শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে শিশিরের পিতৃ-পরিবারে ব্যস্ত নারীর প্রতি মনোভাব 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ➤ উদ্দীপকে শিশিরের পিতৃ-পরিবারে নারীর প্রতি যে মনোভাবের চিত্র দেখা যায়, তাতে উনিশ শতকের গোড়ার দিকের সমাজজীবনে নারীর অবস্থানের কথা মনে করিয়ে দেয়। ➤ পূর্বে নারীরা ছিল পর্দাপ্রথার কঠিন বেড়াজালে অবরুদ্ধ। পুরুষশাসিত সমাজে নারীর মানবিক আকাঙ্ক্ষা ছিল পদদলিত। তাদের শিক্ষিত হওয়ার কোন সুযোগ দেওয়া হতো না। ➤ সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন ও অধিকারহীনতাকে দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও রক্ষণশীলতার অজুহাতে পিত- পরিবারে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হন। উদ্দীপকে শিশিরের জীবনেও সেই একই ঘটনা লক্ষণীয়। মূলত মা-বাবার অসচেতনতার কারণেই রোকেয়া ও শিশিরে মতো অসংখ্য নারীকে পিতৃ-পরিবারে শিক্ষালাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয় এবং কর্মক্ষেত্রে তাদেরকে পিছিয়ে পড়তে হয়। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সে বিষয়েই আলোকপাত করেছেন। সারকথা: 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উনিশ শতকে পিত- -পরিবারে নারীর শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়া সম্পর্কে জানা যায়। অপরদিকে উদ্দীপকে বর্ণিত শিশিরের ঘটনাটি এই সময়ে হলেও পিতৃ-পরিবারে কন্যাসন্তান হিসেবে তার অবস্থানও সেই প্রাচীনকালের মতোই।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : অর্ধাঙ্গী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : অর্ধাঙ্গী · সৃজনশীল

উদ্দীপকে শিশিরের পিতৃ-পরিবারে ব্যস্ত নারীর প্রতি মনোভাব 'অর্ধাঙ্গী'…

উদ্দীপক

শিশির এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে। বালিকা বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার খুব শখ থাকলেও সে পারিবারিক শাসন ভিডিয়ে স্কুলে যেতে পারেনি। মায়ের কাছে সে আরবি বর্ণমালা শিখেছে। এরপর কায়দা শিখে যখনই আমপারা শিখতে শুরু করে তখনই তার বিয়ের প্রস্তাব আসে। তার পিতা-মাতা কালবিলম্ব না করে মেয়ের বিয়ে দেয়। ভাগ্যগুণে শিশির ভালো স্বামী পেয়ে যায়। সে স্বামীর সংসারে থেকে নিজের প্রচেষ্টা ও স্বামীর উৎসাহে বিদ্যা অর্জন করে। তাতে সে সমাজে নারীর হীন অবস্থা বুঝতে পারে। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সে নারীশিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে তার এলাকার নারীদের শিক্ষিত করে তোলে। [পাঠ্যবইয়ের অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন]

