চেকের অর্থ সংগ্রহের জন্য জনাব তানভির ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং-এর স্বয়ংক্রিয় নিকাশ ঘর পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
এ পদ্ধতিতে আন্তঃব্যাংকিং লেনদেনগুলো ইলেক্ট্রনিক উপায়ে নিষ্পত্তি করা হয়। ফলে কম সময়ে ও ঝামেলামুক্তভাবে লেনদেন সম্পন্ন হয়। বর্তমানে এ পদ্ধতি কর্মীদের বেতন ও বিভিন্ন বিল পরিশোধে ব্যবহৃত হয়।
উদ্দীপকের জনাব তানভিরের নবোদয় ব্যাংকে একটি হিসাব আছে। হিসাবটি তিনি ব্যাংকের গাজীপুর শাখায় খোলেন। ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি দেনাদার থেকে অনেক চেক পেয়ে থাকেন। চেকগুলো দাগকাটা থাকলে ব্যাংকের যেকোনো শাখায় জমা দিতে পারেন। ব্যাংক মূলত স্বয়ংক্রিয় নিকাশ ঘরের মাধ্যমে তার চেকের টাকাগুলো সংগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জনাব তানভিরের ব্যাংক স্বয়ংক্রিয় নিকাশঘর সেবা পেয়ে থাকে। ফলে জনাব তানভির ব্যাংকের যেকোনো শাখায় চেক জমা দিতে পারেন। ব্যাংক স্বয়ংক্রিয় নিকাশ ঘর পদ্ধতিতে অন্য ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে ফেলে। এর মাধ্যমে লেনদেন দ্রুত ও নির্ভুল হয়। ফলে জনাব তানভিরের ব্যবসায়িক লেনদেন আরো সহজ হয়। তাই বলা যায়, স্বয়ংক্রিয় নিকাশঘর ব্যবস্থার কারণে জনাব তানভির সহজেই তার ব্যাংকিং কাজ পরিচালনা করতে পারছেন।