শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়-বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণে বৃক্ষের আত্মোৎসর্গের দিকটি না থাকায় “উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়”- মন্তব্যটি যথার্থ। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের জীবন কাঠামোকে সৃজনশীল মানুষের জীবনের সাথে তুলনা করেছেন। বৃক্ষের বৃদ্ধি, বিকাশ ও সমুদয় অর্জন যেমন অন্যের কল্যাণে দান করে। তেমনই সৃজনশীল মানুষের সমুদয় অর্জনও মানবজাতির কল্যাণে সমর্পিত। উদ্দীপকের কবিতাংশে মরুভূমির বুকে বৃক্ষের সৃষ্টির বিস্ময়কে গুরুত্বরোপ করা হয়েছে। মাটির অন্ধকারে পুঁতে রাখা বীজ থেকে বৃক্ষের জীবনের সূচনা। নিঃসাড় মরুভূমির বুকে ঊর্ধ্ব শিরে দাঁড়িয়ে বৃক্ষ ছায়ার স্পর্শে প্রাণসঞ্চার করে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও বৃক্ষের জীবনচক্রের বর্ণনা রয়েছে। মাটি থেকে রস টেনে বৃক্ষ নিজেকে পরিপুষ্ট করে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়, ফুলে-ফলে সে পূর্ণতা পায়। উদ্দীপকে বৃক্ষের জীবনচক্রের দিকটি থাকলেও এটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের একমাত্র দিক নয়। এ প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের নিঃশর্ত পরার্থপরতার সঙ্গে মানবজীবনের সাদৃশ্য দেখিয়েছেন। ফুলে-ফলে পূর্ণতা পেয়েই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয়। তার সাধনার ধন ফুল-ফল অন্যের জন্য নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করেই তার জীবনের পূর্ণতা। সৃজনশীল মানবজীবনের মধ্যেও বৃক্ষের এ গুণটি লক্ষণীয়। সৃজনশীল মানুষের যাবতীয় কর্ম অন্যের কল্যাণে নিবেদিত। এ দিকগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায়, "উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়"- মন্তব্যটি যথার্থ।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ · সৃজনশীল

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়-বিশ্লেষ…

উদ্দীপক

"অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে শুনেছিলে সূর্যের আহ্বান প্রাণের প্রথম জাগরণে, তুমি বৃক্ষ, আদি প্রাণ; ঊর্ধ্বশীর্ষে উচ্চারিলে আলোকের প্রথম বন্দনা ছন্দোহীন পাষাণের বক্ষ-'পরে; আনিলে বেদনা নিঃসাড় নিষ্ঠুর মরুস্থলে।”

উত্তর

'জীবন ও বৃক্ষ' রচনাটি একটি প্রবন্ধ।

উত্তর

"মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।” বলতে মানুষের দৈহিক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আত্মিক বিকাশের প্রয়োজনীয়তাকে বোঝানো হয়েছে। সাধারণভাবে আত্মার বৃদ্ধি বলতে মানুষের মানসিক অবস্থা ও আত্মিক উন্নতিকে বোঝায়। শারীরিকভাবে মানুষের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবস্থারও উন্নতি ঘটাতে হয়। আত্মার বৃদ্ধির জন্য মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়। কারণ তা তৈরি পাওয়া যায় না। আত্মা হচ্ছে সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের পরিপক্বতা। বিচিত্র অভিজ্ঞতা ও গভীর অনুভবের মাধ্যমেই মানুষের আত্মার শ্রীবৃদ্ধি হয়। আর তা হলেই একজন মানুষ পরিপূর্ণতা অর্জন করে। এ কারণেই বলা হয়েছে, মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।

উত্তর

উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের বৃদ্ধির দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক পরার্থে আত্মনিবেদিত সুকৃতিময় মানবজীবনের সঙ্গে বৃক্ষের তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন বৃক্ষের বিকাশ, বৃদ্ধি, পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনা। পরার্থে আত্মনিবেদিত মানবজীবনের বিকাশেও তেমনই নীরব সাধনা দৃশ্যমান। উদ্দীপকে বৃক্ষের অঙ্কুর থেকে বিকাশ পর্যন্ত কর্মকাণ্ড সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্ধকার মাটির ভেতরে পোঁতা বীজে অঙ্কুরের মধ্য দিয়ে বৃক্ষের জীবনের সূচনা। ধীরে ধীরে পাতায়-ফুলে পরিপূর্ণ হয়ে বৃক্ষ নিঃসাড় মরুর বুকে শীতলতার ছোঁয়া নিয়ে আসে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের জীবনচক্র বর্ণনা করেছেন। মাটিতে বীজের অঙ্কুরের মাধ্যমে বৃক্ষের সৃষ্টি। ধীরে ধীরে শিকড় দিয়ে মাটি থেকে রস টেনে নিজেকে ছোটো গাছ থেকে বিশালাকার বৃক্ষে পরিণত করে সে। উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের বিকাশের দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণে বৃক্ষের আত্মোৎসর্গের দিকটি না থাকায় “উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়”- মন্তব্যটি যথার্থ। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের জীবন কাঠামোকে সৃজনশীল মানুষের জীবনের সাথে তুলনা করেছেন। বৃক্ষের বৃদ্ধি, বিকাশ ও সমুদয় অর্জন যেমন অন্যের কল্যাণে দান করে। তেমনই সৃজনশীল মানুষের সমুদয় অর্জনও মানবজাতির কল্যাণে সমর্পিত। উদ্দীপকের কবিতাংশে মরুভূমির বুকে বৃক্ষের সৃষ্টির বিস্ময়কে গুরুত্বরোপ করা হয়েছে। মাটির অন্ধকারে পুঁতে রাখা বীজ থেকে বৃক্ষের জীবনের সূচনা। নিঃসাড় মরুভূমির বুকে ঊর্ধ্ব শিরে দাঁড়িয়ে বৃক্ষ ছায়ার স্পর্শে প্রাণসঞ্চার করে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও বৃক্ষের জীবনচক্রের বর্ণনা রয়েছে। মাটি থেকে রস টেনে বৃক্ষ নিজেকে পরিপুষ্ট করে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়, ফুলে-ফলে সে পূর্ণতা পায়। উদ্দীপকে বৃক্ষের জীবনচক্রের দিকটি থাকলেও এটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের একমাত্র দিক নয়। এ প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের নিঃশর্ত পরার্থপরতার সঙ্গে মানবজীবনের সাদৃশ্য দেখিয়েছেন। ফুলে-ফলে পূর্ণতা পেয়েই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয়। তার সাধনার ধন ফুল-ফল অন্যের জন্য নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করেই তার জীবনের পূর্ণতা। সৃজনশীল মানবজীবনের মধ্যেও বৃক্ষের এ গুণটি লক্ষণীয়। সৃজনশীল মানুষের যাবতীয় কর্ম অন্যের কল্যাণে নিবেদিত। এ দিকগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায়, "উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়"- মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : জীবন ও বৃক্ষ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান।
ক
কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?
খ
বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।
গ
'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
ঘ
তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান।
ক
কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?
খ
বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।
গ
'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
ঘ
তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।

বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?

কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।
ক
বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?
খ
"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।
ক
বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?
খ
"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?

বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার বিরল উদাহরণ আব্বাস উদ্দীন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিঃস্বার্থভাবে জনগণকে কীভাবে সেবা করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। বন্যা, দুর্যোগ, খরা ইত্যাদি দুর্যোগে তিনি গরিব, এতিম, রোহিঙ্গাসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় সবসময় কাছে ছুটে গেছেন। যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধোর সবটুকু দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন। সাথে সাথে তিনি তরুণদেরকেও উদবুদ্ধ করেছেন সামাজিক কাজের প্রতি।
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
খ
"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ
উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার বিরল উদাহরণ আব্বাস উদ্দীন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিঃস্বার্থভাবে জনগণকে কীভাবে সেবা করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। বন্যা, দুর্যোগ, খরা ইত্যাদি দুর্যোগে তিনি গরিব, এতিম, রোহিঙ্গাসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় সবসময় কাছে ছুটে গেছেন। যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধোর সবটুকু দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন। সাথে সাথে তিনি তরুণদেরকেও উদবুদ্ধ করেছেন সামাজিক কাজের প্রতি।
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
খ
"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ
উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?

"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ করউদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দে"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।