বীমা কারী প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবটি গ্রহণ করা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। যে বিমপত্রে বিমাকৃত ব্যক্তির মৃত্যুর পরই শুধুমাত্র বিমা দাবি পরিশোধ করা হয় তাকে আজীবন বীমা বলে। যদি উক্ত মেয়াদের মধ্যে বিমাকৃত ব্যক্তি মারা যায় তবে তার মনোনীত ব্যক্তি বা উত্তারাধিকারীদেরকে বীমা কোম্পানি বীমাকৃত অর্থ প্রদান করে কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে যদি উক্ত ব্যক্তি মারা যায় তবে সেক্ষেত্রে বীমা কোম্পানি কোন অর্থ প্রদান করেনা প্রাপ্ত প্রিমিয়াম বীমা কোম্পানি লাভ হিসেবে গণ্য হয়।অন্যদিকে মেয়াদী বিমা হল যে বিমপত্রের মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি দেয় যে,বিমাপত্রে উল্লেখিত নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্তিতে বীমা গ্রহীতাকে বিমা দাবির অর্থ একত্রে পরিশোধ করা হবে অথবা উক্ত সময়ের পূর্বে বিমাকৃত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার মনোনীত ব্যক্তি বা উত্তরাধিকারীদেরকে প্রতিশ্রুত অর্থ প্রদান করা হবে তাকে মেয়াদীমা পত্র বলে। উদ্দীপকের জনাব কামাল একটি বীমা কোম্পানি হতে বীমা পত্র গ্রহণ করেন যেখানে তার মৃত্যুর পর তার বীমা দাবি পরিশোধ করা হবে। কিন্তু নির্দিষ্ট বছর পর বীমা কোম্পানি তাকে একটি প্রস্তাব প্রদান করেন যেখানে সে জীবদ্দশাই বীমার অর্থ পেতে পারে। এখানে জনাব কামাল প্রথমে আজীবন বীমা পত্র গ্রহণ করলেও , বীমা কোম্পানি তাকে মেয়াদী বীমা গ্রহণ করার প্রস্তাব জানাই।যেহেতু জনাব কামালের বয়স মাত্র ৩৫। এ অল্প বয়সে তার মেয়াদী বিমার প্রস্তাবটি গ্রহণ করা যৌক্তিক হবে। কারণ সে যদি প্রিমিয়াম প্রদান করে তবে নির্দিষ্ট বছর পর এটি তার বিনিয়োগ বলে বিবেচিত হবে। এর মাধ্যমে সে আর্থিকভাবে লাভবান হবে এবং জীবনের অনিশ্চয়তার ঝুঁকিও হ্রাস পাবে। তাই বলা যায় জনাব কামালের জন্য বীমা কোম্পানির প্রস্তাবটি গ্রহণ করে যৌক্তিক।