কোনো দেশে মুদ্রাস্ফীতি ঘটলে কমে যায় - i. মানুষের আয় ii. অর্থের ক্রয়ক্ষমতা iii. চাহিদার তুলনায় দ্রব্যের জোগান নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. ii ও iii
গ. i ও iii
ঘ. i , ii ও iii
উত্তর: ii ও iii
ব্যাখ্যা: মুদ্রাস্ফীতি ঘটলে অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। কেন অপশন ii এবং iii সঠিক, তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: ii. অর্থের ক্রয়ক্ষমতা: মুদ্রাস্ফীতি মানেই হলো পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া। যখন জিনিসের দাম বাড়ে, তখন একই পরিমাণ টাকা দিয়ে আগের চেয়ে কম পণ্য কেনা যায়। একেই বলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া। উদাহরণস্বরূপ, আগে ১০০ টাকায় যে চাল পাওয়া যেত, মুদ্রাস্ফীতির কারণে এখন সেই পরিমাণ চাল কিনতে ১২০ টাকা লাগছে—অর্থাৎ আপনার ১০০ টাকার ক্ষমতা কমে গেছে। iii. চাহিদার তুলনায় দ্রব্যের জোগান: মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো বাজারে পণ্যের জোগানের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকা। যখন বাজারে জিনিসের ঘাটতি থাকে (জোগান কমে যায়) কিন্তু মানুষের কাছে প্রচুর টাকা থাকে, তখন দামস্তর বাড়তে থাকে। অর্থাৎ, মুদ্রাস্ফীতি চলাকালীন চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকে। 'i. মানুষের আয়' কেন ভুল? মুদ্রাস্ফীতি ঘটলে সাধারণত মানুষের আয় কমে না, বরং অনেক সময় মুদ্রাস্ফীতির সাথে তাল মিলিয়ে নামমাত্র আয় বাড়তে পারে। তবে মানুষের প্রকৃত আয় বা জীবনযাত্রার মান কমে যেতে পারে কারণ তার অর্জিত টাকা দিয়ে আগের মতো জিনিস কেনা সম্ভব হয় না। কিন্তু অপশনে সরাসরি 'আয় কমে যায়' বলা হয়েছে, যা সব ক্ষেত্রে সত্য নয়।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 7 : মুদ্রাস্ফীতি MCQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 7 : মুদ্রাস্ফীতি · MCQ
কোনো দেশে মুদ্রাস্ফীতি ঘটলে কমে যায় - i. মানুষের আয় ii. অর্থের ক্রয়ক্ষমতা iii. চাহিদার তুলনায় দ্রব্যের জোগান নিচের কোনটি সঠিক?
- ক.i ও ii
- খ.ii ও iii
- গ.i ও iii
- ঘ.i , ii ও iii
উত্তর