উদ্দীপকের দূষণ রোধে মানুষের সচেতনতা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের নদী ও পুকুরের পানি দূষণ রোধে সরকারি কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- উদ্দীপকে দেখা যায়, কলকারখানার বর্জ্য এবং গ্রামের মানুষের অসচেতন ব্যবহারের ফলে নদী ও পুকুরের পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। পানিদূষণ প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান কৌশল হলো দূষণের কারণগুলো সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। শিল্পকারখানার মালিকদের অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি পানিতে না ফেলার বিষয়ে সচেতন করতে হবে এবং এক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংবাদপত্র, টেলিভিশন এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন সেমিনার বা উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে পুকুর বা নদীর পানিতে কাপড় কাচা বা গোসল করার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বুঝিয়ে বলতে হবে। বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক র্যালি বা জলাভূমি পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পানি রক্ষার আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। পানি প্রাপ্তি সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার, তাই এটি সংরক্ষণের দায়িত্বও সবার। উদ্দীপকের সাবিনার মতো প্রতিটি নাগরিক যদি পানি বিশুদ্ধকরণের পাশাপাশি দূষণ রোধে ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হয়, তবেই এই সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব। সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে বলা যায়, সম্মিলিত সামাজিক উদ্যোগ এবং সঠিক প্রচারণাই পারে একটি সুস্থ ও দূষণমুক্ত উন্নত জীবনধারা নিশ্চিত করতে।
SSC বিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবনের জন্য পানি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবনের জন্য পানি · সৃজনশীল
উদ্দীপকের দূষণ রোধে মানুষের সচেতনতা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় বিশ্লেষণ …
উদ্দীপক
Barisal · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর