শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির মতোই হৃদয় বিদারক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর: উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা মাসি ও পিসির মতোই হৃদয়বিদারক। কারণ, আপনজনের নিদারুণ দুর্ভোগ তাদের মেনে নিতে হয় । 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। মাসি- পিসি দুজনই আহ্লাদির বাপের আশ্রয়ে থাকত। তাই আহ্লাদি পরিবারহারা হলে তারাই আহ্লাদির পাশে দাঁড়ায়। বাবা-মায়ের মতো আগলে রাখে। নিজেদের চেয়ে তারা আহ্লাদির প্রতি বেশি যত্নশীল। তাই স্বামীর দ্বারা পিতৃমাতৃহীন আহ্লাদির বারবার নির্যাতনের শিকার হওয়া এবং আহ্লাদির প্রতি লালসা-উন্নত জোতদার, দারোগা ও গুন্ডা-বদমায়েশদের আক্রমণ মাসি ও পিসির জন্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। উদ্দীপকের নানা-নানি তাদের নাতনি জোবাইদাকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসে। বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর জোবাইদাকে তার নানা- নানিই বড়ো করে। তারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে পাশের গ্রামে বিয়ে দেয়। কিন্তু অত্যাচারী স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার নানা-নানির কাছে ফিরে আসে। জোবাইদার জীবনের এই দুঃখ- কষ্ট সত্যিই তার নানা-নানির জন্য কষ্টকর। আহ্লাদির জীবনের করুণ পরিণতি মাসি-পিসির জন্য কষ্টের। তাইতো তারা আহ্লাদিকে কিছুতেই স্বামীর সংসারে পাঠাতে চায় না। স্বামীর অত্যাচার এবং বিরূপ পরিবেশ থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য বুদ্ধিদীপ্ত ও সাহসী সংগ্রাম পরিচালনা করে। অন্যদিকে জোবাইদাকে তার নানা-নানি নিজের সন্তানের মতো আগলে বড়ো করেছেন। তার নিদারুণ দুর্ভোগ সত্যিই তাদের জন্য অনেক কষ্টের। তাইতো পরমযত্নে তারা অত্যাচারিত জোবাইদাকে নিজেদের কাছে রাখেন । আপনজনের জীবনের করুণ পরিণতি তাদের জীবনে সে অসহায়ত্ব নিয়ে আসে তা সত্যই হৃদয়বিদারক। সুতরাং, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : মাসি-পিসি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : মাসি-পিসি · সৃজনশীল

“উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির মতোই হ…

উদ্দীপক

দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানানানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায়, তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।

Chittagong · 2022

উত্তর

হাতে দুটো পয়সা এলে কৈলাশের স্বভাব বদলে যায় ।

উত্তর

আহ্লাদিকে দেখে তার নিজের মেয়ের কথা মনে হওয়ায় বুড়ো রহমানের চোখে জল আসে । আহ্লাদির চেয়ে বয়সে ছোটো মেয়েটাকে রহমান বিয়ে দিয়েছিল। অবুঝ মেয়েটা শ্বশুরবাড়ি না যাওয়ার জন্য খুব কেঁদেছিল। কিন্তু তার ভালোর জন্যই তাকে জোর করে শ্বশুরবাড়ি পাঠায় রহমান। সেখানে গিয়ে অল্পদিন পরেই মেয়েটা মারা যায়। একই সমস্যার শিকার আহ্লাদিকে দেখে মেয়ের কথা মনে হওয়ায় বুড়ো রহমানের চোখ ছলছল করে।

উত্তর

উদ্দীপকের আকিব চরিত্রটি 'মাসি-পিসি' গল্পের জগু চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। জগু আহ্লাদির স্বামী। সে মদ্যপ ও অত্যাচারী। সে আহ্লাদিকে নানাভাবে অত্যাচার করে। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আহ্লাদি মাসি-পিসির কাছে আশ্রয় নেয়। কিন্তু সেখানেও সে আহ্লাদিকে শান্তিতে থাকতে দেয় না। নানাভাবে ভয় দেখিয়ে তাকে ফিরিয়ে নিতে চায়। উদ্দীপকের আকিব একজন অত্যাচারী স্বামী। সে তার স্ত্রী জোবাইদাকে সবসময় মারধর করে। খেতে না দিয়ে ঘরে বন্দি করে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে জোবাইদা তার নানা-নানির কাছে ফিরে যায়। তাই বলা যায়, স্ত্রী নির্যাতন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন অমানবিক চিন্তা-চেতনার দিক থেকে আকিব ও জগু চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা মাসি ও পিসির মতোই হৃদয়বিদারক। কারণ, আপনজনের নিদারুণ দুর্ভোগ তাদের মেনে নিতে হয় । 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। মাসি- পিসি দুজনই আহ্লাদির বাপের আশ্রয়ে থাকত। তাই আহ্লাদি পরিবারহারা হলে তারাই আহ্লাদির পাশে দাঁড়ায়। বাবা-মায়ের মতো আগলে রাখে। নিজেদের চেয়ে তারা আহ্লাদির প্রতি বেশি যত্নশীল। তাই স্বামীর দ্বারা পিতৃমাতৃহীন আহ্লাদির বারবার নির্যাতনের শিকার হওয়া এবং আহ্লাদির প্রতি লালসা-উন্নত জোতদার, দারোগা ও গুন্ডা-বদমায়েশদের আক্রমণ মাসি ও পিসির জন্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। উদ্দীপকের নানা-নানি তাদের নাতনি জোবাইদাকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসে। বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর জোবাইদাকে তার নানা- নানিই বড়ো করে। তারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে পাশের গ্রামে বিয়ে দেয়। কিন্তু অত্যাচারী স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার নানা-নানির কাছে ফিরে আসে। জোবাইদার জীবনের এই দুঃখ- কষ্ট সত্যিই তার নানা-নানির জন্য কষ্টকর। আহ্লাদির জীবনের করুণ পরিণতি মাসি-পিসির জন্য কষ্টের। তাইতো তারা আহ্লাদিকে কিছুতেই স্বামীর সংসারে পাঠাতে চায় না। স্বামীর অত্যাচার এবং বিরূপ পরিবেশ থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য বুদ্ধিদীপ্ত ও সাহসী সংগ্রাম পরিচালনা করে। অন্যদিকে জোবাইদাকে তার নানা-নানি নিজের সন্তানের মতো আগলে বড়ো করেছেন। তার নিদারুণ দুর্ভোগ সত্যিই তাদের জন্য অনেক কষ্টের। তাইতো পরমযত্নে তারা অত্যাচারিত জোবাইদাকে নিজেদের কাছে রাখেন । আপনজনের জীবনের করুণ পরিণতি তাদের জীবনে সে অসহায়ত্ব নিয়ে আসে তা সত্যই হৃদয়বিদারক। সুতরাং, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : মাসি-পিসি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকির কাছে বড় হয়েছে। দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ, তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি তার ওপর প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফিরে আসলে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝির এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয়, অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে আর পাঠাবে না তারা।

Comilla · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
খ
'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
ঘ
"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকির কাছে বড় হয়েছে। দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ, তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি তার ওপর প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফিরে আসলে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝির এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয়, অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে আর পাঠাবে না তারা।

Comilla · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
খ
'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
ঘ
"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।

'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বকুল যখন স্বামীহারা হয়, তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেদ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন- সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাঁস-মুরগী পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।

Sylhet · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
খ
'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?
গ
উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
ঘ
"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে।"- তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বকুল যখন স্বামীহারা হয়, তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেদ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন- সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাঁস-মুরগী পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।

Sylhet · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
খ
'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?
গ
উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
ঘ
"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে।"- তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?

'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মীনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মীনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না । তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মীনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মীনার বয়স। ষোড়শী মীনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মীনার ঠাই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে আসল। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই।

Barisal · 2019

ক
পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
খ
'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ
উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
ঘ
'বেঁচে থাকার লড়াই।'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মীনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মীনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না । তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মীনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মীনার বয়স। ষোড়শী মীনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মীনার ঠাই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে আসল। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই।

Barisal · 2019

ক
পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
খ
'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ
উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
ঘ
'বেঁচে থাকার লড়াই।'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?

পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটিউদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নি'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে।"- তোমার মতামত দউদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?'বেঁচে থাকার লড়াই।'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচন'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।