মি প্রান্ত তার স্ত্রীকে নমিনি বা উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করায় তার্মায়ের বিমার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। যখন জীবনবীমা পত্র গ্রহণ করা হয় তখন বীমা গ্রহীতাকে তার উত্তরাধিকারী হিসেবে একজনকে বা একাধিক ব্যক্তিকে মনোনীত করতে পারে। যখন বীমা আদায়ের সময় আসে।তখন শুধু মনোনীত ব্যক্তির প্রমাণ দাখিল এর মাধ্যমে, এবং উত্তরাধিকারী সনদপত্র দাখিলের মাধ্যমে বিমা আদায় করা যায়। উদ্দীপকে মি প্রান্ত একটি বিমাপত্র গ্রহণ করেন। এবং তার উত্তরাধিকারী হিসেবে তার স্ত্রীকে মনোনীত করেন। তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী এবং তার মা পৃথকভাবে বীমা দাবি করলে। বীমা কোম্পানি তার মায়ের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন ।এখানে তার মা উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত না হওয়ার কারণে তার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। বীমাদাবি আদায়ের সময় বীমা কোম্পানিকে মনোনীত ব্যক্তির বিভিন্ন ধরণের তথ্যপত্র প্রদান করতে হয়।এক্ষেত্রে বীমা গ্রহীতা যাকে মনোনীত করে যায় শুধু তাকেই বীমা দাবি পরিশোধ করে। তাই বলা যায় মি প্রান্ত শুধুমাত্র তার স্ত্রীকে উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করায়, তার স্ত্রীকে বিমা দাবি পূরণ করেন। এবং তার মায়ের বীমা দাবী প্রত্যাখ্যান করেন।