'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি? যুক্তিসহকারে উত্তর দাও।
উত্তর: 'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে সেক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। 'ক' দেশে আমরা জনসংখ্যাধিক্য দেখতে পাই। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। উন্নয়নশীল দেশে জনগণের আয় কম ও জীবনযাত্রার মান নীচু, যা আমরা উদ্দীপকের 'ক' দেশে দেখতে পাই। এরূপ পরিস্থিতিতে জনগণের দারিদ্র্য নিবারণ, জীবনযাত্রার মান এবং আয় বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষির উন্নয়ন, নতুন শিল্প ও ভারী শিল্প স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সাক্ষরতার হার বাড়াতে হবে এবং স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন করতে হবে এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। দেশের জনশক্তির জন্য খাদ্য, পুষ্টি, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদি সুবিধাদানের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। উদ্দীপকে আমরা একটি বড় ধরনের পার্থক্য দেখতে পাই। আর 'সেটা হলো ব্যাপক ধনবৈষম্য। সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে আয় বণ্টন/সম্পদ বণ্টনের অসমতা দূর করতে হবে । এক্ষেত্রে হঠাৎ করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় । এজন্য ধীরে ধীরে এগোতে হবে। শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না, বরং তার সঠিক বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রথমত খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পরবর্তীতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্প, কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। আর এভাবেই উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটানো যাবে।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 10 : উন্নয়ন পরিকল্পনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 10 : উন্নয়ন পরিকল্পনা · সৃজনশীল
'ক' দেশে সুষম উন্নয়ন ঘটাতে হলে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ অত…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর