Chapter 7 : মুদ্রাস্ফীতি Economics 2nd Paper

HSC Economics 2nd Paper এর Chapter 7 : মুদ্রাস্ফীতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৮৮৯

প্রশ্ন

Economics 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মিসেস অ্যাঞ্জিলিনা 'A′A^{\prime} দেশের নাগরিক। তার LED TV এবং এয়ার কন্ডিশনার (AC) প্রয়োজন। বাজারে গিয়ে দেখেন, LED TV সেটের দাম ২০১৫ সালে ছিল ১০৫০ ডলার, যা ২০১৬ সালে দাঁড়ায় ১২০০ ডলারে এবং AC এর দাম একই সময়ে ১১০০ ডলার থেকে ১২৫০ ডলার হয়। তিনি আরও দেখেন, বাজারে অন্যান্য পণ্যের দামও ক্রমাগত বেড়ে চলছে। অ্যাঞ্জিলিনার দেশের নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার এ বিষয়ে উৎকণ্ঠায় আছে।

Dhaka · 2017

ক
সূচক সংখ্যা কী?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কতকগুলো দ্রব্যের গড় দামের সাথে অপর একটি সময়ে ওই দ্রব্যগুলোর গড় দামের তুলনায় শতকরা পরিবর্তনের হার প্রকাশ করাকে সূচক সংখ্যা বলে।
খ
'মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়'- বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়, মৃদু মুদ্রাস্ফীতি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাম্য। মৃদু মুদ্রাস্ফীতির সময় বেশি মুনাফা লাভের আশায় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী হয়। এর ফলে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভোগ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়নকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়।
গ
উদ্দীপকের আলোকে ভোক্তার দামসূচক ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হলো- ভোক্তার ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে দামসূচক নির্ণয়ের পদ্ধতিকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) বলে। মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ের জন্য নিচে উদ্দীপকের তথ্য ব্যবহার করে একটি সূচি তৈরি করা হলো- question image সাধারণত, ভিত্তি বছরের মূল্যসূচক ১০০ ধরা হয়। সুতরাং উপরের তথ্য অনুযায়ী ভোক্তার মূল্যসূচক (১১৩.৯৫-১০০) বা, ১৩.৯৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ ২০১৬ সালে 'A′A^{\prime} দেশের মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ১৩.৯৫%।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের মানুষ, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকারের ওপর মুদ্রাস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিম্ন আয়ের লোকেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ দাম বৃদ্ধির ফলে তারা একই পরিমাণ মজুরি দ্বারা পূর্বের তুলনায় কম পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান আরও নিম্ন হয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতির সময় দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিক শ্রেণির মজুরি আনুপাতিক হারে বাড়ে না। তাই মুদ্রাস্ফীতির ফলে শ্রমিক শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুদ্রাস্ফীতির ফলে দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধির দরুন রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া, মুদ্রাস্ফীতির সময় জনজীবনে অসন্তোষের কারণে দেশে সুশাসন ব্যাহত হয়। তাই বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতির বহুমুখী প্রভাব বিদ্যমান। এগুলোর কিছু উপকারী ও কিছু অপকারী দিক রয়েছে। তবে মুদ্রাস্ফীতির ক্ষতিকর প্রভাবের পাল্লাই ভারী। উপর্যুক্ত কারণে অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার উৎকণ্ঠায় আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মিসেস অ্যাঞ্জিলিনা 'A′A^{\prime} দেশের নাগরিক। তার LED TV এবং এয়ার কন্ডিশনার (AC) প্রয়োজন। বাজারে গিয়ে দেখেন, LED TV সেটের দাম ২০১৫ সালে ছিল ১০৫০ ডলার, যা ২০১৬ সালে দাঁড়ায় ১২০০ ডলারে এবং AC এর দাম একই সময়ে ১১০০ ডলার থেকে ১২৫০ ডলার হয়। তিনি আরও দেখেন, বাজারে অন্যান্য পণ্যের দামও ক্রমাগত বেড়ে চলছে। অ্যাঞ্জিলিনার দেশের নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার এ বিষয়ে উৎকণ্ঠায় আছে।

