কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর কবিতা : প্রত্যাবর্তনের লজ্জা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৫০

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমি খানিকটা ঘরকুনো আর শান্তিপ্রিয় জীব। বাইরের পৃথিবীতে ছুটে বেরোবার শখ আছে, কিন্তু সাহস নেই। অনিশ্চয় অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ে আমাকে রোমাঞ্চিত করে তোলে না বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উদ্বি আছে কিনা সাহা নেই। অলির অ্যাঙ্কেই ট্রেন পরমোৎসাহে ছুটতে লাগল। গাড়ির চাকার যেন মেল ট্রেনের ছন্দ মিলেছে। একটার পর একটা স্টেশন পেছনে সরে যেতে লাগল, তারপর নক্ষত্র কার পায়াপথের আলোয় আভাসিত দিগন্তে মাথা তুলে দাঁড়ালো জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরির শিখরমালা- গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ। তীব্র দুইসিলের শব্দ করে ট্রেন একটা বাঁক ঘুরল।
ক
কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?

উত্তর

কবি সাত মাইল হেঁটেছিলেন।
খ
"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "আর আমি এদের ভাই।"- এ কথটি কবি তাঁর ভাইবোনদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে বলেছিলেন। ➤ প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি স্টেশনে পৌঁছাতে পৌছাতে ট্রেন ছেড়ে দেয়। তখন হতাশায় কবির বাবা-মায়ের কথাগুলো ' মনে পড়ে। নিজের ভাইবোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতিও কবির মনে জাগ্রত হয়। তাঁর বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না, ফরহাদ আধা ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলীও এ ব্যাপারে খুব সচেতন। আর নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। অথচ তাদের ভাই হয়ে কবি ট্রেন ফেল করে বসে আছেন। সারকথা: কবির ভাইবোনদের মতো কবি সচেতন ও সতর্ক নন, এ বিষয়টি বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিলেন।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের লেখকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করার দিকটির বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ স্বদেশের আলো-হাওয়ার মাঝেই মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে ওঠে। তাই স্বদেশের প্রকৃতি ছেড়ে মানুষ কোথাও যেতে চায় না। ➤ উদ্দীপরে লেখকের বর্ণনায় দেখা যায়, বাইরের জগতে যাওয়ার তাঁর শখ থাকলেও সাহস নেই। তবু তাঁর দুর্ভাবনাকে উপেক্ষা করে উৎসাহ নিয়ে ট্রেন ছুটে চলে। একের পর এক স্টেশন তার পেছনে সরে যেতে থাকে। তিনি যেন দেখতে লাগলেন জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরি শিখরমালা গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ ইত্যাদি। অন্যদিকে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতেই পারেননি। ফলে স্টেশনে বসেই তিনি কল্পনায় চলে যেতে চেয়েছেন গ্রামের প্রিয় আঙিনায়, মা ও মাতৃভূমির প্রকৃতির কাছে। তিনি যেন সব সংকোচ ও ভয়ের ঊর্ধ্বে ঊর্ধ্বে ছুটে গেলেন মায়ের কোলে। কবির এমন প্রত্যাবর্তন উদ্দীপকের লেখকের মধ্যে দেখা যায়নি। সারকথা: উদ্দীপকের লেখকের দুর্ভাবনা উপেক্ষা করেই ট্রেনে চলতে লাগল, সেখানে লেখকের প্রত্যাবর্তন চোখে পড় না, যা 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির মধ্যে দেখা যায়।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

➤ না, উদ্দীপকের মূলভাব 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়। ➤ পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পরিচিত গণ্ডি ছেড়ে দূরে যেতে চায় না। তবে তাদের অনেকের মধ্যেই পৃথিবীর নানা দেশে ঘুরে বেড়ানোর শখ থাকে। আবার কেউ কেউ বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না। ➤ উদ্দীপকের লেখক দুর্ভাবনা কাটিয়ে ট্রেনে বহুদূরে ছুটতে লাগলেন। এভাবে একের পর এক স্টেশন তিনি যেতে লাগলেন। কল্পনায় তিনি বিচরণ করতে লাগলেন ইতিহাসের দিক থেকে দিগন্তে। কবির এমন ছুটে চলার সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য রয়েছে। কেননা উদ্দীপকের লেখক ছুটে চলেছেন কিন্তু তাঁর শেকড়ে তিনি প্রত্যাবর্তন করেননি। তবে উদ্দীপকের মূলভাবের কিছু বিষয় আলোচ্য কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। যেমন- উদ্দীপকের লেখক ঘরকুনো, কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে তার সাহস নেই। আবার ট্রেনে উঠতে না পেরে কল্পনায় কবি তাঁর গ্রামের দিকে যে যাত্রাটি শুরু করলেন সেখানে যাত্রাপথে তিনি অনেক বিষয়ের বর্ণনা করেছেন। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির শহরে যাওয়ার তেমন আগ্রহ নেই, কেননা গ্রামীণ জীবনই তাঁর কাছে পরম স্বস্তির। সেই বর্ণনায় রয়েছে গ্রামীণ পরিবেশ ও প্রকৃতির বিভিন্ন চিত্র। যাত্রাপথে এসব বর্ণনার সঙ্গে উদ্দীপকের লেখকের যাত্রাপথের বর্ণনার কিছুটা মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটির মূলভাব 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়। সারকথা: উদ্দীপকের মূলভাবে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য থাকলেও কিছু বিষয়ের সাদৃশও রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মূলভাব আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমি খানিকটা ঘরকুনো আর শান্তিপ্রিয় জীব। বাইরের পৃথিবীতে ছুটে বেরোবার শখ আছে, কিন্তু সাহস নেই। অনিশ্চয় অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ে আমাকে রোমাঞ্চিত করে তোলে না বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উদ্বি আছে কিনা সাহা নেই। অলির অ্যাঙ্কেই ট্রেন পরমোৎসাহে ছুটতে লাগল। গাড়ির চাকার যেন মেল ট্রেনের ছন্দ মিলেছে। একটার পর একটা স্টেশন পেছনে সরে যেতে লাগল, তারপর নক্ষত্র কার পায়াপথের আলোয় আভাসিত দিগন্তে মাথা তুলে দাঁড়ালো জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরির শিখরমালা- গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ। তীব্র দুইসিলের শব্দ করে ট্রেন একটা বাঁক ঘুরল।
ক
কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?

উত্তর

কবি সাত মাইল হেঁটেছিলেন।
খ
"আর আমি এদের ভাই।"- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "আর আমি এদের ভাই।"- এ কথটি কবি তাঁর ভাইবোনদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে বলেছিলেন। ➤ প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি স্টেশনে পৌঁছাতে পৌছাতে ট্রেন ছেড়ে দেয়। তখন হতাশায় কবির বাবা-মায়ের কথাগুলো ' মনে পড়ে। নিজের ভাইবোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতিও কবির মনে জাগ্রত হয়। তাঁর বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না, ফরহাদ আধা ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলীও এ ব্যাপারে খুব সচেতন। আর নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। অথচ তাদের ভাই হয়ে কবি ট্রেন ফেল করে বসে আছেন। সারকথা: কবির ভাইবোনদের মতো কবি সচেতন ও সতর্ক নন, এ বিষয়টি বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিলেন।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের লেখকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির বাড়িতে প্রত্যাবর্তন করার দিকটির বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ স্বদেশের আলো-হাওয়ার মাঝেই মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে ওঠে। তাই স্বদেশের প্রকৃতি ছেড়ে মানুষ কোথাও যেতে চায় না। ➤ উদ্দীপরে লেখকের বর্ণনায় দেখা যায়, বাইরের জগতে যাওয়ার তাঁর শখ থাকলেও সাহস নেই। তবু তাঁর দুর্ভাবনাকে উপেক্ষা করে উৎসাহ নিয়ে ট্রেন ছুটে চলে। একের পর এক স্টেশন তার পেছনে সরে যেতে থাকে। তিনি যেন দেখতে লাগলেন জরাসন্ধের পুরী, বিম্বিসারের রাজধানী, ভগবান তথাগতের চরণধন্য পঙ্কগিরি শিখরমালা গিরিব্রজপুরী রাজগৃহ ইত্যাদি। অন্যদিকে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতেই পারেননি। ফলে স্টেশনে বসেই তিনি কল্পনায় চলে যেতে চেয়েছেন গ্রামের প্রিয় আঙিনায়, মা ও মাতৃভূমির প্রকৃতির কাছে। তিনি যেন সব সংকোচ ও ভয়ের ঊর্ধ্বে ঊর্ধ্বে ছুটে গেলেন মায়ের কোলে। কবির এমন প্রত্যাবর্তন উদ্দীপকের লেখকের মধ্যে দেখা যায়নি। সারকথা: উদ্দীপকের লেখকের দুর্ভাবনা উপেক্ষা করেই ট্রেনে চলতে লাগল, সেখানে লেখকের প্রত্যাবর্তন চোখে পড় না, যা 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির মধ্যে দেখা যায়।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব কি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

➤ না, উদ্দীপকের মূলভাব 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়। ➤ পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পরিচিত গণ্ডি ছেড়ে দূরে যেতে চায় না। তবে তাদের অনেকের মধ্যেই পৃথিবীর নানা দেশে ঘুরে বেড়ানোর শখ থাকে। আবার কেউ কেউ বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না। ➤ উদ্দীপকের লেখক দুর্ভাবনা কাটিয়ে ট্রেনে বহুদূরে ছুটতে লাগলেন। এভাবে একের পর এক স্টেশন তিনি যেতে লাগলেন। কল্পনায় তিনি বিচরণ করতে লাগলেন ইতিহাসের দিক থেকে দিগন্তে। কবির এমন ছুটে চলার সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য রয়েছে। কেননা উদ্দীপকের লেখক ছুটে চলেছেন কিন্তু তাঁর শেকড়ে তিনি প্রত্যাবর্তন করেননি। তবে উদ্দীপকের মূলভাবের কিছু বিষয় আলোচ্য কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। যেমন- উদ্দীপকের লেখক ঘরকুনো, কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে তার সাহস নেই। আবার ট্রেনে উঠতে না পেরে কল্পনায় কবি তাঁর গ্রামের দিকে যে যাত্রাটি শুরু করলেন সেখানে যাত্রাপথে তিনি অনেক বিষয়ের বর্ণনা করেছেন। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির শহরে যাওয়ার তেমন আগ্রহ নেই, কেননা গ্রামীণ জীবনই তাঁর কাছে পরম স্বস্তির। সেই বর্ণনায় রয়েছে গ্রামীণ পরিবেশ ও প্রকৃতির বিভিন্ন চিত্র। যাত্রাপথে এসব বর্ণনার সঙ্গে উদ্দীপকের লেখকের যাত্রাপথের বর্ণনার কিছুটা মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটির মূলভাব 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়। সারকথা: উদ্দীপকের মূলভাবে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য থাকলেও কিছু বিষয়ের সাদৃশও রয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মূলভাব আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্টেশনে পা দিয়েই ফটকি বুঝে নেয় তার কত চেনা অঞ্চলটি আজ কতখানি পর হয়ে গেছে। কেমন যেন ভিনদেশি পরিবেশে সে পা দিয়েছে। অনেকদিন পর ফিরে এসেছে জন্ম জা'গার টানে। পুরনো ভিটেমাটি দেখে যাবে, দেখে যাবে চেনা জানা মানুষের মুখ। কতই না মন টানে। কিন্তু কই তারা কেউ ফটকিকে কাছে ডেকে একটুখানি আদর করবে, কুশল জিজ্ঞেস করবে, অনেকদিন পর ফিরে আসা ফটকিকে দেখে একটুখানি খুশি হবে তেমন লক্ষণ চোখে পড়ে না। সে এখানে, এদের মাঝে থেকেই বড় হয়ে গেল। এদের মনে কি এতটুকু আত্মীয়তা, কুটুদ্ধিতার দানা বাঁধেনি? আশ্চর্য লাগে। বিস্মিত হয় ফট্ওকি। কিন্তু দুঃতি হয় না। দমে যায় না। ফটকির একটা ভালো নাম আছে। ফটিকচান্দ।
ক
স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?

উত্তর

স্টেশনে আসার সময় কবির বাবা কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন।
খ
এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম"- বলতে কবির স্বপ্নহীন ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে থাকার দিকটি বোঝানো হয়েছে। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি নাগরিক জীবন অপেক্ষা গ্রামীণ জীবনকেই পরম স্বস্তির জায়গা বলে বেছে নিয়েছেন। ফলে তিনি গ্রাম ছেড়ে শহরে যেতে রাজি ছিলেন না। আর এজন্যই শহরমুখী যাত্রায় তাঁর তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। শহরে যাওয়ার বিষয়কে তিনি স্বপ্নহীন মনে করেছিলেন, কারণ শহর নিয়ে তাঁর কোনো স্বপ্নটা ছিল না, আশা ছিল না। তাঁর সব স্বপ্ন ছিল গ্রামীণ নিসর্গকে নিয়ে, মাতৃভূমির নির্মল প্রকৃতিকে নিয়ে। তাই তিনি শহর যাত্রার আগে স্বপ্নহীন ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। সারকথা: কবির স্বপ্ন ছিল গ্রামীণ নিসর্গকে নিয়ে, মাতৃভূমির নির্মল প্রকৃতিকে নিয়ে।
গ
উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার গ্রামে ফিরে যাওয়ার ভাবনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দীর্ঘ সময় থাকলে মানুষের সঙ্গে সে জায়গাটির গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষ্ণু অনেকদিন পর অন্য জায়গা থেকে আগের জায়গায় ফিরে এলে সেই জায়গার চারপাশ যেন তার কাছে অচেনা, পর মনে হয়। ➤ উদ্দীপকের ফটকি স্টেশনে পা দিয়ে বুঝতে পারে তার চেনা অঞ্চলটি আজ অচেনা হয়ে গেছে। পুরানো পরিচিত ভিটায় এসে সে যেন ভিনদেশি পরিবেশে পা দিয়েছে। তার পরিচিত মানুষগুলো যেন কেউ তাকে চেনে না। সবার এমন আচরণ দেখেও ফকি দুঃখিত হয় না। দমে যায় না। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেন ফেল করে কল্পনায় ভাবতে ভাবতে ভোর রাতেই বাড়ির দিকে রওয়ানা দিয়েছেন। তবে এ যাত্রায় তাঁর মধ্যে কিছুটা সংকোচ ছিল, ভয় ছিল। ফলে দারুন ভয়ের মতো তাদের আটচালা ঘর ভেসে ওঠে, দীর্ঘ পাতাগুলোও যেন তাঁকে দেখে 'না না' করে কাঁপে। কবির বাবাও তাঁকে দেখে মুখ নিচু করে রাখে। তবুও কবি সবকিছু কাটিয়ে তাঁর মা তথা প্রকৃতিকে জড়িয়ে ধরে সব লজ্জা, সংকোচ, ভয় কাটিয়ে ফেলতে চেয়েছেন। সারকথা: উদ্দীপকের ফটকি নিজের পরিচিত পরিবেশে ফিরে বিরূপ আচরণ পেলেও যেমন দমে যায়নি তেমনি এ কবিতার কবিও দমে যাননি।
ঘ
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য মানুষকে মুগ্ধ করে। ফলে গ্রামীণ জীবনের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ জন্মে। ➤ উদ্দীপকের ফটকি তার চিরচেনা পুরানো ভিটায় এসে নিজেকে অসহায় মনে করে। তাকে কেউ চেনে না, কেউ তাকে আদর করে কাছে টেনে নেয় না। কিন্তু তবুও সে দমে যায় না, দুঃখিত হয় না। উদ্দীপকের এ দিকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির কল্পনায় গ্রামে ফেরা এবং তখনকার কিছু বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে তা কবিতার সমগ্র ভাবকে ধারণ করেনি। কারণ কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারার হতাশা, তাঁর বাবা-মা ও ভাই-বোনের স্মৃতি স্মরণ হওয়া প্রভৃতি দিক রয়েছে যেগুলো উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য স্টেশনে গিয়ে সেটি আর ধরতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর যাওয়ার কথা ছিল তারা হাত নেড়ে তাকে সান্ত্বনা দেয়। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির বাবা-মা, ভাইবোনদের নানা কথা মনে পড়ে। করি ভাবতে ভাবতে কল্পনায় ফিরে যান গ্রামীণ জীবনের মা তথা প্রকৃতির কাছে। শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলতে চান মায়ের আশ্রয়ে, মাতৃভূমির প্রকৃতির সান্নিধ্যে। কবিতার এসব বিষয় উদ্দীপকে পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারা থেকে কল্পনায় মায়ের আশ্রয়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পর্যন্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফুটে উঠেছে, যা উদ্দীপকে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। । এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

স্টেশনে পা দিয়েই ফটকি বুঝে নেয় তার কত চেনা অঞ্চলটি আজ কতখানি পর হয়ে গেছে। কেমন যেন ভিনদেশি পরিবেশে সে পা দিয়েছে। অনেকদিন পর ফিরে এসেছে জন্ম জা'গার টানে। পুরনো ভিটেমাটি দেখে যাবে, দেখে যাবে চেনা জানা মানুষের মুখ। কতই না মন টানে। কিন্তু কই তারা কেউ ফটকিকে কাছে ডেকে একটুখানি আদর করবে, কুশল জিজ্ঞেস করবে, অনেকদিন পর ফিরে আসা ফটকিকে দেখে একটুখানি খুশি হবে তেমন লক্ষণ চোখে পড়ে না। সে এখানে, এদের মাঝে থেকেই বড় হয়ে গেল। এদের মনে কি এতটুকু আত্মীয়তা, কুটুদ্ধিতার দানা বাঁধেনি? আশ্চর্য লাগে। বিস্মিত হয় ফট্ওকি। কিন্তু দুঃতি হয় না। দমে যায় না। ফটকির একটা ভালো নাম আছে। ফটিকচান্দ।
ক
স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?

উত্তর

স্টেশনে আসার সময় কবির বাবা কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন।
খ
এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ "এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম"- বলতে কবির স্বপ্নহীন ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে থাকার দিকটি বোঝানো হয়েছে। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি নাগরিক জীবন অপেক্ষা গ্রামীণ জীবনকেই পরম স্বস্তির জায়গা বলে বেছে নিয়েছেন। ফলে তিনি গ্রাম ছেড়ে শহরে যেতে রাজি ছিলেন না। আর এজন্যই শহরমুখী যাত্রায় তাঁর তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। শহরে যাওয়ার বিষয়কে তিনি স্বপ্নহীন মনে করেছিলেন, কারণ শহর নিয়ে তাঁর কোনো স্বপ্নটা ছিল না, আশা ছিল না। তাঁর সব স্বপ্ন ছিল গ্রামীণ নিসর্গকে নিয়ে, মাতৃভূমির নির্মল প্রকৃতিকে নিয়ে। তাই তিনি শহর যাত্রার আগে স্বপ্নহীন ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। সারকথা: কবির স্বপ্ন ছিল গ্রামীণ নিসর্গকে নিয়ে, মাতৃভূমির নির্মল প্রকৃতিকে নিয়ে।
গ
উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের বর্ণনাটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার গ্রামে ফিরে যাওয়ার ভাবনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দীর্ঘ সময় থাকলে মানুষের সঙ্গে সে জায়গাটির গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষ্ণু অনেকদিন পর অন্য জায়গা থেকে আগের জায়গায় ফিরে এলে সেই জায়গার চারপাশ যেন তার কাছে অচেনা, পর মনে হয়। ➤ উদ্দীপকের ফটকি স্টেশনে পা দিয়ে বুঝতে পারে তার চেনা অঞ্চলটি আজ অচেনা হয়ে গেছে। পুরানো পরিচিত ভিটায় এসে সে যেন ভিনদেশি পরিবেশে পা দিয়েছে। তার পরিচিত মানুষগুলো যেন কেউ তাকে চেনে না। সবার এমন আচরণ দেখেও ফকি দুঃখিত হয় না। দমে যায় না। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেন ফেল করে কল্পনায় ভাবতে ভাবতে ভোর রাতেই বাড়ির দিকে রওয়ানা দিয়েছেন। তবে এ যাত্রায় তাঁর মধ্যে কিছুটা সংকোচ ছিল, ভয় ছিল। ফলে দারুন ভয়ের মতো তাদের আটচালা ঘর ভেসে ওঠে, দীর্ঘ পাতাগুলোও যেন তাঁকে দেখে 'না না' করে কাঁপে। কবির বাবাও তাঁকে দেখে মুখ নিচু করে রাখে। তবুও কবি সবকিছু কাটিয়ে তাঁর মা তথা প্রকৃতিকে জড়িয়ে ধরে সব লজ্জা, সংকোচ, ভয় কাটিয়ে ফেলতে চেয়েছেন। সারকথা: উদ্দীপকের ফটকি নিজের পরিচিত পরিবেশে ফিরে বিরূপ আচরণ পেলেও যেমন দমে যায়নি তেমনি এ কবিতার কবিও দমে যাননি।
ঘ
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কবিতার বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য মানুষকে মুগ্ধ করে। ফলে গ্রামীণ জীবনের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ জন্মে। ➤ উদ্দীপকের ফটকি তার চিরচেনা পুরানো ভিটায় এসে নিজেকে অসহায় মনে করে। তাকে কেউ চেনে না, কেউ তাকে আদর করে কাছে টেনে নেয় না। কিন্তু তবুও সে দমে যায় না, দুঃখিত হয় না। উদ্দীপকের এ দিকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির কল্পনায় গ্রামে ফেরা এবং তখনকার কিছু বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে তা কবিতার সমগ্র ভাবকে ধারণ করেনি। কারণ কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারার হতাশা, তাঁর বাবা-মা ও ভাই-বোনের স্মৃতি স্মরণ হওয়া প্রভৃতি দিক রয়েছে যেগুলো উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য স্টেশনে গিয়ে সেটি আর ধরতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর যাওয়ার কথা ছিল তারা হাত নেড়ে তাকে সান্ত্বনা দেয়। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির বাবা-মা, ভাইবোনদের নানা কথা মনে পড়ে। করি ভাবতে ভাবতে কল্পনায় ফিরে যান গ্রামীণ জীবনের মা তথা প্রকৃতির কাছে। শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলতে চান মায়ের আশ্রয়ে, মাতৃভূমির প্রকৃতির সান্নিধ্যে। কবিতার এসব বিষয় উদ্দীপকে পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারা থেকে কল্পনায় মায়ের আশ্রয়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পর্যন্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফুটে উঠেছে, যা উদ্দীপকে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। । এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জালাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে: হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে।
ক
কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?

উত্তর

কবি না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়।
খ
'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

➤ 'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি তাঁর ভাই-বোনদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে উল্লেখ করেছেন। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য রেলস্টেশনে পৌছাতে পৌঁছাতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। 17 ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির মনে পড়ে বাবা-মায়ের কথাগুলো। নিজের ভাই-বোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতিও তাঁর মনে জাগ্রত হয়। তাঁর বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না, ফরহাদ আধা ঘন্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলীও এ ব্যাপারে খুব সচেতন। আর নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। অথচ তাদের ভাই হয়ে কবি ট্রেন ফেল করে বসে আছেন। সারকথা: কবির ভাই-বোনদের মতো কবি সতর্ক নন, ফলে তিনি ঠিক সময়ে ট্রেনে উঠতে পারেননি।
গ
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির গ্রামে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ও গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশের দিকগুলোকে ধারণ করে। ➤ যাদের জন্ম গ্রামে গ্রামীণ পরিবেশের সঙ্গে তাদের একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছেন। কারণ তিনি বাংলার নদী, মাঠ, খেতকে ভালোবাসেন। জলাঙ্গীর ঢেউ, সন্ধ্যার বাতাসে সুদর্শন উড়ে যাওয়া, শিমুলের ডালে লক্ষ্মীপেঁচার ডাক প্রভৃতি বিষয় গ্রামীণ পরিবেশের আবহকে নির্দেশ করে। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির চেতনায় এ দিকগুলো ফুটে উঠেছে। এ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার ট্রেন ধরতে না পারায় তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ পরিবেশে ফিরে যেতে চেয়েছেন। কবি কল্পনায় ভোর রাতেই বাড়ির পথে ফিরতে শুরু করেন। তাঁর এমন প্রত্যাবর্তনের পথে তিনি গ্রামের পরিচিত নদী, ছড়ানো-ছিটানো ঘরবাড়ি, গ্রাম, জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরেছেন। এগুলো গ্রামীণ পরিবেশকেই নির্দেশ করে। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি তাঁর গ্রামে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ও গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা দিয়েছেন। এসব দিক উদ্দীপকেও মুটে উঠেছে
ঘ
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপ মানুষকে মুগ্ধ করে। এমন পরিবেশকে অবগাহন করে মানুষ আনন্দিত হয়। ফলে স্বভাবতই গ্রামীণ জীবনের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ জন্মে। কোনো কারণে দূরে থাকলে সুযোগ পেলেই মানুষ ফিরে আসতে চায় গ্রামীণ জীবনে। ➤ উদ্দীপকে কবি বাংলার নদী, খেত, মাঠকে ভালোবেসে আবারও এখানে ফিরে আসতে চান। পাশাপাশি তিনি তুলে ধরেছেন গ্রামীণ পরিবেশের চিরাচরিত রূপ। উদ্দীপকের এই দিকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির গ্রামীণ জীবনে প্রত্যাবর্তনের আকুতি ও গ্রামীণ জীবনের কিছু বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে এগুলোই 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি। কারণ এ কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পেরে হতাশ হওয়া, তার বাবা-মা ও ভাই-বোনের স্মৃতি স্মরণ হওয়া প্রভৃতি দিক রয়েছে যেগুলো উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য স্টেশনে গিয়ে সেটি আর ধরতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর যাওয়ার কথা তারা হাত নেড়ে তাঁকে সান্ত্বনা দেয়। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির বাবা-মা, ভাই- ' বোনদের নানা স্মৃতি মনে পড়ে। কবি ভাবতে ভাবতে কল্পনায় ফিরে যান গ্রামীণ জীবনে। শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলতে চান মায়ের আশ্রয়ে, মাতৃভূমির প্রকৃতির সান্নিধ্যে। কবিতার এসব দিক উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারা থেকে কল্পনায় মায়ের আশ্রয়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পর্যন্ত অনেক সুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফুটে উঠেছে। সেগুলো উদ্দীপকে পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি তোই কয়েনায় মায়ের আশ্রয়ে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জালাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে: হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে।
ক
কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?

উত্তর

কবি না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়।
খ
'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

➤ 'আর আমি এদের ভাই'- এ কথাটি কবি তাঁর ভাই-বোনদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে উল্লেখ করেছেন। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য রেলস্টেশনে পৌছাতে পৌঁছাতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। 17 ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির মনে পড়ে বাবা-মায়ের কথাগুলো। নিজের ভাই-বোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতিও তাঁর মনে জাগ্রত হয়। তাঁর বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না, ফরহাদ আধা ঘন্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলীও এ ব্যাপারে খুব সচেতন। আর নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। অথচ তাদের ভাই হয়ে কবি ট্রেন ফেল করে বসে আছেন। সারকথা: কবির ভাই-বোনদের মতো কবি সতর্ক নন, ফলে তিনি ঠিক সময়ে ট্রেনে উঠতে পারেননি।
গ
উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কোন কোন দিককে ধারণ করে? নিরূপণ কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির গ্রামে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ও গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশের দিকগুলোকে ধারণ করে। ➤ যাদের জন্ম গ্রামে গ্রামীণ পরিবেশের সঙ্গে তাদের একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ➤ উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছেন। কারণ তিনি বাংলার নদী, মাঠ, খেতকে ভালোবাসেন। জলাঙ্গীর ঢেউ, সন্ধ্যার বাতাসে সুদর্শন উড়ে যাওয়া, শিমুলের ডালে লক্ষ্মীপেঁচার ডাক প্রভৃতি বিষয় গ্রামীণ পরিবেশের আবহকে নির্দেশ করে। 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির চেতনায় এ দিকগুলো ফুটে উঠেছে। এ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার ট্রেন ধরতে না পারায় তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ পরিবেশে ফিরে যেতে চেয়েছেন। কবি কল্পনায় ভোর রাতেই বাড়ির পথে ফিরতে শুরু করেন। তাঁর এমন প্রত্যাবর্তনের পথে তিনি গ্রামের পরিচিত নদী, ছড়ানো-ছিটানো ঘরবাড়ি, গ্রাম, জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরেছেন। এগুলো গ্রামীণ পরিবেশকেই নির্দেশ করে। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি তাঁর গ্রামে ফেরার আকাঙ্ক্ষা ও গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা দিয়েছেন। এসব দিক উদ্দীপকেও মুটে উঠেছে
ঘ
"উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে সক্ষম নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ গ্রামীণ প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপ মানুষকে মুগ্ধ করে। এমন পরিবেশকে অবগাহন করে মানুষ আনন্দিত হয়। ফলে স্বভাবতই গ্রামীণ জীবনের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগ জন্মে। কোনো কারণে দূরে থাকলে সুযোগ পেলেই মানুষ ফিরে আসতে চায় গ্রামীণ জীবনে। ➤ উদ্দীপকে কবি বাংলার নদী, খেত, মাঠকে ভালোবেসে আবারও এখানে ফিরে আসতে চান। পাশাপাশি তিনি তুলে ধরেছেন গ্রামীণ পরিবেশের চিরাচরিত রূপ। উদ্দীপকের এই দিকটি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির গ্রামীণ জীবনে প্রত্যাবর্তনের আকুতি ও গ্রামীণ জীবনের কিছু বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে এগুলোই 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি। কারণ এ কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পেরে হতাশ হওয়া, তার বাবা-মা ও ভাই-বোনের স্মৃতি স্মরণ হওয়া প্রভৃতি দিক রয়েছে যেগুলো উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। ➤ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য স্টেশনে গিয়ে সেটি আর ধরতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর যাওয়ার কথা তারা হাত নেড়ে তাঁকে সান্ত্বনা দেয়। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির বাবা-মা, ভাই- ' বোনদের নানা স্মৃতি মনে পড়ে। কবি ভাবতে ভাবতে কল্পনায় ফিরে যান গ্রামীণ জীবনে। শহরমুখী জীবনে খাপ খাওয়াতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলতে চান মায়ের আশ্রয়ে, মাতৃভূমির প্রকৃতির সান্নিধ্যে। কবিতার এসব দিক উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির ট্রেনে উঠতে না পারা থেকে কল্পনায় মায়ের আশ্রয়ে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পর্যন্ত অনেক সুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফুটে উঠেছে। সেগুলো উদ্দীপকে পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি তোই কয়েনায় মায়ের আশ্রয়ে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো