শেয়ারFacebookWhatsApp

মানবকল্যাণে বিজ্ঞান

উত্তর: ভূমিকা: বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। বিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কারের সূত্র ধরে জন্ম নিয়েছে আধুনিক যুগ। মানুষ তার যুগযুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার অনবদ্য ফসল দিয়ে সভ্যতার এ বিশাল ইমারত গড়ে তুলেছে। তিল তিল প্রাণশক্তি এবং বিন্দু বিন্দু রক্ত দিয়ে মানুষ রচনা করেছে সভ্যতার এ তিলোত্তমা-মূর্তি। যে সভ্যতার বেদিমূলে রয়েছে বাহুর শক্তি, মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান মানুষের অতন্দ্র সাধনার ফসল। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে বেগ, সভ্যতার পদক্ষেপকে করেছে দ্রুততর। পৃথিবীকে করেছে ছোট। মানুষকে দিয়েছে অনিঃশেষ শক্তির অপরিমেয় অহমিকা। বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার: প্রাচীন যুগের সেই অসহায় মানুষ আজ অসীম শক্তিধর। হিংস্র পশুর হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য পাথর আর গাছের ডাল ব্যবহার করতে করতে একসময় বল্লম, তীর, ধনুক, ঢাল, তলোয়ারের ব্যবহার করতে শিখেছে তারা। আধুনিক বিজ্ঞান সময় ও দূরত্বকে জয় করেছে। জেম্স ওয়াট স্টিম ইঞ্জিন ও জর্জ স্টিভেনস্স্স রেলগাড়ি আবিষ্কার করেছেন। বিজ্ঞানের বলে মানুষ জল, স্থল ও অন্তরিক্ষ জয় করেছে। বিজ্ঞান মানুষের সংকট নিবারণের ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের বহু অভাবনীয় কৌশল আবিষ্কার করেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতিতে আজ অধিকাংশ দুরারোগ্য ব্যাধি হয়েছে চিকিৎসাযোগ্য। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: বিজ্ঞানের ঐন্দ্রজালিক শক্তিবলে মানুষ উদ্দাম, উচ্ছৃঙ্খল নদীর গ্রোতকে বশীভূত করে ঊষর মরু-প্রান্তরকে করেছে জলসিক্ত, ভূগর্ভের সঞ্চিত শস্য সম্ভাবনাকে করে তুলেছে উজ্জ্বল। পাষাণী ধরিত্রীর সর্বদেহে সঞ্চারিত করে দিয়েছে অপূর্ব প্রাণ-স্পন্দন। বিজ্ঞান আজ উর্বরতা দিয়ে ক্ষয়িষ্ণু বসুধাকে শস্যবর্তী করে তুলেছে, শিল্পশৈলীর নব নব প্রবর্তনে উৎপাদন-জগতে এনেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। প্রাগৈতিহাসিক মানবের অগ্নি-প্রজ্বলন কৌশল আয়ত্ত করার দিন থেকে আধুনিক পাথফাইন্ডার মহাকাশযানের যুগ পর্যন্ত মানুষের অতন্দ্র সাধনা বিজ্ঞানকে করেছে সমৃদ্ধ, সভ্যতাকে করেছে জঙ্গম। বাষ্পীয় শক্তিকে করেছে বিজ্ঞান আজ বশীভূত, আকাশের বিদ্যুৎকে করেছে করায়ত্ত; মুঠিতে পুরে নিয়েছে আণবিক ও পারমাণবিক শক্তিকে। দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান: বিজ্ঞান আমাদের জীবনকে বিস্তৃতি দিয়েছে। সুদূরকে করেছে নিকট। ঘুচিয়ে দিয়েছে স্থানিক এবং মানসিক সংকীর্ণতা। প্রতিদিন প্রভাত কলরবের সঙ্গে সঙ্গে সংবাদপত্র আমাদের ঘরে পৌঁছে দেয় বিশ্বের অসংখ্য সংবাদ কণিকা। বেতারে ধ্বনিত হয় বিশ্ববার্তা। দূরদর্শনের পর্দায় ভেসে ওঠে পৃথিবীর দূরদূরান্তের ছবি, নিখিল মানুষের চলমান স্রোত। ঘুম থেকে উঠে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞান শক্তির অকৃপণ দাক্ষিণ্য লাভ করতে করতে চলেছি আমরা। আমাদের দিনযাপনের প্রতিটি মুহূর্তকে সমৃদ্ধ করে তুলেছে বিজ্ঞান। অভ্যস্ত জীবনধারায় কোনো ছন্দপতন ঘটলেই আমরা উপলব্ধি করি, প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের ভূমিকা কতখানি ব্যাপক ও গভীর। হঠাৎ যখন বিদ্যুতের অভাবে আলোকোজ্জ্বল রাত্রি গভীর অন্ধকারে ডুবে যায়, তখনই বুঝতে পারি বিজ্ঞান আমাদের কতটা দিয়েছে। পরিধেয় বস্ত্র থেকে ঘরবাড়ি, পথঘাট, ওষুধপত্র, কৃষিজ, খনিজ, ভোগ্যপণ্য সবই তো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার ফসল। বস্তুত আমাদের বর্তমান জীবনটাই বিজ্ঞান-নিয়ন্ত্রিত। চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান: চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান আজ যুগান্তর এনেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ফলে দুরারোগ্য ব্যাধিতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। স্টেপটোমাইসিন, পেনিসিলিন, এক্স-রে প্রভৃতি মৃত্যুপথযাত্রীকে দান করেছে নিশ্চিত বিশ্বাস ও আশা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ফলে মানবদেহের অভ্যন্তরস্থ ফুসফুস, পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, বৃক্ক, ধমনি, শিরা ইত্যাদির নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় করা যায়। অতিকম্পনশীল প্রযুক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানকে নিয়ে এসেছে সর্বাধুনিক পর্যায়ে। শিল্পক্ষেত্রে বিজ্ঞান: শিল্প-কারখানায় মানুষের হাতের কাজকে বিজ্ঞান অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। ইতোপূর্বে শিল্প-কারখানায় সমস্ত কাজই হাতে করা হতো। বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে এখন সময় কম ব্যয় হচ্ছে, খরচ কম পড়ছে এবং উৎপাদন হচ্ছে অধিক। কৃষিক্ষেত্রে: বিজ্ঞানের ছোঁয়া কৃষিক্ষেত্রেও বিস্ময়কর প্রভাব বিস্তার করেছে। প্রাচীন ভোঁতা লাঙলের পরিবর্তে আজ ব্যবহৃত হচ্ছে উন্নতমানের কলের লাঙল ও ট্রাক্টর। পঁচা আবর্জনা ও গোবরের সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক রাসায়নিক সার। গবেষণার মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে উন্নতমানের বীজ। সুতরাং বলা যায়, কৃষিক্ষেত্রেও বিজ্ঞান মহাবিপ্লব এনেছে। জ্ঞানচর্চার সুযোগ সৃষ্টি: মুদ্রণযন্ত্র ও কম্পিউটারের আবিষ্কার মানুষের জ্ঞানচর্চাকে করেছে সহজতর। মানুষের চিন্তাচেতনা খুব সহজে মুদ্রণযন্ত্রের সাহায্যে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, ফটোস্ট্যাস্ট মেশিনের সাহায্যে অতি অল্প সময়ে শত শত পাতার ফটোকপি করা সম্ভব হচ্ছে। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আনন্দদানের পাশাপাশি শিক্ষাদানও চলছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও জাতীয় চেতনাকে উজ্জীবিত করার জন্য চলচ্চিত্র, সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, আজ বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষাব্যবস্থাসহ সকল ক্ষেত্রে যুগান্তরকারী পরিবর্তন এনেছে কম্পিউটার। বিজ্ঞানের সর্বধ্বংসী অকল্যাণমূর্তি: যে বিজ্ঞান সভ্যতার শরীরে জীবন প্রতিষ্ঠা করেছে, আজ তার বিনাশেও সে মেতে উঠেছে। বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত দুটি মহাযুদ্ধের ভায়াবহ ধ্বংসলীলা বিজ্ঞানের দানবীয় শক্তি সম্বন্ধে মানুষের মনে এনেছে এক ঘোরতর আতঙ্ক। পারমাণবিক বোমা, হাইড্রোজেন বোমা, ডিনামাইট, বোমারু বিমান, ট্যাঙ্ক, সাবমেরিন ইত্যাদি আবিষ্কারের ফলে মানবজীবনে বিজ্ঞান অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানকালে বিজ্ঞান কী চায়? জীবন না মৃত্যু? আজ পৃথিবীর মানুষের মনে জেগেছে এ অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কিন্তু বিজ্ঞানের এ বিধ্বংসীরূপের জন্য বিজ্ঞান দায়ী নয়। বরং যারা একে নিজেদের সার্থে ব্যবহার করছে তারাই দায়ী। উপসংহার: অসীম সম্ভাবনাময় বিজ্ঞান বিশ্বের মুষ্টিমেয় স্বার্থপর নরঘাতকের জন্য আজ সমাজের সার্বিক দুঃখ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞান যদি সর্বধ্বংসী মারণাস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত হয়ে কেবল মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তবেই মানুষের দুঃখ রজনীর অবসান হবে। হিংস্রতার রক্ত বিপ্লবের হাত থেকে রক্ষা পাবে ধরিত্রী।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৯ : প্রবন্ধ রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৯ : প্রবন্ধ রচনা · সৃজনশীল

মানবকল্যাণে বিজ্ঞান

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Barisal · 2019

উত্তর

ভূমিকা: কোনো দেশ বা জাতির সামগ্রিক উন্নতি ও কল্যাণের জন্য শুধু পুরুষ নয়, সমাজের অর্ধশক্তি নারীকেও পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করতে হবে। তাই একটি দেশের উন্নয়নে নারীর অবদানকে কোনোক্রমেই অস্বীকার করা যায় না। সমাজের উন্নয়নের সব দায়িত্ব পুরুষের কাঁধে চাপিয়ে নারীরা গৃহকোণে বন্দি থাকবে, এটা আধুনিক যুগে কল্পনা করা যায় না। কোনো বিশেষ জাতি বলতে যে জনসমাজ বোঝায়, সেখানে নারী-পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ বিদ্যমান। প্রাচীনকাল থেকেই সভ্যতা গড়ে ওঠার পেছনে। পুরুষকে সব কাজে সহায়তা, প্রেরণা জুগিয়েছে নারী। অনেকে নারীকে ও নারী শিক্ষাকে অবহেলার চোখে দেখে। তারা মনে করে নারীরা দেশের কোনো কাজে লাগে না- তাদের এ ধারণা ভুল। কেননা, নারীরা সংসার ছাড়াও দেশের কাজে পুরুষের সমান দক্ষতায় যেকোনো কর্মকাণ্ড সম্পাদন করতে সক্ষম। দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য নর ও নারী উভয়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই তো কাজী নজরুল ইসলাম বলেন- 'বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।' বর্তমানে নারীর অবস্থা: অতীতে নারীকে অমর্যাদা ও অবহেলার চোখে দেখা হলেও বর্তমানে নারীরা সমাজে বহুলাংশে তাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে, দর্শনে, শিক্ষা-দীক্ষায় নারীরা পুরুষের পাশাপাশি সমান যোগ্যতায় নিজেদের, প্রতিষ্ঠিত করেছে। আজ বিশ্বের অনেক দেশেই নারীরা নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাই কবি বলেন- 'সে-যুগ হয়েছে বাসি যে যুগে পুরুষ দাস ছিল নাকো-নারীরা আছিল দাসী।' নতুন যুগের নব নব কাজে নারীর জয়গান ঘোষিত হচ্ছে আজ। এখন আর নারী পুরুষের গলগ্রহ নয়। বর্তমানকালে নারীসমাজের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী। ঘরে বাইরে সর্বক্ষেত্রে নারীরা তাদের কাজে দক্ষতা প্রমাণ করেছে। উন্নত দেশে নারী: উন্নত দেশসমূহে নারীর অবস্থান অনেক সূদৃঢ়। কেননা উন্নত দেশের নারীরা আমাদের দেশের তুলনায় শিক্ষাদীক্ষা, ইতিহাস-দর্শন ও রাজনীতি চর্চায় অনেক এগিয়ে। সেসব দেশে কেউ নারী-পুরুষে কোনো বিভেদ কল্পনা করে না। দেশের উন্নয়নে সব কাজে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারছে। সব ক্ষেত্রে তারা পারদর্শীও। সমাজের দিক থেকে তারা কোনো বাধার সম্মুখীন হচ্ছে না। তারা আজ পুরুষের মুখাপেক্ষী নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে তারা পুরুষকে অতিক্রম করে গেছে। নারীসমাজের গুরুত্ব: যেখানে দেশের অর্ধেক অংশই নারী, সেখানে নারীকে বাদ দিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নতির কথা কল্পনাও করা যায় না। একটি জাতি গঠনে নারীর অনেক অবদান রয়েছে। তাই নারীসমাজকে শিক্ষিত করে তুলে তাকে কর্মের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে এবং জাতি গঠনে তাদের ভূমিকা ও প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে নিতে হবে।' বর্তমান বিশ্বে সেসব দেশই উন্নত, যেসব দেশে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও সব কাজে সমানভাবে এগিয়ে এসে দেশের উন্নয়নে নিজ দায়িত্ব পালন করতে পারছে। ব্রিটেন, জার্মানি, শ্রীলংকা, ভারত, বার্মা ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানের আসন অলংকৃত করছে নারী নেতৃত্ব। জাতি গঠনে নারীর ভূমিকা ও কর্তব্য: নারীসমাজের হাতে যেমন পরিবারের চাবি থাকে, তেমনই জাতীয় জীবন গঠনের মূল চাবিকাঠি হিসেবে নারীকে আখ্যায়িত করলে ভুল হবে না। সচেতন নারীই সমাজকে সুযোগ্য সন্তান উপহার দিয়ে থাকে। শুধু সংসারেই নয়, বিভিন্ন কল-কারখানায়, অফিস-আদালতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রায় সবক্ষেত্রেই পুরুষের পাশে নারী অসামান্য ভূমিকা পালন করে চলেছে। নারীরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে সর্বক্ষেত্রে। শিশু পালনে নারীর ভূমিকা: নারী মায়ের জাতি। পুরুষের পাশাপাশি সবকাজে সমান অংশীদারী হয়েও মাতৃস্নেহে শিশুকে প্রতিপালন করার অধিকার তারা প্রাকৃতিক নিয়মেই পেয়েছে। তাই কবিদের ভাষায় নারী হচ্ছে 'প্রকৃতি'। প্রকৃতির মাঝে সব জীব যেমন লালিত-পালিত হয়, তেমনই শিশুর চরিত্র গঠনে মায়ের শিক্ষাই প্রধান। আগামী দিনের নাগরিক গঠনের গুরুদায়িত্ব পালন করে নারী। একজন মা হিসেবে সার্থকভাবে শিশুকে মানুষ করতে পারলে জাতির উন্নতির পথ সুগম হয়। মায়ের শিক্ষাদানের ধরনই সন্তানের ভবিষ্যৎ কর্মতৎপর জীবনের সোপান। পরিবারের প্রতি নারীর কর্তব্য: নারীই তার সংসারকে আগলে রাখে। সংসারের ভালো-মন্দ দেখাশোনার ভার নারীর ওপরই অর্পিত হয়। স্বামীকে ভালো কাজে উৎসাহ দেওয়া ও বিভিন্ন কাজে তাকে সহায়তা করা নারীর কর্তব্য। জাতির উন্নয়ন মানে সমাজের সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন। তাই পরিবারের উন্নয়নেও নারীর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে নারীর প্রভাব: জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নারীসমাজকে শিক্ষিত হতে হবে- এ সচেতনতাবোধ নারীদের মধ্যেই জাগ্রত হয়েছে। নারীকে সভ্যতার আলোকবর্তিকা দেখাতে বাঙালি নারী বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা . করেছেন বালিকা বিদ্যালয়। সব কুসংস্কার ও পশ্চাৎপদতার বেড়াজাল ভেঙে নারীকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সদা সোচ্চার ছিলেন কবি বেগম সুফিয়া কামাল। শতসহস্র কুসংস্কারের বাঁধ ভেঙে চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখলেন অধ্যাপক ডা. জোহরা বেগম কাজী। বিশ্বজুড়েই শিক্ষাক্ষেত্রে নারীর প্রভাব ও সফলতা মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে নারীর প্রভাব সম্বন্দ্বে বলতে গিয়ে নেপোলিয়ন বলেন-'আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিব।' গৃহস্থালি কাজে নারীর ভূমিকা: গৃহস্থালি কাজে নারীর শ্রমদান অতুলনীয়। স্বামী, পুত্র, কন্যাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য রান্নাঘর থেকে সার্বিক পরিচর্যায় একজন গৃহিণীকে ১২ ঘণ্টারও অধিক সময় দিতে হয়। অফিসে ৮ ঘণ্টা শ্রম ব্যয় করার পরিবর্তে গৃহস্থালি কাজে অধিকতর সময় ও শ্রমদান করে নারী। সে হিসাবে গৃহস্থালি কাজে নারীর শ্রমের মূল্য পুরুষের আয়ের চাইতে কম নয়। কর্মক্ষেত্রে নারী: শিক্ষিত নারীরা দেশের সেবায় বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত রয়েছে। প্রাচীনকালে নারীরা পুরুষের ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু এখন নারীরা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়ে স্বনির্ভর। নারীরা আজ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, পুলিশ, আনসার, ব্যবসায়ী, বিমানচালক, সেনাবাহিনীর সদস্য এমনকি রাষ্ট্রপরিচালনায়ও অসামান্য অবদান রাখছে, যা জাতির জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। নারী ও পুরুষের সম-অবস্থান: বর্তমান যুগে নারী ও পুরুষের সম- অবস্থান প্রায় নিশ্চিত হয়েছে। জাতির উন্নয়নে নারী-পুরুষ যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে। প্রাচীনকাল থেকেই নারী পুরুষকে সকল কাজে প্রেরণা দিয়ে আসছে, সহযোগিতা করে আসছে। বর্তমানে নারীরা দেশের উন্নয়নে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষাক্ষেত্রে, শিল্পসাহিত্য, সংস্কৃতিচর্চায়, বিজ্ঞান গবেষণায়, রাজনীতিতে, মহাকাশ অভিযানে, খেলাধুলায় এমনকি সমুদ্রের তলদেশ পরিভ্রমণে পর্বতশৃঙ্গে আরোহণে নারীরা পুরুষের সঙ্গী হচ্ছে। উপসংহার: পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত দেশের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডেই নিহিত একটি জাতির বা দেশের উন্নয়ন। নারীরা পরিবার থেকেই সেই উন্নয়নের কাজে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে আজ নারীরা কাজ করছে। সমাজকে সুশৃঙ্খল করে রাখতে, সমাজে উদার মানসিকতা সৃষ্টিতে নারীসমাজের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ।

উত্তর

ভূমিকা: বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। বিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কারের সূত্র ধরে জন্ম নিয়েছে আধুনিক যুগ। মানুষ তার যুগযুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার অনবদ্য ফসল দিয়ে সভ্যতার এ বিশাল ইমারত গড়ে তুলেছে। তিল তিল প্রাণশক্তি এবং বিন্দু বিন্দু রক্ত দিয়ে মানুষ রচনা করেছে সভ্যতার এ তিলোত্তমা-মূর্তি। যে সভ্যতার বেদিমূলে রয়েছে বাহুর শক্তি, মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। বিজ্ঞান মানুষের অতন্দ্র সাধনার ফসল। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে বেগ, সভ্যতার পদক্ষেপকে করেছে দ্রুততর। পৃথিবীকে করেছে ছোট। মানুষকে দিয়েছে অনিঃশেষ শক্তির অপরিমেয় অহমিকা। বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার: প্রাচীন যুগের সেই অসহায় মানুষ আজ অসীম শক্তিধর। হিংস্র পশুর হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য পাথর আর গাছের ডাল ব্যবহার করতে করতে একসময় বল্লম, তীর, ধনুক, ঢাল, তলোয়ারের ব্যবহার করতে শিখেছে তারা। আধুনিক বিজ্ঞান সময় ও দূরত্বকে জয় করেছে। জেম্স ওয়াট স্টিম ইঞ্জিন ও জর্জ স্টিভেনস্স্স রেলগাড়ি আবিষ্কার করেছেন। বিজ্ঞানের বলে মানুষ জল, স্থল ও অন্তরিক্ষ জয় করেছে। বিজ্ঞান মানুষের সংকট নিবারণের ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের বহু অভাবনীয় কৌশল আবিষ্কার করেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতিতে আজ অধিকাংশ দুরারোগ্য ব্যাধি হয়েছে চিকিৎসাযোগ্য। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: বিজ্ঞানের ঐন্দ্রজালিক শক্তিবলে মানুষ উদ্দাম, উচ্ছৃঙ্খল নদীর গ্রোতকে বশীভূত করে ঊষর মরু-প্রান্তরকে করেছে জলসিক্ত, ভূগর্ভের সঞ্চিত শস্য সম্ভাবনাকে করে তুলেছে উজ্জ্বল। পাষাণী ধরিত্রীর সর্বদেহে সঞ্চারিত করে দিয়েছে অপূর্ব প্রাণ-স্পন্দন। বিজ্ঞান আজ উর্বরতা দিয়ে ক্ষয়িষ্ণু বসুধাকে শস্যবর্তী করে তুলেছে, শিল্পশৈলীর নব নব প্রবর্তনে উৎপাদন-জগতে এনেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। প্রাগৈতিহাসিক মানবের অগ্নি-প্রজ্বলন কৌশল আয়ত্ত করার দিন থেকে আধুনিক পাথফাইন্ডার মহাকাশযানের যুগ পর্যন্ত মানুষের অতন্দ্র সাধনা বিজ্ঞানকে করেছে সমৃদ্ধ, সভ্যতাকে করেছে জঙ্গম। বাষ্পীয় শক্তিকে করেছে বিজ্ঞান আজ বশীভূত, আকাশের বিদ্যুৎকে করেছে করায়ত্ত; মুঠিতে পুরে নিয়েছে আণবিক ও পারমাণবিক শক্তিকে। দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান: বিজ্ঞান আমাদের জীবনকে বিস্তৃতি দিয়েছে। সুদূরকে করেছে নিকট। ঘুচিয়ে দিয়েছে স্থানিক এবং মানসিক সংকীর্ণতা। প্রতিদিন প্রভাত কলরবের সঙ্গে সঙ্গে সংবাদপত্র আমাদের ঘরে পৌঁছে দেয় বিশ্বের অসংখ্য সংবাদ কণিকা। বেতারে ধ্বনিত হয় বিশ্ববার্তা। দূরদর্শনের পর্দায় ভেসে ওঠে পৃথিবীর দূরদূরান্তের ছবি, নিখিল মানুষের চলমান স্রোত। ঘুম থেকে উঠে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞান শক্তির অকৃপণ দাক্ষিণ্য লাভ করতে করতে চলেছি আমরা। আমাদের দিনযাপনের প্রতিটি মুহূর্তকে সমৃদ্ধ করে তুলেছে বিজ্ঞান। অভ্যস্ত জীবনধারায় কোনো ছন্দপতন ঘটলেই আমরা উপলব্ধি করি, প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের ভূমিকা কতখানি ব্যাপক ও গভীর। হঠাৎ যখন বিদ্যুতের অভাবে আলোকোজ্জ্বল রাত্রি গভীর অন্ধকারে ডুবে যায়, তখনই বুঝতে পারি বিজ্ঞান আমাদের কতটা দিয়েছে। পরিধেয় বস্ত্র থেকে ঘরবাড়ি, পথঘাট, ওষুধপত্র, কৃষিজ, খনিজ, ভোগ্যপণ্য সবই তো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার ফসল। বস্তুত আমাদের বর্তমান জীবনটাই বিজ্ঞান-নিয়ন্ত্রিত। চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান: চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান আজ যুগান্তর এনেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ফলে দুরারোগ্য ব্যাধিতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। স্টেপটোমাইসিন, পেনিসিলিন, এক্স-রে প্রভৃতি মৃত্যুপথযাত্রীকে দান করেছে নিশ্চিত বিশ্বাস ও আশা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ফলে মানবদেহের অভ্যন্তরস্থ ফুসফুস, পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, বৃক্ক, ধমনি, শিরা ইত্যাদির নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় করা যায়। অতিকম্পনশীল প্রযুক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানকে নিয়ে এসেছে সর্বাধুনিক পর্যায়ে। শিল্পক্ষেত্রে বিজ্ঞান: শিল্প-কারখানায় মানুষের হাতের কাজকে বিজ্ঞান অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। ইতোপূর্বে শিল্প-কারখানায় সমস্ত কাজই হাতে করা হতো। বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে এখন সময় কম ব্যয় হচ্ছে, খরচ কম পড়ছে এবং উৎপাদন হচ্ছে অধিক। কৃষিক্ষেত্রে: বিজ্ঞানের ছোঁয়া কৃষিক্ষেত্রেও বিস্ময়কর প্রভাব বিস্তার করেছে। প্রাচীন ভোঁতা লাঙলের পরিবর্তে আজ ব্যবহৃত হচ্ছে উন্নতমানের কলের লাঙল ও ট্রাক্টর। পঁচা আবর্জনা ও গোবরের সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক রাসায়নিক সার। গবেষণার মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে উন্নতমানের বীজ। সুতরাং বলা যায়, কৃষিক্ষেত্রেও বিজ্ঞান মহাবিপ্লব এনেছে। জ্ঞানচর্চার সুযোগ সৃষ্টি: মুদ্রণযন্ত্র ও কম্পিউটারের আবিষ্কার মানুষের জ্ঞানচর্চাকে করেছে সহজতর। মানুষের চিন্তাচেতনা খুব সহজে মুদ্রণযন্ত্রের সাহায্যে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, ফটোস্ট্যাস্ট মেশিনের সাহায্যে অতি অল্প সময়ে শত শত পাতার ফটোকপি করা সম্ভব হচ্ছে। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আনন্দদানের পাশাপাশি শিক্ষাদানও চলছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও জাতীয় চেতনাকে উজ্জীবিত করার জন্য চলচ্চিত্র, সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, আজ বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষাব্যবস্থাসহ সকল ক্ষেত্রে যুগান্তরকারী পরিবর্তন এনেছে কম্পিউটার। বিজ্ঞানের সর্বধ্বংসী অকল্যাণমূর্তি: যে বিজ্ঞান সভ্যতার শরীরে জীবন প্রতিষ্ঠা করেছে, আজ তার বিনাশেও সে মেতে উঠেছে। বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত দুটি মহাযুদ্ধের ভায়াবহ ধ্বংসলীলা বিজ্ঞানের দানবীয় শক্তি সম্বন্ধে মানুষের মনে এনেছে এক ঘোরতর আতঙ্ক। পারমাণবিক বোমা, হাইড্রোজেন বোমা, ডিনামাইট, বোমারু বিমান, ট্যাঙ্ক, সাবমেরিন ইত্যাদি আবিষ্কারের ফলে মানবজীবনে বিজ্ঞান অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানকালে বিজ্ঞান কী চায়? জীবন না মৃত্যু? আজ পৃথিবীর মানুষের মনে জেগেছে এ অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কিন্তু বিজ্ঞানের এ বিধ্বংসীরূপের জন্য বিজ্ঞান দায়ী নয়। বরং যারা একে নিজেদের সার্থে ব্যবহার করছে তারাই দায়ী। উপসংহার: অসীম সম্ভাবনাময় বিজ্ঞান বিশ্বের মুষ্টিমেয় স্বার্থপর নরঘাতকের জন্য আজ সমাজের সার্বিক দুঃখ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞান যদি সর্বধ্বংসী মারণাস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত হয়ে কেবল মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তবেই মানুষের দুঃখ রজনীর অবসান হবে। হিংস্রতার রক্ত বিপ্লবের হাত থেকে রক্ষা পাবে ধরিত্রী।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৯ : প্রবন্ধ রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বৃক্ষরোপণ অভিযান

বৃক্ষরোপণ অভিযান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.জাতি গঠনে নারীসমাজের ভূমিকা

জাতি গঠনে নারীসমাজের ভূমিকা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Jessore · 2019

স্বদেশপ্রেম
মানবকল্যাণে বিজ্ঞান
পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানবকল্যাণে বিজ্ঞান

মানবকল্যাণে বিজ্ঞান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.স্বদেশপ্রেম

স্বদেশপ্রেম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Sylhet · 2019

দেশ গঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা
বাংলাদেশের বেকার সমস্যা ও তার প্রতিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.পরিবেশ সংরক্ষণে বনায়ন

পরিবেশ সংরক্ষণে বনায়ন

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দেশ গঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা

দেশ গঠনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Chittagong · 2019

স্বদেশপ্রেম
পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্য

বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্য

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বদেশপ্রেম

স্বদেশপ্রেম

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Comilla · 2019

স্বদেশপ্রেম
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।