উদ্দীপকের শুকুর মিয়ার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে 'ঝর্ণার গান' কবিতার বৈসাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকের শুকুর মিয়ার কর্মকান্ডের সঙ্গে 'ঝর্ণার গান' কবিতার অবস্থানগত ও প্রেক্ষাপটের বৈসাদৃশ্য রয়েছে অনেকটা। 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনাকে একা পথিকের রূপে দেখানো হয়েছে। সে একা গায়, একা ছুটে চলে, নিজের ছন্দেই নিজেকে মাতায়। এখানে স্বাধীনতা ও আত্মপ্রকাশের প্রতীক হিসেবে ঝরনা চিত্রিত হয়েছে- যে কারও-অনুমতি ছাড়াই নিজের আনন্দে ভরে ওঠে। উদ্দীপকের শুকুর মিয়া সারা দিনের কাজ শেষে প্রতি সন্ধ্যায় পুঁথি পাঠ করেন। মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য তিনি পুঁথি রচনা করেন এবং তা পড়ে শুনিয়ে মানুষকে আনন্দ দেন। এখানে তার পুঁথি সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য মানুষের মনে আনন্দের সৃষ্টি করা। শুকুর মিয়া ও তার সৃষ্ট পুঁথি কোনোটিই প্রাকৃতিক উপাদান নয়। 'ঝর্ণার গান' কবিতায় ঝরনা পাহাড়ের নিস্তব্ধতা ভেদ করে, নির্জন দুপুরের ভয়াবহতা ঠেলে নিজের প্রাকৃতিক নিয়মে আছড়ে পড়ে পাথরের বুকে তার সর্বস্ব নিয়ে। তার এই চলা অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। আমাদের চোখ জুড়িয়ে যায়। এখানে ঝরনা প্রকৃতির উপাদান ও সৃষ্টি। এভাবে উদ্দীপকের শুকুর মিয়ার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে 'ঝর্ণার গান' কবিতার অবস্থানগত ও প্রেক্ষাপটের বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।
SSC বাংলা ১ম পত্র ঝর্ণার গান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · ঝর্ণার গান · সৃজনশীল
উদ্দীপকের শুকুর মিয়ার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে 'ঝর্ণার গান' কবিতার বৈসাদৃশ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