উত্তর

অবরোধ প্রথা হলো অন্তঃপুরে লোকচক্ষুর আড়ালে নারীদের আটক রাখার প্রচলিত নিয়ম।

উত্তর

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখিকা রবীন্দ্রনাথের 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাংশটি ব্যবহার করেছেন সমাজের বিধি-ব্যবস্থা নারীদের ও পুরুষদের অবস্থা থেকে সম্পূর্ণ পৃথক রাখা প্রসঙ্গে। ➤ সমাজে নারীদের চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রটি সবসময় সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়। নারীরা যে পুরুষের মতো দায়িত্বশীল কোনো চিন্তাভাবনা করতে পারবে না—তা সমাজ তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। নারীকে সবসময় এমন শিক্ষা দেওয়া হয় যে, তারা যেন স্বামীর ছায়াতুল্য সহচরী হয়ে থাকে। আসলে নারীর চিন্তাশক্তিকে বিস্তৃত হতে দেওয়া হয় না—এটি বোঝানোর জন্যই লেখিকা 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাংশটি ব্যবহার করেছেন। সারকথা: সমাজের বিধি-ব্যবস্থা নারীদের ও পুরুষদের অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ পৃথক রেখেছে—এ প্রসঙ্গেই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখিকা রবীন্দ্রনাথের 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাংশটি ব্যবহার করেছেন।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে শিশিরের পিতৃ-পরিবারে নারীর প্রতি যে মনোভাবের চিত্র দেখা যায়, তাতে উনিশ শতকের গোড়ার দিকের সমাজজীবনে নারীর অবস্থানের কথা মনে করিয়ে দেয়। ➤ পূর্বে নারীরা ছিল পর্দাপ্রথার কঠিন বেড়াজালে অবরুদ্ধ। পুরুষশাসিত সমাজে নারীর মানবিক আকাঙ্ক্ষা ছিল পদদলিত। তাদের শিক্ষিত হওয়ার কোন সুযোগ দেওয়া হতো না। ➤ সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন ও অধিকারহীনতাকে দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও রক্ষণশীলতার অজুহাতে পিত- পরিবারে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হন। উদ্দীপকে শিশিরের জীবনেও সেই একই ঘটনা লক্ষণীয়। মূলত মা-বাবার অসচেতনতার কারণেই রোকেয়া ও শিশিরে মতো অসংখ্য নারীকে পিতৃ-পরিবারে শিক্ষালাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয় এবং কর্মক্ষেত্রে তাদেরকে পিছিয়ে পড়তে হয়। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সে বিষয়েই আলোকপাত করেছেন। সারকথা: 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উনিশ শতকে পিত- -পরিবারে নারীর শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়া সম্পর্কে জানা যায়। অপরদিকে উদ্দীপকে বর্ণিত শিশিরের ঘটনাটি এই সময়ে হলেও পিতৃ-পরিবারে কন্যাসন্তান হিসেবে তার অবস্থানও সেই প্রাচীনকালের মতোই।

উত্তর

➤ হ্যাঁ, শিশিরের কাজের মধ্যে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। ➤ নারী-পুরুষ মিলেই আমাদের সমাজ। সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই নারীদের সঙ্গী করতে হবে। কেননা আমাদের একটি বৃহৎ অংশকে পেছনে ফেলে রেখে সমাজের উন্নয়ন সম্ভব নয়। ➤ উদ্দীপকের শিশির পিতৃ-পরিবারের রক্ষণশীলতার অজুহাতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হলেও স্বামীর সংসারে থেকে নিজের প্রচেষ্টা ও স্বামীর উৎসাহে বিদ্যা অর্জন করে। শিশির নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারীশিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নিজ এলাকার নারীদের শিক্ষিত করে তোলে। শিশির বুঝেছিল যে নারীজাগরণের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে নারীকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। ➤ উদ্দীপকের শিশির 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখক রোকেয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। তাই পিড়-পরিবারে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলেও সংসারজীবনে শিক্ষাগ্রহণে সাফল্য লাভ করতে পেরেছিল এবং নিজের এলাকার নারীদের শিক্ষিত করে তুলেছিল। আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক নারীসমাজকে শিক্ষাগ্রহণের জোর তাগিদ দিয়েছেন। তাই বলা যায়, শিশিরের জাগরণে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের নারীজাগরণ বিষয়ক ইচ্ছার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে। সারকথা:'অর্থালী' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নারীশিক্ষা প্রসারের যে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন উদ্দীপকের শিশিরের কাজের মধ্যে তাঁর সেই ইচ্ছায় যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে। শিশির শিক্ষাগ্রহণের মাধ্যমে নারীশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পেরেছে।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : অর্ধাঙ্গী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধেউদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীলেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিউদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।