গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৫৬

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান।
ক
কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?

উত্তর

বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়।
খ
বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

যে বৃক্ষের জন্ম থেকে পরিপূর্ণতা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপই ধারাবাহিক বিকাশ, পরিবর্ধন ও পরিণতির ক্রমাগত গতিশীল প্রক্রিয়া, যা জীবনের আদর্শ প্রতীক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের সার্থক জীবনপরিক্রমা দেখিয়েছেন। বৃক্ষের সম্পূর্ণ যাত্রাটি কেবল আকারগত বৃদ্ধি নয় বরং জীবনীশক্তি ও পরিপক্বতার ক্রমবিকাশ। বৃক্ষের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও বিকাশই তাকে জীবনের প্রতীক করে তোলে। এজন্যই লেখক বৃক্ষের ইতিহাসকে বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন।
গ
'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকের তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের মতো বিকাশশীল, সেবামুখী ও প্রকৃতির সাথে একাত্ম জীবনের মাধ্যমে সার্থকতা খোঁজার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষকে জীবনের আদর্শ প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বৃক্ষ শুধু নিজে বড়ো হয় না, ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অন্যের সেবায় নিয়োজিত হয়। বৃক্ষের বৈশিষ্ট্যই হলো জীবনের পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার রূপক। উদ্দীপকের তোহিদুল ইসলাম বৃক্ষ রোপণ, পরিচর্যা এবং ফুল-ফলের মাধ্যমে আনন্দ খোঁজার মাধ্যমে বৃক্ষের গুণকেই প্রকাশ করেছেন। তিনি বৃক্ষের সাথে নিজের জীবনকে জড়িত করেছেন, যা প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের সজীবতা, বিকাশ ও সেবামুখিতার প্রতিফলন। তার আনন্দ শুধু ব্যক্তিগত নয়- প্রকৃতির সাথে একাত্মতা ও সৃষ্টিশীলতায় নিহিত, যা প্রবন্ধে উল্লিখিত পরিপূর্ণতা ও দান-এর ধারণার সাথে সংগতিপূর্ণ। উদ্দীপকে তার পরিচর্যার মাধ্যমে বৃক্ষের বিকাশ এবং প্রাপ্ত আনন্দ প্রবন্ধের মূল ব্যক্তব্যকে সমর্থন করে যে, প্রকৃতির মধ্য দিয়ে জীবনের স্বার্থকতা খোঁজা সম্ভব।
ঘ
তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ' উক্তিটি সম্পূর্ণ সত্য। কারণ তিনি তার জীবনদর্শন ও আনন্দের উৎসকে প্রকৃতির মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকৃতিপ্রেম একটি দার্শনিক ও জীবনবোধের বিষয়। বৃক্ষের মাধ্যমে প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক স্থাপন মানে জীবনের গতিশীলতা, বিকাশ ও পরিপূর্ণতার সাথে একাত্ম হওয়া। প্রকৃতিপ্রেম একজন ব্যক্তিকে আত্মিকভাবে সমৃদ্ধ করে। উদ্দীপকের তৌহিদুল ইসলাম সাহেব বৃক্ষ রোপণের পাশাপাশি প্রতিদিন সেগুলোর পরিষ্কার ও পরিচর্যা করেন। এটি একটি নিয়মিত, শ্রমসাধ্য ও সময়দানকারী কর্ম যা প্রকৃতির প্রতি তার গভীর মমতা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ করে। তার আনন্দ জগতের অন্য কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। এই বক্তব্য প্রকৃতির সাথে তার অন্তরঙ্গ ও আত্মিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়, যা প্রকৃতির প্রেমের উচ্চতর স্তর। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকৃতি প্রেমকে জীবনের সার্থকতা ও বিকাশের মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তৌহিদুল ইসলাম এই দৃষ্টিভঙ্গিরই বাস্তব রূপ। তিনি বৃক্ষের মধ্যে জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান। তার কাজ শুধু পরিবেশ সেবা নয়, একটি ব্যক্তিগত দার্শনিক চর্চা, যেখানে প্রকৃতির মাধ্যমে তিনি নিজের জীবনকে অর্থময় করে তোলেন। তিনি শখের বাগানি নন, বরং একজন গভীর প্রকৃতিপ্রেমী, যার কাছে প্রকৃতি জীবনের শিক্ষক, সহচর ও পূর্ণতা অর্জনের মাধ্যম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান।
ক
কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?

উত্তর

বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়।
খ
বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

যে বৃক্ষের জন্ম থেকে পরিপূর্ণতা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপই ধারাবাহিক বিকাশ, পরিবর্ধন ও পরিণতির ক্রমাগত গতিশীল প্রক্রিয়া, যা জীবনের আদর্শ প্রতীক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের সার্থক জীবনপরিক্রমা দেখিয়েছেন। বৃক্ষের সম্পূর্ণ যাত্রাটি কেবল আকারগত বৃদ্ধি নয় বরং জীবনীশক্তি ও পরিপক্বতার ক্রমবিকাশ। বৃক্ষের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও বিকাশই তাকে জীবনের প্রতীক করে তোলে। এজন্যই লেখক বৃক্ষের ইতিহাসকে বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন।
গ
'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকের তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের মতো বিকাশশীল, সেবামুখী ও প্রকৃতির সাথে একাত্ম জীবনের মাধ্যমে সার্থকতা খোঁজার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষকে জীবনের আদর্শ প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বৃক্ষ শুধু নিজে বড়ো হয় না, ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অন্যের সেবায় নিয়োজিত হয়। বৃক্ষের বৈশিষ্ট্যই হলো জীবনের পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার রূপক। উদ্দীপকের তোহিদুল ইসলাম বৃক্ষ রোপণ, পরিচর্যা এবং ফুল-ফলের মাধ্যমে আনন্দ খোঁজার মাধ্যমে বৃক্ষের গুণকেই প্রকাশ করেছেন। তিনি বৃক্ষের সাথে নিজের জীবনকে জড়িত করেছেন, যা প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের সজীবতা, বিকাশ ও সেবামুখিতার প্রতিফলন। তার আনন্দ শুধু ব্যক্তিগত নয়- প্রকৃতির সাথে একাত্মতা ও সৃষ্টিশীলতায় নিহিত, যা প্রবন্ধে উল্লিখিত পরিপূর্ণতা ও দান-এর ধারণার সাথে সংগতিপূর্ণ। উদ্দীপকে তার পরিচর্যার মাধ্যমে বৃক্ষের বিকাশ এবং প্রাপ্ত আনন্দ প্রবন্ধের মূল ব্যক্তব্যকে সমর্থন করে যে, প্রকৃতির মধ্য দিয়ে জীবনের স্বার্থকতা খোঁজা সম্ভব।
ঘ
তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ' উক্তিটি সম্পূর্ণ সত্য। কারণ তিনি তার জীবনদর্শন ও আনন্দের উৎসকে প্রকৃতির মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকৃতিপ্রেম একটি দার্শনিক ও জীবনবোধের বিষয়। বৃক্ষের মাধ্যমে প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক স্থাপন মানে জীবনের গতিশীলতা, বিকাশ ও পরিপূর্ণতার সাথে একাত্ম হওয়া। প্রকৃতিপ্রেম একজন ব্যক্তিকে আত্মিকভাবে সমৃদ্ধ করে। উদ্দীপকের তৌহিদুল ইসলাম সাহেব বৃক্ষ রোপণের পাশাপাশি প্রতিদিন সেগুলোর পরিষ্কার ও পরিচর্যা করেন। এটি একটি নিয়মিত, শ্রমসাধ্য ও সময়দানকারী কর্ম যা প্রকৃতির প্রতি তার গভীর মমতা ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ করে। তার আনন্দ জগতের অন্য কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। এই বক্তব্য প্রকৃতির সাথে তার অন্তরঙ্গ ও আত্মিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়, যা প্রকৃতির প্রেমের উচ্চতর স্তর। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকৃতি প্রেমকে জীবনের সার্থকতা ও বিকাশের মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তৌহিদুল ইসলাম এই দৃষ্টিভঙ্গিরই বাস্তব রূপ। তিনি বৃক্ষের মধ্যে জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান। তার কাজ শুধু পরিবেশ সেবা নয়, একটি ব্যক্তিগত দার্শনিক চর্চা, যেখানে প্রকৃতির মাধ্যমে তিনি নিজের জীবনকে অর্থময় করে তোলেন। তিনি শখের বাগানি নন, বরং একজন গভীর প্রকৃতিপ্রেমী, যার কাছে প্রকৃতি জীবনের শিক্ষক, সহচর ও পূর্ণতা অর্জনের মাধ্যম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।
ক
বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?

উত্তর

বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে বলে বস্তুজিজ্ঞাসা।
খ
"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।"- এই কথাটি নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন- স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। অন্যের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলার পরিবর্তে তারা অন্যের জীবনের সার্থকতার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তারা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। অহংকার তাদের একমাত্র দেবতা। অহংকারের কাছে তারা আত্মনিবেদন করে। এই কারণেই তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ। সারকথা: প্রশ্নোক্ত কথাটি সমাজে স্থলবৃদ্ধি, নিষ্ঠুর ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষদের সম্পর্কে বলা হয়েছে।
গ
উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রতিফলিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা এবং পরার্থে আত্মনিবেদনের দিকটিকে নির্দেশ করে। মানুষের টিকে থাকাটাই সার্থকতা নয়। মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগের মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা প্রতিভাত হয়। মানবজীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো পরার্থে আত্মনিবেদন করা। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের কথা বলা হয়েছে। যিনি নিজে শিক্ষিত না হয়েও দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্জিত অর্থ অন্যের সন্তানের শিক্ষাগ্রহণের জন্য উৎসর্গ করছেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনার সঙ্গে মিলে যায়। প্রবন্ধের প্রথমেই বলা হয়েছে সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়। মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এই কাজটিই করছেন উদ্দীপকের বসির মিয়া। উদ্দীপকটি প্রবন্ধের উক্ত দিকটিকেই নির্দেশ করেছে। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকাশিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার বিষয়টির প্রতি উদ্দীপকটি নির্দেশ করেছে।
ঘ
উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি যথার্থ। পরোপকারিতা মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। সমাজ-সংসারে যদি শুধু স্বার্থপরতা বিরাজ করত তবে মানুষের জীবন থমকে যেত। মানুষের পরোপকারী চেতনাই সমাজ-সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছে এবং পৃথিবীকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করেছে। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের নিঃস্বার্থ কর্মকান্ডের কথা প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বসির মিয়া বেতাগী ঘাটের মাঝি। তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করেন। সেই অর্জিত অর্থে তিনি অন্যের সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালান। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে নির্দেশ করেছে। কারণ লেখক এই প্রবন্ধে বৃক্ষের পরোপকারী বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন এবং মানবজীবনে তার প্রতিফলন প্রত্যাশা করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের বিকাশ, পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনাকে দেখিয়েছেন। বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে সেসব অন্যকে দান করে সার্থক হয়ে ওঠে। মানবজীবনের সার্থকতার জন্য তেমন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। প্রবন্ধের এই দিকটি উদ্দীপকের বসির মিয়ার চেতনায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই দিক বিচারে তাই বলা যায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের পরোপকারী ও সেবাদানকারী চেতনার দিকটি তুলে ধরে মানবজীবনে তার প্রতিফলন প্রত্যাশা করেছেন। উদ্দীপকের বসির মিয়া প্রবন্ধের এই চেতনাকে বাস্তবে প্রয়োগ করেছেন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।
ক
বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?

উত্তর

বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে বলে বস্তুজিজ্ঞাসা।
খ
"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।"- এই কথাটি নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন- স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। অন্যের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলার পরিবর্তে তারা অন্যের জীবনের সার্থকতার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তারা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। অহংকার তাদের একমাত্র দেবতা। অহংকারের কাছে তারা আত্মনিবেদন করে। এই কারণেই তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ। সারকথা: প্রশ্নোক্ত কথাটি সমাজে স্থলবৃদ্ধি, নিষ্ঠুর ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষদের সম্পর্কে বলা হয়েছে।
গ
উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রতিফলিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা এবং পরার্থে আত্মনিবেদনের দিকটিকে নির্দেশ করে। মানুষের টিকে থাকাটাই সার্থকতা নয়। মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগের মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা প্রতিভাত হয়। মানবজীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো পরার্থে আত্মনিবেদন করা। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের কথা বলা হয়েছে। যিনি নিজে শিক্ষিত না হয়েও দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্জিত অর্থ অন্যের সন্তানের শিক্ষাগ্রহণের জন্য উৎসর্গ করছেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনার সঙ্গে মিলে যায়। প্রবন্ধের প্রথমেই বলা হয়েছে সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়। মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। এই কাজটিই করছেন উদ্দীপকের বসির মিয়া। উদ্দীপকটি প্রবন্ধের উক্ত দিকটিকেই নির্দেশ করেছে। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রকাশিত বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার বিষয়টির প্রতি উদ্দীপকটি নির্দেশ করেছে।
ঘ
উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি যথার্থ। পরোপকারিতা মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। সমাজ-সংসারে যদি শুধু স্বার্থপরতা বিরাজ করত তবে মানুষের জীবন থমকে যেত। মানুষের পরোপকারী চেতনাই সমাজ-সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছে এবং পৃথিবীকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করেছে। উদ্দীপকে একজন পরোপকারী মানুষের নিঃস্বার্থ কর্মকান্ডের কথা প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বসির মিয়া বেতাগী ঘাটের মাঝি। তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করেন। সেই অর্জিত অর্থে তিনি অন্যের সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালান। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে নির্দেশ করেছে। কারণ লেখক এই প্রবন্ধে বৃক্ষের পরোপকারী বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন এবং মানবজীবনে তার প্রতিফলন প্রত্যাশা করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের বিকাশ, পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনাকে দেখিয়েছেন। বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে সেসব অন্যকে দান করে সার্থক হয়ে ওঠে। মানবজীবনের সার্থকতার জন্য তেমন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। প্রবন্ধের এই দিকটি উদ্দীপকের বসির মিয়ার চেতনায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই দিক বিচারে তাই বলা যায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের পরোপকারী ও সেবাদানকারী চেতনার দিকটি তুলে ধরে মানবজীবনে তার প্রতিফলন প্রত্যাশা করেছেন। উদ্দীপকের বসির মিয়া প্রবন্ধের এই চেতনাকে বাস্তবে প্রয়োগ করেছেন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার বিরল উদাহরণ আব্বাস উদ্দীন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিঃস্বার্থভাবে জনগণকে কীভাবে সেবা করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। বন্যা, দুর্যোগ, খরা ইত্যাদি দুর্যোগে তিনি গরিব, এতিম, রোহিঙ্গাসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় সবসময় কাছে ছুটে গেছেন। যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধোর সবটুকু দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন। সাথে সাথে তিনি তরুণদেরকেও উদবুদ্ধ করেছেন সামাজিক কাজের প্রতি।
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

উত্তর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।
খ
"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর

তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- এই কথাটি দ্বারা লেখক মানুষের জীবনের দুঃখ-কষ্টকে নদীর চলার পথের " প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে তুলনা করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক ফুলের ফোটা এবং নদীর গতির সঙ্গে মানুষের জীবনের তুলনা করেছেন। তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর মতে, মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলব্ধ হয়, ফুলের ফোটায় নয়। কেননা ফুলের ফোটা সহজ। নদীর গতি সহজ নয়- তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। মানুষের জীবনও নানা বাধাবিঘ্নের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। সারকথা: নদীর চলার পথের প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি তুলে ধরতে গিয়ে আলোচ্য বাক্যটি ব্যবহৃত হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অন্যের সেবায় আত্মনিয়োগের বিষয়টিকে নির্দেশ করে। সমাজের অধিকাংশ মানুষ স্বার্থপর। তবে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা নিজেদের স্বার্থকে দূরে রেখে তাঁদের সর্বস্ব দিয়ে অন্যের সেবা করেন। তাঁদের মহানুভবতার জন্যই এই বিশ্ব এখনও বসবাসের উপযোগী আছে। তাঁরা অপরের কল্যাণে নিয়োজিত হওয়ার মাঝেই নিজেদের শান্তি খুঁজে পান। উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীন একজন নিঃস্বার্থ পরোপকারী মানুষ। তিনি জনপ্রতিনিধি না হয়েও নানা রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের নিঃস্বার্থ সেবার বিষয়টিকে নির্দেশ করে। বৃক্ষ যেমন ফুলে-ফলে পূর্ণতা অর্জন করে তা অন্যকে দান করে, সার্থকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে, উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ডও তেমনই। বৃক্ষের নীরব সাধনার মতো তিনিও নিঃস্বার্থভাব মানুষের সেবা করে গেছেন। সারকথা: বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পায় এবং তা অন্যকে দান করে সার্থকতার দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড এই বিষয়কেই নির্দেশ করেছে।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- মন্তব্যটি যথার্থ। অন্যের কল্যাণ কামনা যাঁরা করেন তাঁরা প্রকৃত শান্তি লাভ করেন। তাঁদের নিঃস্বার্থ চেতনা মানবকল্যাণে সার্থক হয়ে ওঠে। বিবেকসম্পন্ন মানুষ পরোপকারী চেতনায় বিশ্বাসী। মানবকল্যাণে কাজ করতে পারলেই তাঁরা নিজেদের সার্থক মনে করেন। উদ্দীপকে একজন নিঃস্বার্থ পরোপকারী মানুষের কথা বলা হয়েছে। আব্বাস উদ্দীন জনপ্রতিনিধি না. হয়েও মানুষের কল্যাণে সদা তৎপর। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের পাশে ছুটে যান এবং সাধ্যমতো সাহায্য-সহায়তা করেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের একটি বিশেষ ভাবকে ধারণ করেছে বটে, তবে সমগ্র ভাবের পরিচায়ক হয়ে উঠতে পারেনি। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক পরার্থে আত্মনিবেদিত মানুষ প্রত্যাশা করেছেন। তিনি মানবজীবনের মহত্তম প্রত্যাশা থেকে মানুষের জীবনকে বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পায় এবং অন্যকে তা দান করার মাঝে সার্থক হয়ে ওঠে। প্রবন্ধের এই দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। এটি ছাড়া প্রবন্ধের অন্যান্য বিষয় যেমন- নদীর সঙ্গে বৃক্ষের তুলনা, স্বার্থপর ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের চেতনা, বৃক্ষের বৃদ্ধির ইতিহাস ইত্যাদি বিষয় সেখানে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকের মূলয়ার জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের পরোপকারী দিকটি তুলে ধরলেও অন্যান্য বিষয় ও সাব প্রকাশ করতে পারেনি। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার বিরল উদাহরণ আব্বাস উদ্দীন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিঃস্বার্থভাবে জনগণকে কীভাবে সেবা করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। বন্যা, দুর্যোগ, খরা ইত্যাদি দুর্যোগে তিনি গরিব, এতিম, রোহিঙ্গাসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় সবসময় কাছে ছুটে গেছেন। যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধোর সবটুকু দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন। সাথে সাথে তিনি তরুণদেরকেও উদবুদ্ধ করেছেন সামাজিক কাজের প্রতি।
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

উত্তর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।
খ
"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর

তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- এই কথাটি দ্বারা লেখক মানুষের জীবনের দুঃখ-কষ্টকে নদীর চলার পথের " প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে তুলনা করেছেন। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক ফুলের ফোটা এবং নদীর গতির সঙ্গে মানুষের জীবনের তুলনা করেছেন। তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর মতে, মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলব্ধ হয়, ফুলের ফোটায় নয়। কেননা ফুলের ফোটা সহজ। নদীর গতি সহজ নয়- তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। মানুষের জীবনও নানা বাধাবিঘ্নের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। সারকথা: নদীর চলার পথের প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি তুলে ধরতে গিয়ে আলোচ্য বাক্যটি ব্যবহৃত হয়েছে।
গ
উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের ফুলে-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অন্যের সেবায় আত্মনিয়োগের বিষয়টিকে নির্দেশ করে। সমাজের অধিকাংশ মানুষ স্বার্থপর। তবে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা নিজেদের স্বার্থকে দূরে রেখে তাঁদের সর্বস্ব দিয়ে অন্যের সেবা করেন। তাঁদের মহানুভবতার জন্যই এই বিশ্ব এখনও বসবাসের উপযোগী আছে। তাঁরা অপরের কল্যাণে নিয়োজিত হওয়ার মাঝেই নিজেদের শান্তি খুঁজে পান। উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীন একজন নিঃস্বার্থ পরোপকারী মানুষ। তিনি জনপ্রতিনিধি না হয়েও নানা রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের নিঃস্বার্থ সেবার বিষয়টিকে নির্দেশ করে। বৃক্ষ যেমন ফুলে-ফলে পূর্ণতা অর্জন করে তা অন্যকে দান করে, সার্থকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে, উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ডও তেমনই। বৃক্ষের নীরব সাধনার মতো তিনিও নিঃস্বার্থভাব মানুষের সেবা করে গেছেন। সারকথা: বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পায় এবং তা অন্যকে দান করে সার্থকতার দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড এই বিষয়কেই নির্দেশ করেছে।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- মন্তব্যটি যথার্থ। অন্যের কল্যাণ কামনা যাঁরা করেন তাঁরা প্রকৃত শান্তি লাভ করেন। তাঁদের নিঃস্বার্থ চেতনা মানবকল্যাণে সার্থক হয়ে ওঠে। বিবেকসম্পন্ন মানুষ পরোপকারী চেতনায় বিশ্বাসী। মানবকল্যাণে কাজ করতে পারলেই তাঁরা নিজেদের সার্থক মনে করেন। উদ্দীপকে একজন নিঃস্বার্থ পরোপকারী মানুষের কথা বলা হয়েছে। আব্বাস উদ্দীন জনপ্রতিনিধি না. হয়েও মানুষের কল্যাণে সদা তৎপর। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের পাশে ছুটে যান এবং সাধ্যমতো সাহায্য-সহায়তা করেন। তার এই কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের একটি বিশেষ ভাবকে ধারণ করেছে বটে, তবে সমগ্র ভাবের পরিচায়ক হয়ে উঠতে পারেনি। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক পরার্থে আত্মনিবেদিত মানুষ প্রত্যাশা করেছেন। তিনি মানবজীবনের মহত্তম প্রত্যাশা থেকে মানুষের জীবনকে বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পায় এবং অন্যকে তা দান করার মাঝে সার্থক হয়ে ওঠে। প্রবন্ধের এই দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। এটি ছাড়া প্রবন্ধের অন্যান্য বিষয় যেমন- নদীর সঙ্গে বৃক্ষের তুলনা, স্বার্থপর ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের চেতনা, বৃক্ষের বৃদ্ধির ইতিহাস ইত্যাদি বিষয় সেখানে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকের মূলয়ার জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের পরোপকারী দিকটি তুলে ধরলেও অন্যান্য বিষয় ও সাব প্রকাশ করতে পারেনি। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো