বোতলজাত পানির কারখানায় উল্লিখিত কোন প্রক্রিয়াটি বেশি উপযোগী? যুক্তিসহ মতামত দাও।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত পানি জীবাণুমুক্ত করার প্রথম প্রক্রিয়াটি হলো স্ফুটন এবং দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটি হলো ক্লোরিনেশন। বোতলজাত পানির কারখানায় ক্লোরিনেশন প্রক্রিয়াটি বেশি উপযোগী। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো- বিশাল পরিসরে উপযোগিতা: বোতলজাত পানির কারখানায় প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার পানি একসাথে বিশুদ্ধ করতে হয়। এত বিপুল পরিমাণ পানি ফুটিয়ে (স্ফুটন) জীবাণুমুক্ত করা অবাস্তব এবং কারখানার জন্য মোটেও লাভজনক নয়। কিন্তু ক্লোরিনেশন পদ্ধতিতে বড়ো বড়ো ট্যাংকে ব্লিচিং পাউডার [ [গণিত] ] বা সোডিয়াম হাইপো-ক্লোরাইট ( [গণিত] ) মিশিয়ে খুব সহজেই একসাথে অনেক পানি জীবাণুমুক্ত করা যায়। দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা: পানি ফুটানোর পর তা ঠাণ্ডা করার সময় বা বোতলে ভরে দীর্ঘদিন দোকানে রেখে দিলে তাতে পুনরায় রোগজীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে। কিন্তু ক্লোরিনেশনের একটি বড়ো সুবিধা হলো, পানিতে ক্লোরিনের কার্যকারিতা বেশ কিছুদিন থেকে যায়। ফলে বোতলজাত করার পরও পানি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত জীবাণুমুক্ত ও নিরাপদ থাকে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়: হাজার হাজার লিটার পানি স্ফুটন বা ফুটানো শুরু করার পর আরও ১৫ – ২০ মিনিট ফুটিয়ে রাখতে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস বা বৈদ্যুতিক জ্বালানির প্রয়োজন হয়। এতে কারখানার উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাবে। পক্ষান্তরে, ক্লোরিনেশন একটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং কম খরচের প্রক্রিয়া। সময় ও শ্রমের সাশ্রয়: স্ফুটন পদ্ধতিতে পানি ফুটানো এবং পরবর্তীতে তা ঠান্ডা করার জন্য দীর্ঘ সময় ও শ্রমের অপচয় হয়। কিন্তু ক্লোরিনেশন পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট মাত্রায় রাসায়নিক বা কিট ব্যবহার করে খুব দ্রুত পানিকে জীবাণুমুক্ত করে বাজারজাত করা সম্ভব হয়। সুতরাং বলা যায়, বাসাবাড়িতে পানের জন্য স্ফুটন বা ফুটানো একটি সহজ ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি হলেও, বাণিজ্যিক ও শিল্পকারখানার প্রেক্ষাপটে ক্লোরিনেশন পদ্ধতিটিই একমাত্র বাস্তবসম্মত ও উপযোগী মাধ্যম।
SSC বিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবনের জন্য পানি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবনের জন্য পানি · সৃজনশীল
বোতলজাত পানির কারখানায় উল্লিখিত কোন প্রক্রিয়াটি বেশি উপযোগী? যুক্তি…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর