HSCLogic 1st Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক

Barisal · 2017
ক
যুক্তিবাক্যের অংশ কয়টি?
উত্তর
যুক্তিবাক্যের (Proposition) অংশ ৩ টি
খ
কোন ধরনের বাক্যকে A যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করা হয়?
উত্তর
যেসকল বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে সদর্থক সংযোজক দ্বারা সংযুক্ত করা যায় এবং যাদের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে থাকে না তাদের A বাক্য বা সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করা যায়।
এমন অনেক বাক্য আছে যেগুলোতে উদ্দেশ্য ও বিধেয় থাকলেও পৃথকভাবে কোনো সংযোজক থাকে না এবং পরিমাণের বিষয়টিও নির্দিষ্ট থাকে না। এক্ষেত্রে সংযোজক স্থাপনের মাধ্যমে এদের A বাক্যে রূপান্তর করা যায়। যেমন- সব মানুষ মরণশীল।
A বাক্য: সব মানুষ হয় মরণশীল। (রূপান্তরিত)
গ
দৃশ্যকল্প-১ কোন নীতিতে গঠিত হয়েছে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
দৃশ্যকল্প-১ গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুসারে গঠিত হয়েছে। এখানে, প্রথম যুক্তিবাক্যটি সার্বিক সদর্থক এবং দ্বিতীয়টি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য।
যেসব বাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্যের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয় সেসব বাক্যকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য (Universal Affirmative Proposition) বলে। এরূপ বাক্য পরিমাণগত দিক থেকে 'সার্বিক' এবং গুণগত দিক থেকে 'সদর্থক' হয়ে থাকে। যেমন- সকল মানুষ হয় মরণশীল'- এ বাক্যে বিধেয় 'মরণশীল' উদ্দেশ্য 'মানুষ' শ্রেণির সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয়েছে।
আবার, যেসব বাক্যের বিধেয় উদ্দেশ্যের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয় সেসব বাক্যকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য (Particular Affirmative Proposition) বলে। এরূপ বাক্য পরিমাণগত দিক থেকে 'বিশেষ' এবং গুণগত দিক থেকে 'সদর্থক' হয়ে থাকে। যেমন- 'কিছু মানুষ হয় কবি', এ বাক্যে বিধেয় 'কবি' উদ্দেশ্য 'মানুষ' শ্রেণির আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকৃত হয়েছে।
উদ্দীপকে প্রথম বাক্যে 'সকল মানুষ হয় দ্বিপদ' এ 'দ্বিপদ' বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য 'মানুষ' পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। আবার, দ্বিতীয় বাক্য 'কিছু ছাত্র হয় মেধাবী' এ বাক্যে 'মেধাবী' বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য 'ছাত্র' পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য।
ঘ
দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর পার্থক্য নির্দেশ কর।
উত্তর
দৃশ্যকল্প-১ সদর্থক যুক্তিবাক্যকে এবং দৃশ্যকল্প-২ নঞর্থক যুক্তিবাক্যেকে নির্দেশ করে। তাই এদের মূল পার্থক্য হলো গুণের দিক থেকে।
যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'সকল মানুষ হয় দ্বিপদ'। আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু ফুল হয় লাল'।
অপরপক্ষে, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কোনো মানুষ নয় অমর'। আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে অস্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু ছাত্র নয় মেধাবী'। উদ্দীপকে, দৃশ্যকল্প-১ এ উভয় বাক্যেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে স্বীকার করা হয়েছে তাই এরা সদর্থক। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ উভয় বাক্যেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে অস্বীকার করা হয়েছে তাই এরা নঞর্থক।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো
