বিমার ভূমিকা বিবেচনায় 'বিমা হলো সম্ভাব্য ক্ষতির বিপরীতে আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা'- উক্তিটি যথার্থ।
বিমাচুক্তিতে বিমাকারী ও বিমাগ্রহীতা দুইটি পক্ষ জড়িত। বিমাকারী বিমাগ্রহীতার বিষয়বস্তুর ওপর আর্থিক নিরাপত্তা দেয়। এই ঝুঁকি গ্রহণের বিপরীতে বিমাকারী প্রিমিয়াম আদায় করে। পরবর্তীতে বিমাকৃত বিষয়বস্তুর কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন হলে, বিমাকারী চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।
উদ্দীপকের মি. আকিজ দোকান চালু করেন। তিনি তার বন্ধুর পরামর্শে ১ বছরের জন্য ২ লক্ষ টাকার একটি অগ্নি বিমা চুক্তি সম্পাদন করেন। চুক্তি অনুযায়ী মি. আকিজ পদ্মা কোম্পানিকে ২০ হাজার টাকা প্রিমিয়াম পরিশোধ করেন। এর বিপরীতে পদ্মা কোম্পানি তাকে অগ্নিজনিত ক্ষতির আর্থিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়।
অগ্নি বিমা চুক্তি অনুসারে ১ বছরের মধ্যে অগ্নিজনিত ক্ষতির জন্য মি. আকিজ ক্ষতিপূরণ পাবেন। ফলে দুর্ঘটনাবশত অগ্নিকাণ্ড ঘটলেও মি. আকিজ সম্পূর্ণভাবে দেউলিয়া হবেন না। কিন্তু বিমা ব্যবস্থার অনুপস্থিতে এ সকল দুর্ঘটনায় মি. আকিজের মতো ব্যবসায়ীদের অসহায়ত্ব বরণ করতে হতো। কেননা এতে তারা সম্পূর্ণ সহায়-সম্বল হারিয়ে ফেলতেন। তবে বিমা ব্যবস্থা এসব পরিস্থিতিতে বিমাদাবি পরিশোধ করে সহায়তা করে থাকে। তাই বলা যায়, বিমা হলো সম্ভাব্য ক্ষতির বিপরীতে আর্থিক নিরাপত্তা পাওয়ার অন্যতম হাতিয়ার।