উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত ব্যবস্থার ইতিবাচক দিক বিশ্লেষণ করা হলো। সাধারণত যখন বাজারে ঋণের অভাব দেখা যায় তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলা বাজার নীতির আওতায় বাজারে বিভিন্ন ধরনের সরকারি বন্ড,সিকিউরিটিজ,ক্রয় করে ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অর্থ সংকটে থাকলে তাদের কাছে থাকা এই সকল শেয়ার, বন্ড,সিকিউরিটিজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট বিক্রয় করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে প্রচুর পরিমাণ নগদ অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকে আসে এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকে অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ফলে বাজারে ঋণের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়।তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঋণের পরিমাণ বরাদ্দ করে দেয় এটিকে ঋণের বরাদ্দ করা নীতি বলে।উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য। প্রতিবছর প্রথম থেকেই কৃষি,শিল্প ,ব্যবসা এবং পরিবহন খাতে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়।দেশের শেয়ার বাজারের সম্পত্তি স্থবিরতা দূর করার জন্য বর্তমানে খোলাবাজার কার্যক্রম চালু আছে। এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি প্রয়োগ করছেন প্রথমটি হল ঋণের বরাদ্দ করা নীতি এবং দ্বিতীয়টি হলো খোলাবাজার নীতি।উদ্দীপকের দেশে্র শেয়ায়র বাজারে স্তবিরতা দেখা দিয়েছে তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলা বাজার নীতি গ্রহণ করেছেন।এর মাধ্যমে শেয়ার বন্ড ডিবেঞ্চার ইত্যাদি ক্রয় বিক্রয় মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীলতা থাকবে এবং ঋণের পরিমাণ কাম্যস্তরে বজায় থাকবে।