শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ➤ উদ্দীপকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারীর দুর্বল ও দাসত্ব মনোভাবের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে। ➤ পুরুষতান্ত্রিত সমাজে নারীরা নানাভাবে অবহেলার শিকার হয়। তবে তাদের প্রতি অবহেলার অন্যতম একটি কারণ হলো তাদের দাসত্ব মনোভাব। তারা নিজেরাই দাসবৃত্তি থেকে বের হতে পারে না। ➤ উদ্দীপকে অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে এসে স্বামীর একান্ত অনুগত দাসীরূপে অন্তঃপুরে জীবনের বাইশটি বছর কাটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধেও নারীর এ দুর্বল দাসী মনোবৃত্তির বিষয়টি উপস্থিত। যুগে যুগে পুরুষ নারীকে তাদের প্রয়োজনের বস্তু হিসেবেই দেখেছে, মানুষ হিসেবে দেখেনি। বড়জোর সন্তান জন্মদানের অবলম্বন হিসেবে ভেবেছে। এর প্রধান কারণ নারীর প্রতিবাদহীনতা, মনে মনে দাসত্ব বরণ ইত্যাদি। ফলে তারা প্রতিটি ক্ষেত্রেই পুরুষের চেয়ে অনেকাংশে পিছিয়ে ছিল। প্রাবন্ধিক আলোচ্য প্রবন্ধে নারীদের পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে বলেছেন তাদের দাসবৃত্তি মনোভাবের কথা, যা উদ্দীপকের নারীর মধ্যে প্রতীয়মান। এভাবে উদ্দীপকে প্রবন্ধের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। সারকথা: উদ্দীপকে নারীর মানসিক দাসত্বের মনোবৃত্তি প্রকাশ পেয়েছে। প্রবন্ধে লেখক এ ধরনের মানসিকতার দিক তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে প্রতিকারের জন্য নারীদের শিক্ষা অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : অর্ধাঙ্গী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : অর্ধাঙ্গী · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

'এ সংসারে এসেছিলাম ন'বছরের মেয়ে তারপর এই দীর্ঘ জীবন বেয়ে রাঁধার পরে খাওয়া আর খাওয়ার পরে রাঁধা বাইশ বছর পর এক চাকাতেই বাঁধা।' [চাঁদপুর সরকারি কলেজ]

উত্তর

'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতার উল্লেখ রয়েছে।

উত্তর

➤ 'অর্থালী' প্রবন্ধে লেখক মানসিক দাসত্ব বলতে মানসিকভাবে নারীদের পরাধীন জীবনযাপন এবং প্রতিবাদ না করে পুরুষের অধীনেই থাকাকে গৌরবজনক মনে করাকে বুঝিয়েছেন। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারীর সমস্যার স্বরূপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে নারীর মানসিক দাসত্ব, অশিক্ষা ও অন্ধবিশ্বাসকে। মানসিক দাসত্বের কারণে যুগ যুগ ধরে নারীর অন্তর-বাহির, হৃদয়-মস্তিষ্ক সবই দাসী হয়ে পড়েছে। শিক্ষার অভাবে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পুরুষের তুলনায় পেছনে পড়ে থাকে; তাই অনেকে স্বাধীন উপার্জনক্ষম হওয়া সত্ত্বেও নিজেদেরকে স্বামীর দাসীই মনে করে। সারকথা: নিজেকে স্বাধীন না ভাবার মানসিকতা নিয়ে পরাধীন থাকাই নারীর মানসিক দাসত্ব।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারীর দুর্বল ও দাসত্ব মনোভাবের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে। ➤ পুরুষতান্ত্রিত সমাজে নারীরা নানাভাবে অবহেলার শিকার হয়। তবে তাদের প্রতি অবহেলার অন্যতম একটি কারণ হলো তাদের দাসত্ব মনোভাব। তারা নিজেরাই দাসবৃত্তি থেকে বের হতে পারে না। ➤ উদ্দীপকে অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে এসে স্বামীর একান্ত অনুগত দাসীরূপে অন্তঃপুরে জীবনের বাইশটি বছর কাটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধেও নারীর এ দুর্বল দাসী মনোবৃত্তির বিষয়টি উপস্থিত। যুগে যুগে পুরুষ নারীকে তাদের প্রয়োজনের বস্তু হিসেবেই দেখেছে, মানুষ হিসেবে দেখেনি। বড়জোর সন্তান জন্মদানের অবলম্বন হিসেবে ভেবেছে। এর প্রধান কারণ নারীর প্রতিবাদহীনতা, মনে মনে দাসত্ব বরণ ইত্যাদি। ফলে তারা প্রতিটি ক্ষেত্রেই পুরুষের চেয়ে অনেকাংশে পিছিয়ে ছিল। প্রাবন্ধিক আলোচ্য প্রবন্ধে নারীদের পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে বলেছেন তাদের দাসবৃত্তি মনোভাবের কথা, যা উদ্দীপকের নারীর মধ্যে প্রতীয়মান। এভাবে উদ্দীপকে প্রবন্ধের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। সারকথা: উদ্দীপকে নারীর মানসিক দাসত্বের মনোবৃত্তি প্রকাশ পেয়েছে। প্রবন্ধে লেখক এ ধরনের মানসিকতার দিক তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে প্রতিকারের জন্য নারীদের শিক্ষা অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।

উত্তর

➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূলভাবের সঙ্গে উদ্দীপকে বর্ণিত বক্তব্যের সঙ্গে যথেষ্ট লক্ষণীয়। ➤ সমাজের নানা বেড়াজালে নারীরা বন্দি। নারীদের প্রতি পুরুষদের দৌরাত্ম্য তাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রধান বাধা। ধর্ম, সমাজ, দায়িত্ব নানা জালে নারীদের এমনভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে যে তারা নিজস্বতা হারিয়েছে। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া যুক্তিসহকারে দেখিয়েছেন যে, সমাজ পূর্ণ ও স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হতে পারছে না। তার কারণ পরিবার ও সমাজজীবনের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থা। আর এ জন্য তিনি পুরুষসমাজের দৃষ্টিভঙ্গির সংকীর্ণতাকে দায়ী করেছেন। সমাজে ও গৃহে নারী তার অধিকার হারাচ্ছে। উদ্দীপকে নারীকে রান্নাঘরের সীমার মধ্যে বাইশ বছর ধরে আটকে রাখা হয়েছে, তার স্বাধীনতাকে হরণ করা হয়েছে। তাকে স্বাধীন ও স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদেরকে জাগিয়ে তোলার বিভিন্ন দিক আছে, সেগুলো 'অর্ধাঙ্গী' গল্পের লেখক নানাভাবে প্রকাশ করেছেন। ➤ পুরুষশাসিত এ সমাজ বহুকাল ধরেই নারীকে বাস্তবিক শিক্ষা-দীক্ষা, বাইরের আলো-বাতাস ও জ্ঞানের অনুশীলন থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল। তারা বন্ধ কুটিরে সেবা-দাসীরূপে নারীকে অবরোধ করে রেখেছিল। ধর্মের দোহাই দিয়ে নারীদের তারা তাদের ইচ্ছামতো ব্যবহার করত। দীর্ঘকালের প্রথাসর্বস্ব এ অচলায়তনে বন্দি থাকায় নারীহৃদয়ের সৃষ্টিশীল সম্ভাবনাগুলো নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে পর্দার আড়াল থেকে নারী বেরিয়ে আসতে পারলেও অনেক ক্ষেত্রে মানসিক দিক দিয়ে নারীদের মুক্তি এখনও অর্জিত হয়নি। উদ্দীপকের নারীটির অবস্থা ও জীবন এ ধরনের নিয়মের মধ্যে বাঁধা পড়ে আছে। যে বাঁধা পড়ার কথা প্রাবন্ধিক 'অর্থালী' প্রবন্ধেও বলেছেন। এই বিবেচনায় 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূলভাবের সঙ্গে উদ্দীপকে বর্ণিত বক্তব্যের অনেক সংগতি লক্ষণীয়। সারকথা: 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের গোড়ায় ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সব ক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বহ জীবন ও অধিকারহীনতাকে দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা ও আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। উদ্দীপকের নারীর মধ্যেও এ বিষয়টি লক্ষণীয়।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : অর্ধাঙ্গী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধেউদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীলেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিউদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।