Chapter 3 : যুক্তির উপাদান Logic 1st Paper

HSC Logic 1st Paper এর Chapter 3 : যুক্তির উপাদান অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১,৯১৬

প্রশ্ন

Logic 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
যুক্তিবাক্যের অংশ কয়টি?

উত্তর

যুক্তিবাক্যের (Proposition) অংশ ৩ টি
খ
কোন ধরনের বাক্যকে A যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করা হয়?

উত্তর

যেসকল বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে সদর্থক সংযোজক দ্বারা সংযুক্ত করা যায় এবং যাদের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে থাকে না তাদের A বাক্য বা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করা যায়। এমন অনেক বাক্য আছে যেগুলোতে উদ্দেশ্য ও বিধেয় থাকলেও পৃথকভাবে কোনো সংযোজক থাকে না এবং পরিমাণের বিষয়টিও নির্দিষ্ট থাকে না। এক্ষেত্রে সংযোজক স্থাপনের মাধ্যমে এদের A বাক্যে রূপান্তর করা যায়। যেমন- সব মানুষ মরণশীল। A বাক্য: সব মানুষ হয় মরণশীল। (রূপান্তরিত)
গ
দৃশ্যকল্প-১ কোন নীতিতে গঠিত হয়েছে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুসারে গঠিত হয়েছে। এখানে, প্রথম যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক এবং দ্বিতীয়টি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। যেসব বাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্যের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয় সেসব বাক্যকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য (Universal Affirmative Proposition) বলে। এরূপ বাক্য পরিমাণগত দিক থেকে 'সার্বিক' এবং গুণগত দিক থেকে 'সদর্থক' হয়ে থাকে। যেমন- সকল মানুষ হয় মরণশীল'- এ বাক্যে বিধেয় 'মরণশীল' উদ্দেশ্য 'মানুষ' শ্রেণির সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয়েছে। আবার, যেসব বাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্যের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয় সেসব বাক্যকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য (Particular Affirmative Proposition) বলে। এরূপ বাক্য পরিমাণগত দিক থেকে 'বিশেষ' এবং গুণগত দিক থেকে 'সদর্থক' হয়ে থাকে। যেমন- 'কিছু মানুষ হয় কবি', এ বাক্যে বিধেয় 'কবি' উদ্দেশ্য 'মানুষ' শ্রেণির আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয়েছে। উদ্দীপকে প্রথম বাক্যে 'সকল মানুষ হয় দ্বিপদ' এ 'দ্বিপদ' বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য 'মানুষ' পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। আবার, দ্বিতীয় বাক্য 'কিছু ছাত্র হয় মেধাবী' এ বাক্যে 'মেধাবী' বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য 'ছাত্র' পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য।
ঘ
দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর পার্থক্য নির্দেশ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ সদর্থক যুক্তিবাক্যকে এবং দৃশ্যকল্প-২ নঞর্থক যুক্তিবাক্যেকে নির্দেশ করে। তাই এদের মূল পার্থক্য হলো গুণের দিক থেকে। যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'সকল মানুষ হয় দ্বিপদ'। আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু ফুল হয় লাল'। অপরপক্ষে, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কোনো মানুষ নয় অমর'। আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু ছাত্র নয় মেধাবী'। উদ্দীপকে, দৃশ্যকল্প-১ এ উভয় বাক্যেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এরা সদর্থক। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ উভয় বাক্যেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে অস্বীকার করা হয়েছে তাই এরা নঞর্থক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
যুক্তিবাক্যের অংশ কয়টি?

উত্তর

যুক্তিবাক্যের (Proposition) অংশ ৩ টি
খ
কোন ধরনের বাক্যকে A যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করা হয়?

উত্তর

যেসকল বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে সদর্থক সংযোজক দ্বারা সংযুক্ত করা যায় এবং যাদের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে থাকে না তাদের A বাক্য বা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করা যায়। এমন অনেক বাক্য আছে যেগুলোতে উদ্দেশ্য ও বিধেয় থাকলেও পৃথকভাবে কোনো সংযোজক থাকে না এবং পরিমাণের বিষয়টিও নির্দিষ্ট থাকে না। এক্ষেত্রে সংযোজক স্থাপনের মাধ্যমে এদের A বাক্যে রূপান্তর করা যায়। যেমন- সব মানুষ মরণশীল। A বাক্য: সব মানুষ হয় মরণশীল। (রূপান্তরিত)
গ
দৃশ্যকল্প-১ কোন নীতিতে গঠিত হয়েছে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুসারে গঠিত হয়েছে। এখানে, প্রথম যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক এবং দ্বিতীয়টি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। যেসব বাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্যের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয় সেসব বাক্যকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য (Universal Affirmative Proposition) বলে। এরূপ বাক্য পরিমাণগত দিক থেকে 'সার্বিক' এবং গুণগত দিক থেকে 'সদর্থক' হয়ে থাকে। যেমন- সকল মানুষ হয় মরণশীল'- এ বাক্যে বিধেয় 'মরণশীল' উদ্দেশ্য 'মানুষ' শ্রেণির সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয়েছে। আবার, যেসব বাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্যের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয় সেসব বাক্যকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য (Particular Affirmative Proposition) বলে। এরূপ বাক্য পরিমাণগত দিক থেকে 'বিশেষ' এবং গুণগত দিক থেকে 'সদর্থক' হয়ে থাকে। যেমন- 'কিছু মানুষ হয় কবি', এ বাক্যে বিধেয় 'কবি' উদ্দেশ্য 'মানুষ' শ্রেণির আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয়েছে। উদ্দীপকে প্রথম বাক্যে 'সকল মানুষ হয় দ্বিপদ' এ 'দ্বিপদ' বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য 'মানুষ' পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। আবার, দ্বিতীয় বাক্য 'কিছু ছাত্র হয় মেধাবী' এ বাক্যে 'মেধাবী' বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য 'ছাত্র' পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য।
ঘ
দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর পার্থক্য নির্দেশ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ সদর্থক যুক্তিবাক্যকে এবং দৃশ্যকল্প-২ নঞর্থক যুক্তিবাক্যেকে নির্দেশ করে। তাই এদের মূল পার্থক্য হলো গুণের দিক থেকে। যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'সকল মানুষ হয় দ্বিপদ'। আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু ফুল হয় লাল'। অপরপক্ষে, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কোনো মানুষ নয় অমর'। আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু ছাত্র নয় মেধাবী'। উদ্দীপকে, দৃশ্যকল্প-১ এ উভয় বাক্যেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এরা সদর্থক। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ উভয় বাক্যেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে অস্বীকার করা হয়েছে তাই এরা নঞর্থক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
পদ কী?

উত্তর

যে অর্থপূর্ণ শব্দ বা শব্দ সমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বা ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে, তাকে পদ (Term) বলে।
খ
'কলম' শব্দটি কেন পদ?

উত্তর

'কলম' শব্দটি পদযোগ্য শব্দ (Categorematic Word)। তাই এটি একটি পদ। যেসব শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজেই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, তাকে পদযোগ্য শব্দ বলে। যেমন- 'কলম হয় লেখার উপকরণ।' সুতরাং, 'কলম' শব্দটি যেহেতু যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে তাই এটি একটি পদ।
গ
'সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয়পদ অব্যাপ্য'- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ অব্যাপ্য'- উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ। যে সকল যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে স্বীকার করে নেওয়া হয় তাকে সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। সদর্থক যুক্তিবাক্য দুই প্রকার-১. সার্বিক সদর্থক এবং ২. বিশেষ সদর্থক। সকল মানুষ হয় 'মরণশীল' এটি একটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। এখানে 'মরণশীল' বিধেয় পদটি কেবলমাত্র 'মানুষ' পদের সমগ্র ব্যস্ত্যর্থের জন্য স্বীকার করা হয়েছে। কিন্তু, বাস্তবিকপক্ষে মানুষ ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রাণীই মরণশীল। তাই 'মরণশীল' পদটি এখানে আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করেছে। ফলে পদটি অব্যাপ্য। আবার, 'কিছু ফুল হয় সাদা' এটি একটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। এখানে 'সাদা' বিধেয় পদটি 'ফুল' উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাদা ফুল কেবলমাত্র কিছু সংখ্যক ফুলকেই নির্দেশ করে তাই, 'সাদা' বিধেয় পদটি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করে। আমরা জানি, যে সকল পদ আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তা অব্যাপ্য। তাই 'সাদা' বিধেয় পদটি অব্যাপ্য। উদ্দীপকে 'ক' সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্যকে এবং 'গ' বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে। সুতরাং, উভয় সদর্থক হওয়ায় তাদের বিধেয় পদ অব্যাপ্য।
ঘ
উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত বিষয়টি হলো পদের ব্যাপ্যতা। পদের ব্যাপ্যতার সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- উক্তিটি যথার্থ। হয়, সেই বস্তু বা বস্তুসমষ্টির সংখ্যা বা পরিমাণই হলো ওই পদের ব্যক্ত্যর্থ। অর্থাৎ ব্যার্থ হলো পদের সংখ্যা বা পরিমাণের দিক। যেমন- 'মানুষ' পদটি দ্বারা সমগ্র মানুষ শ্রেণির সংখ্যাকে বোঝায়। আবার আমরা যখন বলি 'কিছু ফুল' ফুল শ্রেণির একটি অংশকে নির্দেশ করে। অপরদিকে, কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত উদ্দেশ্য পদ ও বিধেয় পদ তাদের ব্যক্ত্যর্থগত দিক থেকে ঐ বাক্যে যতটুকু বিস্তৃতি লাভ করে তাকেই পদের ব্যপ্তি বা ব্যাপ্যতা বলে। এক্ষেত্রে পদটি সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হলে তাকে পূর্ণব্যাপ্য বা ব্যাপ্য পদ বলে। যেমন- 'সকল দার্শনিক' আবার পদটি যদি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয় তাকে আংশিক ব্যাপ্য বা অব্যাপ্য পদ বলে। যেমন- 'কিছু ফুল'। অর্থাৎ ব্যাপ্যতা হলো মূলতঃ ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণ। ব্যক্ত্যর্থকে বাদ দিয়ে ব্যাপ্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। যে পদের ব্যক্ত্যর্থ নেই সেই পদ ব্যাপ্য হবে না। ব্যাপ্যতা যেহেতু ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণের ওপর নির্ভর করেই নিধারিত হয়, তাই এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। সুতরাং, উদ্দীপকের আলোকে আমরা বলতে পারি, ব্যাপ্যতার সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক কেবল গভীর নয় বরং ব্যাপ্যতা নির্ধারণে ব্যক্ত্যর্থ অপরিহার্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2017

ক
পদ কী?

উত্তর

যে অর্থপূর্ণ শব্দ বা শব্দ সমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বা ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে, তাকে পদ (Term) বলে।
খ
'কলম' শব্দটি কেন পদ?

উত্তর

'কলম' শব্দটি পদযোগ্য শব্দ (Categorematic Word)। তাই এটি একটি পদ। যেসব শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজেই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, তাকে পদযোগ্য শব্দ বলে। যেমন- 'কলম হয় লেখার উপকরণ।' সুতরাং, 'কলম' শব্দটি যেহেতু যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে তাই এটি একটি পদ।
গ
'সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয়পদ অব্যাপ্য'- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ অব্যাপ্য'- উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ। যে সকল যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে স্বীকার করে নেওয়া হয় তাকে সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। সদর্থক যুক্তিবাক্য দুই প্রকার-১. সার্বিক সদর্থক এবং ২. বিশেষ সদর্থক। সকল মানুষ হয় 'মরণশীল' এটি একটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। এখানে 'মরণশীল' বিধেয় পদটি কেবলমাত্র 'মানুষ' পদের সমগ্র ব্যস্ত্যর্থের জন্য স্বীকার করা হয়েছে। কিন্তু, বাস্তবিকপক্ষে মানুষ ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রাণীই মরণশীল। তাই 'মরণশীল' পদটি এখানে আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করেছে। ফলে পদটি অব্যাপ্য। আবার, 'কিছু ফুল হয় সাদা' এটি একটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। এখানে 'সাদা' বিধেয় পদটি 'ফুল' উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাদা ফুল কেবলমাত্র কিছু সংখ্যক ফুলকেই নির্দেশ করে তাই, 'সাদা' বিধেয় পদটি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করে। আমরা জানি, যে সকল পদ আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশ করে তা অব্যাপ্য। তাই 'সাদা' বিধেয় পদটি অব্যাপ্য। উদ্দীপকে 'ক' সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্যকে এবং 'গ' বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে। সুতরাং, উভয় সদর্থক হওয়ায় তাদের বিধেয় পদ অব্যাপ্য।
ঘ
উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত বিষয়টি হলো পদের ব্যাপ্যতা। পদের ব্যাপ্যতার সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- উক্তিটি যথার্থ। হয়, সেই বস্তু বা বস্তুসমষ্টির সংখ্যা বা পরিমাণই হলো ওই পদের ব্যক্ত্যর্থ। অর্থাৎ ব্যার্থ হলো পদের সংখ্যা বা পরিমাণের দিক। যেমন- 'মানুষ' পদটি দ্বারা সমগ্র মানুষ শ্রেণির সংখ্যাকে বোঝায়। আবার আমরা যখন বলি 'কিছু ফুল' ফুল শ্রেণির একটি অংশকে নির্দেশ করে। অপরদিকে, কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত উদ্দেশ্য পদ ও বিধেয় পদ তাদের ব্যক্ত্যর্থগত দিক থেকে ঐ বাক্যে যতটুকু বিস্তৃতি লাভ করে তাকেই পদের ব্যপ্তি বা ব্যাপ্যতা বলে। এক্ষেত্রে পদটি সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হলে তাকে পূর্ণব্যাপ্য বা ব্যাপ্য পদ বলে। যেমন- 'সকল দার্শনিক' আবার পদটি যদি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয় তাকে আংশিক ব্যাপ্য বা অব্যাপ্য পদ বলে। যেমন- 'কিছু ফুল'। অর্থাৎ ব্যাপ্যতা হলো মূলতঃ ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণ। ব্যক্ত্যর্থকে বাদ দিয়ে ব্যাপ্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। যে পদের ব্যক্ত্যর্থ নেই সেই পদ ব্যাপ্য হবে না। ব্যাপ্যতা যেহেতু ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণের ওপর নির্ভর করেই নিধারিত হয়, তাই এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। সুতরাং, উদ্দীপকের আলোকে আমরা বলতে পারি, ব্যাপ্যতার সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক কেবল গভীর নয় বরং ব্যাপ্যতা নির্ধারণে ব্যক্ত্যর্থ অপরিহার্য।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: সকল মানুষ হয় মরণশীল। সাকিব হয় একজন মানুষ। ∴ সাকিব হয় মরণশীল। দৃশ্যকল্প-২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয় মরণশীল। জসীম উদ্দীন হয় মরণশীল। ∴ সকল মানুষ হয় মরণশীল।

Jessore · 2017

ক
অনুমান কাকে বলে?

উত্তর

কোনো জ্ঞাত বিষয় বা তথ্যের ওপর নির্ভর করে কোনো এক অজ্ঞাত বিষয়ে বা তথ্যে উপনীত হওয়ার মানসিক প্রক্রিয়াকে অনুমান বলে।
খ
অবরোহ অনুমান কি যথার্থ অনুমান?

উত্তর

হ্যাঁ, অবরোহ অনুমান হলো যথার্থ অনুমান। যে অনুমানের সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বাক্য থেকে কোনোক্রমেই ব্যাপক হতে পারে না, তাকে অবরোহ অনুমান বলে। এককথায় বলা যায়, সার্বিক বাক্য থেকে বিশেষ বাক্যে আসার নাম অবরোহ। যেমন- সকল ফুল হয় সুন্দর। গোলাপ হয় একটি ফুল। অতএব, গোলাপ হয় সুন্দর এখানে আশ্রয়বাক্য দু'টি থেকে সিদ্ধান্তটি অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়েছে। অর্থাৎ, আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায় অবরোহ অনুমান যথার্থ অনুমান।
গ
উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ কোন ধরনের আনুমানের প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ আরোহ অনুমানের প্রতিফলন ঘটেছে। বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের বা ঘটনার পর্যাবেক্ষণের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপনের প্রক্রিয়াকে আরোহ অনুমান বলে। আরোহ অনুমানে সিদ্ধান্তটি সবসময় আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয়। যেমন- রিনা হয় মরণশীল, বিনা হয় মরণশীল শান্তা হয় মরণশীল, অতএব, সকল মানুষ হয় মরণশীল। উপর্যুক্ত যুক্তিটিতে রিনা, বিনা ও শান্তা প্রমুখ মানুষের মৃত্যুর বাস্তব দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করে সার্বিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, 'সকল মানুষ হয় মরণশীল।' এটি আরোহ অনুমানের দৃষ্টান্ত। এর সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বাক্যের তুলনায় বেশি ব্যাপক। উদ্দীপকে, দৃষ্টান্ত-২ এ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জসীমউদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সকল মানুষ হয় মরণশীল। যা আশ্রয়বাক্যের তুলনায় অধিক ব্যাপক। তাই এটি একটি আরোহ অনুমান।
ঘ
পাঠ্যপুস্তকের আলোকে দৃষ্টান্ত-১ ও ২ এর মধ্যকার পার্থক্য উল্লেখ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে দৃষ্টান্ত-১ হলো অবরোহ অনুমান এবং দৃষ্টান্ত-২ হলো আরোহ অনুমান। যে অনুমান প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত এক বা একাধিক আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় এবং সিদ্ধান্তটি কখনোই আশ্রয়বাক্যের চেয়ে ব্যাপক হতে পারে না, তাকে অবরোহ অনুমান বলে। অন্যদিকে, যে অনুমান প্রক্রিয়ায় কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্তের ওপর নির্ভর করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়, তাকে আরোহ অনুমান বলে। উদ্দীপকের প্রথম ও দ্বিতীয় দৃশ্যকল্পে যথাক্রমে অবরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমান প্রকাশ পেয়েছে। আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সবসময় সার্বিক হয়। কিন্তু অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত বিশেষ বা সার্বিক হয়। অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত কোনো সময়ই আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয় না। কিন্তু আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সব সময়ই বেশি ব্যাপক হয়। দৃষ্টান্ত-১ এ অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য দু'টির তুলনায় বেশি ব্যাপক নয়। কিন্তু, দৃষ্টান্ত-২ এর আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি সার্বিক। যা তার আশ্রয়বাক্যগুলোর তুলনায় ব্যাপক। দৃষ্টান্ত-১ এ আমরা সার্বিক থেকে বিশেষে উপনীত হয়েছি। কিন্তু দৃষ্টান্ত-২ এ আমরা বিশেষ থেকে সার্বিকে উপনীত হয়েছি। এছাড়াও অবরোহ অনুমানে আকারগত সত্যতা পরিলক্ষিত হয়, কিন্তু আরোহ অনুমানে আকারগত ও বস্তুগত উভয় সত্য পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। সুতরাং, অবরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমান উভয়েই অনুমানের দুটি দিক হলেও তাদের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: সকল মানুষ হয় মরণশীল। সাকিব হয় একজন মানুষ। ∴ সাকিব হয় মরণশীল। দৃশ্যকল্প-২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয় মরণশীল। জসীম উদ্দীন হয় মরণশীল। ∴ সকল মানুষ হয় মরণশীল।

Jessore · 2017

ক
অনুমান কাকে বলে?

উত্তর

কোনো জ্ঞাত বিষয় বা তথ্যের ওপর নির্ভর করে কোনো এক অজ্ঞাত বিষয়ে বা তথ্যে উপনীত হওয়ার মানসিক প্রক্রিয়াকে অনুমান বলে।
খ
অবরোহ অনুমান কি যথার্থ অনুমান?

উত্তর

হ্যাঁ, অবরোহ অনুমান হলো যথার্থ অনুমান। যে অনুমানের সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বাক্য থেকে কোনোক্রমেই ব্যাপক হতে পারে না, তাকে অবরোহ অনুমান বলে। এককথায় বলা যায়, সার্বিক বাক্য থেকে বিশেষ বাক্যে আসার নাম অবরোহ। যেমন- সকল ফুল হয় সুন্দর। গোলাপ হয় একটি ফুল। অতএব, গোলাপ হয় সুন্দর এখানে আশ্রয়বাক্য দু'টি থেকে সিদ্ধান্তটি অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়েছে। অর্থাৎ, আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায় অবরোহ অনুমান যথার্থ অনুমান।
গ
উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ কোন ধরনের আনুমানের প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-২ এ আরোহ অনুমানের প্রতিফলন ঘটেছে। বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের বা ঘটনার পর্যাবেক্ষণের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপনের প্রক্রিয়াকে আরোহ অনুমান বলে। আরোহ অনুমানে সিদ্ধান্তটি সবসময় আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয়। যেমন- রিনা হয় মরণশীল, বিনা হয় মরণশীল শান্তা হয় মরণশীল, অতএব, সকল মানুষ হয় মরণশীল। উপর্যুক্ত যুক্তিটিতে রিনা, বিনা ও শান্তা প্রমুখ মানুষের মৃত্যুর বাস্তব দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করে সার্বিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, 'সকল মানুষ হয় মরণশীল।' এটি আরোহ অনুমানের দৃষ্টান্ত। এর সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বাক্যের তুলনায় বেশি ব্যাপক। উদ্দীপকে, দৃষ্টান্ত-২ এ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জসীমউদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সকল মানুষ হয় মরণশীল। যা আশ্রয়বাক্যের তুলনায় অধিক ব্যাপক। তাই এটি একটি আরোহ অনুমান।
ঘ
পাঠ্যপুস্তকের আলোকে দৃষ্টান্ত-১ ও ২ এর মধ্যকার পার্থক্য উল্লেখ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে দৃষ্টান্ত-১ হলো অবরোহ অনুমান এবং দৃষ্টান্ত-২ হলো আরোহ অনুমান। যে অনুমান প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত এক বা একাধিক আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় এবং সিদ্ধান্তটি কখনোই আশ্রয়বাক্যের চেয়ে ব্যাপক হতে পারে না, তাকে অবরোহ অনুমান বলে। অন্যদিকে, যে অনুমান প্রক্রিয়ায় কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্তের ওপর নির্ভর করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়, তাকে আরোহ অনুমান বলে। উদ্দীপকের প্রথম ও দ্বিতীয় দৃশ্যকল্পে যথাক্রমে অবরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমান প্রকাশ পেয়েছে। আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সবসময় সার্বিক হয়। কিন্তু অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত বিশেষ বা সার্বিক হয়। অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত কোনো সময়ই আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয় না। কিন্তু আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সব সময়ই বেশি ব্যাপক হয়। দৃষ্টান্ত-১ এ অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য দু'টির তুলনায় বেশি ব্যাপক নয়। কিন্তু, দৃষ্টান্ত-২ এর আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি সার্বিক। যা তার আশ্রয়বাক্যগুলোর তুলনায় ব্যাপক। দৃষ্টান্ত-১ এ আমরা সার্বিক থেকে বিশেষে উপনীত হয়েছি। কিন্তু দৃষ্টান্ত-২ এ আমরা বিশেষ থেকে সার্বিকে উপনীত হয়েছি। এছাড়াও অবরোহ অনুমানে আকারগত সত্যতা পরিলক্ষিত হয়, কিন্তু আরোহ অনুমানে আকারগত ও বস্তুগত উভয় সত্য পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। সুতরাং, অবরোহ অনুমান ও আরোহ অনুমান উভয়েই অনুমানের দুটি দিক হলেও তাদের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো