শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত পলান সরকার 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আত্মত্যাগী ও মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন। মানুষ তার মনুষ্যত্বের জন্যই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে বিবেচ্য। পরার্থে জীবন উৎসর্গ করার মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। বিত্তশালী হলেও অহংকার না করে সবার সঙ্গে এক কাতারে থাকার মনোভাব অর্জনই মানবজীবনের লক্ষ্য। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক অহংকার-হিংসামুক্ত সমাজ কামনা করেছেন। অন্যের পথে অন্তরায় সৃষ্টি না করে তাকে পথ দেখানোই একজন প্রকৃত মানুষের দায়িত্ব। লেখক মানুষকে বৃক্ষের মতো আত্মত্যাগী হতে বলেছেন। বৃক্ষ যেমন ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়েও তা নিজের কাজে ব্যয় করে না, অন্যের জন্যই বৃক্ষের সাধনা—তেমনই মানুষও যেন অন্যের কল্যাণ সাধনায় কাজ করে। উদ্দীপকের পলান সরকারও নিজ কর্মের মাধ্যমে অন্যের কল্যাণ করার জন্য সমাজের পুঞ্জীভূত অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলো ছড়াতে চেয়েছেন। এজন্য তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে বই পৌঁছে দিয়েছেন। তাই পলান সরকারকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আত্মত্যাগী ও মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষের প্রতিনিধি বলা যায়। সারকথা: উদ্দীপকের পলান সরকার মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছেন কোনো বিন্দুমাত্র স্বার্থ ছাড়াই। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বৃক্ষের আদর্শ রূপটি তুলে ধরেছেন।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : জীবন ও বৃক্ষ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়ে…

উদ্দীপক

২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'তে পলান সরকারে প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি বিনা পয়সায়, পায়ে হেঁটে বই বিলি করতেন মানুষের কাছে। তিনি চেয়েছিলেন সমাজের পুষ্টীকৃত অন্দকার দুকিয়ে যায়। তিনি বিনা পয়সায়। পেজন্য 'দৈনিক প্রাথম আলো' পত্রিকা তাঁকে 'আলোর ফেরিওয়ালা অভিধায় অভিষিক্ত করেছে। ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'-তে পলান সরকারের প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি বিনা পয়সায় পায়ে হেঁটে মানুষের কাছে বই পৌঁছে দিতেন। তিনি চেয়েছিলেন সমাজের পুঞ্জীভূত অন্ধকার দূর হয়ে যাক। এজন্য 'দৈনিক প্রথম আলো' পত্রিকা তাঁকে 'আলোর ফেরিওয়ালা' অভিধায় অভিষিক্ত করেছে। [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ]

উত্তর

➤ নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়।

উত্তর

নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ-বেদনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন। নদীর চলার গতি সহজ নয়। চলার পথে তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফুলের ফোটার সঙ্গে নদীর গতির তুলনা করে নদীর গতির মাঝেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য লক্ষ করেছেন। নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ যতটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বৃক্ষের ফুল ফোটানোয় ততটা স্পষ্ট হয় না। তাই কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত পলান সরকার 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আত্মত্যাগী ও মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন। মানুষ তার মনুষ্যত্বের জন্যই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে বিবেচ্য। পরার্থে জীবন উৎসর্গ করার মধ্যেই মানবজীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। বিত্তশালী হলেও অহংকার না করে সবার সঙ্গে এক কাতারে থাকার মনোভাব অর্জনই মানবজীবনের লক্ষ্য। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক অহংকার-হিংসামুক্ত সমাজ কামনা করেছেন। অন্যের পথে অন্তরায় সৃষ্টি না করে তাকে পথ দেখানোই একজন প্রকৃত মানুষের দায়িত্ব। লেখক মানুষকে বৃক্ষের মতো আত্মত্যাগী হতে বলেছেন। বৃক্ষ যেমন ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়েও তা নিজের কাজে ব্যয় করে না, অন্যের জন্যই বৃক্ষের সাধনা—তেমনই মানুষও যেন অন্যের কল্যাণ সাধনায় কাজ করে। উদ্দীপকের পলান সরকারও নিজ কর্মের মাধ্যমে অন্যের কল্যাণ করার জন্য সমাজের পুঞ্জীভূত অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলো ছড়াতে চেয়েছেন। এজন্য তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে বই পৌঁছে দিয়েছেন। তাই পলান সরকারকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আত্মত্যাগী ও মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষের প্রতিনিধি বলা যায়। সারকথা: উদ্দীপকের পলান সরকার মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছেন কোনো বিন্দুমাত্র স্বার্থ ছাড়াই। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বৃক্ষের আদর্শ রূপটি তুলে ধরেছেন।

উত্তর

"বৃক্ষ যেমন ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পায়, তেমনই পরার্থে আত্মনিবেদিত মানবজীবনও প্রাপ্তি ও দানে পরিপূর্ণতা পায়"—উদ্দীপক ও 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ। মানুষের জীবনের মূল উদ্দেশ্য হলো মনুষ্যত্ব অর্জন করে পরার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। বৃক্ষ যেমন নিজেকে পরিপুষ্ট করে অন্যের জন্য ফল দান করে, তেমনই মানুষকেও বৃক্ষের জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হয়। পরার্থে আত্মনিবেদিত, সুকৃতিবান ও বিবেকসম্পন্ন মানবজীবনের মহত্তম প্রত্যাশা থেকেই 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক মানুষের জীবনকাঠামোকে বৃক্ষের সাথে তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, বৃক্ষের বিকাশ, পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনা। বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পেয়ে তা অন্যকে দান করে সার্থকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। মানবজীবনের সার্থকতার জন্য মানুষের নিজের সাধনাও তেমনই হওয়া উচিত বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন। উদ্দীপকের পলান সরকারও সমাজের অন্ধকার দূর করার উদ্দেশ্যে বিনা পয়সায় পায়ে হেঁটে মানুষের কাছে বই পৌঁছে দেন। এজন্যই তাঁকে 'আলোর ফেরিওয়ালা' বলা হয়েছে। উদ্দীপকের পলান সরকারের চরিত্রে যা প্রতিফলিত হয়েছে, 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও একই বিষয় ফুটে উঠেছে। উভয় ক্ষেত্রেই আত্মত্যাগের মাধ্যমে পরিপূর্ণতা লাভের দিকটি অভিন্ন। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষের সাধনা ও পরার্থে আত্মনিবেদনের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এই দিকটির সাথে উদ্দীপকের পলান সরকারের মানবহিতকর কর্মকাণ্ডের নিবিড় সাদৃশ্য রয়েছে। এসব দিক বিবেচনা করে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : জীবন ও বৃক্ষ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান।
ক
কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?
খ
বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।
গ
'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
ঘ
তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান।
ক
কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?
খ
বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।
গ
'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
ঘ
তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।

বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?

কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।
ক
বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?
খ
"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকাশে মেঘ ডাকছে ভয়ঙ্করভাবে। বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবুও বেতাগী ঘাটের বৃদ্ধ মাঝি বসির মিয়া নৌকা নিয়ে বসে আছে যাত্রীর আশায়। তার আজ আরও ১২৫ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারণ আগামীকাল মামুনের স্কুলের পরীক্ষার ফি দেওয়ার তারিখ। না, মামুন তার রক্তের কেউ নয়। উত্তর পাড়ার দরিদ্র ফজর আলীর ছেলে। এই নিয়ে একে একে পাঁচজনকে নিঃসন্তান বসির মিয়া ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। এতেই তার শান্তি।
ক
বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?
খ
"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?

বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার বিরল উদাহরণ আব্বাস উদ্দীন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিঃস্বার্থভাবে জনগণকে কীভাবে সেবা করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। বন্যা, দুর্যোগ, খরা ইত্যাদি দুর্যোগে তিনি গরিব, এতিম, রোহিঙ্গাসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় সবসময় কাছে ছুটে গেছেন। যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধোর সবটুকু দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন। সাথে সাথে তিনি তরুণদেরকেও উদবুদ্ধ করেছেন সামাজিক কাজের প্রতি।
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
খ
"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ
উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার বিরল উদাহরণ আব্বাস উদ্দীন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিঃস্বার্থভাবে জনগণকে কীভাবে সেবা করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। বন্যা, দুর্যোগ, খরা ইত্যাদি দুর্যোগে তিনি গরিব, এতিম, রোহিঙ্গাসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় সবসময় কাছে ছুটে গেছেন। যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধোর সবটুকু দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন। সাথে সাথে তিনি তরুণদেরকেও উদবুদ্ধ করেছেন সামাজিক কাজের প্রতি।
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
খ
"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ
উদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?

"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।'জীবন ও বৃক্ষ' গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে?বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো।কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়?উদ্দীপকের বসির মিয়া যেন 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল চেতনাকে ধারণ করেছেন- মন্তব্উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিককে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।"তারই চরণে এরা নিবেদিতপ্রাণ।" কথাটি কাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।বস্তুজগৎ সম্পর্কে জানার আগ্রহকে কী বলে?উদ্দীপকের মূলভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাবের পরিচায়ক নয়- বিশ্লেষণ করউদ্দীপকের আব্বাস উদ্দীনের কর্মকান্ড 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিকে নির্দে"তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়"- লেখক এই কথাটি দ্বারা কী বোঝাতে চেয়েছেন?রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকে কীসের প্রতীক করতে চেয়েছেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।