Chapter 8: সমাজকর্ম পেশার সমস্যা ও সম্ভাবনা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Social Work 1st Paper

HSC Social Work 1st Paper এর Chapter 8: সমাজকর্ম পেশার সমস্যা ও সম্ভাবনা (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩২০

প্রশ্ন

Social Work 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সীমান্তের জীবনের লক্ষ্য সমাজ উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত করা। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে তিনি বিষয় নির্বাচনে ভুল করেননি। তিনি সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন। নিজ এলাকার হতদরিদ্রের উন্নয়ন করতে সীমান্ত বন্ধপরিকর। এ এলাকার উন্নয়ন প্রতিবন্ধকতার মূলে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নারী উন্নয়ন- এ কথা তিনি ভালোভাবে উপলব্ধি করেছেন। পাস করে ফিরে এলেন গ্রামে।। অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে চান। সমাজকর্ম পেশার জ্ঞান অনুশীলনের সম্ভাব্য ক্ষেত্র খুঁজে বের করলেন। কাজ শুরু করলেন। এবং পদে পদে নানামুখী বাধার সম্মুখীন হলেন।
ক
সমাজকর্ম পেশা অনুশীলনের একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র চিহ্নিত কর

উত্তর

সমাজকর্ম পেশা অনুশীলনের একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণ এবং আত্মকর্মসংস্থান কার্যক্রম।
খ
সমাজকর্মের চিহ্নিত ক্ষেত্রটি কেন এদেশের সমাজকর্ম অনুশীলনের জন্য সম্ভাবনাময় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ক্ষুদ্রঋণ এবং আত্মকর্মসংস্থান ক্ষেত্রটি এদেশের সমাজকর্ম অনুশীলনের জন্য সম্ভাবনাময় সমাজকর্ম। আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা অর্থনৈতিক কোনো কাজে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। সেক্ষেত্রে তাদেরকে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। এতে করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুত ঘটানো সম্ভব হবে।
গ
সীমান্ত নিজ এলাকায় সমাজকর্ম পেশার জ্ঞান অনুশীলন করা যায় এমন কোন কোন ক্ষেত্র নির্বাচন করতে পারেন- ব্যাখ্যা কর

উত্তর

সীমান্ত নিজ এলাকায় সমাজকর্ম পেশার জ্ঞান অনুশীলন করার জন্য যেসব ক্ষেত্র নির্বাচন করতে পারেন নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. বিদ্যালয় সমাজকর্ম এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা, ঝরেপড়া প্রতিরোধ, উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করা, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা যেতে পারে। ২. চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সীমান্ত তার নিজ এলাকায় চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চালু করতে পারে। যেহেতু তার এলাকায় স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে তাই এ ক্ষেত্রটি সীমান্ত নির্বাচন করতে পারে। ৩. মহিলা প্রশিক্ষণ সীমান্তের এলাকায় নারী উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত রয়েছে। তাই নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। ৪. পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ: পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা গড়ে তোলা যেতে পারে। এটি সীমান্তের এলাকায় নারী উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে। ৫. স্থানীয় সমাজ উন্নয়নে উদ্বুদ্ধকরণ: সীমান্ত তার সমাজকর্ম অনুশীলনের জন্য তার এলাকার সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্যে এলাকার সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
ঘ
সমাজকর্ম অনুশীলনে সীমান্ত যেসব বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এবং এ বাধাসমূহ দূরীকরণে আর কী কী পদক্ষেপ নিতে পারত তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সমাজকর্ম অনুশীলনে সীমান্ত যেসব বাধার সম্মুখীন হয়েছেন, সেই বাধাসমূহ দূরীকরণে তিনি যেসব পদক্ষেপ নিতে পারতেন সেগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- ১. পেশাগত সংগঠনের অভাব: সীমান্ত পেশাগত সংগঠনের অভাবে তার সমাজকর্ম অনুশীলনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। সেক্ষেত্রে তার প্রথমেই একটি পেশাগত সংগঠন গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগী হতে পারতেন। ২. সমাজকর্মের পেশাগত স্বীকৃতির অভাব সমাজকর্ম পেশার পেশাগত স্বীকৃতি এখনও সরকারি বা সামাজিকভাবে গড়ে ওঠেনি। তাই সীমান্ত তার কাজে বাধা প্রাপ্ত হয়। সমাজের স্বীকৃতি পেলে সীমান্তের কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যেত। ৩. সমাজকর্ম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব: পেশা হিসেবে সমাজকর্ম জ্ঞান সাধারণ মানুষের খুব কম আছে। অজ্ঞ, নিরক্ষর, অসচেতন জনগোষ্ঠীকে সীমান্ত প্রথমে সমাজকর্ম সম্পর্কে জ্ঞানদান করতে পারতেন। ৪ সমাজকর্ম পেশার পত্রপত্রিকার অভাব বাংলাদেশে সমাজকর্ম পেশার পত্রপত্রিকা, বই ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এদেশে এসব পত্রিকা বই ছাপা হলে এবং তা সরবরাহ করা হলে এদেশের সাধারণ মানুষ সচেতন হতে পারত। এতে করে সমাজকর্মীদের কাজে বাধার সম্মুখীন হতে হতো না। ৫. সমাজকর্মের তাত্ত্বিক কাঠামোর অভাব: সমাজকর্মের স্বতন্ত্র বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বা স্বতন্ত্র তাত্ত্বিক কাঠামো নির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম প্রবর্তন ও অনুশীলনের অভাবে পেশা হিসেবে সমাজকর্মের বাস্তব অনুশীলনের ফল ও প্রভাব মূল্যায়ন করা যাচ্ছে না। এ সমস্যা দূর করতে পারলে সীমান্তের কাজের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হতে হতো না। ৬. বেসরকারি উদ্যোগের অভাব: বেসরকারি উদ্যোগ যদি পর্যাপ্ত থাকত তবে সীমান্তের এলাকার মতো কোনো এলাকায় সমস্যা থাকত না। বেসরকারিভাবে সমাজের ব্যক্তিবর্গকে উদ্যোগী করে নিলে সমাজকর্মীকে কাজে বাধার মুখে পড়তে হবে না। ৭. সামাজিক মূল্যবোধের অবস্থা দূরীকরণ: সামাজিক মূল্যবোধের অভাবে সমাজে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- শিক্ষার অভাব, অজ্ঞতা, কুসংস্কার, নারী উন্নয়নে বাধা ইত্যাদি। তাই সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে পারলে সীমান্তের কাজে সফলতা পেত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সীমান্তের জীবনের লক্ষ্য সমাজ উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত করা। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে তিনি বিষয় নির্বাচনে ভুল করেননি। তিনি সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন। নিজ এলাকার হতদরিদ্রের উন্নয়ন করতে সীমান্ত বন্ধপরিকর। এ এলাকার উন্নয়ন প্রতিবন্ধকতার মূলে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নারী উন্নয়ন- এ কথা তিনি ভালোভাবে উপলব্ধি করেছেন। পাস করে ফিরে এলেন গ্রামে।। অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে চান। সমাজকর্ম পেশার জ্ঞান অনুশীলনের সম্ভাব্য ক্ষেত্র খুঁজে বের করলেন। কাজ শুরু করলেন। এবং পদে পদে নানামুখী বাধার সম্মুখীন হলেন।
ক
সমাজকর্ম পেশা অনুশীলনের একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র চিহ্নিত কর

উত্তর

সমাজকর্ম পেশা অনুশীলনের একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণ এবং আত্মকর্মসংস্থান কার্যক্রম।
খ
সমাজকর্মের চিহ্নিত ক্ষেত্রটি কেন এদেশের সমাজকর্ম অনুশীলনের জন্য সম্ভাবনাময় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ক্ষুদ্রঋণ এবং আত্মকর্মসংস্থান ক্ষেত্রটি এদেশের সমাজকর্ম অনুশীলনের জন্য সম্ভাবনাময় সমাজকর্ম। আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা অর্থনৈতিক কোনো কাজে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। সেক্ষেত্রে তাদেরকে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। এতে করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুত ঘটানো সম্ভব হবে।
গ
সীমান্ত নিজ এলাকায় সমাজকর্ম পেশার জ্ঞান অনুশীলন করা যায় এমন কোন কোন ক্ষেত্র নির্বাচন করতে পারেন- ব্যাখ্যা কর

উত্তর

সীমান্ত নিজ এলাকায় সমাজকর্ম পেশার জ্ঞান অনুশীলন করার জন্য যেসব ক্ষেত্র নির্বাচন করতে পারেন নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. বিদ্যালয় সমাজকর্ম এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা, ঝরেপড়া প্রতিরোধ, উপস্থিতির হার বৃদ্ধি করা, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা যেতে পারে। ২. চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সীমান্ত তার নিজ এলাকায় চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চালু করতে পারে। যেহেতু তার এলাকায় স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে তাই এ ক্ষেত্রটি সীমান্ত নির্বাচন করতে পারে। ৩. মহিলা প্রশিক্ষণ সীমান্তের এলাকায় নারী উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত রয়েছে। তাই নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। ৪. পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ: পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা গড়ে তোলা যেতে পারে। এটি সীমান্তের এলাকায় নারী উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে। ৫. স্থানীয় সমাজ উন্নয়নে উদ্বুদ্ধকরণ: সীমান্ত তার সমাজকর্ম অনুশীলনের জন্য তার এলাকার সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্যে এলাকার সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
ঘ
সমাজকর্ম অনুশীলনে সীমান্ত যেসব বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এবং এ বাধাসমূহ দূরীকরণে আর কী কী পদক্ষেপ নিতে পারত তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সমাজকর্ম অনুশীলনে সীমান্ত যেসব বাধার সম্মুখীন হয়েছেন, সেই বাধাসমূহ দূরীকরণে তিনি যেসব পদক্ষেপ নিতে পারতেন সেগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- ১. পেশাগত সংগঠনের অভাব: সীমান্ত পেশাগত সংগঠনের অভাবে তার সমাজকর্ম অনুশীলনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। সেক্ষেত্রে তার প্রথমেই একটি পেশাগত সংগঠন গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগী হতে পারতেন। ২. সমাজকর্মের পেশাগত স্বীকৃতির অভাব সমাজকর্ম পেশার পেশাগত স্বীকৃতি এখনও সরকারি বা সামাজিকভাবে গড়ে ওঠেনি। তাই সীমান্ত তার কাজে বাধা প্রাপ্ত হয়। সমাজের স্বীকৃতি পেলে সীমান্তের কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যেত। ৩. সমাজকর্ম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব: পেশা হিসেবে সমাজকর্ম জ্ঞান সাধারণ মানুষের খুব কম আছে। অজ্ঞ, নিরক্ষর, অসচেতন জনগোষ্ঠীকে সীমান্ত প্রথমে সমাজকর্ম সম্পর্কে জ্ঞানদান করতে পারতেন। ৪ সমাজকর্ম পেশার পত্রপত্রিকার অভাব বাংলাদেশে সমাজকর্ম পেশার পত্রপত্রিকা, বই ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এদেশে এসব পত্রিকা বই ছাপা হলে এবং তা সরবরাহ করা হলে এদেশের সাধারণ মানুষ সচেতন হতে পারত। এতে করে সমাজকর্মীদের কাজে বাধার সম্মুখীন হতে হতো না। ৫. সমাজকর্মের তাত্ত্বিক কাঠামোর অভাব: সমাজকর্মের স্বতন্ত্র বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বা স্বতন্ত্র তাত্ত্বিক কাঠামো নির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম প্রবর্তন ও অনুশীলনের অভাবে পেশা হিসেবে সমাজকর্মের বাস্তব অনুশীলনের ফল ও প্রভাব মূল্যায়ন করা যাচ্ছে না। এ সমস্যা দূর করতে পারলে সীমান্তের কাজের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হতে হতো না। ৬. বেসরকারি উদ্যোগের অভাব: বেসরকারি উদ্যোগ যদি পর্যাপ্ত থাকত তবে সীমান্তের এলাকার মতো কোনো এলাকায় সমস্যা থাকত না। বেসরকারিভাবে সমাজের ব্যক্তিবর্গকে উদ্যোগী করে নিলে সমাজকর্মীকে কাজে বাধার মুখে পড়তে হবে না। ৭. সামাজিক মূল্যবোধের অবস্থা দূরীকরণ: সামাজিক মূল্যবোধের অভাবে সমাজে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- শিক্ষার অভাব, অজ্ঞতা, কুসংস্কার, নারী উন্নয়নে বাধা ইত্যাদি। তাই সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে পারলে সীমান্তের কাজে সফলতা পেত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মিনু একজন পেশাদার সমাজকর্মী। তার এলাকার দারিদ্র্য দূরীকরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া তার পঠিত বিষয়ের কোনো সংগঠন না থাকায় সে ভূমিকাও রাখতে পারছে না।
ক
ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষা চালু হয় কখন?

উত্তর

ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষা চালু হয় ১৯০৮ সালে।
খ
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা- বুঝিয়ে লেখ

উত্তর

বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জনসংখ্যা সমস্যা। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১১৪০ জন লোক বসবাস করে, যা উন্নত দেশের জনসংখ্যার ঘনত্বের চেয়ে অনেক বেশি। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে সমাজে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। জনসংখ্যা সমস্যা প্রতিরোধের প্রথম পদক্ষেপ হলো পরিকল্পিত পরিবার গঠন। পরিকল্পিত পরিবার গঠনের পরামর্শদান, পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নসহ অপরিকল্পিত পরিবারের ক্ষতিকর দিকগুলো চিহ্নিতকরণে সমাজকর্মী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মিনুর ক্ষেত্রে সমাজকর্মের কোন প্রতিবন্ধকতা ফুটে উঠেছে? দেখাও।

উত্তর

এই উদ্দীপকে উল্লিখিত মিনুর ক্ষেত্রে সমাজকর্মের পেশাগত সংগঠনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ফুটে উঠেছে। আমলারা হলেন দেশের সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষক। তারা সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকেন। আমলাদের দায়িত্বহীনতার কারণে যথাযথ কর্মসূচিও অনেক সময় ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় যেমনটি হয়েছে উদ্দীপকের মিনুর ক্ষেত্রে। পেশাগত সংগঠন যেকোনো পেশার মান উন্নয়ন, দক্ষতা অর্জন, স্বার্থ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের দেশে পেশাগত সংগঠন থাকলেও বর্তমানে এর কোনো তৎপরতা নেই। যার কারণে সমাজকর্মকে পেশার মর্যাদায় উন্নীত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন, সঠিক মূল্যায়ন ও বাস্তববাদী নির্দেশনা প্রভৃতির অভাব লক্ষ করা গেছে। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভুগতে হয়। তাই সমাজকর্ম পেশার বিকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। সমাজকর্ম পেশার বিকাশে অন্যতম সমস্যা হলো উক্ত পেশার মান বজায় রাখার কোনো অ্যাক্রিডিটেশন নেই। উপরিউক্ত আলোচনায় বোঝা যায় মিনুর ক্ষেত্রে সমাজকর্মের পেশাগত সংগঠনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকের সমস্যাটি বাংলাদেশে সমাজকর্মের পেশাদারি মর্যাদা না পাওয়ার একমাত্র কারণ নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সমাজকর্মের পেশাগত সংগঠনের অভাব সমস্যাটি ফুটে উঠেছে। উক্ত সমস্যাটি বাংলাদেশে সমাজকর্মের পেশাদারি মর্যাদা না পাওয়ার একমাত্র কারণ নয়, বরং আরও নানা কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের পেশাদার সমাজকর্মের সূচনা হয় ষাটের দশকে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বহির্বিশ্বে সমাজকর্ম পেশা হিসেবে আত্মপ্রকাশের ১০০ বছরেরও বেশি সময় এবং বাংলাদেশে আধুনিক সমাজকর্মের রীতিনীতি ও কৌশল প্রয়োগ শুরুর কাল থেকে ৫০ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও সমাজকর্ম এখনও এদেশে পেশাগত মর্যাদা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। এক্ষেত্রে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অর্থাগ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটই এদেশে সমাজকর্মের পেশাগত মর্যাদা অর্জনের পিছনে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। সরকারের পরিবর্তনশীল দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতি এবং সমাজকর্ম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সাথে সংশ্লিষ্ট নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের কার্যকর ভূমিকা পালনের ব্যর্থতাই সমাজকর্ম পেশার বিকাশের অন্যতম বাধা। আমাদের দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সমাজকর্মের সার্বিক বিকাশ সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো মিশ্র অর্থনীতি। মিশ্র অর্থনীতির প্রশাসনিক জটিলতা সমাজকর্ম পেশার বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। স্বীকৃতির অভাব বাংলাদেশের সমাজকর্ম পেশার বিকাশ না হওয়ার অন্যতম কারণ। আমাদের দেশের পেশাদার সমাজকর্মীদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্র নেই। সমাজকর্মের কর্মক্ষেত্রগুলোতে সকল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি প্রাপ্তদের জন্য উন্মুক্ত থাকার কারণে সমাজকর্মের মূল দর্শন এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। উপরিউক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, বিভিন্ন সমস্যার কারণে বাংলাদেশে সমাজকর্ম পেশার বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। যদিও। বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশে সমাজকর্ম পেশা হিসেবে মর্যাদা পায়নি; তবুও তা একটি গতিশীল পেশা। অদূর ভবিষ্যতে একদিন সমাজকর্ম পেশার। মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে তার বিকাশকে পূর্ণতা দান করবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মিনু একজন পেশাদার সমাজকর্মী। তার এলাকার দারিদ্র্য দূরীকরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া তার পঠিত বিষয়ের কোনো সংগঠন না থাকায় সে ভূমিকাও রাখতে পারছে না।
ক
ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষা চালু হয় কখন?

উত্তর

ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষা চালু হয় ১৯০৮ সালে।
খ
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা- বুঝিয়ে লেখ

উত্তর

বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জনসংখ্যা সমস্যা। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১১৪০ জন লোক বসবাস করে, যা উন্নত দেশের জনসংখ্যার ঘনত্বের চেয়ে অনেক বেশি। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে সমাজে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। জনসংখ্যা সমস্যা প্রতিরোধের প্রথম পদক্ষেপ হলো পরিকল্পিত পরিবার গঠন। পরিকল্পিত পরিবার গঠনের পরামর্শদান, পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নসহ অপরিকল্পিত পরিবারের ক্ষতিকর দিকগুলো চিহ্নিতকরণে সমাজকর্মী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মিনুর ক্ষেত্রে সমাজকর্মের কোন প্রতিবন্ধকতা ফুটে উঠেছে? দেখাও।

উত্তর

এই উদ্দীপকে উল্লিখিত মিনুর ক্ষেত্রে সমাজকর্মের পেশাগত সংগঠনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ফুটে উঠেছে। আমলারা হলেন দেশের সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষক। তারা সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকেন। আমলাদের দায়িত্বহীনতার কারণে যথাযথ কর্মসূচিও অনেক সময় ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় যেমনটি হয়েছে উদ্দীপকের মিনুর ক্ষেত্রে। পেশাগত সংগঠন যেকোনো পেশার মান উন্নয়ন, দক্ষতা অর্জন, স্বার্থ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের দেশে পেশাগত সংগঠন থাকলেও বর্তমানে এর কোনো তৎপরতা নেই। যার কারণে সমাজকর্মকে পেশার মর্যাদায় উন্নীত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন, সঠিক মূল্যায়ন ও বাস্তববাদী নির্দেশনা প্রভৃতির অভাব লক্ষ করা গেছে। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভুগতে হয়। তাই সমাজকর্ম পেশার বিকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। সমাজকর্ম পেশার বিকাশে অন্যতম সমস্যা হলো উক্ত পেশার মান বজায় রাখার কোনো অ্যাক্রিডিটেশন নেই। উপরিউক্ত আলোচনায় বোঝা যায় মিনুর ক্ষেত্রে সমাজকর্মের পেশাগত সংগঠনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকের সমস্যাটি বাংলাদেশে সমাজকর্মের পেশাদারি মর্যাদা না পাওয়ার একমাত্র কারণ নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে সমাজকর্মের পেশাগত সংগঠনের অভাব সমস্যাটি ফুটে উঠেছে। উক্ত সমস্যাটি বাংলাদেশে সমাজকর্মের পেশাদারি মর্যাদা না পাওয়ার একমাত্র কারণ নয়, বরং আরও নানা কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের পেশাদার সমাজকর্মের সূচনা হয় ষাটের দশকে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বহির্বিশ্বে সমাজকর্ম পেশা হিসেবে আত্মপ্রকাশের ১০০ বছরেরও বেশি সময় এবং বাংলাদেশে আধুনিক সমাজকর্মের রীতিনীতি ও কৌশল প্রয়োগ শুরুর কাল থেকে ৫০ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও সমাজকর্ম এখনও এদেশে পেশাগত মর্যাদা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। এক্ষেত্রে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অর্থাগ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটই এদেশে সমাজকর্মের পেশাগত মর্যাদা অর্জনের পিছনে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। সরকারের পরিবর্তনশীল দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতি এবং সমাজকর্ম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সাথে সংশ্লিষ্ট নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের কার্যকর ভূমিকা পালনের ব্যর্থতাই সমাজকর্ম পেশার বিকাশের অন্যতম বাধা। আমাদের দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সমাজকর্মের সার্বিক বিকাশ সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো মিশ্র অর্থনীতি। মিশ্র অর্থনীতির প্রশাসনিক জটিলতা সমাজকর্ম পেশার বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। স্বীকৃতির অভাব বাংলাদেশের সমাজকর্ম পেশার বিকাশ না হওয়ার অন্যতম কারণ। আমাদের দেশের পেশাদার সমাজকর্মীদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্র নেই। সমাজকর্মের কর্মক্ষেত্রগুলোতে সকল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি প্রাপ্তদের জন্য উন্মুক্ত থাকার কারণে সমাজকর্মের মূল দর্শন এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। উপরিউক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, বিভিন্ন সমস্যার কারণে বাংলাদেশে সমাজকর্ম পেশার বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। যদিও। বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশে সমাজকর্ম পেশা হিসেবে মর্যাদা পায়নি; তবুও তা একটি গতিশীল পেশা। অদূর ভবিষ্যতে একদিন সমাজকর্ম পেশার। মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে তার বিকাশকে পূর্ণতা দান করবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রায়হান সমাজকর্ম থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে উচ্চতর গবেষণার জন্য পাশ্চাতের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সে ভর্তি হয়। সে জানতে পারে, বিখ্যাত এ প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমেই সমাজকর্মের সূত্রপাত হয়েছিল এবং এ দেশটিতে বিংশ শতক থেকে সমাজকর্ম শিক্ষার প্রবর্তন ঘটেছিল।
ক
আধুনিক ও পেশাদার সমাজকর্মের উদ্ভব ও বিকাশ হয় কোথায়?

উত্তর

আধুনিক ও পেশাদার সমাজকর্মের উদ্ভব হয় ইংল্যান্ডে কিন্তু তা বিকশিত হয় আমেরিকায়।
খ
ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষার ভিত্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দান সংগঠন সমিতির দর্শনের ওপর ভিত্তি করে ইংল্যান্ডে বিশ শতকে সমাজকর্ম শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে। ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষা শুরু হয় ১৯০৮ সালে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর দান সংগঠন সমিতি (cos⁡)−\cos)-এর দর্শনের ওপর ভিত্তি করে Fabian Society এবং Settlement Movement দারিদ্রা সম্পর্কিত School of Economices প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৩ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি 'London School of Economics′−Economics^{\prime}-এর অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯০৪ সালে লিভারপুলে 'School of Social Science, প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯১৮ সালে এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়। আন এভাবেই ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষার ভিত্তি স্থাপিত হয়
গ
বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বর্তমান সমাজের বিভিন্ন আর্থ-মনোসামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানে সমাজকর্ম পদ্ধতিসমূহের প্রয়োগ করা হয়। সমাজকর্মের জ্ঞান, কৌশল ও পদ্ধতি সব শ্রেণির মানুষের ব্যক্তিগত, দলীয় সমষ্টিসহ নানা ধরনের সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় সহায়তা করে। এটি বিভিন্ন সমস্যার কারণ, প্রকৃতি, প্রভাব ও সমাধানের কৌশল আলোচনা করে। এতে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা সহজ হয়। উদ্দীপকেও এ বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। উদ্দীপকের রায়হান সমাজকর্ম বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে উচ্চতর গবেষণার জন্য লন্ডনের স্কুল অব ইকোনোমিক্সে ভর্তি হয়েছে। সমাজকর্ম বিষয়টি বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যাস্ফীতি, বেকারত্ব, নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, যৌতুক প্রথা, মাদকাসক্তি, দুর্নীতি, কিশোর অপরাধ, বস্তি সমস্যা, সন্ত্রাস ইত্যাদিসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান। সমাজকর্ম এসব সমস্যার কারণ, প্রকৃতি, প্রভাব ইত্যাদি আলোচনা করে। পাশাপাশি এটি সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন কৌশল ও পদ্ধতিও উল্লেখ করে। এসব কৌশল ও পদ্ধতি সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে সমাজকর্মের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে উদ্দীপবে উল্লিখিত বিষয় অর্থাৎ সমাজকর্মের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
ঘ
উদ্দীপকে রায়হানের উল্লিখিত দেশটিতে আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব ঘটেছে- এ বিষয়টির ওপর একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর

উত্তর

উদ্দীপকে রায়হানের উল্লিখিত দেশটি অর্থাৎ ইংল্যান্ডে আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব ঘটেছে। ইংল্যান্ডকে সমাজকর্মের সূতিকাগার বলা হয়। কেননা আধুনিক সমাজকর্মের বীজ রোপিত হয় ইংল্যান্ডে। মূলত বিশ শতকে ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষার প্রবর্তন ঘটে। সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডের দান সংগঠন (cos⁡)−\cos)-এর দর্শনের ওপর ভিত্তি করে Fabian Society এবং Settlement Movement, 'School of Economics′Economics^{\prime} প্রতিষ্ঠা করে, যা সমাজকর্মের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ১৯২০-৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসা সমাজকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে ইংল্যান্ডে 'Institute of Almoners′Almoners^{\prime} প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিভারিজ রিপোর্টের ফলে সমাজকর্মের শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এ সময়ে স্বাস্থ্যসেবা আইন, বিমা আইন, শিশু আইন প্রভৃতি সমাজকর্ম শিক্ষা উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এসব আইনের ওপর ভিত্তি করে ১৯৪৭ সালে চিকিৎসা সেবার ওপর কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিল, ১৯৬২ সালে সমাজকর্ম প্রশিক্ষণ কাউন্সিল এবং ১৯৬৩ সালে চিকিৎসা সমাজকর্মী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চালু করা হয়। ১৯৭০ সালে প্রণীত স্থানীয় সমাজসেবা আইন অনুসারে সমাজকর্মের শিক্ষা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণের কাঠামো তৈরি হয়। এ আইন অনুযায়ী Seebohm Committee সমাজসেবা বিভাগ সৃষ্টির সুপারিশ করে; যা ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ডে পেশাদার সমাজকর্মীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ডে মানবিক স্বাস্থ্য আইন, শিশু আইন এবং স্বাস্থ্য ও সমন্টি সেবা আইন প্রণীত হয়। এসব আইন ইংল্যান্ডে সমাজকর্মের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। আর এভাবেই ইংল্যান্ডে আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব হয়। সুতরাং বলা যায়, আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব ও বিকাশ ইংল্যান্ডের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCSocial Work 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রায়হান সমাজকর্ম থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে উচ্চতর গবেষণার জন্য পাশ্চাতের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সে ভর্তি হয়। সে জানতে পারে, বিখ্যাত এ প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমেই সমাজকর্মের সূত্রপাত হয়েছিল এবং এ দেশটিতে বিংশ শতক থেকে সমাজকর্ম শিক্ষার প্রবর্তন ঘটেছিল।
ক
আধুনিক ও পেশাদার সমাজকর্মের উদ্ভব ও বিকাশ হয় কোথায়?

উত্তর

আধুনিক ও পেশাদার সমাজকর্মের উদ্ভব হয় ইংল্যান্ডে কিন্তু তা বিকশিত হয় আমেরিকায়।
খ
ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষার ভিত্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দান সংগঠন সমিতির দর্শনের ওপর ভিত্তি করে ইংল্যান্ডে বিশ শতকে সমাজকর্ম শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে। ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষা শুরু হয় ১৯০৮ সালে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর দান সংগঠন সমিতি (cos⁡)−\cos)-এর দর্শনের ওপর ভিত্তি করে Fabian Society এবং Settlement Movement দারিদ্রা সম্পর্কিত School of Economices প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৩ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি 'London School of Economics′−Economics^{\prime}-এর অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯০৪ সালে লিভারপুলে 'School of Social Science, প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯১৮ সালে এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়। আন এভাবেই ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষার ভিত্তি স্থাপিত হয়
গ
বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বর্তমান সমাজের বিভিন্ন আর্থ-মনোসামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানে সমাজকর্ম পদ্ধতিসমূহের প্রয়োগ করা হয়। সমাজকর্মের জ্ঞান, কৌশল ও পদ্ধতি সব শ্রেণির মানুষের ব্যক্তিগত, দলীয় সমষ্টিসহ নানা ধরনের সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় সহায়তা করে। এটি বিভিন্ন সমস্যার কারণ, প্রকৃতি, প্রভাব ও সমাধানের কৌশল আলোচনা করে। এতে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা সহজ হয়। উদ্দীপকেও এ বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। উদ্দীপকের রায়হান সমাজকর্ম বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে উচ্চতর গবেষণার জন্য লন্ডনের স্কুল অব ইকোনোমিক্সে ভর্তি হয়েছে। সমাজকর্ম বিষয়টি বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যাস্ফীতি, বেকারত্ব, নিরক্ষরতা, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, যৌতুক প্রথা, মাদকাসক্তি, দুর্নীতি, কিশোর অপরাধ, বস্তি সমস্যা, সন্ত্রাস ইত্যাদিসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান। সমাজকর্ম এসব সমস্যার কারণ, প্রকৃতি, প্রভাব ইত্যাদি আলোচনা করে। পাশাপাশি এটি সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন কৌশল ও পদ্ধতিও উল্লেখ করে। এসব কৌশল ও পদ্ধতি সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে সমাজকর্মের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে উদ্দীপবে উল্লিখিত বিষয় অর্থাৎ সমাজকর্মের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
ঘ
উদ্দীপকে রায়হানের উল্লিখিত দেশটিতে আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব ঘটেছে- এ বিষয়টির ওপর একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর

উত্তর

উদ্দীপকে রায়হানের উল্লিখিত দেশটি অর্থাৎ ইংল্যান্ডে আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব ঘটেছে। ইংল্যান্ডকে সমাজকর্মের সূতিকাগার বলা হয়। কেননা আধুনিক সমাজকর্মের বীজ রোপিত হয় ইংল্যান্ডে। মূলত বিশ শতকে ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষার প্রবর্তন ঘটে। সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডের দান সংগঠন (cos⁡)−\cos)-এর দর্শনের ওপর ভিত্তি করে Fabian Society এবং Settlement Movement, 'School of Economics′Economics^{\prime} প্রতিষ্ঠা করে, যা সমাজকর্মের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ১৯২০-৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসা সমাজকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে ইংল্যান্ডে 'Institute of Almoners′Almoners^{\prime} প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিভারিজ রিপোর্টের ফলে সমাজকর্মের শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এ সময়ে স্বাস্থ্যসেবা আইন, বিমা আইন, শিশু আইন প্রভৃতি সমাজকর্ম শিক্ষা উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এসব আইনের ওপর ভিত্তি করে ১৯৪৭ সালে চিকিৎসা সেবার ওপর কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিল, ১৯৬২ সালে সমাজকর্ম প্রশিক্ষণ কাউন্সিল এবং ১৯৬৩ সালে চিকিৎসা সমাজকর্মী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চালু করা হয়। ১৯৭০ সালে প্রণীত স্থানীয় সমাজসেবা আইন অনুসারে সমাজকর্মের শিক্ষা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণের কাঠামো তৈরি হয়। এ আইন অনুযায়ী Seebohm Committee সমাজসেবা বিভাগ সৃষ্টির সুপারিশ করে; যা ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ডে পেশাদার সমাজকর্মীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ডে মানবিক স্বাস্থ্য আইন, শিশু আইন এবং স্বাস্থ্য ও সমন্টি সেবা আইন প্রণীত হয়। এসব আইন ইংল্যান্ডে সমাজকর্মের মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। আর এভাবেই ইংল্যান্ডে আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব হয়। সুতরাং বলা যায়, আধুনিক সমাজকর্মের উদ্ভব ও বিকাশ ইংল্যান্ডের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো