Chapter 10 : উন্নয়ন পরিকল্পনা Economics 2nd Paper

HSC Economics 2nd Paper এর Chapter 10 : উন্নয়ন পরিকল্পনা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৯৬

প্রশ্ন

Economics 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলছে, সংসদ সদস্য জনাব 'ক' প্রশ্ন করলেন, সরকার অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে কেন সফলতার মুখ দেখে না? মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী এর উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, দেশে সঠিক পরিসংখ্যান তথ্যের ব্যাপক অভাব রয়েছে। পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহকারীদের তেমন কোনো অভিজ্ঞতা নেই। এছাড়াও দেশে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ নেই। এসব কারণেই আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফলতার মুখ দেখে না ।
ক
বিকেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কী?

উত্তর

যে পরিকল্পনায় অর্থনীতির প্রতিটি বিভাগে নিচ থেকে আলাদা আলাদা পকিল্পনা করা হয় তাকে বিকেন্দ্রীয় পরিকল্পনা বলে।
খ
উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায়- বুঝিয়ে লেখ ।

উত্তর

একটি প্রতিনিধিত্বমূলক পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট দেশটির জন্য সবচেয়ে বেশি কাম্য। পরিকল্পনা এক অর্থে ভবিষ্যৎ দর্শন। বাংলাদেশের মতো জনসংখ্যাবহুল অর্থনীতির জন্য পরিকল্পিত উপায়ে বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, জনসংখ্যার গুণগত মান উন্নয়ন, তাদেরকে কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের দ্বারা জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব ।
গ
উদ্দীপকে মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রীর দেওয়া উত্তরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার যেসব সমস্যা প্রকাশিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর

উত্তর

উদ্দীপকের মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রীর দেওয়া উত্তরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার যে সমস্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে সেগুলো তুলে ধরা হলো— ১. পরিসংখ্যানের অভাব : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অনেক বেশি। সঠিক পরিসংখ্যান তথ্যের অভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয় । ২. অনভিজ্ঞ পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহকারী : বাংলাদেশে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ লোকের অভাব, খামখেয়ালিপনা ও জনসাধারণের অসহযোগিতার কারণে নির্ভুল পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা প্রায়ই সম্ভব হয় না । ৩. পরিকল্পনা বিশারদের অভাব : দেশে প্রতিযোগিতামূলকভাবে আধুনিক পরিকল্পনা প্রণয়নের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ বা পরিকল্পনা বিশারদের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বায়নের এ সময়ে টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ভিনদেশি পরিকল্পনা প্রণয়নকারীর সুপারিশ কতটুকু আমাদের দেশীয় স্বার্থ সুরক্ষা করবে তার নিশ্চয়তাও নেই ।
ঘ
উদ্দীপকের উক্ত সমস্যাগুলোর কারণেই কি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সফল হয় না বলে তুমি মনে কর— মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন কারণে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সফল হয় না। এসব সমস্যা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো- ১. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা : বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব রয়েছে। এদেশে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বড় বাধা ২. জনসংখ্যা বৃদ্ধি : জনসংখ্যা বৃদ্ধি মূলধন গঠনের হার ব্যাহত করে এবং সবসময় পরিকল্পনার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে । ৩. বৈদেশিক মুদ্রার অভাব : এদেশে বৈদেশিক মুদ্রার যথেষ্ট অভাব থাকায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হয় । ৪. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অদক্ষতা : এদেশে পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রেও নানারকম আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতি লক্ষ করা যায়। এ কারণে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন কিছুটা হলেও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ৫. মুদ্রাস্ফীতির উচ্চহার : এদেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি বিরাজমান থাকায় গৃহীত পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ৬. বাস্তবধর্মী পরিকল্পনার অভাব : এদেশে প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যানের অভাব পরিকল্পনার কাল্পনিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এতে মূলধনের চাহিদা ও যোগানের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ব্যবধানের সৃষ্টি হয় এবং পরিকল্পনার কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করা যায় না । ৭. প্রশাসনিক দুর্বলতা : বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগে সৎ ও দক্ষ লোকের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। ফলে সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় না। সম্পদের অপচয় হয় ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলছে, সংসদ সদস্য জনাব 'ক' প্রশ্ন করলেন, সরকার অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে কেন সফলতার মুখ দেখে না? মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী এর উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, দেশে সঠিক পরিসংখ্যান তথ্যের ব্যাপক অভাব রয়েছে। পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহকারীদের তেমন কোনো অভিজ্ঞতা নেই। এছাড়াও দেশে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ নেই। এসব কারণেই আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফলতার মুখ দেখে না ।
ক
বিকেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কী?

উত্তর

যে পরিকল্পনায় অর্থনীতির প্রতিটি বিভাগে নিচ থেকে আলাদা আলাদা পকিল্পনা করা হয় তাকে বিকেন্দ্রীয় পরিকল্পনা বলে।
খ
উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায়- বুঝিয়ে লেখ ।

উত্তর

একটি প্রতিনিধিত্বমূলক পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট দেশটির জন্য সবচেয়ে বেশি কাম্য। পরিকল্পনা এক অর্থে ভবিষ্যৎ দর্শন। বাংলাদেশের মতো জনসংখ্যাবহুল অর্থনীতির জন্য পরিকল্পিত উপায়ে বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, জনসংখ্যার গুণগত মান উন্নয়ন, তাদেরকে কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের দ্বারা জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব ।
গ
উদ্দীপকে মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রীর দেওয়া উত্তরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার যেসব সমস্যা প্রকাশিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর

উত্তর

উদ্দীপকের মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রীর দেওয়া উত্তরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার যে সমস্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে সেগুলো তুলে ধরা হলো— ১. পরিসংখ্যানের অভাব : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অনেক বেশি। সঠিক পরিসংখ্যান তথ্যের অভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয় । ২. অনভিজ্ঞ পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহকারী : বাংলাদেশে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ লোকের অভাব, খামখেয়ালিপনা ও জনসাধারণের অসহযোগিতার কারণে নির্ভুল পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা প্রায়ই সম্ভব হয় না । ৩. পরিকল্পনা বিশারদের অভাব : দেশে প্রতিযোগিতামূলকভাবে আধুনিক পরিকল্পনা প্রণয়নের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ বা পরিকল্পনা বিশারদের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বায়নের এ সময়ে টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ভিনদেশি পরিকল্পনা প্রণয়নকারীর সুপারিশ কতটুকু আমাদের দেশীয় স্বার্থ সুরক্ষা করবে তার নিশ্চয়তাও নেই ।
ঘ
উদ্দীপকের উক্ত সমস্যাগুলোর কারণেই কি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সফল হয় না বলে তুমি মনে কর— মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন কারণে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সফল হয় না। এসব সমস্যা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো- ১. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা : বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব রয়েছে। এদেশে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বড় বাধা ২. জনসংখ্যা বৃদ্ধি : জনসংখ্যা বৃদ্ধি মূলধন গঠনের হার ব্যাহত করে এবং সবসময় পরিকল্পনার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে । ৩. বৈদেশিক মুদ্রার অভাব : এদেশে বৈদেশিক মুদ্রার যথেষ্ট অভাব থাকায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হয় । ৪. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অদক্ষতা : এদেশে পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রেও নানারকম আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতি লক্ষ করা যায়। এ কারণে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন কিছুটা হলেও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। ৫. মুদ্রাস্ফীতির উচ্চহার : এদেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি বিরাজমান থাকায় গৃহীত পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সমস্যা সৃষ্টি হয়। ৬. বাস্তবধর্মী পরিকল্পনার অভাব : এদেশে প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যানের অভাব পরিকল্পনার কাল্পনিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এতে মূলধনের চাহিদা ও যোগানের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ব্যবধানের সৃষ্টি হয় এবং পরিকল্পনার কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করা যায় না । ৭. প্রশাসনিক দুর্বলতা : বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগে সৎ ও দক্ষ লোকের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। ফলে সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় না। সম্পদের অপচয় হয় ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তৃতাদানকালে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানালেন। তিনি বললেন, হাওরে অসময়ে বন্যায় এবং উত্তর অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি বন্যায় ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা মোকাবিলার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতেও খাদ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গবেষণার লক্ষ্যে ২০ বছরমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ক
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল লেখ ।

উত্তর

প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই থেকে ১৯৭৮ সালের ৩০ জুন ।
খ
উত্তম পরিকল্পনায় উৎপাদন কৌশল নিরূপণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

উত্তম পরিকল্পনায় উৎপাদন কৌশল নিরূপণ বলতে বোঝায় একটি উত্তম পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বা অভ্যন্তরে গৃহীত উৎপাদন কৌশল স্থির করা। উত্তম পরিকল্পনার অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা থাকে। ওই পরিকল্পনায় কীভাবে উক্ত উৎপাদনের মাত্রা পূরণ করা হবে তাও উল্লেখ থাকে। আর ওই সকল কৌশলকেই উত্তম পরিকল্পনায় উৎপাদনের কৌশল নিরূপণ বলে আখ্যায়িত করা হয় ।
গ
উদ্দীপকে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তৃতাদানকালে যে সমস্ত পরিকল্পনার কথা বলেছেন তার মেয়াদকাল ও উদ্দেশ্যসহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে যেসব পরিকল্পনার কথা বলেছেন তা হলো স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা, মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। পরিকল্পনাকে মূলত স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি এ তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এক বছর বা তার কম সময়ের জন্য প্রণীত পরিকল্পনাকে 'স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা' (Shortterm planning ) বলা হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাকে 'বার্ষিক পরিকল্পনাও' (Anual plan) বলা হয়। এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত সরকারের বার্ষিক বাজেট হিসাবের সাথে সংগতি রেখে প্রণয়ন করা হয় । পক্ষান্তরে, বছরের বেশি কিন্তু পাঁচ বছর বা তার কম সময়ের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় তাকে 'মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা' (Medium term planning) বলা হয়। বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাগুলো মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার শ্রেণিভুক্ত। পক্ষান্তরে, ১০, ১৫, ২০ বা ২৫ বছর মেয়াদের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় তাকে 'দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা' (Longterm planning) বলা হয়। এ ধরনের পরিকল্পনা একটি দেশের দীর্ঘকালীন উন্নয়নের রূপরেখা নির্দেশ করে । উন্নয়নশীল দেশে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। এসব দেশের প্রধান প্রধান সমস্যা হলো জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান, অর্থনীতির কাঠামোগত উন্নয়ন প্রভৃতি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যসমূহ অর্জনে প্রেক্ষিত পরিকল্পনার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তাই বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে ১৯৯০-২০১০ সাল পর্যন্ত একটি ২০ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। বর্তমানে ২০১০-২০২১ সাল মেয়াদি আরও একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে ।
ঘ
উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার যৌক্তিকতা মূল্যায়ন কর ।

উত্তর

উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে যে পরিকল্পনাটি গ্রহণ করা হয়েছে তা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। আর এক্ষেত্রে উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার যৌক্তিকতা রয়েছে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে এমন কিছু উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও প্রকল্প থাকে যেগুলো বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। উদ্দীপকের দেশের সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবায়নযোগ্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। সাধারণত ৫, ১৫, ২০ বছর মেয়াদের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। উদ্দীপকে সরকার ২০ বছর মেয়াদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উদ্দীপকের অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তৃতাদানকালে এ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, হাওরে অসময়ে বন্যায় এবং উত্তর অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি বন্যায় ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা মোকাবিলার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতেও খাদ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ধানের গবেষণার লক্ষ্যে ২০ বছর মেয়াদি প্রয়োজনীয় গবেষণার লক্ষ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে যে পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক । উপরিউক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তৃতাদানকালে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানালেন। তিনি বললেন, হাওরে অসময়ে বন্যায় এবং উত্তর অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি বন্যায় ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা মোকাবিলার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতেও খাদ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গবেষণার লক্ষ্যে ২০ বছরমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ক
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল লেখ ।

উত্তর

প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই থেকে ১৯৭৮ সালের ৩০ জুন ।
খ
উত্তম পরিকল্পনায় উৎপাদন কৌশল নিরূপণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

