উদ্দীপকে উল্লিখিত শামীমা জুয়েলার্স শো-রুমের জন্য মূল্যায়িত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।
এ বিমাপত্রে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর মূল্য আগেই নির্ধারিত থাকে। ফলে দূর্ঘটনার পর ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করতে হয় না। এক্ষেত্রে বাজারমূল্যও বিবেচনা করা হয় না। বিমাগ্রহীতা পূর্বনির্ধারিত মূল্যেই ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
উদ্দীপকের শামীমা জুয়েলার্স তাদের শো-রুমের অলংকারের জন্য ৫০ কোটি টাকার বিমা করেন। অগ্নিকান্ডে ১০ কোটি টাকার অলংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিমা প্রতিষ্ঠান তাকে ১০ কোটি টাকাই ক্ষতিপূরণ দেয়। কিন্তু এর বাজারমূল্য ছিলো ৯ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বিমা প্রতিষ্ঠান বাজারমূল্য বিবেচনা করেনি। সম্পত্তির মূল্য আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল বলে ক্ষতিপূরণের আগে ক্ষতির পরিমাণও মূল্যায়ন করেনি। উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্যের সাথে মূল্যায়িত বিমাপত্রের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ মিলে যায়। তাই বলা যায়, শামীমা জুয়েলার্সের বিমাটি একটি মূল্যায়িত বিমাপত্র ছিল।