নিচের উদ্দীপকের আলোকে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও: 'পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয় প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়' Q. 'সোনার তরী' কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য-
ক. ক্রমণ ক্ষয়িষ্ণুতার চেতনায়
খ. জীবন বিরাগী হতাশায়
গ. পারলৌকিক দুর্ভাবনায়
ঘ. বিবর্ণ জীবনের বিরহতায় এ সাদৃশ্যের কারণ-
উত্তর: ক্রমণ ক্ষয়িষ্ণুতার চেতনায়
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর: ক) ক্রমণ ক্ষয়িষ্ণুতার চেতনায়। উদ্দীপকের চরণগুলোতে জগতের সবকিছুর অনিবার্য পরিণতি হিসেবে ধ্বংস বা ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাওয়ার কথা (পথের রেখা ক্ষয় হওয়া, নক্ষত্রের মৃত্যু) বলা হয়েছে। অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কবিতায়ও মানবজীবনের নশ্বরতা ও ক্ষয়িষ্ণুতার বিষয়টি গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। কবিতায় মহাকাল মানুষের সৃষ্টিকর্মকে (সোনার ধান) সযত্নে তুলে নেয়, কিন্তু নশ্বর মানুষকে (কৃষক) শূন্য নদীর তীরে ফেলে রেখে যায়, যার অনিবার্য পরিণতি হলো সময়ের সাথে ক্ষয় হয়ে যাওয়া বা বিলীন হওয়া ("শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি")। যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই পার্থিব অস্তিত্বের এই ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাওয়া বা নশ্বরতার দিকটি ফুটে উঠেছে, তাই পাঠ্যবইয়ের মূলভাব অনুযায়ী 'ক্রমণ ক্ষয়িষ্ণুতার চেতনা'ই হলো সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : সোনার তরী MCQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : সোনার তরী · MCQ