একটি স্থির তরঙ্গ—
ক. দু'টি সদৃশ বিপরীত দিকে অগ্রসরমান তরঙ্গের সাহায্যে গঠন করা যায়
খ. অবশ্যই আড় তরঙ্গ
গ. অবশ্যই দীঘল তরঙ্গ
ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: দু'টি সদৃশ বিপরীত দিকে অগ্রসরমান তরঙ্গের সাহায্যে গঠন করা যায়
ব্যাখ্যা: স্থির তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যসমূহ : ১. স্থির তরঙ্গের তরঙ্গ শীর্ষ ও তরঙ্গ পাদ অথবা সঙ্কোচন ও প্রসারণ একযোগে সামনের দিকে অগ্রসর হয় না। মাধ্যমের একটি সীমিত অঞ্চলেই এরা পর্যায়ক্রমে উৎপন্ন এবং বিলুপ্ত হয়। ২. তরঙ্গের বিভিন্ন বিন্দুতে কম্পনের বিস্তার বিভিন্ন। যে সকল বিন্দুতে কম্পনের বিস্তার শূন্য ঐ সকল বিন্দুকে নিস্পন্দ বিন্দু বলা হয় এবং সে সকল বিন্দুতে বিস্তার সর্বোচ্চ সে সকল বিন্দুকে সুস্পন্দ বিন্দু বলে। ৩. নিস্পন্দ বিন্দু ছাড়া অন্য সকল স্থানে কণাগুলো সরল ছন্দিত স্পন্দন গতি লাভ করে। ৪. সুস্পন্দ বিন্দুর কণার বিস্তার তরঙ্গ সৃষ্টিকারী মূল তরঙ্গস্থিত কণার বিস্তারের দ্বিগুণ। ৫. পরপর দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যস্থিত সব কণাগুলোর সরণ একই দিকে হয়। এরূপ অংশকে বলা হয় ফাঁস বা লুপ। ৬. পাশাপাশি দুইটি নিঃস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী সব কণাই সমান দশায় থাকে। ৭. পরপর দুটি লুপের কণাগুলোর সরণ বিপরীত দিকে হয়। ৮. স্থির তরঙ্গের বেলায় সুস্পন্দ বিন্দুতে চাপের পরিবর্তন তথা ঘনত্বের পরিবর্তন সর্বাধিক; আবার নিস্পন্দ বিন্দুতে চাপের পরিবর্তন তথা ঘনত্বের পরিবর্তন সর্বনিম্ন। ৯. স্থির তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্ক মূল তরঙ্গের যেকোনো একটির তরঙ্গদের্ঘ্য ও কম্পাঙ্কের সমান।
Admission RU C প্রশ্নব্যাংক ২০১৫-২০১৬ MCQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
Admission · RU C প্রশ্নব্যাংক · ২০১৫-২০১৬ · MCQ