মি. আনসারি কর্তৃক তৈরি বিনিময় বিলে মি. আইয়ুবের স্বাক্ষর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
পাওনাদার কর্তৃক দেনাদারের ওপর তৈরিকৃত অর্থ পরিশোধের শর্তহীন আদেশকে বিনিময় বিল বলা হয়। এতে সাধারণত ৪টি পক্ষ থাকে-আদেষ্টা, আদিষ্ট, প্রাপক ও স্বীকৃতিকারী। আদিষ্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হলেই এটি আইনসম্মত দলিলে পরিণত হয়।
উদ্দীপকে মি. আনসারি মি. আইয়ুবের কাছে ১০ লক্ষ টাকার পণ্য বিক্রি করেছেন। এর বিনিময়ে তিনি মি. আইয়ুবের কাছে একটি স্ট্যাম্পযুক্ত সাদা কাগজ স্বীকৃতিসূচক স্বাক্ষরের জন্য পাঠান। মি. আইয়ুব উক্ত দলিলে স্বাক্ষর করা নিয়ে দ্বিধায় ভুগছেন। আদিষ্ট কর্তৃক স্বীকৃত হওয়া বিনিময় বিলের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। পাওনাদার কর্তৃক তৈরিকৃত বিনিময় বিলে স্বাক্ষর দিয়ে দেনাদার এতে স্বীকৃতি দেয়। নতুবা এই দলিলের কোনো আইনগত বৈধতা থাকে না।
উদ্দীপকে মি. আনসারি পণ্য বিক্রির অর্থ বাবদ একটি বিনিময় বিল তৈরি করেছেন। উক্ত বিলে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জনাব আইয়ুবের স্বাক্ষর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, বিনিময় বিলের আইনগত মূল্য নিশ্চিত করার জন্য আদিষ্ট তথা মি. আইয়ুবের স্বাক্ষর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।