শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ।

উত্তর: ➤ "উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ আমাদের সমাজে মানবিক ও অমানবিক উভয় শ্রেণির মানুষ দেখা যায়। যারা অন্যায় আচরণ করে অসহায় মানুষকে ঠকায় তাদের বিরুদ্ধে মানবিক চেতনাধারী মানুষেরা রুখে দাঁড়ায় এবং অসহায় মানুষদের রক্ষা করে। ➤ উদ্দীপকে বর্ষকালের বৃষ্টিময় প্রকৃতির চিত্র বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে সারা রাত বৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সকালেও তার বিরাম নেই। উদ্দীপকের এই বৃষ্টিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্পূর্ণ বিপরীত প্রকৃতি দেখা যায় 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের শুরুতে। গল্পে শীতের শান্ত ভাবের কথা বলা হয়েছে। এই গল্পের মূল চেতনা এটি নয়। গল্পটির মূল চেতনাটি হলো কপিলদাস মুর্মু নামের এক বৃদ্ধের স্বজাতির অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সাঁওতালদের নিজেদের বসতবাটি থেকে উম্মলিত হওয়ার আশঙ্কা যখন তীব্রতর রূপ ধারণ করে তখন বয়সের ভারে ঝিমিয়ে পড়া, অন্য সবার কাছে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন মানুষ কপিলদাস মুর্মু অসীম সাহস নিয়ে উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। ➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে তরুণদের ভয় ও দ্বিধাকে অমূলক প্রমাণিত করে সে একাই তির-ধনুক নিয়ে আত্মত্যাগী সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক তির তার হাত থেকে ছুটতে থাকে শত্রুদের লক্ষ্য করে। কপিলদাসের মাধ্যমে জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার এই সংগ্রামী চেতনাটিই এই গল্পের মূল চেতনা, যা উদ্দীপকে প্রতিফল্ভি হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা হলো জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম যা। উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্…

উদ্দীপক

বৃষ্টি, বৃষ্টি আর বৃষ্টি। সারাটা বিকেল বৃষ্টি হলো। সারা রাত চললো তার একটানা ঝপঝপ ঝনঝন শব্দ। সকালেও তার বিরাম নেই। প্রতি বছর এ সময়ে শ্রাবণ মাসের 'ডাত্তর'। কেউ কেউ বলে বুড়ো বুড়ির 'ডাত্তর'। এই ডাত্তরের আয়ুষ্কাল পনের দিন। এই পনের দিন একটানা ঝড় বৃষ্টি হবে। জোরে বাতাস বইবে। বাতাস যদি বেশি থাকে আর অমাবস্যা কি পূর্ণিমার জোয়ারের যদি নাগাল পায় তাহলে সর্বনাশ। নির্ঘাত বন্যা!

উত্তর

কপিলদাস মুর্মু শেষ পর্যন্ত জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামের এক আপসহীন যোদ্ধা হয়ে ওঠে।

উত্তর

➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের টাঙনের পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এর স্রোতে শীতের শান্ত ভাবটা সব সময় ধরা থাকে। ➤ নদীতে পানি বেশি থাকলে এর স্রোতেও তীব্রতা দেখা যায়। আর পানির পরিমাণ কমে গেলে সেই নদী হয়ে পড়ে শান্ত ও স্থবির। টাঙনের অবস্থাও এমনই হয়েছে। পানি কমে যাওয়ায় বাতাস উঠলে এখন এর পানিতে কাঁপন লাগে না। সাঁকোর ওপর দিয়ে চিনি কলের ভারী আখ বওয়া ট্রাকগুলো যাওয়ার সময় পানির স্রোত কাঁপে না, সাঁকোর থামগুলো গুমগুম শব্দ করে উঠলেও পানির স্রোত তেমনই ধীর ও শান্ত থাকে। এই কারণেই টাঙনের স্রোতে শীতের শান্ত ভাবটা সব সময় ধরা থাকে। সারকথা: টাঙনের পানির স্তর অনেক নিচে থাকায় ওই নদীতে স্রোত নেই। ফলে তাতে শীতের শান্ত ভাব সব সময় ধরা থাকে।

উত্তর

➤ উদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের শুরুর দিককার শীতের শান্ত ভাবটির সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ বাংলাদেশ আষাঢ় ও শ্রাবণ বর্ষাকাল। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে নদী-নালা, খাল-বিল ভরে ওঠে। আবার শীতকালে বৃষ্টি থাকে না। তখন নদ-নদীর পানির স্তর একেবারে নিচে নেমে যায়। তাতে শান্ত ভাব দেখা যায়। ➤ উদ্দীপকে সারা বিকেল ধরে বৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই বৃষ্টি সারা রাত একটানা ঝপঝপ ঝনঝন শব্দে চলে। একটানা পনেরো দিন ঝড়-বৃষ্টি ও জোরে বাতাস বয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। আবার অমাবস্যা কি পূর্ণিমার জোয়ার হলে বন্যা দেখা দিতে পারে। এমন বিষয় উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে বৃষ্টির পরিবর্তে শীতের শার ভাব লক্ষ করা যায়। কারণ শীতের সময় টাঙন নদীতে পানি কম, তাই বাতাস উঠলেও সেখানে পানিতে কাঁপন লাগে না। এই গল্পে আসমান ও দিগন্তজুড়ে শীতের যে শান্ত ভাবের প্রসঙ্গ গল্পটিতে ফুটে উঠেছে তা উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: উদ্দীপকে বর্ষা ঋতুর যে বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে, তা গল্পে প্রকৃতিতে শীতের শান্ত ভাবের বিপরীত।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ আমাদের সমাজে মানবিক ও অমানবিক উভয় শ্রেণির মানুষ দেখা যায়। যারা অন্যায় আচরণ করে অসহায় মানুষকে ঠকায় তাদের বিরুদ্ধে মানবিক চেতনাধারী মানুষেরা রুখে দাঁড়ায় এবং অসহায় মানুষদের রক্ষা করে। ➤ উদ্দীপকে বর্ষকালের বৃষ্টিময় প্রকৃতির চিত্র বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে সারা রাত বৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সকালেও তার বিরাম নেই। উদ্দীপকের এই বৃষ্টিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্পূর্ণ বিপরীত প্রকৃতি দেখা যায় 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের শুরুতে। গল্পে শীতের শান্ত ভাবের কথা বলা হয়েছে। এই গল্পের মূল চেতনা এটি নয়। গল্পটির মূল চেতনাটি হলো কপিলদাস মুর্মু নামের এক বৃদ্ধের স্বজাতির অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সাঁওতালদের নিজেদের বসতবাটি থেকে উম্মলিত হওয়ার আশঙ্কা যখন তীব্রতর রূপ ধারণ করে তখন বয়সের ভারে ঝিমিয়ে পড়া, অন্য সবার কাছে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন মানুষ কপিলদাস মুর্মু অসীম সাহস নিয়ে উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। ➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে তরুণদের ভয় ও দ্বিধাকে অমূলক প্রমাণিত করে সে একাই তির-ধনুক নিয়ে আত্মত্যাগী সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক তির তার হাত থেকে ছুটতে থাকে শত্রুদের লক্ষ্য করে। কপিলদাসের মাধ্যমে জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার এই সংগ্রামী চেতনাটিই এই গল্পের মূল চেতনা, যা উদ্দীপকে প্রতিফল্ভি হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূল চেতনা হলো জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম যা। উদ্দীপকে অনুপস্থিত।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জমিদার, মহাজন এবং ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ, জমির অধিকার হারানো এবং সাংস্কৃতিক নিপীড়নের কারণে ১৮৫৫- ৫৬ সালে সাঁওতাল বিদ্রোহ হয়। সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব- এই চার ভাইয়ের নেতৃত্বে রুখে দাঁড়ায় সাঁওতাল সমাজ। এই যুদ্ধে সাঁওতালরা গেরিলা যুদ্ধের কৌশল ব্যবহার করেছিল এবং তারা ধনুক ও তিরের মতো ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। সাঁওতালদের তির-ধনুকের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল ইংরেজ বন্দুক-কামান। এতে শহিদ হন প্রায় দশ হাজার মানুষ।
ক
কপিলদাসের ছেলের নাম কী?
খ
"একবার নয়, ঘুরে ঘুরে কথাটা সে বলেই চলল।"- কোন কথা এবং কেন বলেই চলল?
গ
উদ্দীপকের সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?
ঘ
"নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে বিদ্রোহে-সংগ্রামে রুখে দাঁড়ায়।"- উদ্দীপক ও 'কপিলদাস 8 ৩ মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের আলোকে সত্যতা যাচাই কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জমিদার, মহাজন এবং ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ, জমির অধিকার হারানো এবং সাংস্কৃতিক নিপীড়নের কারণে ১৮৫৫- ৫৬ সালে সাঁওতাল বিদ্রোহ হয়। সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব- এই চার ভাইয়ের নেতৃত্বে রুখে দাঁড়ায় সাঁওতাল সমাজ। এই যুদ্ধে সাঁওতালরা গেরিলা যুদ্ধের কৌশল ব্যবহার করেছিল এবং তারা ধনুক ও তিরের মতো ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। সাঁওতালদের তির-ধনুকের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল ইংরেজ বন্দুক-কামান। এতে শহিদ হন প্রায় দশ হাজার মানুষ।
ক
কপিলদাসের ছেলের নাম কী?
খ
"একবার নয়, ঘুরে ঘুরে কথাটা সে বলেই চলল।"- কোন কথা এবং কেন বলেই চলল?
গ
উদ্দীপকের সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?
ঘ
"নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে বিদ্রোহে-সংগ্রামে রুখে দাঁড়ায়।"- উদ্দীপক ও 'কপিলদাস 8 ৩ মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের আলোকে সত্যতা যাচাই কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."একবার নয়, ঘুরে ঘুরে কথাটা সে বলেই চলল।"- কোন কথা এবং কেন বলেই চলল?

"একবার নয়, ঘুরে ঘুরে কথাটা সে বলেই চলল।"- কোন কথা এবং কেন বলেই চলল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কপিলদাসের ছেলের নাম কী?

কপিলদাসের ছেলের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

এই মানবিকতাকে যদি বাঙালি সংস্কৃতির একটা মুখ্য প্রকাশ বলে গণ্য করি, তাহলে উনিশ-বিশ শতকের বাংলা সংস্কৃতিতে সেই মানববাদের বিচিত্র রূপ প্রত্যক্ষ করি। পুরনো ধারার সংস্কৃতিতে সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু প্রতিবাদ আছে। একালের সংস্কৃতিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের কথা সরবে শোনা যায়। এই দিক দিয়ে দেখলে আমাদের সংস্কৃতির প্রবহমান ধারায় মানবকল্যাণ ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতি সুস্পষ্ট পক্ষপাত ফুটে উঠেছে। আমাদের সংস্কৃতির বিচিত্র রূপ নিয়ে যেমন আমরা গর্ব করতে পারি, তেমনি তার এই ভাববস্তুও আমাদের গৌরবের বিষয়।
ক
'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কাদের গলায় শানানো স্বরের কথা বলা হয়েছে?
খ
"কপিলদাস দেখতে দেখতে নিজের যৌবনকালে চলে যায়।"- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে প্রতিফলিত মানবিক চেতনা এবং 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মানবিক চেতনা একসূত্রে 8 গাঁথা।"- মন্তব্যক্টির যথার্থতা প্রমাণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

এই মানবিকতাকে যদি বাঙালি সংস্কৃতির একটা মুখ্য প্রকাশ বলে গণ্য করি, তাহলে উনিশ-বিশ শতকের বাংলা সংস্কৃতিতে সেই মানববাদের বিচিত্র রূপ প্রত্যক্ষ করি। পুরনো ধারার সংস্কৃতিতে সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু প্রতিবাদ আছে। একালের সংস্কৃতিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের কথা সরবে শোনা যায়। এই দিক দিয়ে দেখলে আমাদের সংস্কৃতির প্রবহমান ধারায় মানবকল্যাণ ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতি সুস্পষ্ট পক্ষপাত ফুটে উঠেছে। আমাদের সংস্কৃতির বিচিত্র রূপ নিয়ে যেমন আমরা গর্ব করতে পারি, তেমনি তার এই ভাববস্তুও আমাদের গৌরবের বিষয়।
ক
'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কাদের গলায় শানানো স্বরের কথা বলা হয়েছে?
খ
"কপিলদাস দেখতে দেখতে নিজের যৌবনকালে চলে যায়।"- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকে প্রতিফলিত মানবিক চেতনা এবং 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মানবিক চেতনা একসূত্রে 8 গাঁথা।"- মন্তব্যক্টির যথার্থতা প্রমাণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."কপিলদাস দেখতে দেখতে নিজের যৌবনকালে চলে যায়।"- ব্যাখ্যা কর।

"কপিলদাস দেখতে দেখতে নিজের যৌবনকালে চলে যায়।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কাদের গলায় শানানো স্বরের কথা বলা হয়েছে?

