উদ্দীপকের পাপিয়া বেগম মূল্যায়িত বিমাপত্র গ্রহণ করেছেন।
এ বিমাপত্রে চুক্তির সময়ই বিমাকৃত বিষয়বস্তুর মূল্য নির্ধারণ করা হয়। দূর্ঘটনার পর ক্ষতি মূল্যায়ন বা প্রমাণ করতে হয় না। সম্পদের মূল্য পূর্বনির্ধারিত বলে বাজারমূল্যও বিবেচনা করা হয় না।
উদ্দীপকের পাপিয়া বেগম একজন প্রভাষক। তার দোতলা বাড়ির আসবাবপত্রের মূল্য ৫ লক্ষ টাকা। তিনি আসবাবপত্রগুলোর জন্য একটি বিমাপত্র নিয়েছেন। অগ্নিকান্ডে আসবাবপত্রের ক্ষতি হলে বিমা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ দাবি পরিশোধ করে। সাধারণত মূল্যবান আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির ক্ষেত্রে মূল্যায়িত বিমাপত্র গ্রহণ করা হয়। এছাড়া এক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন না করেই ক্ষতিপূরণ করা হয়। উদ্দীপকের পাপিয়া বেগমের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। তাই বলা যায়, পাপিয়া বেগমের বিমাপত্রটি একটি মূল্যায়িত বিমাপত্র ছিল।