শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের জয়গুনের সংগ্রামী জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সন্তান আর মাসি-পিসির জীবন-সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু হলো আহ্লাদি।"- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর: বিষয়বস্তু বিবেচনায় "উদ্দীপকের জয়গুনের সংগ্রামী জীবনের -কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সন্তান আর মাসি-পিসির জীবন-সংগ্রামের কেন্দ্র বিন্দুতে হলো আহ্লাদি" উক্তিটি যথার্থ। 'মাসি-পিসি' গল্পে দুর্ভিক্ষ মহামারিতে পিতা-মাতার মৃত্যুর পর থেকে 'মাসি-পিসি' আহ্লাদিকে আগলে রাখতে শুরু করে। স্বামীর ঘরে নির্মম নির্যাতনের শিকার হলে তারা আহ্লাদিকে নিজেদের কাছে রাখে। লালসা-উন্মত্ত জোতদার ও দারোগার কুনজর থেকে আহ্লাদিকে রক্ষা করতে তার কৌশল ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। তাদের সংগ্রামমুখর জীবন-যাপনের মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায় আহ্লাদিকে নিরাপদে রাখা। উদ্দীপকে জয়গুন অভাবের মধ্যে সন্তানদের নিয়ে বাঁচার জন্য জীবনসংগ্রাম চালায়। সে গ্রামে কোনো কাজ না পেয়ে শহরের পথে পা বাড়ায়। লোকলজ্জার কথা বিবেচনা না করে সে তার সন্তানদের কথা ভাবে। তাদেরকে খাইয়ে-পরিয়ে, শিক্ষার ব্যবস্থা করে ভালো একটা জীবন উপহার দিতে সে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে। খাবারের হোটেলে কাজ করেও সে সন্তানদের লেখা-পড়ার ব্যবস্থা করে। সন্তানদের জন্য জয়গুনের এ চেষ্টা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির মাতৃস্নেহে আহ্লাদিকে আগলে রাখার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসি গুন্ডা-বদমাশদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে আহ্লাদিকে জোতদার ও দারোগা বাবু লালসা থেকে নিরাপদ রাখতে। তারা আহ্লাদিকে নিতে না পারার কারণে মাসি-পিসির ঘরে আবার আক্রমণ করতে পারে, আগুন দিতে পারে ভেবে মাসি-পিসি ভয়ে কাঁথা কম্বল চুরিয়ে রাখে এবং হাঁড়ি-কলসিতে জল ভরে রাখে। তারা যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে সারা রাত। উদ্দীপকের জয়গুণও সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও নিরাপদ জীবনে পৌঁছে দিতে, পরিশ্রম করে। কাজ শেষে অনেক রাতে বাড়ি ফেরে, নানা লোকের নানা রকম হাসি-তামাশা সহ্য করে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : মাসি-পিসি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : মাসি-পিসি · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের জয়গুনের সংগ্রামী জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সন্তান আর …

উদ্দীপক

চারিদিকে যখন আকালের ভয়াবহতা তখন জয়গুন তার সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই শুরু করে। সন্তানদের কথা ভেবে সমস্ত সংকোচ ও লোকলজ্জা পেছনে ফেলে কাজ খুঁজতে থাকে জয়গুন। গ্রামে কোনো কাজ না পেয়ে সে শহরে একটি খাবার হোটেলে কাজ নেয়। দিন-রাত পরিশ্রম করে যা পায়, তা দিয়ে সে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালায়। সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও নিরাপদ জীবনে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কাজ শেষে অনেক রাতে সে বাড়িতে ফেরে। নানা লোকের নানা কথা, তাদের হাসি-তামাশা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য আর অপমান কিছুই তাকে তার সংকল্প থেকে সরাতে পারেনি।

Sylhet · 2025

উত্তর

'সালতি' হচ্ছে শালকাঠ নির্মিত বা তালকাঠের সরু ডোঙা বা নৌকা।

উত্তর

"মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি।"- উক্তিটি দ্বারা লেখক দুর্ভিক্ষের সময় মাসি-পিসির জীবনীশক্তি ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে নির্দেশ করেছেন। 'মাসি-পিসি' গল্পে দুর্ভিক্ষ-মহামারির সময় আহ্লাদি পিতা-মাতার মৃত্যুর পর বিধবা নিঃস্ব মাসি-পিসির আশ্রয়ে বেঁচে থাকে। অভাবের কারণে তারা তখন খাবার পেলে খায়, আর খাবার না পেলে না খেয়েই থাকে। না খেয়ে চারদিকে তখন মানুষ মরতে শুরু করেছে। সেই মরণ ঠেকাতে মাসি-পিসি বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালাতে থাকে। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম যে চাহিদা খাদ্য তা -থেকেও তারা বঞ্চিত। তখন মাসি-পিসির অবস্থা ছিল অত্যন্ত করুণ। কোনোভাবেই তারা খাদ্যের সংস্থান করতে পারছিল না। দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী এই স্মৃতি নিয়ে মাসি-পিসি পরে সালতি বেয়ে গ্রাম থেকে তরিতরকারি ও ফলমূল নিয়ে শহরে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহের সংগ্রাম শুরু করে।

উত্তর

তরুণী আহ্লাদিকে আগলে রাখা এবং সামাজিক অবস্থানের কারণে উদ্দীপকের জয়গুনের উপার্জনের পথ ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির উপার্জনের পথ ভিন্নতর। 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদিকে নিয়ে মাসি-পিসির জীবনসংগ্রাম বর্ণিত হয়েছে। আহ্লাদির মাসি-পিসি দুজনেই বিধবা ও নিঃস্ব। তারা দুজনেই দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত। তবু তারা পিতৃ-মাতৃহীন আহ্লাদিকে মাতৃস্নেহে আগলে রাখে। জীবিকা নির্বাহের জন্য তারা অন্যের বাড়িতে ধান ভানে, কাঁথা সেলাই করে, ডালের বড়ি বেচে, হোগলা গাঁথে, শাক-পাতা বিক্রি করে। গ্রাম থেকে শাকসবজি-ফলমূল কিনে নিয়ে সালতি বেয়ে শহরের বাজারে বিক্রি করে তারা আহ্লাদিকে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যায়। উদ্দীপকে আকালের ভয়াবহতার মধ্যে এক নারীর সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকার জীবনসংগ্রামের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে সন্তানদের নিয়ে, খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার জন্য জয়গুন জীবনসংগ্রাম শুরু করে। শহরে গিয়ে খাবার হোটেলে কাজ নিয়ে দিন-রাত পরিশ্রম করে জয়গুন যা আয় করে তা দিয়ে সে সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকে। সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও নিরাপদ জীবনের স্বপ্ন দেখে সে। এতে নানা লোকে নানা কথা বলে তাকে নিয়ে হাসি-তামাশা করে, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। লোকেদের সেই অপমান জয়গুন গায়ে মাখে না। তার এই জীবনসংগ্রাম 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির জীবনসংগ্রামের সঙ্গে মিল থাকলেও উপার্জনের পথ ভিন্ন। তারা গ্রাম থেকে শহরে তরিতরকারি ও ফলমূল নিয়ে আসে। বিক্রি করে আবার গ্রামে চলে যায়। এর জন্য বাজারের তোলা নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া করতে হয় সরকার বাবুর সঙ্গে। ফলে সব মিলিয়ে তাদের উপার্জনের পথটি খুবই সংগ্রামমুখর। আহ্লাদির গুন্ডা-বদমাশদের নজর থাকে বলে তাকেও নিরাপদে রাখতে তারা নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যায়। উদ্দীপকের এসব কারণে জয়গুন ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির উপার্জনের পথ ভিন্নতর।

উত্তর

বিষয়বস্তু বিবেচনায় "উদ্দীপকের জয়গুনের সংগ্রামী জীবনের -কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সন্তান আর মাসি-পিসির জীবন-সংগ্রামের কেন্দ্র বিন্দুতে হলো আহ্লাদি" উক্তিটি যথার্থ। 'মাসি-পিসি' গল্পে দুর্ভিক্ষ মহামারিতে পিতা-মাতার মৃত্যুর পর থেকে 'মাসি-পিসি' আহ্লাদিকে আগলে রাখতে শুরু করে। স্বামীর ঘরে নির্মম নির্যাতনের শিকার হলে তারা আহ্লাদিকে নিজেদের কাছে রাখে। লালসা-উন্মত্ত জোতদার ও দারোগার কুনজর থেকে আহ্লাদিকে রক্ষা করতে তার কৌশল ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। তাদের সংগ্রামমুখর জীবন-যাপনের মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায় আহ্লাদিকে নিরাপদে রাখা। উদ্দীপকে জয়গুন অভাবের মধ্যে সন্তানদের নিয়ে বাঁচার জন্য জীবনসংগ্রাম চালায়। সে গ্রামে কোনো কাজ না পেয়ে শহরের পথে পা বাড়ায়। লোকলজ্জার কথা বিবেচনা না করে সে তার সন্তানদের কথা ভাবে। তাদেরকে খাইয়ে-পরিয়ে, শিক্ষার ব্যবস্থা করে ভালো একটা জীবন উপহার দিতে সে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে। খাবারের হোটেলে কাজ করেও সে সন্তানদের লেখা-পড়ার ব্যবস্থা করে। সন্তানদের জন্য জয়গুনের এ চেষ্টা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির মাতৃস্নেহে আহ্লাদিকে আগলে রাখার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসি গুন্ডা-বদমাশদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে আহ্লাদিকে জোতদার ও দারোগা বাবু লালসা থেকে নিরাপদ রাখতে। তারা আহ্লাদিকে নিতে না পারার কারণে মাসি-পিসির ঘরে আবার আক্রমণ করতে পারে, আগুন দিতে পারে ভেবে মাসি-পিসি ভয়ে কাঁথা কম্বল চুরিয়ে রাখে এবং হাঁড়ি-কলসিতে জল ভরে রাখে। তারা যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে সারা রাত। উদ্দীপকের জয়গুণও সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও নিরাপদ জীবনে পৌঁছে দিতে, পরিশ্রম করে। কাজ শেষে অনেক রাতে বাড়ি ফেরে, নানা লোকের নানা রকম হাসি-তামাশা সহ্য করে। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : মাসি-পিসি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকির কাছে বড় হয়েছে। দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ, তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি তার ওপর প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফিরে আসলে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝির এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয়, অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে আর পাঠাবে না তারা।

Comilla · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
খ
'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
ঘ
"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকির কাছে বড় হয়েছে। দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ, তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি তার ওপর প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফিরে আসলে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝির এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয়, অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে আর পাঠাবে না তারা।

Comilla · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
খ
'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
ঘ
"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।

'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বকুল যখন স্বামীহারা হয়, তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেদ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন- সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাঁস-মুরগী পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।

Sylhet · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
খ
'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?
গ
উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
ঘ
"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে।"- তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বকুল যখন স্বামীহারা হয়, তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেদ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন- সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাঁস-মুরগী পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।

Sylhet · 2017

ক
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
খ
'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?
গ
উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
ঘ
"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে।"- তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?

'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মীনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মীনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না । তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মীনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মীনার বয়স। ষোড়শী মীনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মীনার ঠাই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে আসল। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই।

Barisal · 2019

ক
পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
খ
'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ
উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
ঘ
'বেঁচে থাকার লড়াই।'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মীনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মীনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না । তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মীনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মীনার বয়স। ষোড়শী মীনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মীনার ঠাই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে আসল। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই।

Barisal · 2019

ক
পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
খ
'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ
উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
ঘ
'বেঁচে থাকার লড়াই।'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?

পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটিউদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নি'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে।"- তোমার মতামত দউদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্'নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে'- কার, কেন?মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?'বেঁচে থাকার লড়াই।'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচন'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।' – এখানে 'পাষাণ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।