'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কাদের গলায় শানানো স্বরের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের জ্ঞানগুরু প্লেটো মিসর ভ্রমণকালে মাথায় করে তেল বেচে রাস্তা-খরচ যোগাড় করতেন। যে কুঁড়ে, আলসে, ঘুষখোর ও চোর, সেই হীন। ব্যাবসা বা ছোট স্বাধীন কাজে মানুষ হীন হয় না- হীন হয় মিথ্যা চতুরতা ও প্রবঞ্চনায়। পাছে জাত যায়, সম্মান নষ্ট হয়- এই ভয়ে পরের গলগ্রহ হয়ে মাসের পর মাস কাটিয়ে দিচ্ছ? সম্মান কোথায়, তা তুমি টের পাওনি? সৎ উপায়ে যে পয়সা উপায় করা যায় তাতে তোমার আত্মার পতন হবে না। তোমার আত্মার পতন হবে আলস্যে ও অসাধুতায়। তোমারই স্পর্শে কাজ গৌরবময় হবে।
ক
কার কাছে সবই একটার সঙ্গে আরেকটা মেলানো বলে মনে হয়?
খ
"সেখানে কাঁপন নেই, উত্তেজনা নেই, চিৎকার নেই।"- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূলভাব কি এক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের জ্ঞানগুরু প্লেটো মিসর ভ্রমণকালে মাথায় করে তেল বেচে রাস্তা-খরচ যোগাড় করতেন। যে কুঁড়ে, আলসে, ঘুষখোর ও চোর, সেই হীন। ব্যাবসা বা ছোট স্বাধীন কাজে মানুষ হীন হয় না- হীন হয় মিথ্যা চতুরতা ও প্রবঞ্চনায়। পাছে জাত যায়, সম্মান নষ্ট হয়- এই ভয়ে পরের গলগ্রহ হয়ে মাসের পর মাস কাটিয়ে দিচ্ছ? সম্মান কোথায়, তা তুমি টের পাওনি? সৎ উপায়ে যে পয়সা উপায় করা যায় তাতে তোমার আত্মার পতন হবে না। তোমার আত্মার পতন হবে আলস্যে ও অসাধুতায়। তোমারই স্পর্শে কাজ গৌরবময় হবে।
ক
কার কাছে সবই একটার সঙ্গে আরেকটা মেলানো বলে মনে হয়?
খ
"সেখানে কাঁপন নেই, উত্তেজনা নেই, চিৎকার নেই।"- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূলভাব কি এক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."সেখানে কাঁপন নেই, উত্তেজনা নেই, চিৎকার নেই।"- ব্যাখ্যা কর।

"সেখানে কাঁপন নেই, উত্তেজনা নেই, চিৎকার নেই।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কার কাছে সবই একটার সঙ্গে আরেকটা মেলানো বলে মনে হয়?

কার কাছে সবই একটার সঙ্গে আরেকটা মেলানো বলে মনে হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে বিদ্রোহে-সংগ্রামে রুখে দাঁড়ায়।"- উদ্দীপকের সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের কোন চরিত্রের "একবার নয়, ঘুরে ঘুরে কথাটা সে বলেই চলল।"- কোন কথা এবং কেন বলেই চলল?কপিলদাসের ছেলের নাম কী?"উদ্দীপকে প্রতিফলিত মানবিক চেতনা এবং 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মানবিক চেতউদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যা"কপিলদাস দেখতে দেখতে নিজের যৌবনকালে চলে যায়।"- ব্যাখ্যা কর।'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কাদের গলায় শানানো স্বরের কথা বলা হয়েছে?উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূলভাব কি এক? তোমার উত্তরেউদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যা"সেখানে কাঁপন নেই, উত্তেজনা নেই, চিৎকার নেই।"- ব্যাখ্যা কর।কার কাছে সবই একটার সঙ্গে আরেকটা মেলানো বলে মনে হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।