বিমা প্রতিষ্ঠান বিমাগ্রহীতা মি. রাজু সাহেবকে বিমাদাবি পরিশোধ না করে সমর্পণ মূল্য দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
বিমাগ্রহীতার পক্ষে বিমাপত্রের প্রিমিয়াম নিয়মিত পরিশোধ সম্ভব না হলে বিমাপত্র বিমা প্রতিষ্ঠানের কাছে সমর্পণ করা হয়। এটি সমর্পণের পর বিমাকারী বিমাগ্রহীতাকে যে অর্থ দেয় তা হলো সমর্পণ মূল্য। সাধারণত, দুই বছর পর্যন্ত প্রিমিয়ামের টাকা দিলে সমর্পণ মূল্য দেওয়া হয় ।
উদ্দীপকের মি. রাজু সাহেব ১৮ বছর মেয়াদি বিমা করেন। কিন্তু তিনি প্রিমিয়াম দিয়েছেন মাত্র ৮ বছর। এরপর প্রিমিয়াম না দিতে পারায় তিনি আগের প্রদত্ত মোট প্রিমিয়ামের ওপর দাবি করেন। কিন্তু বিমাকারী তা প্রত্যাখ্যান করে জমাকৃত অর্থের অংশবিশেষ ফেরত দেয়। জীবন বিমায় বিমাগ্রহীতার পক্ষে প্রিমিয়াম প্রদান করা অসম্ভব হলে তিনি তা বন্ধ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাকে বিমাপত্রটি সমর্পণ করতে হয়। উদ্দীপকের মি. রাজু সাহেব ৮ বছর প্রিমিয়াম প্রদানের পর অসুস্থ হয়ে শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। আর্থিক সমস্যার ফলে তিনি প্রিমিয়াম দিতে পারছেন না। তবে এর ফলে তিনি সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম দাবি করতে পারেন না। বরং তিনি সমর্পণ মূল্য পাবেন। কারণ তিনি দুই বছরের অধিক সময় প্রিমিয়াম পরিশোধ করেছেন।
তাই বলা যায়, বিমা কোম্পানি মি. রাজু সাহেবকে যে অর্থ প্রদান করেছে তা যথার্থ হয়েছে ।