শেয়ারFacebookWhatsApp

ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় যদি চেয়ারম্যান সাহেবের মানসিকতা ধারণ করতেন, তাহলে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো- তুমি কি এর সাথে একমত? তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: ঠাকুরদাস মুখয্যে ও অধর রায় যদি চেয়ারম্যান সাহেবের মানসিকতা ধারণ করতেন, তাহলে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো- আমি এর সাথে একমত। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তাই মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ও বৈষম্য সবচেয়ে দুঃখজনক। সমাজের একশ্রেণির মানুষ এ বৈষম্য সৃষ্টি করে। যদি এই বৈষম্য ও বিভেদ না থাকত তবে সমাজ অনেক সুন্দর হতো। উদ্দীপকে আমরা দেখি, নন্দীপুর এলাকার চেয়ারম্যান মানিক সরকার একজন মহৎ ও উদার ব্যক্তি। তিনি জাতপাতের উর্ধ্বে উঠে মানুষকে সম্মান দিয়েছেন। মিথ্যা গৌরব-মর্যাদায় আঁকড়ে না থেকে একজন অসহায় বর্গাচাষির সৎকারের ব্যবস্থা করেন। তাদের ধর্মীয় বিধি অনুসারে হরিপদের সৎকারের ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে প্রকাশ করেন সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার চেতনা। অন্যদিকে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে আমরা দেখি সামন্তপ্রভুদের নিষ্ঠুর রূপ। ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায়ের নিষ্ঠুরতায় কাঙালী পারেনি তার মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতে, পারেনি কাঠের অভাবে মায়ের সৎকার করতে। কিন্তু যদি ঠাকুরদাস ও অধর রায় মানিক সরকারের চেতনাকে ধারণ করতেন তবে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো। 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সামন্তবাদী মনোভাব ও বৈষম্যপূর্ণ মানসিকতার কারণে মায়ের সৎকারে কাঙালীকে সাহায্য করেনি। কিন্তু উদ্দীপকের মানিক সরকার মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষ হওয়ায় দীপালীকে বুকে টেনে নিয়েছেন। তার পিতার সৎকার করেছেন। তাই বলা যায় যে, ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় যদি মানিক সরকারের মতো মানসিকতা ধারণ করতেন তাহলে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো- আমি এর সাথে একমত।

SSC বাংলা ১ম পত্র অভাগীর স্বর্গ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · অভাগীর স্বর্গ · সৃজনশীল

ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় যদি চেয়ারম্যান সাহেবের মানসিকতা ধারণ কর…

উদ্দীপক

নন্দীপুর এলাকার চেয়ারম্যান মানিক সরকার। সম্প্রতি তার বাবার মৃত্যুর পর কুলখানিতে দশ গ্রামের মানুষকে দাওয়াত করে খাওয়ালেন। সবাই প্রাণভরে দোয়া করে গেল। কদিন পরেই মায়া গেলেন ঐ এলাকার দরিদ্র বর্গাচাষি হরিপদ বিশ্বাস। বাবার মৃত্যুশোর এবং সৎকারের চিন্তায় তার একমাত্র মেয়ে দীপালী কান্নায় ভেঙে পড়ল। পিতৃহারা অসহায় কিশোরীর শোকের মাতমে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠল। খবর পেয়ে হরিপদের বাড়িতে ছুটে গেলেন মানিক সরকার। মেয়েকে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিলেন এবং তাদের ধর্মীয় বিধি-বিধান অনুসারে হরিপদের সৎকারের সুব্যবস্থা করলেন।

Barisal · 2017

উত্তর

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'জগত্তারিণী পদক প্রদান করেছিল।

উত্তর

'অভাগীর জীবননাট্যের শেষ অঙ্ক' বলতে অভাগীর হতভাগ জীবনের শেষ সময়ের কথা বলা হয়েছে। দুলের মেয়ে অভাগী রোগশয্যায় শায়িত। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা হচ্ছে না। একমাত্র ছেলেটিও ছোট। তার ছেলে কাঙালী তাকে ঘটি বাঁধা দিয়ে ওষুধ এনে খাওয়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু অভাগী খায় না। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। লেখক তাই অভাগীর জীবননাটোর শেষ অঙ্ক বলতে অভাগীর হতভাগ্য জীবন শেষ হওয়ার আশঙ্কার কথা বলেন।

উত্তর

উদ্দীপকের বক্তব্য 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে সমাজ-বাস্তবতার নির্মম দিকের সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। তৎকালীন হিন্দু সমাজে জাত-পাতের ঘৃণ্য রূপ প্রবলভাবে প্রকাশিত হয়। জাত-বৈষম্য মানুষকে মানবিকতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখত। কিন্তু সমাজে ভালো মানুষও বসবাস করে। যাদের মধ্যে মানবতা বা মানবিকতা অক্ষুন্ন থাকে সবসময়। 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে জাতপ্রথার ঘৃণ্য দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। অভাগী নীচ জাতের মেয়ে বলে ব্রাহ্মণের স্ত্রীর শবযাত্রা কাছে গিয়ে দেখতে পারেনি। মৃত্যুর পর তার একমাত্র সন্তান তার শেষ ইচ্ছা পূরণের লক্ষ্যে দৌড়াদৌড়ি করেও জোগাড় করতে পারেনি সৎকারের জন্য কাঠ। সামন্তবাদের নির্মম রূপ ফুটে উঠেছে গল্পটিতে। অন্যদিকে উদ্দীপকে ঠিক এর ভিন্ন রূপের প্রকাশ ঘটে। মানিক সরকার একজন চেয়ারম্যান। সমস্ত ধর্মীয় সংস্কারের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি একজন দরিদ্র বর্গাচাষি হরিপদ বিশ্বাসের অসহায় মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরেন, যার মধ্য দিয়ে মানবতার জয়গান প্রকাশ পেয়েছে। হরিপদের সৎকারের সুব্যবস্থা করে তিনি একদিকে যেমন ধর্মীয় গোঁড়ামিতে কুঠারাঘাত করেন। অন্যদিকে সামন্তবাদের ও জাতিভেদ প্রথার নির্মম রূপকে পদাঘাত করেন। তাই আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকের বক্তব্য 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের সমাজ-বাস্তবতার নির্মম দিকের সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

ঠাকুরদাস মুখয্যে ও অধর রায় যদি চেয়ারম্যান সাহেবের মানসিকতা ধারণ করতেন, তাহলে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো- আমি এর সাথে একমত। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তাই মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ও বৈষম্য সবচেয়ে দুঃখজনক। সমাজের একশ্রেণির মানুষ এ বৈষম্য সৃষ্টি করে। যদি এই বৈষম্য ও বিভেদ না থাকত তবে সমাজ অনেক সুন্দর হতো। উদ্দীপকে আমরা দেখি, নন্দীপুর এলাকার চেয়ারম্যান মানিক সরকার একজন মহৎ ও উদার ব্যক্তি। তিনি জাতপাতের উর্ধ্বে উঠে মানুষকে সম্মান দিয়েছেন। মিথ্যা গৌরব-মর্যাদায় আঁকড়ে না থেকে একজন অসহায় বর্গাচাষির সৎকারের ব্যবস্থা করেন। তাদের ধর্মীয় বিধি অনুসারে হরিপদের সৎকারের ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে প্রকাশ করেন সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার চেতনা। অন্যদিকে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে আমরা দেখি সামন্তপ্রভুদের নিষ্ঠুর রূপ। ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায়ের নিষ্ঠুরতায় কাঙালী পারেনি তার মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতে, পারেনি কাঠের অভাবে মায়ের সৎকার করতে। কিন্তু যদি ঠাকুরদাস ও অধর রায় মানিক সরকারের চেতনাকে ধারণ করতেন তবে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো। 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সামন্তবাদী মনোভাব ও বৈষম্যপূর্ণ মানসিকতার কারণে মায়ের সৎকারে কাঙালীকে সাহায্য করেনি। কিন্তু উদ্দীপকের মানিক সরকার মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষ হওয়ায় দীপালীকে বুকে টেনে নিয়েছেন। তার পিতার সৎকার করেছেন। তাই বলা যায় যে, ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় যদি মানিক সরকারের মতো মানসিকতা ধারণ করতেন তাহলে 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো- আমি এর সাথে একমত।
SSCবাংলা ১ম পত্রঅভাগীর স্বর্গ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দশ বছরের মা মরা মেয়ে রাবেয়া গৃহকর্মীর কাজ করে নিজের এবং অসুস্থ বাবার অন্ন সংস্থান করে। চিকিৎসার অভাবে রাবেয়াকে ছেড়ে একদিন বাবা ইহধাম ত্যাগ করেন। দাফন কাফনের খরচ এবং কবরের জায়গা না থাকায় রাবেয়া গাঁয়ের মোড়লের সহযোগিতা চেয়ে খালি হাতে ফিরে আসে। অনন্যোপায় হয়ে বাবার মৃতদেহের পাশে বসে কাঁদতে থাকে। প্রতিবেশী মনসুর এ খবর পেয়ে রাবেয়ার পাশে দাঁড়ায় এবং যাবতীয় ব্যবস্থা করে। [ রাজশাহী বোর্ড ২০১৫]
গ্রামের শ্মশানটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
"তোর হাতের আগুন যদি পাই বাবা, বামুন-মার মত আমিও সগ্যে যেতে পাবো।"- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
"উদ্দীপকে মনসুর এবং 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের গোমস্তা অধর রায় একে অন্যের বিপরীত"- ব্যাখ্যা কর।
"উদ্দীপকে ফুটে ওঠা বিষয়টি ছাড়াও 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে অন্যান্য বিষয়ের আলোচনা রয়েছে"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দশ বছরের মা মরা মেয়ে রাবেয়া গৃহকর্মীর কাজ করে নিজের এবং অসুস্থ বাবার অন্ন সংস্থান করে। চিকিৎসার অভাবে রাবেয়াকে ছেড়ে একদিন বাবা ইহধাম ত্যাগ করেন। দাফন কাফনের খরচ এবং কবরের জায়গা না থাকায় রাবেয়া গাঁয়ের মোড়লের সহযোগিতা চেয়ে খালি হাতে ফিরে আসে। অনন্যোপায় হয়ে বাবার মৃতদেহের পাশে বসে কাঁদতে থাকে। প্রতিবেশী মনসুর এ খবর পেয়ে রাবেয়ার পাশে দাঁড়ায় এবং যাবতীয় ব্যবস্থা করে। [ রাজশাহী বোর্ড ২০১৫]
গ্রামের শ্মশানটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
"তোর হাতের আগুন যদি পাই বাবা, বামুন-মার মত আমিও সগ্যে যেতে পাবো।"- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
"উদ্দীপকে মনসুর এবং 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের গোমস্তা অধর রায় একে অন্যের বিপরীত"- ব্যাখ্যা কর।
"উদ্দীপকে ফুটে ওঠা বিষয়টি ছাড়াও 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে অন্যান্য বিষয়ের আলোচনা রয়েছে"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."তোর হাতের আগুন যদি পাই বাবা, বামুন-মার মত আমিও সগ্যে যেতে পাবো।"- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

"তোর হাতের আগুন যদি পাই বাবা, বামুন-মার মত আমিও সগ্যে যেতে পাবো।"- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.গ্রামের শ্মশানটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

গ্রামের শ্মশানটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য জীব ! ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব । আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট, তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।

Rajshahi · 2016

'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে জমিদারের গোমস্তার নাম কী?
'রসিক হতবুদ্ধির মত দাঁড়াইয়া রহিল' কেন?
উদ্দীপকের চণ্ডাল 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের কাঙালীর প্রতিনিধি।"- ব্যাখ্যা কর।
'উদ্দীপকে ফুটে ওঠা মনোভাবই 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে লেখকের প্রত্যাশা।"- মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ও কে ? চন্ডাল ? চমকাও কেন ? নহে ও ঘৃণ্য জীব ! ওই হতে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব । আজ চন্ডাল, কাল হতে পারে মহাযোগী-সম্রাট, তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।

Rajshahi · 2016

'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে জমিদারের গোমস্তার নাম কী?
'রসিক হতবুদ্ধির মত দাঁড়াইয়া রহিল' কেন?
উদ্দীপকের চণ্ডাল 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের কাঙালীর প্রতিনিধি।"- ব্যাখ্যা কর।
'উদ্দীপকে ফুটে ওঠা মনোভাবই 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে লেখকের প্রত্যাশা।"- মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'রসিক হতবুদ্ধির মত দাঁড়াইয়া রহিল' কেন?

'রসিক হতবুদ্ধির মত দাঁড়াইয়া রহিল' কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে জমিদারের গোমস্তার নাম কী?

'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে জমিদারের গোমস্তার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) "দেখিনু সেদিন রেলে- কুলি বলে এক বাবুসাব তারে ঠেলে দিলে নিচে ফেলে" (ii) "কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাখি? হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিয়েছেন দিবা-রাতি। অথবা হয়তো কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে, আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,"

Dinajpur · 2017

'সব ব্যাটারাই এখন বামুন কায়েত হতে চায়"- কথাটি কে বলেছিল?
নাপিত কাঙালীর মায়ের হাত দেখে মুখ গম্ভীর করল কেন?
উদ্ধৃতি (i)-এ 'অভাগীর স্বর্ণ' গল্পের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
উদ্ধৃতি (ii)-এর কবি এবং 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের লেখক উভয়ের মধ্যে সমাজের দরিদ্র ও নিচু শ্রেণির মানুষের প্রতি সহমর্মিতা লক্ষণীয়'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) "দেখিনু সেদিন রেলে- কুলি বলে এক বাবুসাব তারে ঠেলে দিলে নিচে ফেলে" (ii) "কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাখি? হয়তো উহারই বুকে ভগবান জাগিয়েছেন দিবা-রাতি। অথবা হয়তো কিছুই নহে সে, মহান উচ্চ নহে, আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,"

Dinajpur · 2017

'সব ব্যাটারাই এখন বামুন কায়েত হতে চায়"- কথাটি কে বলেছিল?
নাপিত কাঙালীর মায়ের হাত দেখে মুখ গম্ভীর করল কেন?
উদ্ধৃতি (i)-এ 'অভাগীর স্বর্ণ' গল্পের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
উদ্ধৃতি (ii)-এর কবি এবং 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের লেখক উভয়ের মধ্যে সমাজের দরিদ্র ও নিচু শ্রেণির মানুষের প্রতি সহমর্মিতা লক্ষণীয়'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নাপিত কাঙালীর মায়ের হাত দেখে মুখ গম্ভীর করল কেন?

নাপিত কাঙালীর মায়ের হাত দেখে মুখ গম্ভীর করল কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'সব ব্যাটারাই এখন বামুন কায়েত হতে চায়"- কথাটি কে বলেছিল?

'সব ব্যাটারাই এখন বামুন কায়েত হতে চায়"- কথাটি কে বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকে ফুটে ওঠা বিষয়টি ছাড়াও 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে অন্যান্য বিষয়ের আলোচনা রয়ে"উদ্দীপকে মনসুর এবং 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের গোমস্তা অধর রায় একে অন্যের বিপরীত"- ব"তোর হাতের আগুন যদি পাই বাবা, বামুন-মার মত আমিও সগ্যে যেতে পাবো।"- উক্তিটি বুঝিয়গ্রামের শ্মশানটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?'উদ্দীপকে ফুটে ওঠা মনোভাবই 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে লেখকের প্রত্যাশা।"- মূল্যায়ন করউদ্দীপকের চণ্ডাল 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের কাঙালীর প্রতিনিধি।"- ব্যাখ্যা কর।'রসিক হতবুদ্ধির মত দাঁড়াইয়া রহিল' কেন?'অভাগীর স্বর্গ' গল্পে জমিদারের গোমস্তার নাম কী?উদ্ধৃতি (ii)-এর কবি এবং 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের লেখক উভয়ের মধ্যে সমাজের দরিদ্র ও উদ্ধৃতি (i)-এ 'অভাগীর স্বর্ণ' গল্পের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।নাপিত কাঙালীর মায়ের হাত দেখে মুখ গম্ভীর করল কেন?'সব ব্যাটারাই এখন বামুন কায়েত হতে চায়"- কথাটি কে বলেছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।