গদ্য : অর্ধাঙ্গী Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর গদ্য : অর্ধাঙ্গী অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২২৮

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

উত্তর

কলম্বসকে লোকেরা বাতুল (উন্মাদ/পাগল) বলেছিল।
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ নারীরাও যে সমাজজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, উক্তিটির মধ্য দিয়ে সেটি সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ➤ পুরুষের মতো নারীরাও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তারাও সমাজের গঠন ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের সম্পর্কে পুরুষের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। অবলা বিবেচনা করে পেছনে ফেলে রাখলে চলবে না। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নারীরা যদি উপযুক্তভাবে সন্তান গড়ে তোলে তাহলে সেই সন্তানই গঠন করতে পারে দেশের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ। নারীদের উন্নয়নের ওপর দেশ ও জাতির উন্নয়ন নির্ভর করে। সারকথা : পুরুষের মতো নারীরাও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তারাও সমাজের গঠন ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে উনিশ শতকে নারীসমাজের যে দুর্দশার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক একই দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছেন। ➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা বরাবরই অবমাননার শিকার হয়। পূর্বে তাদের জীবন আরও বেশি দুর্বিষহ ছিল। আধুনিক যুগে নারীরা অধিকার সচেতন। সমাজের প্রচলিত নিয়মে তাদের আর বেঁধে রাখা যাবে না। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের গোড়ায় ভারতবর্ষের পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন ও অধিকারহীনতাকে দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। উদ্দীপকে উনিশ শতকের নারীসমাজের দুর্দশার কথাই যেন 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উঠে এসেছে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায়। আমাদের সমাজের নারীরা গোঁড়া পর্দাপ্রথা ও রক্ষণশীলতার কূপমণ্ডুক অচলায়তনে বন্দিনি জীবনযাপন করছে। এ পর্দাপ্রথা বা পর্দাহীনতা কোনোটির প্রতিই লেখিকার বিদ্বেষ নেই। কিন্তু পর্দার নামে নারীদের যেভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে বন্দি করে রাখা হতো প্রাবন্ধিক তার সমালোচনা করেছেন। প্রবন্ধে পুরুষ দ্বারা নারীদের অবমাননার বিষয়টি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। সারকথা: উদ্দীপকে উনিশ শতকে নারীসমাজের যে দুর্দশার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে তা 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা ও আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ নারী পূর্বে যে অবস্থায় ছিল বর্তমানে আর তেমন নেই। বর্তমানে নারীরা অধিকার সচেতন। বর্তমান তারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে সমাজের অগ্রগতি সম্পন্ন করছে। নারীর এই জাগরণ বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। ➤ উদ্দীপকে নারীকে জেগে ওঠার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে জেগে উঠতেই হবে, অন্যথায় সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি সাধন সম্ভব নয়। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 'অর্ধাঙ্গী: প্রবন্ধে এই যুক্তি প্রদর্শন করেছেন। কর্মক্ষেত্রে আমাদের নারীরা অনেক পিছিয়ে আছে। সমাজের অর্ধেক অংশ নারীকে এভাবে পেছনে ফেলে রেখে পুরুষের পক্ষে এককভাবে কর্মক্ষেত্রে আশানুরূপ সাফল্য সম্ভব নয়। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। নারীর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, নারীদের কর্মের পরিধি বিস্তৃত হলে সমাজে জরাজীর্ণ বিশ্বাসগুলো খুব সহজেই ভেঙে পড়বে। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখকের মতানুসারে পৃথিবীর সকল সুসভ্য জাতির নারীরা যেখানে শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাসের ফলে পুরুষদের সঙ্গীরূণে তাদের পাশাপাশি উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করছে, সেখানে বাঙালি নারীসমাজ অন্তঃপুরবাসিনী বন্দিনির মতো জীবনযাপন করছে। তাই দেশ ও জাতির কল্যাণে তাদেরকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও উদ্দীপকের বস্তা। এই বিবেচনায় বলল যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য পিছিয়েপড়া নারীসমাজকে জেগে উঠতেই হবে। নারীসমাজের অনগ্রসরতাই সমাজ ও জাতীয় উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

উত্তর

কলম্বসকে লোকেরা বাতুল (উন্মাদ/পাগল) বলেছিল।
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ নারীরাও যে সমাজজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, উক্তিটির মধ্য দিয়ে সেটি সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ➤ পুরুষের মতো নারীরাও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তারাও সমাজের গঠন ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের সম্পর্কে পুরুষের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। অবলা বিবেচনা করে পেছনে ফেলে রাখলে চলবে না। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নারীরা যদি উপযুক্তভাবে সন্তান গড়ে তোলে তাহলে সেই সন্তানই গঠন করতে পারে দেশের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ। নারীদের উন্নয়নের ওপর দেশ ও জাতির উন্নয়ন নির্ভর করে। সারকথা : পুরুষের মতো নারীরাও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তারাও সমাজের গঠন ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে উনিশ শতকে নারীসমাজের যে দুর্দশার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক একই দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছেন। ➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা বরাবরই অবমাননার শিকার হয়। পূর্বে তাদের জীবন আরও বেশি দুর্বিষহ ছিল। আধুনিক যুগে নারীরা অধিকার সচেতন। সমাজের প্রচলিত নিয়মে তাদের আর বেঁধে রাখা যাবে না। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের গোড়ায় ভারতবর্ষের পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন ও অধিকারহীনতাকে দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। উদ্দীপকে উনিশ শতকের নারীসমাজের দুর্দশার কথাই যেন 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উঠে এসেছে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায়। আমাদের সমাজের নারীরা গোঁড়া পর্দাপ্রথা ও রক্ষণশীলতার কূপমণ্ডুক অচলায়তনে বন্দিনি জীবনযাপন করছে। এ পর্দাপ্রথা বা পর্দাহীনতা কোনোটির প্রতিই লেখিকার বিদ্বেষ নেই। কিন্তু পর্দার নামে নারীদের যেভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে বন্দি করে রাখা হতো প্রাবন্ধিক তার সমালোচনা করেছেন। প্রবন্ধে পুরুষ দ্বারা নারীদের অবমাননার বিষয়টি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। সারকথা: উদ্দীপকে উনিশ শতকে নারীসমাজের যে দুর্দশার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে তা 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা ও আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ নারী পূর্বে যে অবস্থায় ছিল বর্তমানে আর তেমন নেই। বর্তমানে নারীরা অধিকার সচেতন। বর্তমান তারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পুরুষের সঙ্গে সমান তালে সমাজের অগ্রগতি সম্পন্ন করছে। নারীর এই জাগরণ বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। ➤ উদ্দীপকে নারীকে জেগে ওঠার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে জেগে উঠতেই হবে, অন্যথায় সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি সাধন সম্ভব নয়। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 'অর্ধাঙ্গী: প্রবন্ধে এই যুক্তি প্রদর্শন করেছেন। কর্মক্ষেত্রে আমাদের নারীরা অনেক পিছিয়ে আছে। সমাজের অর্ধেক অংশ নারীকে এভাবে পেছনে ফেলে রেখে পুরুষের পক্ষে এককভাবে কর্মক্ষেত্রে আশানুরূপ সাফল্য সম্ভব নয়। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। নারীর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, নারীদের কর্মের পরিধি বিস্তৃত হলে সমাজে জরাজীর্ণ বিশ্বাসগুলো খুব সহজেই ভেঙে পড়বে। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখকের মতানুসারে পৃথিবীর সকল সুসভ্য জাতির নারীরা যেখানে শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাসের ফলে পুরুষদের সঙ্গীরূণে তাদের পাশাপাশি উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করছে, সেখানে বাঙালি নারীসমাজ অন্তঃপুরবাসিনী বন্দিনির মতো জীবনযাপন করছে। তাই দেশ ও জাতির কল্যাণে তাদেরকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক ও উদ্দীপকের বস্তা। এই বিবেচনায় বলল যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য পিছিয়েপড়া নারীসমাজকে জেগে উঠতেই হবে। নারীসমাজের অনগ্রসরতাই সমাজ ও জাতীয় উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর

'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পশের আহ্বান জানিয়েছেন। ➤ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য নারীজাগরণ ও তাদের মানসিক মুক্তি চেয়েছেন। এ লক্ষ্যেই তিনি সামাজিক পর্দাপ্রথা ভেঙে অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন। পর্দাপ্রথা নিয়ে যেসব নারী গোঁড়ামিকে আঁকড়ে আছে, তারা মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি। এ অবস্থা নারীদের উন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাস্বরূপ। তাই তিনি অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন। সারকথা: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য নারীজাগরণ ও তাদের মানসিক মুক্তি চেয়েছেন। এ লক্ষ্যেই তিনি সামাজিক পদীপ্রখা ভেঙে অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আজরান জানিয়েছেন।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক সেই মানসিকতাকে নারীর অবনতির কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন। এদিক দিয়ে বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ নারীদের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো তাদের পরনির্ভরশীল মানসিকতা। তারা পুরুষের অধীন থাকতে থাকতে যেন দাসে পরিণত হয়েছে। নারী দাসত্ব মানসিকতা থেকে বেরিয়ে না এলে তাদের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়। ➤ উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতার প্রকাশ পেয়েছে তাকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখক মানসিক দাসত্ব বলে চিহ্নিত করেছেন। বাঙালি মুসলমান সমাজে পুরুষরা নারীদের খেয়ালখুশিমতো পরিচালনা করে। ধর্মীয় ভীতি, পর্দাপ্রথা, অশিক্ষা, নির্যাতন প্রভৃতির মাধ্যমে পুরুষরা নারীসমাজকে দাবিয়ে রেখেছে। আর নারীসমাজও পুরুষদের ওপর নির্ভরশীল থাকতে থাকতে যেন নিজেদের স্বকীয়তা ও স্বাধীন সভার কথা ভুলে গেছে। তাদের যেন আত্মমর্যাদা বলে কোনোকিছুই নেই। তারা আপাতদৃষ্টিতে স্বাধীন হলেও চিন্তাচেতনায় মনেপ্রাণে পুরুষদের সেবাদাসী। উদ্দীপকের সানজিদার মানসিকতা এরই নামান্তর। সারকথা: উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক একে নারীর 'মানসিক দাসত্ব' বলে চিহ্নিত করেছেন। এটা নারীর অবনতির অন্যতম প্রধান কারণ।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসত্তার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সখক কামনা করেছেন।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের মুক্তি পেতে হলে নিজেদের সচেতন হতে হবে। নারীর মধ্যে যে দাসত্ব মনোভাব রয়েছে সেখান থেকে বের হতে না পারলে তারা কখনই মুক্তি পাবে না। মুক্তির জন্য আগে নিজেদের জেগে উঠতে হবে। ➤ উদ্দীপকের ববিতা যে মানসিতার পরিচয় দিয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক তাই চেয়েছেন। নারী শিক্ষিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, স্বামীর ওপর নির্ভরশীল থাকবে না- এটাই লেখকের কাম্য। ববিতার মধ্যে এমন মানসিকতা দেখা যায়। সে চাকরি করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সংসারের অগ্রগতি সাধন করে। শিক্ষিত হয়ে নারীকে মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে সমাজ ও দেশের অগ্রগতির জন্য কাজ করতেই লেখক আহ্বান জানিয়েছেন। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারীর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে সামাজিক বৈরী দৃষ্টিভঙ্গি উত্তরণের উপায় নির্ধারণ করে লেখক বলেছেন যে, নারীদের কর্মের পরিধি বিস্তৃত হলে সমাজে জরাজীর্ণ বিশ্বাসগুলো খুব সহজেই ভেঙে পড়বে। যদিও প্রচলিত সামাজিক বিশ্বাসের বিপরীতে এই উদ্যোগ সর্বজনগ্রাহ্য নাও হতে পারে, তবু প্রগতির পথে এই আয়োজন অবশ্যই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাই তিনি তাদেরকে শিক্ষিত হয়ে ববিতার মতো জীবনযাপন করার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসত্তার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন। সারকথা: উদ্দীপকের ববিতা যে মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও তা কামনা করেছেন। লেখক অতান্ত দুঢ়তার সঙ্গেণ নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর

'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পশের আহ্বান জানিয়েছেন। ➤ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য নারীজাগরণ ও তাদের মানসিক মুক্তি চেয়েছেন। এ লক্ষ্যেই তিনি সামাজিক পর্দাপ্রথা ভেঙে অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন। পর্দাপ্রথা নিয়ে যেসব নারী গোঁড়ামিকে আঁকড়ে আছে, তারা মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি। এ অবস্থা নারীদের উন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাস্বরূপ। তাই তিনি অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন। সারকথা: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজজীবনের অগ্রগতি ও কল্যাণ সাধনের জন্য নারীজাগরণ ও তাদের মানসিক মুক্তি চেয়েছেন। এ লক্ষ্যেই তিনি সামাজিক পদীপ্রখা ভেঙে অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আজরান জানিয়েছেন।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক সেই মানসিকতাকে নারীর অবনতির কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন। এদিক দিয়ে বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ নারীদের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো তাদের পরনির্ভরশীল মানসিকতা। তারা পুরুষের অধীন থাকতে থাকতে যেন দাসে পরিণত হয়েছে। নারী দাসত্ব মানসিকতা থেকে বেরিয়ে না এলে তাদের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়। ➤ উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতার প্রকাশ পেয়েছে তাকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখক মানসিক দাসত্ব বলে চিহ্নিত করেছেন। বাঙালি মুসলমান সমাজে পুরুষরা নারীদের খেয়ালখুশিমতো পরিচালনা করে। ধর্মীয় ভীতি, পর্দাপ্রথা, অশিক্ষা, নির্যাতন প্রভৃতির মাধ্যমে পুরুষরা নারীসমাজকে দাবিয়ে রেখেছে। আর নারীসমাজও পুরুষদের ওপর নির্ভরশীল থাকতে থাকতে যেন নিজেদের স্বকীয়তা ও স্বাধীন সভার কথা ভুলে গেছে। তাদের যেন আত্মমর্যাদা বলে কোনোকিছুই নেই। তারা আপাতদৃষ্টিতে স্বাধীন হলেও চিন্তাচেতনায় মনেপ্রাণে পুরুষদের সেবাদাসী। উদ্দীপকের সানজিদার মানসিকতা এরই নামান্তর। সারকথা: উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক একে নারীর 'মানসিক দাসত্ব' বলে চিহ্নিত করেছেন। এটা নারীর অবনতির অন্যতম প্রধান কারণ।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসত্তার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সখক কামনা করেছেন।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের মুক্তি পেতে হলে নিজেদের সচেতন হতে হবে। নারীর মধ্যে যে দাসত্ব মনোভাব রয়েছে সেখান থেকে বের হতে না পারলে তারা কখনই মুক্তি পাবে না। মুক্তির জন্য আগে নিজেদের জেগে উঠতে হবে। ➤ উদ্দীপকের ববিতা যে মানসিতার পরিচয় দিয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক তাই চেয়েছেন। নারী শিক্ষিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, স্বামীর ওপর নির্ভরশীল থাকবে না- এটাই লেখকের কাম্য। ববিতার মধ্যে এমন মানসিকতা দেখা যায়। সে চাকরি করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সংসারের অগ্রগতি সাধন করে। শিক্ষিত হয়ে নারীকে মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে সমাজ ও দেশের অগ্রগতির জন্য কাজ করতেই লেখক আহ্বান জানিয়েছেন। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারীর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে সামাজিক বৈরী দৃষ্টিভঙ্গি উত্তরণের উপায় নির্ধারণ করে লেখক বলেছেন যে, নারীদের কর্মের পরিধি বিস্তৃত হলে সমাজে জরাজীর্ণ বিশ্বাসগুলো খুব সহজেই ভেঙে পড়বে। যদিও প্রচলিত সামাজিক বিশ্বাসের বিপরীতে এই উদ্যোগ সর্বজনগ্রাহ্য নাও হতে পারে, তবু প্রগতির পথে এই আয়োজন অবশ্যই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাই তিনি তাদেরকে শিক্ষিত হয়ে ববিতার মতো জীবনযাপন করার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসত্তার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন। সারকথা: উদ্দীপকের ববিতা যে মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও তা কামনা করেছেন। লেখক অতান্ত দুঢ়তার সঙ্গেণ নারীকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

উত্তর

ঈশ্বর মা অপেক্ষা অধিক করুণাময়।
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

উত্তর

➤ প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করার কারণ হলো- কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। ➤ জীবন বা চাহিদা কখনই এককেন্দ্রিক হয় না। বিভিন্ন ধারার চাহিদা থাকার কারণে মানুষের প্রাপ্তির প্রত্যাশাও বিভিন্ন হয়ে থাকে। ফলে সাহায্য প্রার্থনা করতে হয় সবার কাছে। যদিও এর মধ্যে এক ধরনের বিনিময় ক্রিয়া রয়েছে, কিন্তু বিনিময় মুখ্য নয়। প্রাপ্তি বা চাহিদার পূর্ণতাই মুখ্য। জীবনকে পরিপূর্ণ করতেই একজন অন্যজনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। সারকথা: জগতের কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। । চাহিদার পূর্ণতা প্রাপ্তির লক্ষ্যেই একে অন্যের নিকট সাহায্য কামনা করে।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে পারস্পরিক সহযোগিতাকে মুখ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং উদ্দীপকেও একই বিষয় আলোচিত হয়েছে, যা পরস্পরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ শক্তি আর প্রয়োজন- দুটি আলাদা বিষয়, যদিও প্রয়োজন মেটাতে শক্তি অপরিহার্য। কিন্তু কিছু প্রয়োজন আছে যা শক্তির দ্বারা লাভ করা যায় না। এ ক্ষেত্রে শক্তিমান মানুষও অন্যের মুখাপেক্ষী। বস্তুত জগতে কেউই আপনার দ্বারা পরিপূর্ণ নয়। কারণ সময় চাহিদাকে হাজির করে, আর চাহিদা অন্যের নিকট ব্যক্তির মুখাপেক্ষিতাকে প্রকট করে তোলে। ➤ উদ্দীপকে নারীর প্রয়োজনীয়তা আলোচিত হয়েছে। বস্তুত আমাদের সমাজে নারীকে পুরুষের তুলনায় কম প্রাধান্য দেওয়া হয়, যদিও নারীরা মেধা ও যোগ্যতা বহন করে। বিশেষ করে পুরুষরা শারীরিক গঠনের কারণে শক্তিশালী হওয়ায় এ মনোভাব পোষণ করে। কিন্তু নারী ছাড়া বা নারীর সহযোগিতা ছাড়া পুরুষের জীবন নির্বাহ করা প্রায় অসম্ভব। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তাকে উপমার দ্বারা প্রকাশ করেছেন। তরুলতা বৃষ্টির পানি ছাড়া যেমন বাঁচতে পারে না, আবার তরুলতার সাহায্য ছাড়া আকাশে মেঘও জমতে পারে না। তরুলতা ও মেঘ পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং দুই-ই সমান গুরুত্ব বহন করে। এর দ্বারা লেখিকা মূলত নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তাকে বুঝিয়েছেন। এখানেই উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। সারকথা: 'অর্যালী' প্রবন্ধে লেখিকা তরুলতা ও মেঘের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা দ্বারা নারী-পুরুষের প্রয়োজনীয়তাকে বুঝিয়েছেন। উদ্দীপকেও একই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, যা পরস্পরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে বাস করে। মানুষের এই একতাবদ্ধ হয়ে বাস করার অন্যতম কারণ হলো নিজ নিজ চাহিদার পূরণ ঘটিয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা। পেশাগত দিক থেকে এক পেশার মানুষ অন্য পেশার মানুষের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। একইভাবে পুরুষ ও নারী একে অপরের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। বস্তুত পৃথিবীই রচিত হয়েছে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে। ➤ উদ্দীপকে নারীকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে। মূলত নারী বা পুরুষ হিসেবে লিঙ্গগত পার্থক্য থাকলেও সবাই কিন্তু মানুষ। মানুষ হলো পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী। পুরুষের যেরূপ মেধা, যোগ্যতা, শক্তি রয়েছে, নারীরও তেমনই মেধা, যোগ্যতা আর শক্তি রয়েছে। নারী শারীরিক কাঠামোর কারণে পুরুষের চেয়ে কম শক্তি বহন করে। কিন্তু পৃথিবীতে নারী-পুরুষের প্রয়োজনীয়তা সমান, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গি নানা যুক্তি ও দৃষ্টান্তসহ তুলে ধরেছেন। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আলোচা প্রবন্ধে নারীর সামাজিক অবস্থান এবং এই দুর্ভোগময় অবস্থা থেকে নারীকে উত্তরণের প্রয়াস চালিয়েছেন। কারণ সমাজ, সংসার বা রাষ্ট্রের উন্নতিতে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য। উদ্দীপকেও একই মনোভাব প্রকাশের মাধ্যমে লেখক বলেছেন যে- নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই। সুতরাং মন্ত্রব্যটি যথার্থ। সারকথা: নারীকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখক যে মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন, উদ্দীপকের লেখকও নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন বলে একই মনোভাবের পরিচয় প্রদান করেছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

উত্তর

ঈশ্বর মা অপেক্ষা অধিক করুণাময়।
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

উত্তর

➤ প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করার কারণ হলো- কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। ➤ জীবন বা চাহিদা কখনই এককেন্দ্রিক হয় না। বিভিন্ন ধারার চাহিদা থাকার কারণে মানুষের প্রাপ্তির প্রত্যাশাও বিভিন্ন হয়ে থাকে। ফলে সাহায্য প্রার্থনা করতে হয় সবার কাছে। যদিও এর মধ্যে এক ধরনের বিনিময় ক্রিয়া রয়েছে, কিন্তু বিনিময় মুখ্য নয়। প্রাপ্তি বা চাহিদার পূর্ণতাই মুখ্য। জীবনকে পরিপূর্ণ করতেই একজন অন্যজনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। সারকথা: জগতের কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। । চাহিদার পূর্ণতা প্রাপ্তির লক্ষ্যেই একে অন্যের নিকট সাহায্য কামনা করে।
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে পারস্পরিক সহযোগিতাকে মুখ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং উদ্দীপকেও একই বিষয় আলোচিত হয়েছে, যা পরস্পরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ শক্তি আর প্রয়োজন- দুটি আলাদা বিষয়, যদিও প্রয়োজন মেটাতে শক্তি অপরিহার্য। কিন্তু কিছু প্রয়োজন আছে যা শক্তির দ্বারা লাভ করা যায় না। এ ক্ষেত্রে শক্তিমান মানুষও অন্যের মুখাপেক্ষী। বস্তুত জগতে কেউই আপনার দ্বারা পরিপূর্ণ নয়। কারণ সময় চাহিদাকে হাজির করে, আর চাহিদা অন্যের নিকট ব্যক্তির মুখাপেক্ষিতাকে প্রকট করে তোলে। ➤ উদ্দীপকে নারীর প্রয়োজনীয়তা আলোচিত হয়েছে। বস্তুত আমাদের সমাজে নারীকে পুরুষের তুলনায় কম প্রাধান্য দেওয়া হয়, যদিও নারীরা মেধা ও যোগ্যতা বহন করে। বিশেষ করে পুরুষরা শারীরিক গঠনের কারণে শক্তিশালী হওয়ায় এ মনোভাব পোষণ করে। কিন্তু নারী ছাড়া বা নারীর সহযোগিতা ছাড়া পুরুষের জীবন নির্বাহ করা প্রায় অসম্ভব। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তাকে উপমার দ্বারা প্রকাশ করেছেন। তরুলতা বৃষ্টির পানি ছাড়া যেমন বাঁচতে পারে না, আবার তরুলতার সাহায্য ছাড়া আকাশে মেঘও জমতে পারে না। তরুলতা ও মেঘ পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং দুই-ই সমান গুরুত্ব বহন করে। এর দ্বারা লেখিকা মূলত নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তাকে বুঝিয়েছেন। এখানেই উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। সারকথা: 'অর্যালী' প্রবন্ধে লেখিকা তরুলতা ও মেঘের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা দ্বারা নারী-পুরুষের প্রয়োজনীয়তাকে বুঝিয়েছেন। উদ্দীপকেও একই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, যা পরস্পরের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

➤ "উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে বাস করে। মানুষের এই একতাবদ্ধ হয়ে বাস করার অন্যতম কারণ হলো নিজ নিজ চাহিদার পূরণ ঘটিয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা। পেশাগত দিক থেকে এক পেশার মানুষ অন্য পেশার মানুষের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। একইভাবে পুরুষ ও নারী একে অপরের কাছে সাহায্যপ্রার্থী। বস্তুত পৃথিবীই রচিত হয়েছে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে। ➤ উদ্দীপকে নারীকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে। মূলত নারী বা পুরুষ হিসেবে লিঙ্গগত পার্থক্য থাকলেও সবাই কিন্তু মানুষ। মানুষ হলো পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী। পুরুষের যেরূপ মেধা, যোগ্যতা, শক্তি রয়েছে, নারীরও তেমনই মেধা, যোগ্যতা আর শক্তি রয়েছে। নারী শারীরিক কাঠামোর কারণে পুরুষের চেয়ে কম শক্তি বহন করে। কিন্তু পৃথিবীতে নারী-পুরুষের প্রয়োজনীয়তা সমান, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গি নানা যুক্তি ও দৃষ্টান্তসহ তুলে ধরেছেন। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আলোচা প্রবন্ধে নারীর সামাজিক অবস্থান এবং এই দুর্ভোগময় অবস্থা থেকে নারীকে উত্তরণের প্রয়াস চালিয়েছেন। কারণ সমাজ, সংসার বা রাষ্ট্রের উন্নতিতে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য। উদ্দীপকেও একই মনোভাব প্রকাশের মাধ্যমে লেখক বলেছেন যে- নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন। এই বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই। সুতরাং মন্ত্রব্যটি যথার্থ। সারকথা: নারীকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখক যে মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন, উদ্দীপকের লেখকও নারী-পুরুষের পারস্পরিক প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন বলে একই মনোভাবের পরিচয় প্রদান করেছেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো