a যৌগটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে প্রদত্ত সমীকরণটিকে সম্পূর্ণ করে পাই, [চিত্র] সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'a [গণিত] যৌগটি হলো সালফিউরিক এসিড ( [গণিত] )। নিচে সালফিউরিক এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো— ১. এটি অজৈব এসিড ও খনিজ এসিড। ২. এটি শক্তিশালী এসিড। ৩. শরীরে লাগলে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং কাপড়ে লাগলে কাপড়ও পুড়ে যায় কিংবা ছিদ্র হয়ে যায়। ৪. এর সংস্পর্শে কোনো ধাতব পদার্থ এলে তাও ক্ষয় হয়ে যায়। ৫. এটি টয়লেট পরিষ্কারকের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৬. পানির সাথে মিশলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। ৭. ক্ষার ও ক্ষারক অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। ৮. এটি পানিতে পুরোপুরি বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন ( [গণিত] ) বিমুক্ত করে।
SSC বিজ্ঞান অধ্যায়-৭ : অম্ল, ক্ষারক ও লবণের ব্যবহার CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বিজ্ঞান · অধ্যায়-৭ : অম্ল, ক্ষারক ও লবণের ব্যবহার · সৃজনশীল
a যৌগটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক

Barisal · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, ' যৌগটি হলো সালফিউরিক এসিড ()। নিচে সালফিউরিক এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো—
১. এটি অজৈব এসিড ও খনিজ এসিড।
২. এটি শক্তিশালী এসিড।
৩. শরীরে লাগলে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং কাপড়ে লাগলে কাপড়ও পুড়ে যায় কিংবা ছিদ্র হয়ে যায়।
৪. এর সংস্পর্শে কোনো ধাতব পদার্থ এলে তাও ক্ষয় হয়ে যায়।
৫. এটি টয়লেট পরিষ্কারকের মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৬. পানির সাথে মিশলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।
৭. ক্ষার ও ক্ষারক অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
৮. এটি পানিতে পুরোপুরি বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন () বিমুক্ত করে।উত্তর
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, b হলো ক্যালসিয়াম সালফেট , যা একটি লবণ। নিচে কৃষি ক্ষেত্রে ও শিল্প-কারখানায় লবণের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো—
কৃষিক্ষেত্রে : মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য আমরা যে চুন ব্যবহার করি তা একটি লবণ। আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করি তাদের বেশিরভাগই লবণ। যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (), অ্যামোনিয়াম ফসফেট [], পটাশিয়াম নাইট্রেট () ইত্যাদি। কপার সালফেট () কৃষি জমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এটি শৈবালের উৎপাদন দমনে খুবই কার্যকরী।
শিল্প-কারখানায় : শিল্প-কারখানায় নানা কাজে লবণ অপরিহার্য। যেমন- চামড়া শিল্পে চামড়ার ট্যানিং করতে, মাখন ও পনিরের শিল্পোৎপাদনে, কাপড় কাচার সোডা ও খাবার সোডা তৈরি করতে, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজে খাবার লবণ ব্যবহৃত হয়। টেক্সটাইল ও রং তৈরির কারখানায় রং ফিক্স করতে এবং ধাতুর বিশুদ্ধকরণে লবণ ব্যবহার করা হয়। রাবার প্রস্তুতিতে রাবারকে ল্যাটেক্স থেকে আলাদা করা হয় লবণ ব্যবহার করে। ওষুধ কারখানায় স্যালাইন ও অন্যান্য ঔষধেও লবণ ব্যবহার হয়।