উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক নোট বিনিময়ের মাধ্যমে হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের অনুমতি নিয়ে এই নোট ইস্যু করে। এ নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক এটির প্রচলন করে। বাংলাদেশে ১, ২ ও ৫ টাকার। নোট ছাড়া বাকি সব নোট হলো ব্যাংক নোট।
উদ্দীপকে জনাব শিবলি দেনাদারের কাছ থেকে ১,৭৫,০০০ টাকা পেলেন। এর মধ্যে ৫ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা এবং ১,০০০ টাকার নোট রয়েছে। এখানে ৫ টাকার নোটটি হলো সরকারি নোট। আর বাকি সব নোট হলো ব্যাংক নোট।
বাংলাদেশে ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোটগুলো হলো ব্যাংক নোট। আমাদের দেশে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যাংক নোট বেশি ব্যবহার করা হয়। কারণ ১, ২ ও ৫ টাকার সরকারি নোট ব্যবহার করে বড় ধরনের লেনদেন করা সম্ভব নয়। এছাড়া সরকারি নোট সহজে রূপান্তর বা ভাঙানো যায় না। উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায়, বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যাংক নোটের ব্যবহার বেশি জনপ্রিয়।