Dhaka · 2017

ক
সূচক সংখ্যা কী?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কতকগুলো দ্রব্যের গড় দামের সাথে অপর একটি সময়ে ওই দ্রব্যগুলোর গড় দামের তুলনায় শতকরা পরিবর্তনের হার প্রকাশ করাকে সূচক সংখ্যা বলে।
খ
'মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়'- বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়, মৃদু মুদ্রাস্ফীতি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাম্য। মৃদু মুদ্রাস্ফীতির সময় বেশি মুনাফা লাভের আশায় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী হয়। এর ফলে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভোগ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়নকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়।
গ
উদ্দীপকের আলোকে ভোক্তার দামসূচক ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হলো- ভোক্তার ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে দামসূচক নির্ণয়ের পদ্ধতিকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) বলে। মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ের জন্য নিচে উদ্দীপকের তথ্য ব্যবহার করে একটি সূচি তৈরি করা হলো- question image সাধারণত, ভিত্তি বছরের মূল্যসূচক ১০০ ধরা হয়। সুতরাং উপরের তথ্য অনুযায়ী ভোক্তার মূল্যসূচক (১১৩.৯৫-১০০) বা, ১৩.৯৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ ২০১৬ সালে 'A′A^{\prime} দেশের মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ১৩.৯৫%।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের মানুষ, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকারের ওপর মুদ্রাস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিম্ন আয়ের লোকেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ দাম বৃদ্ধির ফলে তারা একই পরিমাণ মজুরি দ্বারা পূর্বের তুলনায় কম পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান আরও নিম্ন হয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতির সময় দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিক শ্রেণির মজুরি আনুপাতিক হারে বাড়ে না। তাই মুদ্রাস্ফীতির ফলে শ্রমিক শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুদ্রাস্ফীতির ফলে দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধির দরুন রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া, মুদ্রাস্ফীতির সময় জনজীবনে অসন্তোষের কারণে দেশে সুশাসন ব্যাহত হয়। তাই বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতির বহুমুখী প্রভাব বিদ্যমান। এগুলোর কিছু উপকারী ও কিছু অপকারী দিক রয়েছে। তবে মুদ্রাস্ফীতির ক্ষতিকর প্রভাবের পাল্লাই ভারী। উপর্যুক্ত কারণে অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার উৎকণ্ঠায় আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মিসেস অ্যাঞ্জিলিনা 'A′A^{\prime} দেশের নাগরিক। তার LED TV এবং এয়ার কন্ডিশনার (AC) প্রয়োজন। বাজারে গিয়ে দেখেন, LED TV সেটের দাম ২০১৫ সালে ছিল ১০৫০ ডলার, যা ২০১৬ সালে দাঁড়ায় ১২০০ ডলারে এবং AC এর দাম একই সময়ে ১১০০ ডলার থেকে ১২৫০ ডলার হয়। তিনি আরও দেখেন বাজারে অন্যান্য পণ্যের দামও ক্রমাগত বেড়ে চলছে। অ্যাঞ্জিলিনার দেশের নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার এ বিষয়ে উৎকণ্ঠায় আছে।

Barisal · 2017

ক
সূচক সংখ্যা কী?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কতগুলো দ্রব্যের গড় দামের সাথে অপর একটি সময়ে ঐ দ্রব্যগুলোর গড় দামের তুলনায় শতকরা পরিবর্তনের হার প্রকাশ করাকে সূচক সংখ্যা বলে।
খ
'মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়'। বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

মৃদু মুদ্রাস্ফীতি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাম্য। মৃদু মুদ্রাস্ফীতির সময় বেশি মুনাফা লাভের আশায় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী হয়। এর ফলে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভোগ ও সঞ্চয় বাড়ে। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়নকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়।
গ
উদ্দীপকের আলোকে ভোক্তার দামসূচক ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হলো- ভোক্তার ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে দামসূচক নির্ণয়ের পদ্ধতিকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) বলে। question image ল্যাসপিয়ার্সের সূত্রানুসারে, CPI⁡(PoPn)=Σpnq0Σp0q0×১∘∘\operatorname{CPI}\left(\mathrm{P}_{\mathrm{o}} \mathrm{P}_{\mathrm{n}}\right)=\frac{\Sigma \mathrm{p}_{\mathrm{n}} \mathrm{q}_0}{\Sigma \mathrm{p}_0 \mathrm{q}_0} \times ১ \circ \circ =২৪৫০ ২১৫০ ×=\frac{২৪ ৫ ০}{\text{ ২১৫০ }} \times ১০০ = ১১৩.৯৫ কাজেই, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে মুদ্রাস্ফীতির হার (১১৩.৯৫ – ১০০) = ১৩.৯৫%। অর্থাৎ, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে ১৩.৯৫% ভোক্তার জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের মানুষ, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকারের ওপর মুদ্রাস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নিম্ন আয়ের লোকজনের ওপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিম্ন আয়ের লোকেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ দাম বৃদ্ধির ফলে তারা একই পরিমাণ মজুরি দ্বারা পূর্বের তুলনায় কম পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান আরও নিম্ন হয়ে যায়। শ্রমিক শ্রেণির ওপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির সময় দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিক শ্রেণির মজুরি আনুপাতিক হারে বাড়ে না। তাই মুদ্রাস্ফীতির ফলে শ্রমিক শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারের ওপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির ফলে দ্রব্য সেবার মূল্য বৃদ্ধির দরুন রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া, মুদ্রাস্ফীতির সময় জনজীবনে অসন্তোষের কারণে দেশে সুশাসন ব্যাহত হয়। উপর্যুক্ত কারণে অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার উৎকণ্ঠায় আছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মিসেস অ্যাঞ্জিলিনা 'A′A^{\prime} দেশের নাগরিক। তার LED TV এবং এয়ার কন্ডিশনার (AC) প্রয়োজন। বাজারে গিয়ে দেখেন, LED TV সেটের দাম ২০১৫ সালে ছিল ১০৫০ ডলার, যা ২০১৬ সালে দাঁড়ায় ১২০০ ডলারে এবং AC এর দাম একই সময়ে ১১০০ ডলার থেকে ১২৫০ ডলার হয়। তিনি আরও দেখেন বাজারে অন্যান্য পণ্যের দামও ক্রমাগত বেড়ে চলছে। অ্যাঞ্জিলিনার দেশের নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার এ বিষয়ে উৎকণ্ঠায় আছে।

Barisal · 2017

ক
সূচক সংখ্যা কী?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কতগুলো দ্রব্যের গড় দামের সাথে অপর একটি সময়ে ঐ দ্রব্যগুলোর গড় দামের তুলনায় শতকরা পরিবর্তনের হার প্রকাশ করাকে সূচক সংখ্যা বলে।
খ
'মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়'। বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

মৃদু মুদ্রাস্ফীতি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাম্য। মৃদু মুদ্রাস্ফীতির সময় বেশি মুনাফা লাভের আশায় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী হয়। এর ফলে উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে ভোগ ও সঞ্চয় বাড়ে। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা উন্নয়নকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, মুদ্রাস্ফীতি সব সময় খারাপ নয়।
গ
উদ্দীপকের আলোকে ভোক্তার দামসূচক ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হলো- ভোক্তার ব্যয় সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে দামসূচক নির্ণয়ের পদ্ধতিকে ভোক্তার দামসূচক (CPI) বলে। question image ল্যাসপিয়ার্সের সূত্রানুসারে, CPI⁡(PoPn)=Σpnq0Σp0q0×১∘∘\operatorname{CPI}\left(\mathrm{P}_{\mathrm{o}} \mathrm{P}_{\mathrm{n}}\right)=\frac{\Sigma \mathrm{p}_{\mathrm{n}} \mathrm{q}_0}{\Sigma \mathrm{p}_0 \mathrm{q}_0} \times ১ \circ \circ =২৪৫০ ২১৫০ ×=\frac{২৪ ৫ ০}{\text{ ২১৫০ }} \times ১০০ = ১১৩.৯৫ কাজেই, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে মুদ্রাস্ফীতির হার (১১৩.৯৫ – ১০০) = ১৩.৯৫%। অর্থাৎ, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে ১৩.৯৫% ভোক্তার জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের মানুষ, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকারের ওপর মুদ্রাস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নিম্ন আয়ের লোকজনের ওপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিম্ন আয়ের লোকেরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ দাম বৃদ্ধির ফলে তারা একই পরিমাণ মজুরি দ্বারা পূর্বের তুলনায় কম পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারে। ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান আরও নিম্ন হয়ে যায়। শ্রমিক শ্রেণির ওপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির সময় দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিক শ্রেণির মজুরি আনুপাতিক হারে বাড়ে না। তাই মুদ্রাস্ফীতির ফলে শ্রমিক শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারের ওপর প্রভাব: মুদ্রাস্ফীতির ফলে দ্রব্য সেবার মূল্য বৃদ্ধির দরুন রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া, মুদ্রাস্ফীতির সময় জনজীবনে অসন্তোষের কারণে দেশে সুশাসন ব্যাহত হয়। উপর্যুক্ত কারণে অ্যাঞ্জিলিনার দেশে নিম্ন আয়ের লোকজন, শ্রমিক শ্রেণি ও সরকার উৎকণ্ঠায় আছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Barisal · 2017

ক
সূচক সংখ্যা কী?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট বছরের গড়পড়তা দামকে অন্য কোনো ভিত্তি বছরের গড়পড়তা দামের তুলনায় শতাংশরূপে প্রকাশ করার জন্য যে সংখ্যাবাচক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাকে সূচক সংখ্যা বলে।
খ
খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য খারাপ কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি ঘটার অন্যতম কারণ হলো- শ্রমিক সংঘসমূহের দাবির প্রেক্ষিতে মজুরি এতটা বৃদ্ধি, যা তাদের উৎপাদনশীলতার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। তাছাড়া, একচেটিয়া কারবারিরা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কোনো অজুহাতে তাদের দ্রব্যের যোগান লক্ষণীয়ভাবে কমিয়ে দিলে এ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। ব্যাপকভাবে পরোক্ষ কর আরোপের দরুন দামস্তর বাড়লে জনসাধারণ বেশি ব্যয় করতে বাধ্য হয়; তখন স্থির আয়ের লোকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব কারণে খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য খারাপ বলে গণ্য হয়।
গ
উদ্দীপকে দাম P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে। দাম P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তিত হওয়ায় এ মুদ্রাস্ফীতি ঘটেছে। চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তনের কিছু কারণ রয়েছে; নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো: দেশের শ্রমিক সংঘগুলো মালিকদের ওপর চাপবৃদ্ধি করে তাদের উৎপাদনশীলতা থেকে অধিক মজুরি আদায় করলে, তাতে কেবল দামই বাড়ে, দ্রব্য ও সেবার পরিমাণ বাড়ে না। এ অবস্থায় দাম P₁ থেকে P₂ তে উন্নীত হয়। সরকার অনেক সময় মূলত রাজনৈতিক কারণে প্রভাবিত হয়ে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ ইত্যাদির দাম ও রেলভাড়া ঘনঘন বাড়ায়। তাছাড়া সরকারি কর্মচারীদের চাপেও বেতন ও ভাতাতি খুব বেশি বাড়িয়ে দেয়। এসব পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা অধিক অর্থ ব্যয় করলে দাম P₁ থেকে P₂-তে চলে যায়। উদ্দীপকের চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂-তে পরিবর্তনের জন্য একচেটিয়া কারবারিরাও দায়ী থাকতে পারে। অনেক সময় উপকরণসমূহের দাম বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবহণ সংকট ইত্যাদির অজুহাতে একচেটিয়া ব্যবসায়ীরা তাদের দ্রব্যাদির উৎপাদন যথেষ্ট কমিয়ে দেয়। তখন দাম P₁ থেকে P₂-তে উপনীত হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂-তে পরিবর্তনের জন্য উপরিউল্লিখিত কারণগুলো দায়ী।
ঘ
তুমি কি মনে কর, আর্থিক নীতি দামস্তর P₂ থেকে P₁ এ নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রে যে মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে তা ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে পরিচিত। এ মুদ্রাস্ফীতি কেবল আর্থিক নীতির দ্বারাই নিয়ন্ত্রণ করা যায় কি না তা নিচে আলোচনা করা হলো- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসকল পদ্ধতি অবলম্বন করে সেগুলোর সমষ্টিই হলো আর্থিক নীতি। এ নীতির অধীনে ব্যাংক হার বৃদ্ধি, নগদ জমার অনুপাত বৃদ্ধি, খোলাবাজারে সরকারি ঋণপত্র বিক্রয় ইত্যাদির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে অর্থের যোগান ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণ হ্রাস করে। কিন্তু কখনো কখনো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হয় না। এ পদ্ধতির কার্যকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে ঋণগ্রহীতাদের ওপর। মুদ্রাস্ফীতির সময় তারা অধিক ঋণ নিতে গেলে তবেই এ ব্যবস্থা কার্যকর হয় ও দামস্তর কম ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আর্থিক নীতি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট না হলে সরকার রাজস্ব নীতিরও আশ্রয় নেয়। রাজস্ব নীতির মধ্যে সরকারি ব্যয় হ্রাস, করের পরিমাণ বৃদ্ধি, সরকারি ঋণ গ্রহণ ইত্যাদি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য আর্থিক ও রাজস্ব নীতির আশ্রয় গ্রহণ সত্ত্বেও কখনো কখনো সরকারকে এসবের সাথে কিছু প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হয়। এগুলো হলো: দাম নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং, মজুরি নিয়ন্ত্রণ, আমদানি বৃদ্ধি, ফটকা কারবার নিয়ন্ত্রণ। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂-তে পরিবর্তন হলে অর্থাৎ খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য কেবল আর্থিক নীতির প্রয়োগই যথেষ্ট নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Barisal · 2017

ক
সূচক সংখ্যা কী?

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট বছরের গড়পড়তা দামকে অন্য কোনো ভিত্তি বছরের গড়পড়তা দামের তুলনায় শতাংশরূপে প্রকাশ করার জন্য যে সংখ্যাবাচক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাকে সূচক সংখ্যা বলে।
খ
খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য খারাপ কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি ঘটার অন্যতম কারণ হলো- শ্রমিক সংঘসমূহের দাবির প্রেক্ষিতে মজুরি এতটা বৃদ্ধি, যা তাদের উৎপাদনশীলতার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। তাছাড়া, একচেটিয়া কারবারিরা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কোনো অজুহাতে তাদের দ্রব্যের যোগান লক্ষণীয়ভাবে কমিয়ে দিলে এ মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। ব্যাপকভাবে পরোক্ষ কর আরোপের দরুন দামস্তর বাড়লে জনসাধারণ বেশি ব্যয় করতে বাধ্য হয়; তখন স্থির আয়ের লোকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব কারণে খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য খারাপ বলে গণ্য হয়।
গ
উদ্দীপকে দাম P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রে ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে। দাম P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তিত হওয়ায় এ মুদ্রাস্ফীতি ঘটেছে। চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂ তে পরিবর্তনের কিছু কারণ রয়েছে; নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো: দেশের শ্রমিক সংঘগুলো মালিকদের ওপর চাপবৃদ্ধি করে তাদের উৎপাদনশীলতা থেকে অধিক মজুরি আদায় করলে, তাতে কেবল দামই বাড়ে, দ্রব্য ও সেবার পরিমাণ বাড়ে না। এ অবস্থায় দাম P₁ থেকে P₂ তে উন্নীত হয়। সরকার অনেক সময় মূলত রাজনৈতিক কারণে প্রভাবিত হয়ে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ ইত্যাদির দাম ও রেলভাড়া ঘনঘন বাড়ায়। তাছাড়া সরকারি কর্মচারীদের চাপেও বেতন ও ভাতাতি খুব বেশি বাড়িয়ে দেয়। এসব পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা অধিক অর্থ ব্যয় করলে দাম P₁ থেকে P₂-তে চলে যায়। উদ্দীপকের চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂-তে পরিবর্তনের জন্য একচেটিয়া কারবারিরাও দায়ী থাকতে পারে। অনেক সময় উপকরণসমূহের দাম বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবহণ সংকট ইত্যাদির অজুহাতে একচেটিয়া ব্যবসায়ীরা তাদের দ্রব্যাদির উৎপাদন যথেষ্ট কমিয়ে দেয়। তখন দাম P₁ থেকে P₂-তে উপনীত হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂-তে পরিবর্তনের জন্য উপরিউল্লিখিত কারণগুলো দায়ী।
ঘ
তুমি কি মনে কর, আর্থিক নীতি দামস্তর P₂ থেকে P₁ এ নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রে যে মুদ্রাস্ফীতি দেখানো হয়েছে তা ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে পরিচিত। এ মুদ্রাস্ফীতি কেবল আর্থিক নীতির দ্বারাই নিয়ন্ত্রণ করা যায় কি না তা নিচে আলোচনা করা হলো- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসকল পদ্ধতি অবলম্বন করে সেগুলোর সমষ্টিই হলো আর্থিক নীতি। এ নীতির অধীনে ব্যাংক হার বৃদ্ধি, নগদ জমার অনুপাত বৃদ্ধি, খোলাবাজারে সরকারি ঋণপত্র বিক্রয় ইত্যাদির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে অর্থের যোগান ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণ হ্রাস করে। কিন্তু কখনো কখনো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হয় না। এ পদ্ধতির কার্যকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে ঋণগ্রহীতাদের ওপর। মুদ্রাস্ফীতির সময় তারা অধিক ঋণ নিতে গেলে তবেই এ ব্যবস্থা কার্যকর হয় ও দামস্তর কম ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আর্থিক নীতি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট না হলে সরকার রাজস্ব নীতিরও আশ্রয় নেয়। রাজস্ব নীতির মধ্যে সরকারি ব্যয় হ্রাস, করের পরিমাণ বৃদ্ধি, সরকারি ঋণ গ্রহণ ইত্যাদি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য আর্থিক ও রাজস্ব নীতির আশ্রয় গ্রহণ সত্ত্বেও কখনো কখনো সরকারকে এসবের সাথে কিছু প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হয়। এগুলো হলো: দাম নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং, মজুরি নিয়ন্ত্রণ, আমদানি বৃদ্ধি, ফটকা কারবার নিয়ন্ত্রণ। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের চিত্রে দাম P₁ থেকে P₂-তে পরিবর্তন হলে অর্থাৎ খরচ বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য কেবল আর্থিক নীতির প্রয়োগই যথেষ্ট নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো