Chapter 4: সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা Social Work 2nd Paper

HSC Social Work 2nd Paper এর Chapter 4: সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪০৩

প্রশ্ন

Social Work 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSocial Work 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আব্দুল জলিল তিন সন্তানের জনক। বড় ছেলে চাকুরি করে এবং অন্য দুই ছেলে স্থানীয় কলেজে লেখাপড়া করে। কিছুদিন পূর্বে বড় ছেলের বিয়ে দেন। কিন্তু চাকুরি করার কারণে আব্দুল জলিল এর বড় ছেলে তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন এবং গ্রামে মা-বাবার জন্য টাকা পাঠান।

Chittagong · 2017

ক
ইংরেজি "Family" শব্দটি কোন শব্দ থেকে গৃহীত হয়েছে?

উত্তর

ইংরেজি "Family" শব্দটি ল্যাটিন "Famulus" শব্দ থেকে গৃহীত হয়েছে।
খ
বিবাহ কাকে বলে?

উত্তর

বিবাহ হলো প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারী ও পুরুষ একত্রে বসবাস করার সামাজিক স্বীকৃতি, যা সংশ্লিষ্ট সমাজ বা দেশের প্রচলিত রীতি-নীতি ও আইন দ্বারা স্বীকৃত। পরিবার গঠনের বৈধ উপায় হলো বিবাহ। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষের মধ্যে একটি স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মূলত বিবাহ মানব সমাজের একটি সর্বজনীন রীতি। এর মাধ্যমে একজন নারী-পুরুষের মধ্যে বৈধ যৌন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। এককথায় বলা যায়, বিবাহ হলো নারী-পুরুষের সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের এবং সন্তান জন্মদান ও লালন- পালনের স্থায়ী ব্যবস্থা, যা সমাজ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
গ
উদ্দীপকে আব্দুল জলিলের বড় ছেলের পরিবারটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আব্দুল জলিলের বড় ছেলের পরিবারটি আকারের ভিত্তিতে অণু পরিবার। আকারের ভিত্তিতে পরিবার তিন প্রকার। যথা: অণু পরিবার, বর্ধিত পরিবার ও যৌথ পরিবার। শাব্দিক অর্থে অণু পরিবার অর্থ ছোট পরিবার। এ ধরনের পরিবার স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের সন্তান সন্ততি নিয়ে গঠিত হয়। অণু পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৩ বা ৪ এর বেশি হয় না। আব্দুল জলিলের বড় ছেলে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। অর্থাৎ গ্রাম থেকে শহরে এসে তারা নতুন করে সংসার জীবন শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারটি বড় একটি পরিবারের অংশ থেকে ছোট পরিবারে রূপান্তরিত হয়েছে। তাদের পরিবার স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ মাত্র দুজন সদস্য নিয়েই গঠিত। তাদের কোনো সন্তান-সন্ততিও এখনো হয়নি। সুতরাং তাদের পরিবার নিঃসন্দেহে একটি অণু পরিবার। কিছু দিন পূর্বেও আব্দুল জলিল তার বাবা-মা ও ভাইদের সাথে বর্ধিত পরিবারে বসবাস করতেন, কিন্তু চাকরির সুবাদে তিনি শহরবাসী হয়েছেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে একক ও অণু পরিবার গড়ে তুলেছেন। এক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় উল্লেখ যে, স্বামী-স্ত্রী সংখ্যার ভিত্তিতে আব্দুল জলিলের পরিবারটি এক বিবাহ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ
বাংলাদেশে উক্ত পরিবারের গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর

প্রশ্নে উল্লিখিত পরিবার তথা অণু পরিবারের গুরুত্ব বাংলাদেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমাজকাঠামো ও মানুষের জীবনব্যবস্থায় পরিবর্তন একটি অবশ্যম্ভাবী বিষয়। প্রাচীনযুগের সমাজব্যবস্থা যেরূপ ছিল এখন আর সেরকম নেই। এই পরিবর্তন ঘটেছে সমাজকাঠামোর প্রতিটি স্তরেই। ফলে সময়ের প্রবাহমানতায় পরিবর্তন এসেছে পরিবারের কাঠামোতেও। এক সময়ের যৌথ পরিবারের স্থলে এখন অণু বা একক পরিবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় পরিবারের ধারণাটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি সবাইকে নিয়ে একসাথে বসবাসের রীতি আমাদের সমাজে এক সময় ব্যাপকভাবে দৃষ্টিগোচর হতো। তবে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে বর্তমানে অণু বা একক পরিবার গঠনের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। অণু পরিবারের সুবিধা হলো এই পরিবার কাঠামোতে সন্তান-সন্ততির জন্য সহজেই সব ধরনের মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। পরিবারের আকার ছোট হওয়ায় সন্তানের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য, মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, সুন্দর পোশাক প্রভৃতির ব্যবস্থা করা যায়। এ কারণে দিন দিন অণু পরিবার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে এ কথাও সত্য যে, পূর্বের মতো পারিবারিক সংযোগ বা অনুভূতির আদান-প্রদান এবং বৈচিত্র্য অণু পরিবারে অনেকাংশেই অনুপস্থিত। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, অণু বা একক পরিবারের উৎপত্তি বর্তমান সময়ের এবং একে উপযোগিতাসম্পন্ন করে তোলার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আব্দুল জলিল তিন সন্তানের জনক। বড় ছেলে চাকুরি করে এবং অন্য দুই ছেলে স্থানীয় কলেজে লেখাপড়া করে। কিছুদিন পূর্বে বড় ছেলের বিয়ে দেন। কিন্তু চাকুরি করার কারণে আব্দুল জলিল এর বড় ছেলে তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন এবং গ্রামে মা-বাবার জন্য টাকা পাঠান।

Chittagong · 2017

ক
ইংরেজি "Family" শব্দটি কোন শব্দ থেকে গৃহীত হয়েছে?

উত্তর

ইংরেজি "Family" শব্দটি ল্যাটিন "Famulus" শব্দ থেকে গৃহীত হয়েছে।
খ
বিবাহ কাকে বলে?

উত্তর

বিবাহ হলো প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারী ও পুরুষ একত্রে বসবাস করার সামাজিক স্বীকৃতি, যা সংশ্লিষ্ট সমাজ বা দেশের প্রচলিত রীতি-নীতি ও আইন দ্বারা স্বীকৃত। পরিবার গঠনের বৈধ উপায় হলো বিবাহ। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষের মধ্যে একটি স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মূলত বিবাহ মানব সমাজের একটি সর্বজনীন রীতি। এর মাধ্যমে একজন নারী-পুরুষের মধ্যে বৈধ যৌন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। এককথায় বলা যায়, বিবাহ হলো নারী-পুরুষের সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের এবং সন্তান জন্মদান ও লালন- পালনের স্থায়ী ব্যবস্থা, যা সমাজ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
গ
উদ্দীপকে আব্দুল জলিলের বড় ছেলের পরিবারটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আব্দুল জলিলের বড় ছেলের পরিবারটি আকারের ভিত্তিতে অণু পরিবার। আকারের ভিত্তিতে পরিবার তিন প্রকার। যথা: অণু পরিবার, বর্ধিত পরিবার ও যৌথ পরিবার। শাব্দিক অর্থে অণু পরিবার অর্থ ছোট পরিবার। এ ধরনের পরিবার স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের সন্তান সন্ততি নিয়ে গঠিত হয়। অণু পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৩ বা ৪ এর বেশি হয় না। আব্দুল জলিলের বড় ছেলে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। অর্থাৎ গ্রাম থেকে শহরে এসে তারা নতুন করে সংসার জীবন শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারটি বড় একটি পরিবারের অংশ থেকে ছোট পরিবারে রূপান্তরিত হয়েছে। তাদের পরিবার স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ মাত্র দুজন সদস্য নিয়েই গঠিত। তাদের কোনো সন্তান-সন্ততিও এখনো হয়নি। সুতরাং তাদের পরিবার নিঃসন্দেহে একটি অণু পরিবার। কিছু দিন পূর্বেও আব্দুল জলিল তার বাবা-মা ও ভাইদের সাথে বর্ধিত পরিবারে বসবাস করতেন, কিন্তু চাকরির সুবাদে তিনি শহরবাসী হয়েছেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে একক ও অণু পরিবার গড়ে তুলেছেন। এক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় উল্লেখ যে, স্বামী-স্ত্রী সংখ্যার ভিত্তিতে আব্দুল জলিলের পরিবারটি এক বিবাহ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ
বাংলাদেশে উক্ত পরিবারের গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর

প্রশ্নে উল্লিখিত পরিবার তথা অণু পরিবারের গুরুত্ব বাংলাদেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমাজকাঠামো ও মানুষের জীবনব্যবস্থায় পরিবর্তন একটি অবশ্যম্ভাবী বিষয়। প্রাচীনযুগের সমাজব্যবস্থা যেরূপ ছিল এখন আর সেরকম নেই। এই পরিবর্তন ঘটেছে সমাজকাঠামোর প্রতিটি স্তরেই। ফলে সময়ের প্রবাহমানতায় পরিবর্তন এসেছে পরিবারের কাঠামোতেও। এক সময়ের যৌথ পরিবারের স্থলে এখন অণু বা একক পরিবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় পরিবারের ধারণাটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি সবাইকে নিয়ে একসাথে বসবাসের রীতি আমাদের সমাজে এক সময় ব্যাপকভাবে দৃষ্টিগোচর হতো। তবে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে বর্তমানে অণু বা একক পরিবার গঠনের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। অণু পরিবারের সুবিধা হলো এই পরিবার কাঠামোতে সন্তান-সন্ততির জন্য সহজেই সব ধরনের মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। পরিবারের আকার ছোট হওয়ায় সন্তানের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য, মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, সুন্দর পোশাক প্রভৃতির ব্যবস্থা করা যায়। এ কারণে দিন দিন অণু পরিবার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে এ কথাও সত্য যে, পূর্বের মতো পারিবারিক সংযোগ বা অনুভূতির আদান-প্রদান এবং বৈচিত্র্য অণু পরিবারে অনেকাংশেই অনুপস্থিত। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, অণু বা একক পরিবারের উৎপত্তি বর্তমান সময়ের এবং একে উপযোগিতাসম্পন্ন করে তোলার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিল্পবিপ্লবের পর স্বামী-স্ত্রীর কর্মব্যস্ততার কারণে পারিবারিক বন্ধন অনেক শিথিল হয়ে পড়ছে। শিশুদের বাবা-মা একদম সময় দিতে পারে না বলে শিশুদের মাঝে অসংযত আচরণ, কুপ্রবৃত্তি ও অমানবিক আচরণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকাল শিশুরা টিভির ধর্মীয় বা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখতে পছন্দ করে না, বরং তারা বিদেশি চ্যানেল, ফেসবুক, ইন্টারনেট, মোবাইল ও চ্যাট করতে পছন্দ করে। বাবা-মার অনুপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণেই কিশোর অপরাধ ও কিশোর মাদকসেবীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।

Dhaka · 2017

ক
"প্রতিষ্ঠান হল সেসব প্রতিষ্ঠিত কর্মপদ্ধতি, যেগুলোর মাধ্যমে গোষ্ঠীর কার্যকলাপের বৈশিষ্ট্য সূচিত হয়।"- কে বলেছেন?

উত্তর

"প্রতিষ্ঠান হলো সেসব প্রতিষ্ঠিত কর্মপদ্ধতি, যেগুলোর মাধ্যমে গোষ্ঠীর কার্যকলাপের বৈশিষ্ট্য সূচিত হয়।" উক্তিটি করেছেন সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার এবং পেজ।
খ
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলতে কী বোঝ?

উত্তর

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলতে ঐ সকল সংস্থাকে বোঝায়, যারা দেশের বিদ্যমান আইনসমূহ নাগরিকদের কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে থাকে। আইন প্রয়োগ ধারণাটি পুরনো এবং ব্যাপক। যারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আইনের প্রতি অনুগত, যারা সমাজের নিয়ম ও আদর্শ ভঙ্গকারীদের খুঁজে বের করে এবং শাস্তি প্রদান করে তাদেরকে আইনের প্রয়োগকারী সংস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রকৃতপক্ষে যেসব সংস্থা কর্তৃক আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা বিধানে প্রয়োগ করা হয়, তাদেরকেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলা হয়।
গ
অনুচ্ছেদে শিশুদের উল্লিখিত আচরণ নিয়ন্ত্রণে কোন প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অনুচ্ছেদে শিশুদের উল্লিখিত কুপ্রবৃত্তি, অসংযত ও অমানবিক আচরণ নিয়ন্ত্রণে অন্যতম সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিবার ব্যর্থ হয়েছে। জন্মের পর একটি শিশু পরিবারেই বেড়ে ওঠে। এক্ষেত্রে শিশুদের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু বিকাশে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য। পরিবারই হলো শিশুর জন্য প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর মা-বাবা শিশুকে সামাজিক নিয়ম ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার জন্য দায়বদ্ধ। কিন্তু বর্তমান সময়ে পরিবার তার দায়িত্ব পালনে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। উদ্দীপকে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কিছু নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করা হয়েছে। তারা টিভিতে ধর্মীয় বা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখতে পছন্দ করে না, বরং তারা বিদেশি চ্যানেল, ফেসবুক, মোবাইল প্রভৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকে। এর ফলে তাদের চারিত্রিক গঠন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না এবং তারা নানা ধরনের কিশোর অপরাধ ও মাদকাসক্তির জালে জড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব পরিবারের। পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে বাবা-মায়ের স্নেহ-ভালোবাসা তাদের সুষ্ঠু সামাজিকীকরণের জন্য অপরিহার্য। প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত সন্তানদেরকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া, তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। কিন্তু বর্তমানে অর্থের পেছনে ছুটতে গিয়ে অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানদের ঠিকমতো দেখাশোনা করতে পারছেন না। আর বাবা-মায়ের অনুপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে শিশুরা বিপথে গমন করছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার কারণ পরিবারের ব্যর্থতা।
ঘ
উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? সুপারিশ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত কিশোর অপরাধ ও মাদকাসক্তির সমস্যার সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তি গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারে। যেকোনো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ সচেতন হলে সম্মিলিতভাবে যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। আর বর্তমানে জনসচেতনতা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো আধুনিক প্রযুক্তি। বিশেষ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম, যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতি এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। উদ্দীপকে দেখা যায়, কিশোর-কিশোরীদের অপরাধী হয়ে ওঠার পেছনে আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। এ সমস্যা সমাধানে পরিবারকে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ছেলেমেয়েরা টেলিভিশনে কী দেখছে, কোন ধরনের চ্যানেল দেখছে, ফেসবুকে কী করছে সব কিছু পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবে বর্তমানে এ সকল গণমাধ্যম থেকে তাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এজন্য এসব গণমাধ্যমে তারা যেন শিক্ষণীয় বিষয়গুলো জানতে পারে সেজন্য তাদেরকে সতর্ক হতে হবে। এগুলো ব্যবহার করেই বড় আকারে গণসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যবহার করে কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। সর্বোপরি আধুনিক প্রযুক্তিকে সচেতনতা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার মতো বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিল্পবিপ্লবের পর স্বামী-স্ত্রীর কর্মব্যস্ততার কারণে পারিবারিক বন্ধন অনেক শিথিল হয়ে পড়ছে। শিশুদের বাবা-মা একদম সময় দিতে পারে না বলে শিশুদের মাঝে অসংযত আচরণ, কুপ্রবৃত্তি ও অমানবিক আচরণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকাল শিশুরা টিভির ধর্মীয় বা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখতে পছন্দ করে না, বরং তারা বিদেশি চ্যানেল, ফেসবুক, ইন্টারনেট, মোবাইল ও চ্যাট করতে পছন্দ করে। বাবা-মার অনুপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণেই কিশোর অপরাধ ও কিশোর মাদকসেবীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।

Dhaka · 2017

ক
"প্রতিষ্ঠান হল সেসব প্রতিষ্ঠিত কর্মপদ্ধতি, যেগুলোর মাধ্যমে গোষ্ঠীর কার্যকলাপের বৈশিষ্ট্য সূচিত হয়।"- কে বলেছেন?

উত্তর

"প্রতিষ্ঠান হলো সেসব প্রতিষ্ঠিত কর্মপদ্ধতি, যেগুলোর মাধ্যমে গোষ্ঠীর কার্যকলাপের বৈশিষ্ট্য সূচিত হয়।" উক্তিটি করেছেন সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার এবং পেজ।
খ
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলতে কী বোঝ?

উত্তর

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলতে ঐ সকল সংস্থাকে বোঝায়, যারা দেশের বিদ্যমান আইনসমূহ নাগরিকদের কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে থাকে। আইন প্রয়োগ ধারণাটি পুরনো এবং ব্যাপক। যারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আইনের প্রতি অনুগত, যারা সমাজের নিয়ম ও আদর্শ ভঙ্গকারীদের খুঁজে বের করে এবং শাস্তি প্রদান করে তাদেরকে আইনের প্রয়োগকারী সংস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রকৃতপক্ষে যেসব সংস্থা কর্তৃক আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা বিধানে প্রয়োগ করা হয়, তাদেরকেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলা হয়।
গ
অনুচ্ছেদে শিশুদের উল্লিখিত আচরণ নিয়ন্ত্রণে কোন প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অনুচ্ছেদে শিশুদের উল্লিখিত কুপ্রবৃত্তি, অসংযত ও অমানবিক আচরণ নিয়ন্ত্রণে অন্যতম সামাজিক প্রতিষ্ঠান পরিবার ব্যর্থ হয়েছে। জন্মের পর একটি শিশু পরিবারেই বেড়ে ওঠে। এক্ষেত্রে শিশুদের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু বিকাশে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য। পরিবারই হলো শিশুর জন্য প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর মা-বাবা শিশুকে সামাজিক নিয়ম ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার জন্য দায়বদ্ধ। কিন্তু বর্তমান সময়ে পরিবার তার দায়িত্ব পালনে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। উদ্দীপকে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের কিছু নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করা হয়েছে। তারা টিভিতে ধর্মীয় বা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখতে পছন্দ করে না, বরং তারা বিদেশি চ্যানেল, ফেসবুক, মোবাইল প্রভৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকে। এর ফলে তাদের চারিত্রিক গঠন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না এবং তারা নানা ধরনের কিশোর অপরাধ ও মাদকাসক্তির জালে জড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব পরিবারের। পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে বাবা-মায়ের স্নেহ-ভালোবাসা তাদের সুষ্ঠু সামাজিকীকরণের জন্য অপরিহার্য। প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত সন্তানদেরকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া, তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। কিন্তু বর্তমানে অর্থের পেছনে ছুটতে গিয়ে অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানদের ঠিকমতো দেখাশোনা করতে পারছেন না। আর বাবা-মায়ের অনুপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে শিশুরা বিপথে গমন করছে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার কারণ পরিবারের ব্যর্থতা।
ঘ
উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? সুপারিশ দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত কিশোর অপরাধ ও মাদকাসক্তির সমস্যার সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তি গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারে। যেকোনো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ সচেতন হলে সম্মিলিতভাবে যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করতে পারে। আর বর্তমানে জনসচেতনতা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো আধুনিক প্রযুক্তি। বিশেষ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম, যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতি এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। উদ্দীপকে দেখা যায়, কিশোর-কিশোরীদের অপরাধী হয়ে ওঠার পেছনে আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। এ সমস্যা সমাধানে পরিবারকে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ছেলেমেয়েরা টেলিভিশনে কী দেখছে, কোন ধরনের চ্যানেল দেখছে, ফেসবুকে কী করছে সব কিছু পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবে বর্তমানে এ সকল গণমাধ্যম থেকে তাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এজন্য এসব গণমাধ্যমে তারা যেন শিক্ষণীয় বিষয়গুলো জানতে পারে সেজন্য তাদেরকে সতর্ক হতে হবে। এগুলো ব্যবহার করেই বড় আকারে গণসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যবহার করে কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। সর্বোপরি আধুনিক প্রযুক্তিকে সচেতনতা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার মতো বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গণমাধ্যম বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের এক পর্যায়ে শিক্ষক গণমাধ্যম বিষয়ক আলোচনা করেন। গণমাধ্যম জনগণের নিকট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তথ্য সরবরাহ করে। জনগণ সরাসরি তা দেখতে, শুনতে ও পড়তে পারেন। তিনি কিছু গণমাধ্যমের উদাহরণ দেন। যেমন- রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ইত্যাদি। এসব মাধ্যমসমূহ জনমত গঠনে সহায়তা করে।

Rajshahi · 2018

ক
"ধর্ম হলো অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস"- এটি কার উক্তি?

উত্তর

"ধর্ম হলো অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস" উক্তিটি ইংরেজ নৃ-বিজ্ঞানী Sir Edward Burnett Tylor-এর।
খ
উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত কী? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

দেশের সর্বোচ্চ স্তরে যে আদালত বিদ্যমান তাকে উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট বলে। এ আদালত মধ্যম স্তরের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ও বিচার করে। জনগণ মৌলিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে এই আদালতে রিট জারি করতে পারে। অন্যদিকে নিম্ন আদালত মূলত দৈনন্দিন জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের বিচার কাজ পরিচালনা করে। এটি আবার দুই রকম হয়, যেমন- ফৌজদারি আদালত ও দেওয়ানি আদালত। ফৌজদারি আদালতে হত্যা, খুন, ডাকাতি, ইত্যাদি বিবাদের বিচার হয়। অন্যদিকে দেওয়ানি আদালত নাগরিক অধিকার ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের বিচার করে।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমের প্রকারভেদ উল্লেখপূর্বক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। বর্তমানে ঘরে বসে যেকোনো বিষয়ে তথ্য জানা যায়। বিভিন্নভাবে আমাদের কাছে এসব তথ্য উপস্থাপিত হয়। কোনো মাধ্যমে তথ্যচিত্র দেখা যায়, কোনোটিতে শোনা যায়, আবার কোনো কোনো মাধ্যমে শোনা ও দেখার কাজ একসাথে করা যায়। এজন্য গণমাধ্যমের অনেকগুলো প্রকারভেদ পাওয়া যায়। তবে সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যম দুই রকম। সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমকে যে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় তার একটি হলো প্রিন্ট মিডিয়া। আর অন্যটি হলো ইলেকট্রনিক মিডিয়া। প্রিন্ট মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে- সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, বিভিন্ন প্রকার বই, প্রচারপত্র, বিলবোর্ড, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে- টেলিভিশন ও বেতার। এছাড়া আধুনিক গণমাধ্যম দৈনন্দিন জীবনে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে। আধুনিক গণমাধ্যমের মধ্যে রয়েছে- অনলাইন পোর্টাল, বিভিন্ন ওয়েব পেজ, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব ইত্যাদি।
ঘ
উদ্দীপকে বিবৃত উদাহরণসমূহ কী প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে সহায়তা করে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত গণমাধ্যমের ক্ষেত্রগুলো নানারকম তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জনমত গঠন করে। সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ, গঠনমূলক কোনো কাজ পরিচালনা বা ইতিবাচক যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে জনমত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গণমাধ্যম বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে সহায়তা করে। উদ্দীপকের উদাহরণে গণমাধ্যমের চারটি ক্ষেত্রের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র ও সঙ্গীতের কথা বলা হয়েছে। এগুলো বর্তমানে শীর্ষস্থানীয়, গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় গণমাধ্যম। টেলিভিশন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় গণমাধ্যম। বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে টেলিভিশন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। নানারকম অপরাধমূলক কার্যকলাপের সচিত্র প্রতিবেদন, অনুসন্ধানমূলক তথ্য উপস্থাপনে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। এসব সংবাদ প্রচারের কারণে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, যা সমস্যা সমাধানে সহায়ক হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইটিভি (ETV)-এর 'একুশের চোখ', ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের 'তালাশ', যমুনা টেলিভিশনের '৩৬০" প্রভৃতি অনুষ্ঠানের কথা বলা যায়। এসব অনুষ্ঠানে সমাজের নানা রকম অসঙ্গতি বা সমস্যা তুলে ধরে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বেতার গণমাধ্যম হিসেবে নানা ধরনের তথ্যমূলক সংবাদ, যাত্রা, নাটক, আলোচনা, বক্তৃতা প্রচার করে যা শ্রোতাদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে। এছাড়া সামাজিক, পারিবারিক, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়। বিশেষ করে সমাজ সচেতনতামূলক যেসব চলচ্চিত্র তৈরি হয় সেগুলো সাধারণ জনগণকে মহৎ চিন্তা ও কাজে উৎসাহী করে এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। সঙ্গীতের মাধ্যমেও সমাজের নানা অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়; যা সমাজের জনগণকে সচেতন করে তোলে। এভাবে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমগুলো জনমত গঠনে সহায়তা করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গণমাধ্যম বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের এক পর্যায়ে শিক্ষক গণমাধ্যম বিষয়ক আলোচনা করেন। গণমাধ্যম জনগণের নিকট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তথ্য সরবরাহ করে। জনগণ সরাসরি তা দেখতে, শুনতে ও পড়তে পারেন। তিনি কিছু গণমাধ্যমের উদাহরণ দেন। যেমন- রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ইত্যাদি। এসব মাধ্যমসমূহ জনমত গঠনে সহায়তা করে।

Rajshahi · 2018

ক
"ধর্ম হলো অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস"- এটি কার উক্তি?

উত্তর

"ধর্ম হলো অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস" উক্তিটি ইংরেজ নৃ-বিজ্ঞানী Sir Edward Burnett Tylor-এর।
খ
উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত কী? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

দেশের সর্বোচ্চ স্তরে যে আদালত বিদ্যমান তাকে উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট বলে। এ আদালত মধ্যম স্তরের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ও বিচার করে। জনগণ মৌলিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে এই আদালতে রিট জারি করতে পারে। অন্যদিকে নিম্ন আদালত মূলত দৈনন্দিন জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের বিচার কাজ পরিচালনা করে। এটি আবার দুই রকম হয়, যেমন- ফৌজদারি আদালত ও দেওয়ানি আদালত। ফৌজদারি আদালতে হত্যা, খুন, ডাকাতি, ইত্যাদি বিবাদের বিচার হয়। অন্যদিকে দেওয়ানি আদালত নাগরিক অধিকার ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের বিচার করে।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমের প্রকারভেদ উল্লেখপূর্বক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। বর্তমানে ঘরে বসে যেকোনো বিষয়ে তথ্য জানা যায়। বিভিন্নভাবে আমাদের কাছে এসব তথ্য উপস্থাপিত হয়। কোনো মাধ্যমে তথ্যচিত্র দেখা যায়, কোনোটিতে শোনা যায়, আবার কোনো কোনো মাধ্যমে শোনা ও দেখার কাজ একসাথে করা যায়। এজন্য গণমাধ্যমের অনেকগুলো প্রকারভেদ পাওয়া যায়। তবে সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যম দুই রকম। সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমকে যে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় তার একটি হলো প্রিন্ট মিডিয়া। আর অন্যটি হলো ইলেকট্রনিক মিডিয়া। প্রিন্ট মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে- সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, বিভিন্ন প্রকার বই, প্রচারপত্র, বিলবোর্ড, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে- টেলিভিশন ও বেতার। এছাড়া আধুনিক গণমাধ্যম দৈনন্দিন জীবনে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে। আধুনিক গণমাধ্যমের মধ্যে রয়েছে- অনলাইন পোর্টাল, বিভিন্ন ওয়েব পেজ, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব ইত্যাদি।
ঘ
উদ্দীপকে বিবৃত উদাহরণসমূহ কী প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে সহায়তা করে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত গণমাধ্যমের ক্ষেত্রগুলো নানারকম তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জনমত গঠন করে। সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ, গঠনমূলক কোনো কাজ পরিচালনা বা ইতিবাচক যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে জনমত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গণমাধ্যম বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় জনমত গঠনে সহায়তা করে। উদ্দীপকের উদাহরণে গণমাধ্যমের চারটি ক্ষেত্রের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র ও সঙ্গীতের কথা বলা হয়েছে। এগুলো বর্তমানে শীর্ষস্থানীয়, গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় গণমাধ্যম। টেলিভিশন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় গণমাধ্যম। বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে টেলিভিশন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। নানারকম অপরাধমূলক কার্যকলাপের সচিত্র প্রতিবেদন, অনুসন্ধানমূলক তথ্য উপস্থাপনে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। এসব সংবাদ প্রচারের কারণে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, যা সমস্যা সমাধানে সহায়ক হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইটিভি (ETV)-এর 'একুশের চোখ', ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের 'তালাশ', যমুনা টেলিভিশনের '৩৬০" প্রভৃতি অনুষ্ঠানের কথা বলা যায়। এসব অনুষ্ঠানে সমাজের নানা রকম অসঙ্গতি বা সমস্যা তুলে ধরে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বেতার গণমাধ্যম হিসেবে নানা ধরনের তথ্যমূলক সংবাদ, যাত্রা, নাটক, আলোচনা, বক্তৃতা প্রচার করে যা শ্রোতাদের মধ্যে এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে। এছাড়া সামাজিক, পারিবারিক, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়। বিশেষ করে সমাজ সচেতনতামূলক যেসব চলচ্চিত্র তৈরি হয় সেগুলো সাধারণ জনগণকে মহৎ চিন্তা ও কাজে উৎসাহী করে এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। সঙ্গীতের মাধ্যমেও সমাজের নানা অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়; যা সমাজের জনগণকে সচেতন করে তোলে। এভাবে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গণমাধ্যমগুলো জনমত গঠনে সহায়তা করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো