শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকটি কীভাবে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শিকড় তথা জন্মস্থানের প্রতি নিবিড় টানের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সাথে সম্পর্কিত। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় জন্মস্থানের প্রতি কবির গভীর টান ফুটে উঠেছে। তিনি জন্মস্থানের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক ছিন্ন করে শহরে যেতে চান না। কেননা জন্মস্থানের আলোয় তিনি নিজেকে যতটা *প্রকাশ করতে পারেন, অন্য কোথাও তা পারেন না। তাই যান্ত্রিকতাপূর্ণ কৃত্রিম জীবন থেকে মুক্তি পেতে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই শেষ ট্রেনটি হারান। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবির গভীর স্বদেশপ্রেম ও আত্মিক টান প্রকাশ পেয়েছে। তিনি অন্যদের মতো দূরে চলে যেতে চান না; তিনি বাংলার মাটিতে থেকেই এর নিসর্গসৌন্দর্য উপভোগ করতে চান। বিভিন্ন অনুষঙ্গের বর্ণনার মাধ্যমে বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতির শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। মূলত উদ্দীপকের কবিতাংশে বাংলার প্রকৃতি, মানুষ ও পরিবেশের সঙ্গে কবির গভীর মমত্ববোধ এবং এদেশ ছেড়ে অন্য কোথাও না যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবিও জন্মস্থানের মায়া ছেড়ে শহুর জীবনে যেতে চান না। জন্মস্থানের প্রতি এরূপ টানই উদ্দীপকের সাথে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সাদৃশ্য নির্মাণ করেছে।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা · সৃজনশীল

উদ্দীপকটি কীভাবে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সাথে সম্পর্কিত? ব্যা…

উদ্দীপক

'তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও- আমি এই বাংলার পারে রয়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে; দেখিব খয়েরী ডানা শালিখের সন্ধ্যায় হিম হয়ে আসে ধবল রোমের নিচে তাহার হলুদ ঠ্যাং ঘাসে অন্ধকারে নেচে চলে একবার- দুইবার- তারপর হঠাৎ তাহারে বনের হিজল গাছ ডাক দিয়ে নিয়ে যায় হৃদয়ের পাশে; দেখিব মেয়েলি হাত সকরুণ-শাদা শাঁখা ধূসর বাতাসে শঙ্খের মতো কাঁদে; সন্ধ্যায় দাঁড়ালে সে পুকুরের ধারে।

উত্তর

কবির চোখের পাতায় শীতের বিন্দু জমবে।

উত্তর

"দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা"- বাড়ি ফিরে যাওয়া কবির কাছে একই সাথে লজ্জা ও ভয়ের বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি রেলস্টেশনে পৌছাতে পৌঁছাতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। এতে তিনি হতাশ হয়ে তাঁর বাবা-মায়ের কথা মনে করেন। বাবা তাঁকে স্টেশনে আসার সময় তাড়া দিচ্ছিলেন। তিনি তাঁর প্রস্তুতি দেখেই অনুমান করেছিলেন যে শেষ ট্রেন ধরতে পারবেন না। আর মাও চেয়েছিলেন কবি যেন বই নিয়ে রাত কাটিয়ে দেন যাতে সময়মতো গিয়ে রেলগাড়ি ধরতে পারেন। কিন্তু তিনি ট্রেন ধরতে না পেরে বাড়িতে ফিরে আসেন। কবি তাঁর এ বাড়ি ফেরাকে লজ্জা হিসেবে দেখেছেন। ফলে বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে তাঁদের আটচালা ঘরটি দেখে কবির মধ্যে ভয় কাজ করে।

উত্তর

শিকড় তথা জন্মস্থানের প্রতি নিবিড় টানের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সাথে সম্পর্কিত। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় জন্মস্থানের প্রতি কবির গভীর টান ফুটে উঠেছে। তিনি জন্মস্থানের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক ছিন্ন করে শহরে যেতে চান না। কেননা জন্মস্থানের আলোয় তিনি নিজেকে যতটা *প্রকাশ করতে পারেন, অন্য কোথাও তা পারেন না। তাই যান্ত্রিকতাপূর্ণ কৃত্রিম জীবন থেকে মুক্তি পেতে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই শেষ ট্রেনটি হারান। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবির গভীর স্বদেশপ্রেম ও আত্মিক টান প্রকাশ পেয়েছে। তিনি অন্যদের মতো দূরে চলে যেতে চান না; তিনি বাংলার মাটিতে থেকেই এর নিসর্গসৌন্দর্য উপভোগ করতে চান। বিভিন্ন অনুষঙ্গের বর্ণনার মাধ্যমে বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতির শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। মূলত উদ্দীপকের কবিতাংশে বাংলার প্রকৃতি, মানুষ ও পরিবেশের সঙ্গে কবির গভীর মমত্ববোধ এবং এদেশ ছেড়ে অন্য কোথাও না যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবিও জন্মস্থানের মায়া ছেড়ে শহুর জীবনে যেতে চান না। জন্মস্থানের প্রতি এরূপ টানই উদ্দীপকের সাথে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সাদৃশ্য নির্মাণ করেছে।

উত্তর

"চিত্রকল্পটি একটি বিশেষ দিকের ইঙ্গিত থাকলেও 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার প্রেক্ষাপট ভিন্ন"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরগামী শেষ ট্রেনটি ধরতে গিয়ে ব্যর্থ হন। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় তাঁর মনে পড়ল বাবা-মায়ের কথাগুলো। তারা বিভিন্নভাবে কবিকে সতর্ক করেছেন যেন ট্রেন ধরতে কবি ব্যর্থ না হন। কিন্তু কবির মনে ছিল একধরনের অনিচ্ছা, যার কারণে তিনি কারও উপদেশ গ্রাহ্য করেননি। মূলত তাঁর মধ্যে যান্ত্রিক জীবনের মোহ ভেঙে গ্রামীণ জীবনে ফিরে আসার আকুতি কাজ করেছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে স্বদেশের প্রতি গভীর টান পরিলক্ষিত হয়। পৃথিবীর অন্যান্য দেশ ছেড়ে তিনি আজীবন বাংলার বুকেই থাকতে চান। বাংলার নিসর্গ সৌন্দর্য তাঁকে মুগ্ধ করে রাখে। ফলে অন্যরা চলে গেলেও তিনি এই বাংলায় থেকে যেতে চান। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবিরও জন্মভূমির প্রতি গভীর টান লক্ষ করা যায়। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির কাছে শহর বা নাগরিক জীবনের তুলনায় মাতৃতুল্য গ্রামীণ জীবনই পরম স্বস্তির। তাই তিনি বিভিন্ন অজুহাতে নগরজীবনে যেতে চান না। তিনি মায়ের আশ্রয়ে শহরমুখী জীবনযাত্রায় খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফলতে চান। উদ্দীপকের কবি নির্দ্বিধায় এদেশের বুকে থেকে যেতে চান, তিনি অন্য কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন না। কিন্তু 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি দুই রকম জীবন অভিজ্ঞতা লাভের পর গ্রামীণ জীবনকে বেছে নিতে চান। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমি খানিকটা ঘরকুনো আর শান্তিপ্রিয় জীব। বাইরের পৃথিবীতে ছুটে বেরোবার শখ আছে, কিন্তু সাহস নেই। অনিশ্চয় অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ে আমাকে রোমাঞ্চিত করে তোলে না বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উদ্বি আছে কিনা সাহা নেই। অলির অ্যাঙ্কেই ট্রেন পরমোৎসাহে ছুটতে লাগল। গাড়ির চাকার যেন মেল ট্রেনের ছন্দ মিলেছে। একটার পর একটা স্টেশন পেছনে সরে যেতে লাগল, তারপর নক্ষত্র কার পায়াপথের আলোয় আভাসিত দিগন্তে মাথা তুলে দাঁড়ালো জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরির শিখরমালা- গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ। তীব্র দুইসিলের শব্দ করে ট্রেন একটা বাঁক ঘুরল।
ক
কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?
খ
"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমি খানিকটা ঘরকুনো আর শান্তিপ্রিয় জীব। বাইরের পৃথিবীতে ছুটে বেরোবার শখ আছে, কিন্তু সাহস নেই। অনিশ্চয় অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ে আমাকে রোমাঞ্চিত করে তোলে না বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উদ্বি আছে কিনা সাহা নেই। অলির অ্যাঙ্কেই ট্রেন পরমোৎসাহে ছুটতে লাগল। গাড়ির চাকার যেন মেল ট্রেনের ছন্দ মিলেছে। একটার পর একটা স্টেশন পেছনে সরে যেতে লাগল, তারপর নক্ষত্র কার পায়াপথের আলোয় আভাসিত দিগন্তে মাথা তুলে দাঁড়ালো জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরির শিখরমালা- গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ। তীব্র দুইসিলের শব্দ করে ট্রেন একটা বাঁক ঘুরল।
ক
কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?
খ
"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।

"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?

কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

স্টেশনে পা দিয়েই ফটকি বুঝে নেয় তার কত চেনা অঞ্চলটি আজ কতখানি পর হয়ে গেছে। কেমন যেন ভিনদেশি পরিবেশে সে পা দিয়েছে। অনেকদিন পর ফিরে এসেছে জন্ম জা'গার টানে। পুরনো ভিটেমাটি দেখে যাবে, দেখে যাবে চেনা জানা মানুষের মুখ। কতই না মন টানে। কিন্তু কই তারা কেউ ফটকিকে কাছে ডেকে একটুখানি আদর করবে, কুশল জিজ্ঞেস করবে, অনেকদিন পর ফিরে আসা ফটকিকে দেখে একটুখানি খুশি হবে তেমন লক্ষণ চোখে পড়ে না। সে এখানে, এদের মাঝে থেকেই বড় হয়ে গেল। এদের মনে কি এতটুকু আত্মীয়তা, কুটুদ্ধিতার দানা বাঁধেনি? আশ্চর্য লাগে। বিস্মিত হয় ফট্ওকি। কিন্তু দুঃতি হয় না। দমে যায় না। ফটকির একটা ভালো নাম আছে। ফটিকচান্দ।
ক
স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?
খ
এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

স্টেশনে পা দিয়েই ফটকি বুঝে নেয় তার কত চেনা অঞ্চলটি আজ কতখানি পর হয়ে গেছে। কেমন যেন ভিনদেশি পরিবেশে সে পা দিয়েছে। অনেকদিন পর ফিরে এসেছে জন্ম জা'গার টানে। পুরনো ভিটেমাটি দেখে যাবে, দেখে যাবে চেনা জানা মানুষের মুখ। কতই না মন টানে। কিন্তু কই তারা কেউ ফটকিকে কাছে ডেকে একটুখানি আদর করবে, কুশল জিজ্ঞেস করবে, অনেকদিন পর ফিরে আসা ফটকিকে দেখে একটুখানি খুশি হবে তেমন লক্ষণ চোখে পড়ে না। সে এখানে, এদের মাঝে থেকেই বড় হয়ে গেল। এদের মনে কি এতটুকু আত্মীয়তা, কুটুদ্ধিতার দানা বাঁধেনি? আশ্চর্য লাগে। বিস্মিত হয় ফট্ওকি। কিন্তু দুঃতি হয় না। দমে যায় না। ফটকির একটা ভালো নাম আছে। ফটিকচান্দ।
ক
স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?
খ
এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।

এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?

স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জালাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে: হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে।
ক
কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?
খ
'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।
ঘ
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জালাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে: হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে।
ক
কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?
খ
'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।
ঘ
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।

'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?

কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমাউদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মউদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণএক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটউদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।