উদ্দীপকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে খোলাবাজার পদ্ধতিটি প্রয়োগ করেছে তা দেশের ঋণ নিয়ন্ত্রণে সফল হবে বলে আমি মনে করি। খোলাবাজার নীতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি । বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে বিল, বন্ড প্রভৃতি কেনা-বেচা করে। ঋণ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এ ব্যাংক মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে । উদ্দীপকে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত মুনাফার আশায় বাজারে ঋণের প্রবাহ বাড়ায়। দ্রব্যমূল্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে বিভিন্ন দলিলপত্র, বেসরকারি বন্ড ও সিকিউরিটিজ বিক্রি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বাজারে অতিরিক্ত ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে আসে। উদ্দপিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অধিক মুনাফার আশায় বেশি ঋণ দেয়। এতে দেশে ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে বিল, বন্ড প্রভৃতি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। এই বিল, বন্ড বাণিজ্যিক ব্যাংক কিনবে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে টাকা কেন্দ্ৰীয় ব্যাংকে চলে আসবে। এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কমে যাবে। ফলে বাজারে ঋণের সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতি কমবে। তাই বলা যায়, খোলাবাজার নীতি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।