উত্তম পরিকল্পনায় উৎপাদন কৌশল নিরূপণ বলতে বোঝায় একটি উত্তম পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বা অভ্যন্তরে গৃহীত উৎপাদন কৌশল স্থির করা। উত্তম পরিকল্পনার অভ্যন্তরে নির্দিষ্ট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা থাকে। ওই পরিকল্পনায় কীভাবে উক্ত উৎপাদনের মাত্রা পূরণ করা হবে তাও উল্লেখ থাকে। আর ওই সকল কৌশলকেই উত্তম পরিকল্পনায় উৎপাদনের কৌশল নিরূপণ বলে আখ্যায়িত করা হয় ।
গ
উদ্দীপকে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তৃতাদানকালে যে সমস্ত পরিকল্পনার কথা বলেছেন তার মেয়াদকাল ও উদ্দেশ্যসহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে যেসব পরিকল্পনার কথা বলেছেন তা হলো স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা, মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। পরিকল্পনাকে মূলত স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি এ তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এক বছর বা তার কম সময়ের জন্য প্রণীত পরিকল্পনাকে 'স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা' (Shortterm planning ) বলা হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাকে 'বার্ষিক পরিকল্পনাও' (Anual plan) বলা হয়। এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত সরকারের বার্ষিক বাজেট হিসাবের সাথে সংগতি রেখে প্রণয়ন করা হয় । পক্ষান্তরে, বছরের বেশি কিন্তু পাঁচ বছর বা তার কম সময়ের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় তাকে 'মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা' (Medium term planning) বলা হয়। বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাগুলো মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার শ্রেণিভুক্ত। পক্ষান্তরে, ১০, ১৫, ২০ বা ২৫ বছর মেয়াদের জন্য যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় তাকে 'দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা' (Longterm planning) বলা হয়। এ ধরনের পরিকল্পনা একটি দেশের দীর্ঘকালীন উন্নয়নের রূপরেখা নির্দেশ করে । উন্নয়নশীল দেশে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। এসব দেশের প্রধান প্রধান সমস্যা হলো জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান, অর্থনীতির কাঠামোগত উন্নয়ন প্রভৃতি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যসমূহ অর্জনে প্রেক্ষিত পরিকল্পনার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তাই বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে ১৯৯০-২০১০ সাল পর্যন্ত একটি ২০ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। বর্তমানে ২০১০-২০২১ সাল মেয়াদি আরও একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে ।
ঘ
উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার যৌক্তিকতা মূল্যায়ন কর ।

উত্তর

উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে যে পরিকল্পনাটি গ্রহণ করা হয়েছে তা একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। আর এক্ষেত্রে উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার যৌক্তিকতা রয়েছে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে এমন কিছু উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও প্রকল্প থাকে যেগুলো বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। উদ্দীপকের দেশের সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবায়নযোগ্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বলে। সাধারণত ৫, ১৫, ২০ বছর মেয়াদের ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। উদ্দীপকে সরকার ২০ বছর মেয়াদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উদ্দীপকের অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তৃতাদানকালে এ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, হাওরে অসময়ে বন্যায় এবং উত্তর অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি বন্যায় ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা মোকাবিলার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতেও খাদ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ধানের গবেষণার লক্ষ্যে ২০ বছর মেয়াদি প্রয়োজনীয় গবেষণার লক্ষ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে যে পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক । উপরিউক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তা অবশ্যই যৌক্তিক ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আনিস ও আনিকা 'ক' দেশের নাগরিক। আনিসের বাবা ধনী। তাই আনিস বিদেশে পড়তে যায়। আনিকারা আট-ভাইবোন। বাবার আয় সামান্য। তাই আনিকারা পড়ালেখার পরিবর্তে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আনিসের বাবার তুলনায় আনিকাদের সম্পদ অতি সামান্য ।
ক
বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য এক বছরে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে বার্ষিক পরিকল্পনা বলে।
খ
উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন কেন?

উত্তর

একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশ বা অঞ্চলের সম্পদের সুষ্ঠু ও পক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে সুচিন্তিত ও পরিকল্পিত উপায়ে উন্নয়নের কর্মসূচি গ্রহণের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহীত হয়। উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশকে বর্তমান অবস্থা হতে ভবিষ্যৎ উন্নতির দির্ঘ্যে নিয়ে যায়।
গ
'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে কি? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, আনিসের বাবা ধনী। তাই আনিস বিদেশে পড়তে যায়। কিন্তু আনিকার আট ভাইবোন এবং ওর বাবার আয় সামান্য হওয়ায় সে পড়তেও পারে না। আবার অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। যদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ হতো তাহলে এতটা ধনবৈষম্য থাকত না। আবার আনিকাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হতো। আয় বণ্টনে । থাকত। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়ন হলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো যায়, জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায় এবং দারিদ্র্য দূর করা যায়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, আনিকারা আট ভাইবোন। যদি উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রয়োগ হতো তাহলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকত । কারণ উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সমতা উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, 'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে না ।
ঘ
'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি? যুক্তিসহকারে উত্তর দাও।

উত্তর

'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে সেক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। 'ক' দেশে আমরা জনসংখ্যাধিক্য দেখতে পাই। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশে জনগণের আয় কম ও জীবনযাত্রার মান নীচু, যা আমরা উদ্দীপকের 'ক' দেশে দেখতে পাই। এরূপ পরিস্থিতিতে জনগণের দারিদ্র্য নিবারণ, জীবনযাত্রার মান এবং আয় বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষির উন্নয়ন, নতুন শিল্প ও ভারী শিল্প স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সাক্ষরতার হার বাড়াতে হবে এবং স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন করতে হবে এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। দেশের জনশক্তির জন্য খাদ্য, পুষ্টি, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদি সুবিধাদানের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। উদ্দীপকে আমরা একটি বড় ধরনের পার্থক্য দেখতে পাই। আর 'সেটা হলো ব্যাপক ধনবৈষম্য। সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে আয় বণ্টন/সম্পদ বণ্টনের অসমতা দূর করতে হবে । এক্ষেত্রে হঠাৎ করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় । এজন্য ধীরে ধীরে এগোতে হবে। শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না, বরং তার সঠিক বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রথমত খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পরবর্তীতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্প, কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। আর এভাবেই উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটানো যাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আনিস ও আনিকা 'ক' দেশের নাগরিক। আনিসের বাবা ধনী। তাই আনিস বিদেশে পড়তে যায়। আনিকারা আট-ভাইবোন। বাবার আয় সামান্য। তাই আনিকারা পড়ালেখার পরিবর্তে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আনিসের বাবার তুলনায় আনিকাদের সম্পদ অতি সামান্য ।
ক
বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য এক বছরে যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তাকে বার্ষিক পরিকল্পনা বলে।
খ
উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন কেন?

উত্তর

একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশ বা অঞ্চলের সম্পদের সুষ্ঠু ও পক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে সুচিন্তিত ও পরিকল্পিত উপায়ে উন্নয়নের কর্মসূচি গ্রহণের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহীত হয়। উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশকে বর্তমান অবস্থা হতে ভবিষ্যৎ উন্নতির দির্ঘ্যে নিয়ে যায়।
গ
'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে কি? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, আনিসের বাবা ধনী। তাই আনিস বিদেশে পড়তে যায়। কিন্তু আনিকার আট ভাইবোন এবং ওর বাবার আয় সামান্য হওয়ায় সে পড়তেও পারে না। আবার অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। যদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ হতো তাহলে এতটা ধনবৈষম্য থাকত না। আবার আনিকাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হতো। আয় বণ্টনে । থাকত। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়ন হলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো যায়, জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায় এবং দারিদ্র্য দূর করা যায়। উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই, আনিকারা আট ভাইবোন। যদি উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রয়োগ হতো তাহলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকত । কারণ উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সমতা উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, 'ক' দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে না ।
ঘ
'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি? যুক্তিসহকারে উত্তর দাও।

উত্তর

'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে সেক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। 'ক' দেশে আমরা জনসংখ্যাধিক্য দেখতে পাই। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশে জনগণের আয় কম ও জীবনযাত্রার মান নীচু, যা আমরা উদ্দীপকের 'ক' দেশে দেখতে পাই। এরূপ পরিস্থিতিতে জনগণের দারিদ্র্য নিবারণ, জীবনযাত্রার মান এবং আয় বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষির উন্নয়ন, নতুন শিল্প ও ভারী শিল্প স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সাক্ষরতার হার বাড়াতে হবে এবং স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন করতে হবে এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। দেশের জনশক্তির জন্য খাদ্য, পুষ্টি, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদি সুবিধাদানের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। উদ্দীপকে আমরা একটি বড় ধরনের পার্থক্য দেখতে পাই। আর 'সেটা হলো ব্যাপক ধনবৈষম্য। সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে আয় বণ্টন/সম্পদ বণ্টনের অসমতা দূর করতে হবে । এক্ষেত্রে হঠাৎ করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় । এজন্য ধীরে ধীরে এগোতে হবে। শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না, বরং তার সঠিক বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রথমত খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পরবর্তীতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্প, কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। আর এভাবেই উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটানো যাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো