উদ্দীপকে দেশীয় মুদ্রায় বিনিময় হার হ্রাস পাওয়ায় মি. খানের ধারণার চেয়ে মুনাফা বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশীয় মুদ্রায় বিনিময় হার হ্রাস বলতে দেশের অপেক্ষাকৃত বেশি মুদ্রায় বিদেশের কম মুদ্রা গ্রহণকে বোঝায়। মূলত দুটি দেশের মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের তারতম্যের কারণে বিনিময় হারের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।উদ্দীপকে মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠনের সাথে তাদের পাঁচ লক্ষ পিস জিন্সের প্যান্ট রপ্তানির চুক্তি হয়। মি. খান প্রত্যাশা করেন প্রতি প্যান্ট থেকে তিনি ৮০ টাকা করে মুনাফা করবেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে সর্বমোট প্রত্যাশিত মুনাফার পরিমাণ চার কোটি টাকা। কিন্তু ব্যবসা শেষে দেখা গেল মুনাফার পরিমাণ প্রত্যাশার তুলনায় অধিক হয়েছে।এ রপ্তানি চুক্তিতে দেশীয় মুদ্রায় বিনিময় হার হ্রাস পাওয়ায় মি. খান অধিক মুনাফা করেছেন। অর্থাৎ দেশে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় টাকার মূল্য হ্রাস পেয়েছে। এ পর্যায়ে মি. খান রপ্তানি মূল্য হিসেবে দেশে ডলারের যোগান দেয়ায় তিনি পূর্বের তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশি টাকা পেয়েছেন। যার ফলে তার মুনাফার পরিমাণ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়েছে।সহায়ক তথ্য..দেশীয় মুদ্রায় বিনিময় হার হ্রাস: দেশের অপেক্ষাকৃত বেশি মুদ্রায় বিদেশের কম মুদ্রা পাওয়া গেলে বিনিময় হার হ্রাস পেয়েছে বলা যায়। ধরা যাক, বাংলাদেশের৭০ টাকায় ১ ডলার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে টাকার সাথে ডলারের বিনিময় হার ১/৭০ ভাগ। কিন্তু ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ৮০ টাকা দিয়ে ১ ডলার পাওয়া গেলে বিনিময় হার কমে দাঁড়ায় ১/৮০ ডলার।