শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ➤ উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়ার উল্লিখিত সমাজের শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদতার এবং তা থেকে উত্তরণে দৃঢ় ও ইস্পাতকঠিন মনোবল ফুটে উঠেছে। ➤ আমাদের সমাজে নারীরা বরাবরই অবহেলিত। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য একজন পুরুষকে যত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, নারীকে তা দেওয়া হয় না। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উড়িয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা নারীর কাছে যুদ্ধসম। ➤ উদ্দীপকে হাসনা গরিবের মেয়ে। তার বাবা অন্যের জমিতে বর্গাচাষ করে সংসার চালায়। তার বাবা তাকে স্কুলে যেতে নিষেধ করে। পড়ার খরচ জোগানোর মতো আর্থিক সচ্ছলতা হাসনার বাবার নেই। অপরদিকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারী সমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন ও অধিকারহীনতাও দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারূণ স্বার্থপরতাকে আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও রক্ষণশীলতার অজুহাতে পিতৃ-পরিবারে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ থেকে বঞ্চিত হন। উদ্দীপকের হাসনারও দারিদ্র্যের অজুহাতে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে চায় তার বাবা- মা। উদ্দীপকের হাসনার চরিত্রে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদ্ধড়া এবং তা থেকে উত্তরণের দৃঢ় মনোবলের দিকটি ফুটে উঠেছে। সারকথা: সমাজের শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদতা এবং সেখান থেকে উত্তরণের মনোবলের বিষয়টি উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রের ১ মধ্যে ফুটে উঠেছে।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : অর্ধাঙ্গী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : অর্ধাঙ্গী · সৃজনশীল

উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে…

উদ্দীপক

হাসনা গরিবের মেয়ে। তার বাবা অন্যের জমিতে বর্গাচাষ করে সংসার চালায়। হাসনা স্কুলে যায়। পড়াশোনার প্রতি তার প্রচন্ড আগ্রহ। কিন্তু তার বাবা তাকে স্কুলে যেতে নিষেধ করে। পড়ার খরচ জোগানের মতো আর্থিক সচ্ছলতা হাসনার বাবার নেই। তবু হাসনা হতাশ হয় না। সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে, যেকোনো মূল্যেই সে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে। তাকে বড় হতে হবে। বাবার দারিদ্র্য সে দূর করবে। [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা]

উত্তর

'স্বামী'র স্থলে 'অর্ধাঙ্গ' শব্দ প্রচলিত হবে।

উত্তর

➤ 'শমস-উল-ওলামা' বলতে লেখক মুসলিম সমাজের পুরুষের বিদ্যার সর্বোচ্চ শ্রেণিতে আসীন হওয়ার সুযোগ-সুবিধা বোঝাতে চেয়েছেন। ➤ 'শমস-উল-ওলামা' হলো জ্ঞানী ব্যক্তিদের উপাধি। এই উপাধির অর্থ ওলামা বা জ্ঞানীদের মধ্যে সূর্য। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া এই শব্দটি দ্বারা তৎকালীন মুসলিম সমাজে পুরুষের শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা লাভের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এ প্রসঙ্গে লেখক বলেন, পুত্রদের বিদ্যালয়ের সংখ্যা করা যায় না, বালিকাদের বিদ্যালয় সংখ্যা পাওয়াই যায় না। বিদ্যমান সমাজব্যবস্থায় যে স্থলে ভাই 'শমস-উল-ওলামা' সেই স্থলে বোন 'নজম-উল-ওলামা' হতে পারে না। সারকথা: শমস-উল-ওলামা' অর্থ জ্ঞানীদের মধ্যে সূর্য। লেখক মুসলিম সমাজের পুরুষের বিদ্যার সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা বোঝাতে কথাটি বলেছেন।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়ার উল্লিখিত সমাজের শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদতার এবং তা থেকে উত্তরণে দৃঢ় ও ইস্পাতকঠিন মনোবল ফুটে উঠেছে। ➤ আমাদের সমাজে নারীরা বরাবরই অবহেলিত। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য একজন পুরুষকে যত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, নারীকে তা দেওয়া হয় না। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উড়িয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা নারীর কাছে যুদ্ধসম। ➤ উদ্দীপকে হাসনা গরিবের মেয়ে। তার বাবা অন্যের জমিতে বর্গাচাষ করে সংসার চালায়। তার বাবা তাকে স্কুলে যেতে নিষেধ করে। পড়ার খরচ জোগানোর মতো আর্থিক সচ্ছলতা হাসনার বাবার নেই। অপরদিকে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী, বিশেষ করে মুসলমান নারী সমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন ও অধিকারহীনতাও দেখা হয়েছে পুরুষের নিদারূণ স্বার্থপরতাকে আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকও রক্ষণশীলতার অজুহাতে পিতৃ-পরিবারে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ থেকে বঞ্চিত হন। উদ্দীপকের হাসনারও দারিদ্র্যের অজুহাতে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে চায় তার বাবা- মা। উদ্দীপকের হাসনার চরিত্রে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদ্ধড়া এবং তা থেকে উত্তরণের দৃঢ় মনোবলের দিকটি ফুটে উঠেছে। সারকথা: সমাজের শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদতা এবং সেখান থেকে উত্তরণের মনোবলের বিষয়টি উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রের ১ মধ্যে ফুটে উঠেছে।

উত্তর

➤ 'যেকোনো মূল্যেই সে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে'- উক্তিটির মধ্যে হাসনার 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বর্ণিত দৃঢ় ইচ্ছা ও তা বাস্তবায়নে ইস্পাতকঠিন মনোবল প্রকাশ পেয়েছে। ➤ পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা বরাবরই পদদলিত। সমাজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় না। বরাবরই তাদের অবহেলার চোখে দেখা হয় এবং বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। ➤ 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে বেগম রোকেয়াও নারী জাতির মধ্যে এ সত্যটি প্রজ্বলিত করতে চেয়েছেন যে, সমাজ উন্নয়ন ও প্রগতি অর্জনের ক্ষেত্রে, সর্বাগ্রে নারী জাগরণ আর তার জন্যে যেকোনো মূল্যে তাকে শিক্ষিত হতে হবে। উদ্দীপকে হাসনার দারিদ্র্যের কারণে এবং বাবা-মায়ের অসচেতনতায় পড়ালেখা বন্ধ হাওয়ার উপক্রম হলেও সে হতাশ হয় না। সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে যেকোনো মূল্যেই পড়াশোনা চালিয়ে যাবে। ➤ উদ্দীপকের হাসনার দৃঢ় ইচ্ছা ও মনোবলে প্রকাশ পেয়েছে সে যেকোনো উপায়েই হোক 'অধালী' প্রবন্ধের বক্তব্য দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছে। কেননা 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারীজাগরণের পক্ষে যে সুচিন্তিত, দৃঢ় ও বলিষ্ঠ মতামত এবং যুক্তিযুক্ত ইচ্ছা লেখক প্রকাশ করেছেন তার প্রতিফলন আমরা উদ্দীপকের হাসনার জীবনবাস্তবতায় প্রত্যক্ষ করি। সারকথা: উদ্দীপকের হাসনা চরিত্রে নিজের অবস্থার উন্নতির দৃঢ় ইচ্ছা ও মনোবল প্রকাশ পেয়েছে এবং 'অধানী' প্রবন্ধে শিক্ষা ও কর্মজীবনে নারীর পশ্চাৎপদতা এবং তা থেকে উত্তরণের দৃঢ় মনোবলের দিকটি ফুটে উঠেছে।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : অর্ধাঙ্গী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নারীজাগরণে দীক্ষিত নাসিরা সিদ্দিকা বলেন, উনিশ শতকে বাংলামোদ নারীসমাজের অবস্থা ছিল খুবই ভয়াবহ। নারীর অধিকার বলতে কিছুই ছিল না তখন। খুশির সংবাদ হচ্ছে, বর্তমানে নারীর অবদা পূর্বের মতো ভয়াবহ নয়, তারা অনেকটাই জেগে উঠেছে, তবে ভারা এখনও পুরোপুরি জেগে উঠতে পারেনি, তাই তাদের জেগে উঠতে হবে। সমাজ ও দেশের স্বার্থে নারীকে তার অধিকার সচেতন হয়ে পুরুষের সমধর্মী হয়ে উঠতে হবে।
ক
কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?
খ
"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের মূল কথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সানজিদা শিক্ষিত নারী। বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে। কিন্তু সানজিদার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছুটা রক্ষণশীল স্বভাবের মানুষ, তাই সানজিদাকে চাকরি করতে বারণ করে। সানজিদাও চাকরি করতে তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না, ফলে তার পরিবারের আশানুরূপ অগ্রগতিও হয় না। অন্যদিকে সানজিদার বান্ধবী ববিতার শিক্ষিত ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। ববিতা ও তার স্বামী উভয়েই চাকরি করে পরিবারের অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে।
ক
'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?
খ
লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে লেখক কামনা করেছেন।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

লেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জগতের কেউ-ই আপনার একার শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ করে কোনো একক ব্যক্তি যদি সুখী হতে চান, তবে অনেকের কাছেই হাত পাততে হবে, অনেক সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে। যাদের সহযোগিতা গ্রহণ করবেন তারা ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি বা কম শক্তিশালী হয়ে থাকেন। অর্থাৎ শক্তি নয়, প্রয়োজন পূরণ করাই মুখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কোনো পুরুষ যদি আপনার শক্তির বিচারে নারীকে খাটো করে দেখেন, তবে তা হাস্যকর হবে। কারণ প্রয়োজনের বিচারে নারী-পুরুষ উভয়ে পরস্পরের মুখাপেক্ষী এবং এ প্রয়োজনীয়তা চিরন্তন।
ক
ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?
খ
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?
গ
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকে উল্লিখিত নারীর অধিকার সচেতন হয়ে জেগে ওঠার বিষয়টিই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধেউদ্দীপকটি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশাপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।"অবলার হাতেও সমাজের জীবন-মরণের কাঠি আছে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।কলম্বাসকে লোকেরা কী বলেছিল?উদ্দীপকের ববিতার মধ্যে নারীসভার যে জাগরণ লক্ষ করা যায় তা-ই 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে উদ্দীপকের সানজিদার মধ্যে যে মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'অধালী' প্রবন্ধের সঙ্গে কীলেখক অবরোধবাসিনীদের বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত বিশ্বে পদার্পণের আহ্বান জানিয়েছেন কেন?- 'নবদম্পতির প্রেমালাপ' কবিতাটি কার লেখা?" উদ্দীপক ও 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের লেখকের চেতনা ভাবগত দিক থেকে একই।" মন্তব্যটি বিউদ্দীপকের সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের কী ধরনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।প্রত্যেকেই প্রত্যেকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে কেন?ঈশ্বর কার অপেক্ষা অধিক করুণাময়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।