব দ্বারা রাষ্ট্র তার অধীনস্থ সকল প্রতিষ্ঠানের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে এবং বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব দ্বারা রাষ্ট্র বহিঃশত্রুর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের একটি অন্যতম উপাদান। তবে একথা স্বীকৃত যেকোনো একটি উপাদানের একক উপস্থিতির মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজন চারটি উপাদানের প্রত্যেকটিই।
ঘ
জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য।" উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

জনগণের সার্বিক কল্যাণই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য"-উক্তিটি সর্বজনস্বীকৃত যথার্থ একটি উক্তি। জনগণের সার্বিক মঙ্গলার্থেই রাষ্ট্র তার কর্মকৌশল প্রয়োগ করে। সমাজবিজ্ঞানে রাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান। সভ্যতার বিকাশ ও শাসন ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলো রাষ্ট্র। রাষ্ট্র সমাজের একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে সমাজ সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে, লালিত-পালিত হয় এবং মৃত্যুবরণ করে। সমাজবিকাশের এক পর্যায়ে জীবন সম্পত্তি ও স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার নিম্নতম প্রাথমিক দায়িত্ব নিয়েই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। Max Weber বলেন, রাষ্ট্র হলো এমন একটি মানব সম্প্রদায় যা একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনগোষ্ঠী, সম্পদ ও সম্পত্তিকে একচেটিয়াভাবে ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রণ করার সর্বময় অধিকার লাভ করে। সমাজতাত্ত্বিকদের দৃষ্টিতে রাষ্ট্র সামাজিক নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্সি, যার কাজ আইন দ্বারা সম্পন্ন হয় এবং যার পেছনে থাকে মূলত দৈহিক শক্তি। মূলত রাষ্ট্র একটি বৃহৎ রাজনৈতিক, সামাজিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান যা নাগরিকদের সকল দিকের যথাযথ মূল্যায়ন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার বন্দোবস্তের জন্য পদক্ষেপ । গ্রহণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSociology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নুসাইবা নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে তার পিতার কাছে শুনেছে যে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম। রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের একটি মূল উপাদান। নুসাইবা জানতে পারে জনগণের কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য।
ক
রাষ্ট্র কী?

উত্তর

রাষ্ট্র হচ্ছে আইনের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে সংগঠিত একটি জনসমাজ।
খ
নুসাইবা কীভাবে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে তা উল্লেখ কর।

উত্তর

রাষ্ট্রের প্রত্যেক সদস্য এক একজন নাগরিক। রাষ্ট্রের প্রতি একজন নাগরিকের যে সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে সেগুলো সম্পাদনের মাধ্যমে ব্যক্তি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। নুসাইবা তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে
গ
সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের একটি অন্যতম উপাদান- ব্যাখ্যা কর

উত্তর

রাষ্ট্রের চারটি মৌলিক উপাদান হচ্ছে- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। উক্ত উপাদানগুলোর প্রত্যেকটিই গুরুত্ববহ হলেও সার্বভৌমত্ব অধিক গুরুত্বের দাবি রাখে। রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে অপরিহার্য উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব। সার্বভৌমত্ব না থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনসমষ্টি রাষ্ট্র গঠন করতে পারে না। এজন্য বলা হয় সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা যা অবিভাজ্য ও একক। সার্বভৌমত্ব দু প্রকারের হয়ে থাকে- অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব এবং বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব। অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব দ্বারা রাষ্ট্র তার অধীনস্থ সকল প্রতিষ্ঠানের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে এবং বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব দ্বারা রাষ্ট্র বহিঃশত্রুর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের একটি অন্যতম উপাদান। তবে একথা স্বীকৃত যেকোনো একটি উপাদানের একক উপস্থিতির মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজন চারটি উপাদানের প্রত্যেকটিই।
ঘ
জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য।" উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

জনগণের সার্বিক কল্যাণই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য"-উক্তিটি সর্বজনস্বীকৃত যথার্থ একটি উক্তি। জনগণের সার্বিক মঙ্গলার্থেই রাষ্ট্র তার কর্মকৌশল প্রয়োগ করে। সমাজবিজ্ঞানে রাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান। সভ্যতার বিকাশ ও শাসন ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলো রাষ্ট্র। রাষ্ট্র সমাজের একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে সমাজ সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে, লালিত-পালিত হয় এবং মৃত্যুবরণ করে। সমাজবিকাশের এক পর্যায়ে জীবন সম্পত্তি ও স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার নিম্নতম প্রাথমিক দায়িত্ব নিয়েই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। Max Weber বলেন, রাষ্ট্র হলো এমন একটি মানব সম্প্রদায় যা একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনগোষ্ঠী, সম্পদ ও সম্পত্তিকে একচেটিয়াভাবে ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রণ করার সর্বময় অধিকার লাভ করে। সমাজতাত্ত্বিকদের দৃষ্টিতে রাষ্ট্র সামাজিক নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্সি, যার কাজ আইন দ্বারা সম্পন্ন হয় এবং যার পেছনে থাকে মূলত দৈহিক শক্তি। মূলত রাষ্ট্র একটি বৃহৎ রাজনৈতিক, সামাজিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান যা নাগরিকদের সকল দিকের যথাযথ মূল্যায়ন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার বন্দোবস্তের জন্য পদক্ষেপ । গ্রহণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো